সাময়িক সনদ পত্র
সাময়িক সনদ তুলতে গিয়েছিলাম, ১ দিনে দিয়ে দিলো, টাকা চাইলো, একটা নগদ নাম্বার দিলো, কয় এই নাম্বারে টাকা পাঠাইয়ো তারপর টাকা দিলাম ১০০, তারপর শিক্ষা বোর্ডে গেলাম, ১ ঘন্টার মধ্যে রেডি করে দিয়ে দিলো,। যে দেওয়ার কথা ছিলো ৩ দিনের বিতরে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সাময়িক সনদ তুলতে গিয়েছিলাম, ১ দিনে দিয়ে দিলো, টাকা চাইলো, একটা নগদ নাম্বার দিলো, কয় এই নাম্বারে টাকা পাঠাইয়ো তারপর টাকা দিলাম ১০০, তারপর শিক্ষা বোর্ডে গেলাম, ১ ঘন্টার মধ্যে রেডি করে দিয়ে দিলো,। যে দেওয়ার কথা ছিলো ৩ দিনের বিতরে।
প্রতিনিয়ত বা প্রতিদিনই ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে টিকেট কালো মানুষদের হাতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১৬০ টাকা টিকেট ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা নিচ্ছে স্টেশনের কর্তব্যরতা কর্মকর্তা ও একদল টিকেট কালোবাজারি প্রতিদিন গরে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা সাধারণ মানুষের টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
৪ শতক জমি খারিজ করার জন্য ৫০০০ টাকা চাইলো। প্রকৃত খরচ নাকি ১১/১২ শত টাকা।
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। যেখানে আমি চাকরি করছিলাম ওখানে আমার নাম ঠিকানা পুলিশ নিয়েছিল। তারপর সেখানকার পুলিশ আমার থানায় দাখিল করেন এরপর আমার থানার পুলিশ আমার বাসা পর্যন্ত এসেছিল। পুলিশ এসে আমার বাবা মার কাছ থেকে ২০০০ টাকা আবদার করে। গ্রামের মানুষ সহজ সরল বুঝে পুলিশ দুই হাজার টাকা নিয়ে যায়। এখানে মূলত কাজ ছিল পুলিশের আমার কোন খারাপ রিপোর্ট আছে কিনা। আমার কোন রিপোর্ট তারা পায় নাই। তারপরও তারা আমার বাবা-মার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়ে গেছে
ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারাএকপ্রকার অসহায় করে ফেলে বিভিন্ন কাগজের নামে।
দালাল না ধরলে ড্রাইভিং লাইসেন্স হবে না।তাই টাকা দিয়ে দালাল ধরে করে নিছি
আমার নানির আমার মাকে জমি লিখে দিয়েছিল তার ন্মজারি কারাতে গেলে আমার কাছে ১০০০০ চায়া হয়
বাবার পেনশনের টাকা তুলতে ৮৭,০০০ হাজার টাকা দিয়ে তুলতে হয়েছিলো দুই লক্ষ টাকা,মা জীবিত থাকা অবস্থায় এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
বাংলাদেশে ওয়ার্ড ভিত্তিক মেম্বার এর মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা পাওয়া যায়। তার ভেতরে বয়স্ক ভাতাটা অন্যতম অনেক এমন অসচ্ছল পরিবার আছে যারা টাকা না দিতে পারায় অথবা টাকা না দিয়ে একটা বয়স্ক ভাতা বানাতে চায় কিন্তু এমন এমন কিছু অসৎ মেম্বার বা চেয়ারম্যান থাকে। যারা টাকার বিনিময় বয়স্ক ভাতা কার্ড প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড ইত্যাদি বানিয়ে দেয়। কিন্তু যে আসলে পাওয়ার যোগ্য সে মূলত সেবাটি পায় না। এরকম আমার পাশের বাড়ির এক দাদার সাথে এরকম ঘটনা ঘটেছে। মেম্বার জানে যে সে টাকা দিবে না তাই তার কাগজপত্র নিয়ে গেলে বলে এসব কি পরে হবে এখন কিছুই হবে না এখন অন্য কাজ হচ্ছে এরকম বিভিন্ন কথা বলে।
চট্টগ্রাম ইপিজে থানার যত পুলিশ আছে তারা রাতে যখন টহলে বের হয় বিভিন্ন দোকানের কাছে গিয়ে তারা নিজেরাই চাঁদা তুলে গাড়ি রাস্তায় থামিয়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয় দোকানে গিয়ে গিয়ে সে বলে আসে বাড়ি দাঁড়িয়ে আছে যাইয়া দিয়ে আসো এরপর দোকানদাররাও গিয়ে গিয়ে তাদের হাতে টাকা দিয়ে আসে তারা নিজ হাতে টাকা গ্রহণ করে না বরং টাকা তোলার জন্য একজন ব্যক্তি নির্ধারিত আছে
সেবা দেয়নি টাকা লাগবে।
নিতে চেয়েছে এখনও দেয়নি।
আমার একটি জমি মিউটেশন এর জন্য সরকারি অনুমোদিত ১১৫০ টাকার বিপরীত এ ৫০০০ টাকা দিয়েছি ।আমার কোন কাগজ এর সমস্যা ছিল না।
সরকারি ফি এর চেয়ে ১০০ টাকা বেশি চেয়েছিল।
এমপিও আবেদন উপজেলা হতে ছাড়ার জন্য ৫০০ টাকা নিয়েছিল। বকেয়া বেতন পাওয়ার আবেদন ছাড় দেওয়ার জন্য ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
Driving licences korte full payment lagbe 15000tk, Amar jawa lagbe na, Smart Card Ready kore dibe.
প্রতিমাসে সকরকারী ভ্যাট অনলাইনে জমা দেওয়ার পর, ভ্যাট চালানে সাইন করার জন্য ১১০০০/- টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে। যা একটা কোম্পানীর জন্য খুব কষ্টের। শুধু আমি না, আমার মত হাজার হাজার লোক সরকারী লোকের কাছে জিম্মি।
পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ বেরিপিকেশন করার জন্য দিতে হবে,, তাই দিলাম
নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে
আমার ফাইল রেডি ছিলো। সিগনেচারও করা ছিলো।কিন্তু আমাকে মিথ্যা বলা হয়েছে....... কিছু চা পান খেতে না দিলে ফাইল আটকে দিবেন। এই মিথ্যাটা পিওন বলেছে। পরে আমি ঘুষ দেয়া ছাড়াই বিষয়টি মোকাবিলা করে ফাইলটি উদ্ধার করতে সক্ষম হই।