জমির নামজারি
১৭৬ শতাংশ বাবার দেওয়া জমি আমাদের ২ ভাই এর নামে নামজারি করতে ২২০০০ টাকা লাগে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১৭৬ শতাংশ বাবার দেওয়া জমি আমাদের ২ ভাই এর নামে নামজারি করতে ২২০০০ টাকা লাগে।
আমি বেকার মানুষ 4 বছরের রিটার্ন দিনাই তার এখন ঘুষ দাবী করছে ওরা সাবমিট করে দিবে
২০২১ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তে আবেদন করেছিলাম। পরবর্তীতে চাকরি দেবার জন্য এক উচ্চ পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা আমার থেকে ১৫লক্ষ টাকা দাবী করে। আমি সোজা বলে দিয়েছিলাম এই টাকা দিয়ে আমি একটা জামা কাপড় এর দোকান বা অন্য কোনো ব্যাবসা করবো। এত টাকা দিয়ে আমার এই চাকরির দরকার নাই।
“বাবা মায়ের পেনশনের টাকা ,উঠানোর জন্য উপজেলা এ জি অফিসে যাই। সেখানে তারা দুই লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। অনেকদিন দেনদনবান করে এক লক্ষ টাকা পরিশোধ করি,
আমি নভেম্বরে 2025 সালে ssc and hsc certificate correction এর জন্য অনলাইন আবেদন করি পরে ২৬|৭|২০২৬ 2.15Pm এ মিটিং ডাকা হয় ঐখানে নিচে ফটোকপির দোকানে একজন আমার কাছে ঘুষ চায় আমাকে বলে ৪০০০ টাকা দেয়ার কথা এবং বোর্ড মিটিং এ উপস্থিত যারা আছে তাদের কাছে আমার id সিরিয়াল নাম্বার দেয়া আছে। আমি টাকা দেইনি। আমার কাগজপত্র সব জমা দিয়েছি বোর্ড রুমে।
প্রবাসীর জন্য ইমার্জেন্সি ড্রাইভিং লাইসেন্স বের করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ কর্মকর্তাকে দিতে হইছে।
আই সি ডি কাস্টমস হাউজে পোর্টে চায়না থেকে Lug cap আমদানি করি যাহার custom value ছিল USD.2.10/kg. সেই অনুযায়ী আমি যাবতীয় ডকুমেন্ট সাবমিট করি এবং ডিউটি প্রদানের জন্য আবেদন করি। কাস্টমস হাউজের A to Z সকলের পক্ষে একজন ঘুষ দাবি করে 2.50 লক্ষ টাকা। এই টাকা দিতে আমি অপারগ হই তাতে অফিসার ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ডিউটির পরিমান তিন গুন বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ভয় দেখায়। আমি ব্যবসায়ি। এত বেশি ডিউটি প্রদান করলে আমার অনেক ক্ষতি হবে ওনাদের জানাই। ওনারা আমার কোন অনুরোধ রাখল না। আমি শুধু ওনাদের পা ধরতে বাকি ছিল। তাছাড়া সব ধরনের রেফারেন্স ও চুক্তি দেখাই কিন্তু কিছুতেই ওদের মন গললনা। সকল রেফারেন্স উপেক্ষা করে ওনাদের মন গড়া ডিউটি ধার্য করে ও 50000 টাকা নিয়ে আমার পণ্য ছাড়ের অনুমতি দেয়।
১৯৯০ এর ভূমি জরিপের সময় আমাদের কিছু ভূমি ১২ শতক অন্য জনের নামে রেকর্ড হয়। আমাদের বাবা মৃত- আর তখন আমরাও ছোট ছিলাম। তাই রেকর্ড -জাযগা জমির বিষ আমরা তেমন কিছুই বুঝতাম না। কিন্তু পরবর্তী তে চলতি বছর মার্চ-২০২৬ ইউ ভূমি অফিসে গিয়ে বিস্তারিত বিবরনের পর- ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা জখন জানতে পারেন আমি একজন প্রবাসী,,তখন উনি বিষয়টা সমাধান করে দিবেন কোন রকমের মামলা ব্যাতিত, সেই মর্মে আমার নিকট ৭০০০০ টাকা দাবি করেন। আমার যেহেতু ছুটি ১ মাস,,দীর্ঘ সময় দিতে পারবো না, তাই ৫০০০০ টাকায় বিষয়টা সমাধান করে দিবেন বলে রাজি হন। পরবর্তী তে ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে আমাদের খতিয়ান সংশোধন করা হয়।
