একাডেমিক ট্রান্স মিট
একাডেমিক প্রশংসা পএ নেওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একাডেমিক প্রশংসা পএ নেওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছিল
পাস্পোর্টের জন্য ছবি বা অন্যান্য কাজ করে বাসায় আসার পর, এসবি পরিচয়ে কয়েকবার ফোন করা হয়েছিলো কিন্তু আমি রিসিভ করলে বিভিন্ন কথা বলে টাকা চায় ৫০০০। আমি বলেছি কোন থানা তা আমাকে জানান আমি থানায় এসে কথা বলছি। পরে উলিপুর থানায় আসতে বলেছিলো। কিন্তু এরপর কল করলে আর ফোন রিসিভ করেনি। পরে অন্য নাম্বার দিয়ে অরিজিনাল এসবি অফিসার ভেরিফিকেশন করেছিলো। দুর্নীতি দেশের প্রতি কোনায়।
জমির মিউটেশন করার জন্য কয়রা ভূমি অফিসে কাগজ জমা দেই। এসি ল্যান্ড না থাকায় ইউএনও দায়িত্বে ছিলো। যেদিন সকাল ১০ টাতে কাগজ নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য মেসেজ পাঠিয়েছিলো ভূমি অফিস থেকে, সেদিনই ভোর ৬টাতে মেসেজ আসে আমি হাজির না হওয়ায় আমার নামপত্তনের আবেদনটি খারিজ করা হলো। সকাল ১০ টাতে কাগজ নিয়ে হাজির হওয়ার কথা অথচ ভোর ৬টাতে মেসেজ আসলো হাজির না হওয়ায় আপনার নামপত্তনের আবেদনটি খারিজ করা হলো। কি বিচিত্র ব্যাপার!! পরে একজনের মাধ্যমে ইউএনও এর সাথে যোগাযোগ করে ইউএনও কে ৩০,০০০/ দিয়ে মিউটেশনটি করিয়ে আনি।
আমি নামজারি জন্য দুইটা আবেদন করি প্রত্যেকটা আবেদনের জন্য ১০০০০ করে নিয়েছে। ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কোনো আবেদন করে না। আমাকে বলছি যে কয়েকদিনের ভিতর কাজ হয়ে যাবে এভাবে সে আমাকে প্রায় এক বছর ঘুরাতে থাকে। যখন আমি জোর করে বলি এত দিন সময় লাগে নাকি সে বলে সার্ভারের সমস্যা নানা ধরনের সমস্যার কথা বলে। আর বলে হয়ে যাবে কিছুদিন পর। কিন্তু একটা সময় হঠাৎ করেছে ট্রান্সফার হয়ে যায়। বর্তমানে তার নাম্বারে কল দিলে কল রিসিভ করেনা হোয়াটসঅ্যাপে এসএমএস দিলে সিন করে না।
এক কলেজ থেকে অন্য কলেজ এ যাওয়ার সময় টিসি এর আবেদন এর রচিদ দিতে ঘুষ দিতে হয়ছে
একজন মুমূর্ষু রুগীর জন্য হাসপাতাল বেড ব্যবস্থা করার জন্য হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট আনসার ও আয়াদেরকে বেড বরাদ্দের জন্য টাকা দিতে হয়েছে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লাল পোশাকধারী ব্যক্তিকেও আলাদাভাবে খুশি করতে হয়েছে।
সেবাটি হলো একটি জায়গা জমির বিচার,বিচারের শেষ পর্যায়ে এক অফিসার আমার এক আত্মীয়ের কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।
আমার নাকের অপারেশন জন্য ভর্তি হবার জন্য ডাক্তার বলেছেন কিন্তু ডাক্তার সাথে যে লোক থাকে সে আমাকে ডাক্তার কাছে যেতে দেয় না, বলে আজ না সামনে সপ্তাহে আসো, তার পর আসলে আবার পরের সাপ্তাহের কথা বলে। এভাবে একমাস অতিবাহিত হবার পর ভর্তি করে ঠিকি কিন্তু আমার কাছে টাকা দাবি করে ঐ ডাক্তার সাথে থাকা লোকটি পরে আমি ১৫০ টাকা দিয়ে বলি আমার কাছে আর বেশি টাকা নাই আমি বেকার, চাকরির জন্য চেষ্টা করছি আর অনেক কিছু বলে বুঝাতে সক্ষম হই।
