নিবন্ধন
ফ্ল্যাটের জমি নিবন্ধনের জন্য .
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফ্ল্যাটের জমি নিবন্ধনের জন্য .
> সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ০৭ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সকল সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু NS1 পরীক্ষা সম্পূর্ণ ফ্রি করার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও, বিরল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আমার কাছ থেকে NS1 পরীক্ষার জন্য ৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে। সরকারি আদেশ অমান্য করে টাকা নেওয়া স্পষ্ট দুর্নীতি ও অনিয়ম। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করছি।
আমার নিকট আত্মীয়ের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ গ্রহণের জন্য স্থানীয় কাউন্সিলর অফিসে যাই। ফি কত জিজ্ঞেস করলে প্রতিটি ফরমের জন্য ৩০০০ টাকা দিতে হবে বলে জানানো হয়। এ ছাড়া কাজ হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েও দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে পরে দুটি ফরমের জন্য ৬০০০ টাকা ক্যাশ দেওয়া হয়।
ব্যক্তি পর্যায়ে নকশা অনুমোদনে ৫০ হাজার থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার পর্যায়ে ২ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা টাকা পর্যন্ত রাজউক কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে হয়। আবার ১০ তলার বেশি ইমারতের নকশা অনুমোদনে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার পর্যায়ে ফি-র অতিরিক্ত ১৫ লাখ থেকে ৪০ লাখ টাকা এবং বিশেষ প্রকল্পের ক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার পর্যায়ে ১৫ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।এছাড়া নকশা অনুমোদনে সময়ক্ষেপণ, সেবায় প্রতারণা ও হয়রানি, পরিদর্শনে অনিয়ম ও দুর্নীতি, নকশা বাস্তবায়নে আইন ও বিধির লঙ্ঘন, প্লট বরাদ্দ, প্লট হস্তান্তর, ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তরসহ একাধিক সেবায় ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না।
নেত্রকোনা জেলা জজ কোর্টে মামলার তথ্য নিতে গিয়েছিলাম।তখন তিনি এ তথ্য প্রদানের বিনিময়ে চা-নাস্তা বাবদ খরচ চেয়েছেন।
জমি খারিজ করার জন্য গেছিলাম সব মিলিয়ে ৫০০০ টাকা চেয়ে ছিল। আমি দিবো না বলছি। তাই কাজ হবে না
আমি মনোহরদী পৌরসভায় একটি জায়গা কিনেছি। আমার জায়গাটি খারিজ/নামজারি জমাভাগ করার জন্য আমি আবেদন করেছি। ৯ শতাংশ জায়গা। এটা খারিজ করার জন্য মনোহরদি এসিল্যান্ড তার নাজিরের মাধ্যমে ৮০,০০০ টাকা দাবি করেছে।
আমি নিজে নিজে পাসর্পোটের আবেদন করে পাসর্পোট করতে গিয়েছি, আমার সব কাগজ পত্র ঠিক থাকা শর্তেও উনারা আমার আবেদন গ্রহন করে না, বাহিরে দালাল রা ঘুরাঘুরি করে আর যাদের আবেদন গ্রহন করে না তাদের কে দরে বলে যে 2000 টাকা দেন আবেদন ওকে করে দিবো। এ ছাড়াও দালালের মাধ্যমে আবেদন করলে কোন কাগজ-পত্র উনারা যাচাই করার প্রয়োজন মনের করে না, সরাসরি প্রিঙ্গার এর রুমে পাঠিয়ে দেয়।
আমি পাসপোর্টের আবেদন নিয়ে গিয়েছিলাম । ওখানের নিয়ম হল পাসপোর্ট অফিসের সাথে থাকা দোকান গুলো থেকে আবেদন করতে হবে । তাহলে তারা কিছু টাকা বেশি রেখে একটা সিল মেরে দেয়। আর আই সিল দেখেই ভিতরের অফিসাররা ফর্ম জমা নেয় । সিল না থাকলে নিবে না । বাধ্য হয়ে এটা করতে হয়।
While applying for NID, the officer asked for endless amount of papers. After providing all necessary documents on 3(three) different days, he asked for "boksis". He asked for 200/- tk unlawfully in ward no.-17 for his personal transport cost. At the end, I had to give him the bribe.
টাকার বিনিময়ে অনিয়মের মাধ্যমে লাইসেন্স চুক্তি
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক উত্তর বিভাগের বর্তমানে কর্মরত আরও আরআরএল ছুটি ছাড়ানোর নাম করে আমার থেকে টাকা খেয়েছে।
আমাদের কে আমার চাচারা মারতে ছিলো। আমি পালিয়ে গিয়ে ৯৯৯কল দিয়ে পুলিশকে আনি বিপদ থেকে বাচার জন্য। তারা আসে এবং উভয়ই পক্ষকে বলে মামলা করতে।তারপরো আমার বাবার কাছ থেকে প্রথমে ১০০০ টাকা নেয়।এর পর যখন থানায় যাই তখন আরো দাবি করে যে চার জনের কি ওই টাকাই হই।আরো দিতে হবে তখন আমার বাবা বাধ্য হয়ে আরো ৫০০ টাকা প্রদান করে।এই যদি হই সরকারি আইনের ব্যাবস্তা তাহলে আমারা সাধারন মানুষ কাদের উপরে ভরসা করবো।
আমার চাকরির বেতন করা তে যে বিকাশে টাকাটা পেইড করা হয়
ফরিদপুর জেলা থানা পুলিশ ভেরিফিকিশন বা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে টাকা লাগে
কর অঞ্চল ১২ ঢাকায় অবস্থিত রেঞ্জ - ৪ এর পি এ অডিট ফাইলের জন্য, 5 লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন। যদি ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দেই তাহলে আমার ট্যাক্স হবে শুন্য আর যদি পাঁচ লক্ষ না দেই তাহলে আমার ফাইলে কিসের জানি 93 করবে। আমি খুব ভয়ে আছি এখন আমি কি করতে পারি?
সাভার এজি অফিসে কোন সেবা নিতে গেলে দুই হাজার টাকার নিচে করে না,
নামজারি করে ২৫০০০চাওয়া
আজকে সিটি করপোরেশন অফিসে গিয়েছিলাম. আমাদের কোম্পানির ট্টেট লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য.... তো পক্রিকা মতো অনলাইনে. ফি জমা দেওয়ার পরে.. সিলিফ নিয়ে সেখান থেকে শুধু কাগজ টা দিবে এতে তাদের কে খরচ দিতে হবে.... তা না হয়ে কাগজ এক মাস পরে আসবে...
বেসরকারি এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন পিওন পদের জন্য আমার কাছে ৭০০০০০/- দাবি করেছিলো অত্র প্রতিষ্ঠানের সুপার, আমি এত টাকা চাওয়ার কারনে প্রত্যাখ্যান করছি।