হোল্ডিং বই এ এন্ট্রি
আমি অনলাইনে জমে খারিজ করতে দেওয়ার পরে ভূমি অফিসে গেলাম হোল্ডিং খাতাতে ইনসি করার জন্য কিন্তু তখন সেখানে আমার থেকে দেড়শ টাকা চাই রশিদ দিতে রাজি হয় না পরবর্তীতে আমি সেটাকে না দিয়ে যে চলে আসি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি অনলাইনে জমে খারিজ করতে দেওয়ার পরে ভূমি অফিসে গেলাম হোল্ডিং খাতাতে ইনসি করার জন্য কিন্তু তখন সেখানে আমার থেকে দেড়শ টাকা চাই রশিদ দিতে রাজি হয় না পরবর্তীতে আমি সেটাকে না দিয়ে যে চলে আসি
১০ দিন পরের এডভ্যান্স টিকেট অনলাইনে না পেয়ে স্টেশনে কাউন্টারেও পাই নি। পরে এক দুইজন স্টেশনের গার্ড বললো টিকেট আছে। পরে ৪০০ টাকার টিকিট ৬০০ টাকা দিয়ে নিয়েছি। ১০ দিনের পরের টিকেট ও নিজেরাই ব্ল্যাক নিয়ে নেয়। আর আগে ভোটার কার্ড চেক করত। এই সরকার আসার পর ট্রেন কর্তৃপক্ষ নিজেরাই ব্ল্যাক এর সাথে জড়িত। ভোটার কার্ডের চেক করে না।
আমি সরকারি ভাবে পাসপোর্ট এপ্লাই করি, টাকা জমা দি সকল কিছু ঠিক আছে তাও আবেদন জমা নিচ্ছে না, পরে দালাল কে ২০০০ দি করিয়ে নিলাম পাসপোর্ট। স্থান : লক্ষীপুর পাসপোর্ট অফিস
ঘুষ গ্রহনের নিমিত্তে ঈঙ্গিত প্রদান করেছিল।
LPR এর বিল ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে পাওয়ার কথা থাকলেও আজ ছয় মাস চলছে এখনো বিলটি পাইনি কারণ আমি তাদের চাহিদা কৃত অর্থ অর্থাৎ ঘোষ আজও পরিশোধ না করায় আমার বিলটি তারা পেন্ডিং রেখেছে
বর্তমানে গর্ভবতী ভাতার জন্য আবেদন করা যাচ্ছে যেটি প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে দিয়ে থাকে ৩৬ মাস পর্যন্ত এটার জন্য যে কোন মানুষ আবেদন করলে তাদের থেকে মোটা অংকের টাকা নিচ্ছে 2000 থেকে শুরু করে 5000 টাকা পর্যন্ত। তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ না করলে তারা আবেদনটি অনুমোদন দেয় না পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা। আমার থেকে ৩ হাজার টাকা চাওয়া হলে দুই হাজার টাকা দিয়ে আসি
আমরা আবাসিক ভবনে কেন স্কুল করলাম রাজউক এসে আমাদের থেকে অঙ্গীকার নামা নিয়েছে যে আমরা যাতে রাজউকের অনুমোদন নিই তিন মাসের মধ্যে । আমি বললাম ঢাকাতে হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান আছে আবাসিক বিল্ডিংয়ে । পরবর্তীতে তাদের লোক আমার সাথে communicate করে আর বলে টাকা লাগবে | জিজ্ঞেস করলাম কত টাকা বললো পাঁচ লক্ষ |
আমার আসামির পিসি কার্ডে জমা দেওয়ার জন্য টাকা দিলে টাকা জমা না করে ১০০০/- টাকা খাই ফেলে, এবং কাপড় আর নাস্তা দেওয়ার জন্য ১০০০/- টাকা ঘুষ নিয়েছে।
সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকলেও দালাল ছাড়া পাসপোর্ট এর অ্যাপ্লিকেশন জমা নেয় না। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য টাকা দিতে হয়েছে।
বেতন করতে ট্রেজারি অফিসে নাকি তাদের টাকা দিতে হবে
বিদেশে আসার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দালাল ছাড়া কাজ হয় নাই, ৩০০০টাকা নিয়ে ছিলো,তার পর সিরিয়াল দেয়,তার আগে যত বার গিয়েছি, বার বার বলে কাগজ ঠিক নেই,টাকা নেওয়ার পর সব কাগজ ঠিক হয়ে গেলো,
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ভেরিফিকেশনের জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে বাধ্য হয়ে।
নতুন লাইসেন্স নিয়ে মেলা তামাশা হয় এখানে। বাইক চালাতে পারে এমন ব্যক্তিকেও মেলা বার ফেল করানো হয়, অবশেষে ৫ হাজার টাকা দালাল কে দিয়ে সব ঠিকঠাক করা হয়।
নতুন ফ্ল্যাটে নতুন বিদ্যুৎ এর মিটার আবেদন করেছিলাম। সাইট ইন্জিনিয়ার বাসায় এসে টাকা দাবি করে ৪০০০/- এখনো clearance না দেওয়ায় মিটার পাশ হচ্ছে না।৫০০/- টাকা দেওয়া হয়েছে।
কাজ করার ক্ষেত্রে দীর্ঘসুত্রিতা, সময় লাগবে, ফাইলের খরচ
সেখানে তাদের দালানের মাধ্যমে গেলে কাজ হয় তা নাহলে কাজ করতে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়।
১৮ তম নিবন্ধনে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার পর বেতন চালু করার জন্য টাকা দেয়া লাগছে। নাহলে সিস্টেম থেকে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। ফাইল সব কিছু ওকে থাকার পরেও( অন্যান্য কারন দেখিয়ে) রিজেক্ট করে দেয়। টাকা ছাড়া ফাইল ছাড়বে না। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বেতন চালু করা লাগছে। এটা শুধু আমার কথা নয়, হাজারো এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের কথা।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক শেরপুর জেলা নকলা খাশা থেকে সিসি লোন তোলার জন্য ৩০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়
গাজীপুর শ্রীপুর পৌরসভা ১০ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রি করতে গেলে সাব রেজিস্ট্রার এই ঘুষ দাবি করেন,
সাধারন সরকারি দলিল খরচ এর থেকে বেশি টাকা নেওয়া হয়,, দলিল লেখক ও ভূমি অফিসের লোক সরাসরি জরিত