প্রতি মাসে মাসিক ভ্যাট রিটার্ন বাবদ আমাদের তিন কোম্পানি কাছ থেকে ৩৪০০০ টাকা দাবি। সাভার আশুলিয়া সার্কেল কাস্টমস Revenue officer ১৫০০০৳, কাস্টমস Assistant revenue Officer ১৫০০০৳ এবং কাস্টমস কম্পিউটার অপারেটর ২০০০৳ আর কাস্টমস অফিস পিওন ২০০০৳। যা আমাকে প্রতি মাসেই তা প্রধান করতে হয়।
পাসপোর্ট ভেরিফাই এর জন্য
আমি একটি জমি রেজিষ্ট্রি করতে গিয়েছিলাম, প্রথম দিন কাগজ ভুলধরছে, পরে ১৫০০০/- টাকা দিলে জমিটি রেজিষ্ট্রি হয়।
ওইখানে কিছু দালাল আমার কাছে ৯ হাজার টাকা দাবি করে, আমি অস্বীকৃতি জানাই। প্রথমবার পরীক্ষা দেওয়ার পর, আমি ফেল করি।অথচ আমার বন্ধু মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা, সে টাকা দিয়ে পাশ হয়ে যায় সবকিছুতেই। দ্বিতীয় বার পরীক্ষাতেও ফেল করি।কিন্তু দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সময় ২০১৯ সালে, একজন ভালো ঈমানদার লোক নীলফামারীতে এসেছিল, আমি সে সময় দেখেছিলাম কোন দুর্নীতি হয়নি। মানে তিনি করতে দেয়নি। তৃতীয়বার বাধ্য ও হতাশ হয়ে আমি ৯০০০ টাকা দেই।এবং সকল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরীক্ষার হলে আমাকে সব প্রশ্নের উত্তর বলে দিয়েছিল, গার্ড হিসেবে দায়িত্ব রত পুলিশ। এবং জিকজ্যাকেও আমি ফেল করি, কিন্তু রেজাল্টে দেখি আমি সবকিছুতেই পাস।
নামজারি করতে গেছি কিন্তু বলছে যে অনেক ঝামেলার কাজ আমার কাছে কন্টাক দিন প্রথমে ১২ হাজার টাকা বলছে কিন্তু ধাপে ধাপে ২৬/২৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে আমার কিন্তু একটি নামধারী সম্পন্ন হয়েছে বাকি দুইটা এখনো হয়নি
জমির নামজারি, তহসিল অফিসে গেলাম বললে এগুলা এখানে হয় না উপজেলা অফিসে যান নেট সমস্যা পরে এলাকার একজন বলল আমার সাথে চলেন গেলাম তারপর উনি সরাসরি টাকা চাইছে বলল তাকে নাকি টেবিল এ টেবিল টাকা দিতে হয়। আপনার কাজ করে দিব টাকা দিলে
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য বগুড়া ফায়ার সার্ভিস সার্টিফিকেট এর জন্য ১০০০০ টাকা নিলো অফিসার।
পিরোজপুর জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিদর্শক (একজন হিন্দু কর্মকর্তা )যে সব সময় ফাইল আটকে ঘুষ গ্রহণ করে। ঘুষ না দিলে ফাইল রিজেক্ট করে।কোন ফাইলই টাকা ছাড়া ছাড়েন না। আমার কাছ থেকে মোট ৩৩ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন।
নিজের খাজনা আদায় রশিদ থাকা সত্ত্বেও খাস হয়েছে। ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে ফরোয়ার্ডিং আনতে টাকা লাগে।
এইচএসসি সার্টিফিকেট তুলেছি।সহকারী বলছে চা নাস্তার টাকা
পাসপোর্ট বানাতে গিয়ে দিতে হয়েছিল
যশোর সদরের ১ নম্বর হৈবতপুর ইউনিয়ন পরিষদে ঘুষ ছাড়া কোন সেবা পাওয়া যায় না,, জন্ম নিবন্ধন সহ বিভিন্ন সেবা পেতে ঘুষ দেওয়া লাগে