দলিল দেখা
১৯৭৮ সালে রেজিষ্ট্রেশন হওয়া জমির দলিল দেখতে গিয়েছিলাম, তারা না দেখেই বলে দলিল পাওয়া যাচ্ছে না, ২০০ টাকা দেন, পরে বলেন ১০ দিন আপনার দলিল খুজবো, তার জন্য ২০০০ টাকা দিতে হবে, ১০ মধ্যে না পেলে পরে যোগাযোগ করবেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১৯৭৮ সালে রেজিষ্ট্রেশন হওয়া জমির দলিল দেখতে গিয়েছিলাম, তারা না দেখেই বলে দলিল পাওয়া যাচ্ছে না, ২০০ টাকা দেন, পরে বলেন ১০ দিন আপনার দলিল খুজবো, তার জন্য ২০০০ টাকা দিতে হবে, ১০ মধ্যে না পেলে পরে যোগাযোগ করবেন।
চাকরির জন্য বাইক চালানো জরুরী ছিলো। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য 12000 দিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। তবে এখানে যা বুঝলাম 100 মধ্যে 70 জন টাকা দিয়ে কাজ করেছে...
আমি জম্ন নিবন্ধন আনতে গেসিলাম। মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, ফেঞ্চুগঞ্জ এর। সেখানে ৫০০ টাকা তারা দাবি করে। কোনো রিসিট দেই নি। আমি দিতে বাধ্য হই।
আমি 2020 সালে একটি পুরান মোটরসাইকেল কিনেছি, কিনার পর করে নাম পরিবর্তন এর জন্য সরকারি নিয়মে সঠিক ভাবে সবকিছুই করি, এখন 2026 এখন পর্যন্ত মালিকানা পরিবর্তন হয়নি। এখন বিআরটিএ গেলে কিছু অসাধু লোক আমার কাছে অর্ধেক দাবি করে। এমনও তো অবস্থায় আমার গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন হবে কিনা আমি জানিনা।
জমি নামজারি করার জন্য ভুমি অফিসে যায়, তারা আমার কাছে ৮০০০টাকা দাবি করেন, তারপর আমি না দিয়ে নিজেই আবেদন করি কিন্তু ভুমি অফিস থেকে খসড়া খতিয়ান তৈরি না করে না মন্জুর করে দেই।
রাতের বেলা বাসার মালামাল নিয়ে গ্রামের বাড়ি আসতেছি, কাঞ্চন ব্রিজ এর এইখানে টহলরত ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামিয়ে ৫০০ টাকা দাবি করে, এটা আদায় করার পর আবার মদনপুর রোডে আবার আর একদল টহলরত ট্রাফিক পূলিশ ৩০০ টাকা দাবি করে এবং আদায় করে।
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করতে যাই, যাবার পরে তারা আমার কাছ থেকে প্রতিটি ফ্লাট থেকে তিন লাখ টাকা করে মোট 6 লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে, আমাকে ভয় দেখানো হয় যে আমার ফ্ল্যাট এর ক্রয় মূল্য অনেক কম দেখানো হয়েছে, যদি আমি ঘুষ না দেই তাহলে এই মূল্য বাড়াতে হবে।
You have to pay this amount to get a Passport
শহরে আমার মা একটি জায়গা কিনেছিলো বহুবছর আগে; আমার বাবা আলসেমি করে খাজনা প্রদান করেনি, আগের নাম খারিজও করেনি তখন। তিনি চলে গিয়েছেন এইবছর, তাই যা যা কাজ ফেলে গেছেন ওগুলো তাড়াতাড়ি করার সিদ্ধান্ত নেই। যখন এই কাজের জন্য যাই, তারা নতুন নতুন ইনফরমেশন আমাকে দিয়ে বলতে থাকে এটা সম্ভব না ওটা সম্ভব না, এসব বলে বলে আমার থেকে টাকা নিতেই থাকে ভূমি অফিস থেকে প্রতি ধাপে ধাপে
অনলাইনে বিএড স্কেল এর জন্য আবেদন করেছিলাম, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ব্বেও ফাইল রিজেক্ট করেছিল, পরে টাকা নেয়ার পর আবার আবেদন করি এবং ফাইল ফরোয়ার্ড হয়। ২০২০ সালের ঘটনা।
আখাউড়া থেকে চট্রগ্রাম গাড়িতে টিকেট কাটলে ঢাকা চট্রগ্রামের ভাড়া আর টিকেট না কেটে ৩০০ টাকা দিলেই হলো
To need taka 8000 for Mutation but I Paid taka7,000/- by request
জমিটার ছিল তিনজন মালিক রেকর্ড করাইতে হইলে তাদেরকে 9 হাজার টাকা দিতে হবে । তিনি যেই চেয়ারে বসা ছিলেন ওই চেয়ারে বসেই ঘুষ গ্রহণ করেছেন। এবং তার অফিসের অন্যান্য ব্যক্তিরাও এগুলা জানে ঘুষ না দিলে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য রেকর্ডটা নথিভুক্ত হবে না। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