আমি একজন কম্পিউটার অপারেটর, আমি পাসপোর্টের আবেদন করে থাকি, ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসে টাকা ছাড়া সেবা না পাওয়ার সংখ্যা প্রায় ৮৫%, কেউ পাসপোর্ট করতে গেলে নির্দ্দিষ্ট সরকারী ফি দেয়ার পরেও গ্রাহক কে আরও এক্সট্রা ২৫০০, ৩০০০ টাকা গুনতে হয়। শুধু সরকারি ফি পরিশোধ করে অফিসে ফাইল সাবমিট করার পরে কর্মকর্তারা খুজে খুজে যে কোন ভুল বের করে, যেমন, mia হবেনা হবে miya, kajol হবেনা হবে kajal ইত্যাদি, অতঃপর গ্রাহক কে কারেকশন করে আনতে বলা হয়, গ্রাহক অফিসের বাইরে আসার সাথে তার সাথে দেখা হয় দালাল চক্রের, দালাল চক্র গ্রাহকের থেকে ২৫০০-৩০০০ টাকা নিয়ে একটা সংকেত দিয়ে আবার অফিসে পাঠালে কাজ টা সম্পুর্ণ হয় ।
সেবাটি আমাদের জমিটি সার্ভার যে মেপে ডে-মারগেশন করে আমাদের দিয়ে দেওয়ার কথা এবং কি আমরা লিখিত আবেদনে দিয়েছি তাদের সিস্টেম অনুযায়ী আমরা সব কাজই করছি কিন্তু উনার যে সার্ভেয়ার এবং ইউনিয়ন ভূমির অফিসের যে যারা আছেন কর্মকর্তা সাথে জড়িত আছেন তারা আমাকে ডাকতেছেন এবং আমরা থাকি ঢাকায় এখান থেকে যাতায়াত কটা আমাদের জন্য খুবই কষ্টকর তারা এই সুযোগে আমাদের কাছে বেশ কিছু অংক দাবি করতেছেন কার কাছে যে অভিযোগ দিব আমি বুঝতে পারতেছি না আপনাদের সাইট টা দেখার পর আমি অভিযুক্তি দিলাম আমি তারিখটা লুকিয়ে রাখলাম আমি গত আগস্ট ঘটনাটি এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও উপজেলা ভূমি অফিস ধামরাই তারা এগুলো অবগত আছেন
ফ্লাট ক্রয়ের জন্য, বিক্রেতা হতে ফ্ল্যাট বিক্রয়ের অনুমোদন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিতে হয়। তাদের অনুমোদন না পেলে রেজিস্ট্রি অফিস ফ্লাট রেজিস্ট্রি করে দেয় না। এই জন্য তাদেরকে মানে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কে আলাদাভাবে প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য এক লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয় । শুধুমাত্র একটি বিক্রয় অনুমোদন (Sale Permission) পাওয়ার জন্য।
আমার এক জায়গার দলিল নিয়ে সমস্যা হচ্ছে আমার দলিল ঠিক আছে কিন্তু জমি পেতে হলে টাকা দিতে হবে বড় জজ ছোট জজকে দিতে হবে এখনো জমি বুঝিয়ে দিচ্ছে না নিয়ে কোন
আমি গরিব মানুষ, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে রাঙামাটি জেলা আমতুলি মৌজা র হেডম্যান প্রতিবেদন এর জন্য হেডম্যান কে ১২০০০ টাকা দিয়েছি,প্রতিবেদন শীল স্বাক্ষর দিবে বলে আজকাল বলে অনেকদিন গড়াচ্ছে,,এখন আরো ১০০০০টাকা দাবি করে,, হেডম্যান কারবারি মাহিল্যায় রাজত্ব করছে
