to make passport
বাস্তব অভিজ্ঞতা : পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে প্রথমে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু কাউন্টারে যাওয়ার পর নানা জটিলতা ও নিয়মের অজুহাত দেখিয়ে বলা হলো, এগুলো সমাধান করতে অনেক সময় লাগবে। বাধ্য হয়ে একপর্যায়ে অফিস থেকে বের হয়ে আসি। বাইরে একটি দোকানে কথা বলতেই একজন পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে সব ঠিক করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। টাকাটা দেওয়ার পরই দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে গেল—ভেতরে ঢুকতেই কোনো রকম ঝামেলা ছাড়া সরাসরি ডাক পড়ল, চটজলদি ছবি তোলা হলো এবং চোখের পলকে কাজ শেষ হয়ে গেল। যেখানে নিয়ম মেনে চলতে গেলে সাধারণ মানুষকে পদে পদে হয়রানি হতে হয়, সেখানে বাড়তি টাকা ফেললেই সব অসম্ভব মুহূর্তেই সম্ভব হয়ে যায়। সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের জিম্মি করে পুরো ব্যবস্থাটাই যেন এই ঘুষের সিন্ডিকেটের ওপর চলছে।