কক্সবাজার সদর আদালতে মামলার শর্ট ডেট প্রদানের জন্য প্রতিবার আনুমানিক ১,০০০/- টাকা দাবি করে। দাবিকৃত অর্থ প্রদান করতে অসম্মতি জানালে মামলার পরবর্তী তারিখ অস্বাভাবিকভাবে প্রায় ৮ মাস পর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আমার বাবা শরিয়ত পুর দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক ছিলেন, এমপি ভুক্ত হওয়ার পর, কয়েক বছর চাকুরী করা অবস্থায় বাবা মারা যান, তারা প্রথমে একটা টাকা দেয়, প্রায় ৭৩ হাজার টাকার মত, পর্বর্তীতে পেনসন অথবা এক কালীন একটা টাকা দেবার কথা, কিন্তু দেয় নাই, আমাদেন বাড়ি চাঁদপুর, আমরা চাঁদপুর থেকে শরিয়তপুর আমার বোন সহ একাধিক বার পেন্সিবল এক কাছে গিয়েছি, প্রতিবারে হুজুর দুই হাজার টাকা করে নিতেন, আর বলতেন আমি ঢাকায় গিয়ে যোগাযোগ করবো, এইভাবে একাধিক বার টাকা নেওয়ার পর, আমরা ক্লান্ত হয়ে সেই পথ থেকে ফিরে এসেছি, আমার বোনের নামে ছিল নমিনী, আর আমার বাবা ইরান যখন কুয়েত দখল করে সেই যুদ্ধের সময় বাবা বাড়িতে আসে, এবং বাবা কাগজ জমা দেয় ক্ষতুপূরনের জন্য, কিন্তু সেই টাকা ও পাই নাই, আসলে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা হচ্ছে বড় মাপের চো
আমার জমি দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে লাগে সরকারি ফ্রী ৭০ হাজার টাকা লেখক বিল ৩ হাজার টাকা , তারা আমার কাছে এর থেকে ৩০ হাজার টাকা বেশি দাবি করেন পরে মিডিয়া পরিচয় দিলে বাড়তি ৩০ হাজার টাকা নেননি , সাধারণ মানুষ দলিলের এর চেয়ে ৩০ হাজার টাকা বেশি না দিলে কোনো লেখক দলিল করেন না
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বেশ কয়েকবার ঘুরেছি। এটা সমস্যা ঐটা সমস্যা বলে অনেক হ্যাসেল করছে। টাকা ছাড়া পাশ হবে না সবাই বললো। পরেরবার ফিঙ্গার দেওয়ার ডেটে গেলাম...ফজরের পর পরই যেয়ে দেখলাম গেটের বাহিরের প্রায় ৪০-৫০ জনের সিরিয়াল দাড়িয়ে। গেটম্যান চিপায় ডেকে বললো ২০০ টাকা দেন সবার আগে ফিঙ্গার দেয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। পরে নানারকম হ্যাসেল এর শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে দরবেশ(দালাল) ধরে ১০০০০ টাকা দিয়ে লাইসেন্স করছি।
বিদেশে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে আমি ও আমার স্ত্রী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করি। প্রথমে দুজনের আবেদনই বাতিল করে বলা হয়, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। পরে সেটি জমা দিয়ে আবার আবেদন করলে ৩–৫ দিন পর জানানো হয়, কাগজপত্রে স্বাক্ষর ও তারিখ ঠিক নেই। তৃতীয়বার সবকিছু ঠিক করে জমা দেওয়ার পর আমার স্ত্রীর আবেদন আবার বাতিল করা হয়, কারণ হিসেবে তার ঠিকানা নাকি মিল নেই। অথচ আমরা একই উপজেলার দুটি ভিন্ন গ্রামে থাকি। বাধ্য হয়ে আমি থানায় গিয়ে কারণ জানতে চাই। অনেক অজুহাতের পর ডিউটি অফিসারের সামনেই আমাকে বলা হয়, টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। এদিকে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়সীমা শেষ হয়ে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে কম্পিউটার অপারেটরকে ৩,০০০ টাকা দিই।
আমার মায়ের জমানো ২০০০০০ টাকা পোস্ট অফিসে মাসিক মুনাফায় ০৫ বছরের মেয়াদে রেখেছিলাম।মেয়াদ শেষ হলে আমি ও আমার মা সহ বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা(৮৫৩০) পোস্ট অফিস গিয়েছিলাম।০২ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ৫০০ টাকা অনলাইন চার্জ দাবি করে।আমি বলেছিলাম আমি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করি এবং অনলাইনে কিন্তু কোন টাকা তো লাগেনা।তারপরেও টাকা দিয়েছি। আবার টাকাটা যখন পুনরায় রাখতে গেলাম তখন আবার ১০০০ টাকা দাবি করলো,আমি বলেছিলাম কেনো টাকা লাগবে আমিতো টাকা দেবোনা।কোন খাতে টাকা দেবো।ডকুমেন্টস লাগবে।১ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ১.২০ মিনিটে বললো অনলাইনে সমস্যা কালকে আসেন আজকে আর কোন টাকা নেয়া হবেনা।আমি জানতে চাইলাম আপনাদের অফিস টাইম কয়টা পর্যন্ত, তখন আমার উপরে খুব রেগে গেলো।
প্রায় ২ সপ্তাহ অফিসে ঘুরঘুরির পর তারা দাবি করে টাকা দিলে ফাইল প্রসেস হবে। এটা জাস্ট একটা এক্সাম্পল, এভাবে প্রতিটা স্টেপে হয়রানির স্বীকার আর টাকা দিতে হয়েছে। But it's their job, they are supposed to serve civilians that's why Govt. pay them monthly from civilians tax.