পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন
৫০০০টাকা দাবি করে ছিল ১০০০ টাকা পরিশোধ করেছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
৫০০০টাকা দাবি করে ছিল ১০০০ টাকা পরিশোধ করেছি
বেতন-ভাতা বিল ফিক্সেশন ও যাতায়াত ভাতা বের করে দিবে বলে ১০০০ টাকা মিডিয়াকে দিয়েছি।
টাকা না দিলে মিউটেশন রিপট দিচ্ছিল না।
টাকা ছাড়া পাসপোর্ট বানাতে পারি নাই টাকা দিলে সবকিছু ওকে প্রতিটি আবেদন পেপারের নিচে পাসপোর্ট অফিসের কোন লোকের একই হাতের লেখা দিয়ে একটি তারিখ লেখা থাকে যেই পেপারের মধ্যে হাতের লেখা তারিখ লেখা থাকে ঐই ফাইলটি তারা গ্ৰহন করে আর অন্য গুলো ফাইলের মধ্যে তারিখ না থাকলে ফাইলের মধ্যে শুধু সমস্যা দেখায়
বদলি জন্য ঘুষ দেওয়া হয়েছিলো
শেরপুর শহরের ভিতর ৮ শতক জায়গা খাজনা খারিজের এর জন্য শেরপুর ভূমি অফিসের একজন কর্মকর্তা ৪৫ হাজার টাকা দাবি করে। শেষমেষ ৩৫ হাজারে কন্টাক হয়। ২৫ হাজার দেওয়া হয়েছে বাকি ১০ হাজার বাকি আছে সেই ১০ হাজার দেওয়া হচ্ছে না বলে খাদিজের কাজ মাঝপথেই আটকে দিয়ে বাকি ১০ হাজার টাকা দাবি করছে। টাকা না দিলে কাজ আর এগোবে না বলে জানিয়েছে।
প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য একটা ভেরিফিকেশন লাগে পুলিশ ভেরিফিকেশন সেই ভেরিফিকেশন একবার করেছে চক্রটি আবার কাগজ হারিয়ে গেছে অজুহাত দেখিয়ে আবার ভেরিফিকেশন করতে হবে এই মর্মে সবার কাছ থেকে মোট সর্বমোট শিক্ষক ১২০ জন প্রত্যেক জনের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা করে দাবি করেছে ভেরিফিকেশন করে দেবে বেলকুচি থানা কর্মকর্তা দাবি করেছে এমনকি চাকরি স্থায়ী করানোর জন্য পরবর্তীতে আবার শিক্ষা অফিসার নির্দিষ্ট পরিমাণে টাকা দিতে হবে প্রতিটি শিক্ষককে
আলিগঞ্জ মৌজায় জরিপের কারণে খতিয়ান সংশোধনের জন্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে আমি আমার কয়টি তো জমির বিডিএস জরিপে নাম অন্তর্ভুক্ত করার কারণে আমার সকল ডকুমেন্ট জমা দিন কিন্তু বিভিন্ন কারণে তাদের ৪০০০ টাকা বলা হয় এর বিনিময়ে বিডিএস জরিপের সংশোধন করে দেওয়া হবে এবং আমি বাধ্য হয়ে ৪০০০ টাকা প্রদান করি
নামজারি করার আবেদন করতে গেলে তহশিল অফিসের লোক উক্ত টাকা চায়। আমি না দিয়ে চলে আসি।পরে অন্য মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করি।
নির্ধারিত টাকা ২০০ হতে ৩০০ টাকা মতো আসলেও ১০০০ টাকা দিতে হয়। এটা অন্যায়
মামলার নিস্পত্ত্যি হয়েগেসে৷ তবু ও নকল এর একটা কপি দেবে বলে ৫০০০ টাকা দাবি করে
টাকা দিলে করতে পারব না হলে করা হবে না
আমি nid করতে গিয়ে 240 টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো
সিলেট তথা সারা বাংলাদেশে ভূমি অফিস বা সাব রেজিস্ট্রি অফিস সমূহে ঘুষ না দিলে আপনার ফাইল সামনের দিকে এগুবে না। আমাদের সিলেটের কোন এক সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে গত মাসে আমার ভাই আমাদের এক জমির নাম জারী করতে গেলে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। ঐ অফিসার নামক ঘুষখোর কে।
Plan approval issue. Like to know the tentative cost of a plan approval for 37 decimel land. I have to paid 1.5 crore.
Nid Banaite gasilam. Iktu taratari hobe ki na jiggesh korsilam. Sa jonno ghush caise. Abar signature a iktu somossa hoisilo. 1 din por thik korte gasi abar ghush cai. Akbaro 1 poisao dai nai 😂
nid card koraite gesilam 1000 2000 taka dabi korsilo 1000 diasi pore sunlam nid korar jonno kono taka naoa hoy na
আমি নামজারি করার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। আবেদনের কপি এসি ল্যান্লেড অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসি তারা ১০০০ টাকা নিয়ে ফাইল করে এটা নাম্বার পেলে তোশিল অফিসে পাঠাবে বলেছেন। তহশিল অফিসে ওইখানে কথাবার্তা বলে প্রস্তাব পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলছে। ওইখানে কথা বলতে গেলাম তারা বলতেছে খাস খতিয়ান এর একটা ইস্যু আছে ৮০ হাজার টাকা লাগবে নতুবা করা যাবে না। পরবর্তীতে আবার এসি ল্যান্অড অফিসে গেলাম সেখানে কথা বললাম তারা বলতেছে স্যারদের সাথে কথাবার্তা বলে জানাবে। পরবর্তীতে জানালো যে নেট ৬৫ হাজার টাকা দিতে হবে নাইলে কাজ করতে পারবে না। তারপর আবেদন রিজেক্ট হয়ে গেছে কিছুদিন পরে।
যিনি নাজির ওনার টেবিলে উনি থাকেন না উনার সহকারী দুজন থাকে তাদেরকে যদি বলা হয় আমার অনলাইনে ডিসিআর এর টাকা জমা দিয়েছি পূর্বের খতিয়ান থেকে নতুন খতিয়ানে জায়গার পরিমাণ কি মাইনাস হয়েছে এই কথাটা জিজ্ঞেস করলে তাদেরকে টাকা দিতে হবে ওখানে মিস কেস করা হয়েছে ওখানে দিতে হয়েছে বিশ হাজার টাকা
সরাসরি আমাকে বলা হয়েছে