প্রবাসাী কল্যাণ হচ্ছে যারা বিদেশে কর্ম সংস্থানে যায় তাদের বিনা লোন প্রদান করে ভিসার কপি, পার্সপোট, বিএমএটি সার্রটিফিােট, পিতা মাতার ভোটার আইডি, ২ জন জামিন দার ইত্যাদি কিন্তু সব দেওয়ার পর তাদের টাকা না দিলে কাজ হয় না। কিছুদিন আগে আমার ছোট ভাইয়ের জন্য গিয়েছিলাম ভাই এখন কাতার গেছেন আলহামদুলিল্লাহ। বাট তাদের থেকে লোন না পেয়ে ব্যুরো এনজিও হতে টাকা উত্তোলন করছি।
একটি নামজারির ক্ষেত্রে ভূমি অফিসের নির্ধারিত সরকারি ফি বাইরে লেখা থাকে মাত্র ১,১০০ টাকা। কিন্তু বাস্তবে নামজারি সম্পন্ন করতে গেলে প্রায় ১২,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এই অতিরিক্ত টাকা ছাড়া সাধারণ মানুষের পক্ষে কোনোভাবেই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। উপজেলা ভূমি অফিসের আশেপাশে একটি সিন্ডিকেটের মতো ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি অফিসের দারোয়ান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিরাও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকে বলে মনে হয়। কেউ যদি নির্ধারিত অতিরিক্ত টাকা দিতে না চায়, তাহলে তার ফাইল দীর্ঘদিন পড়ে থাকে এবং কোনোভাবেই কাজ এগোয় না। এখানে যেন একটি অলিখিত ফিক্সড রেট নির্ধারণ করা আছে—প্রায় ১২,০০০ টাকার নিচে নামজারির কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন বা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় সরকারি ফি খুবই কম হলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে লাইসেন্স পেতে ঘুষ ছাড়া কাজ এগোয় না, ফলে প্রকৃত খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করা জরুরি, যাতে সবাই ন্যায্য ফি দিয়ে স্বচ্ছভাবে লাইসেন্স পেতে পারে।
উচ্চশিক্ষার জন্য সার্টফিকেট এটেস্টেশন করতে গেলে শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনের গার্ড ২০০০ টাকার বিনিময়ে ১ ঘন্টার বিনিময়ে সার্টিফিকেট এটেস্টেশনের জন্য অফার করে।
টাকা না দিলে অনলাইন করে না। মাস পর বছর হয়ে গেলেও আগের মতই দেখা অনলাইন এ কোনো প্রসেসিং আগায় না বা সবকিছু ঠিক থাকলে ও সামান্য কিছু দেখিয়ে আবেদন রিজেক্ট করে দেয়। বাধ্য হয়ে যারা এই অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করে তাদের কথা হাতে হাতে ১২০০০ টাকা দিলে সরকার মাত্র ১১৭০ টাকা পায় বাকিটা ভূমি অফিস ইউনিয়ন ও উপজেলার লোকজন ভাগ করে নিয়ে কাজ করে দেয় ২৮ দিনের ভিতরে।
Passport baniye deyar jonno ghush chaise
সরকারি বাঙলা কলেজ এর অফিস সহকারি আমার একটা কাগজ সিগনেচার করার জন্য ২ ঘন্টা বসিয়ে রাখে তারপর ৫০০ টাকা চায় পরে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এর একটা সিগনেচার করে নিয়ে আসে। আমি তো এই কলেজের ছাত্র ছিলাম তাহলে একটা সিগনেচার করার জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে কেনো?