ড্রাইভিং লাইসেন্স
ড্রাইভিং লিখিত ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় উত্তির্ন করিয়ে দিবে। ৬০০০ টাকা দাবি করে।যথারীতি এভাবে চলছিল। আমি না দিলে ফেইল দেখানো হতো এমন পরিস্থিতি বিদ্যমান ছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লিখিত ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় উত্তির্ন করিয়ে দিবে। ৬০০০ টাকা দাবি করে।যথারীতি এভাবে চলছিল। আমি না দিলে ফেইল দেখানো হতো এমন পরিস্থিতি বিদ্যমান ছিল।
জমির দাগ নাম্বার দেখতে চাইলে বলে যতোবারই দেখবেন ২০০ টাকা করে দিতে হবে আমি পাঁচ বার দেখার জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের অবস্থিত আমার বাবার চাচাতো ভাই-বোন ও চাচিরদের জমি সাফ কাবলা দলিল রেজিস্টেশন করার জন্য বাবার চাচি (আমার দাদু) অসুস্থতা ও বাবার চাচাতো বোন (আমার ফুফু)এর সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেশে আগমনের কারনে বরিশালে গিয়ে কমিশন দলিল করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়ায়. এরুপ পরিস্থিতিতে সাফ কাবলা দলিল রেজিস্টেশন কমিশন করার জন্য অতিরিক্ত ৭০,০০০.০০ টাকা প্রদান করতে হয়.১০.০৭.২০২৬ (শুক্রবার)তারিখে বরিশালে গিয়ে কমিশন করা হয় । কোন সরকারি লোক আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করেনি । স্থানিয় ভেন্ডার এর মাধ্যমে তারা এই কাজ করে । যাতে কেউ তাদের বিষয়ে কিছু না বলে ।
আমি একটি গ্রাম এলাকার মধ্যে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলাম। যেহেতু গ্রাম এলাকা আমার কাছে মোটরসাইকেলের কাগজ ছিল না। পুলিশ কাগজ চাইলে সাথে সাথে কাগজ দেখাতে না পারায় সে মামলা দিতে চাইলো। অন্যথায় ২০০০ টাকা দিতে হবে। কি আর করার মামলা থেকে। বাঁচতে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল।
যেখানে সরকারি খরচ দেখানো হয়েছে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা সেখানে দশ হাজার টাকা নেয়া হয়েছে এরকম আমি একা না সারা বাংলাদেশের সবাই ভুক্ত
মিথ্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব PBI (Police Bureau of Investigation) পেলেও বাদীর থেকে ৪ লাখ টাকা খেয়ে ভুয়া রিপোর্ট বিবাদীর বিরুদ্ধে বা বাদীর পক্ষে দেয়ার চুক্তি বাদীর সাথে যোগাযোগ করে নাম দেখানো তদন্ত করে।বিবাদী(আমার) কাছে বাদীর বিরুদ্ধে থাকা কোনো প্রমাণ PBI দেখতেও চায় নাই, বা কিছু দেখলেও না বুঝান ভান করে এবং বিবাদীর পক্ষের কয়েকজন লোকের মিথ্যা সাক্ষ্য নিয়ে ভুয়া রিপোর্ট করার ষড়যন্ত্র চালায়।আমি জানতাম অন্তত PBI সঠিক তদন্ত করে।কিন্তু এখানেও যে দুর্নীতি সেটা নিজ অভিজ্ঞতা না হলে বুঝতাম না।
Amar jomi akjon jor kora dokhol kora nai. Pora ami cr mamla kori tar potibadon vhumi office a asa. Tara taka Cara prai 1.2 bocor akta rakha.
প্রতিটি ফাইল ডায়েরিতে নোট করে টাকা নেয়া হয়। জীবনে ১ম দেখলাম ডায়েরিতে নোট করেও ঘুষ নেয়া হয়।
ফার্মেসি ব্যবসা চলমান রাখতে টাকা দিতে বাধ্য হই।আর ৭৮০ টাকার নবায়ন ফী কিন্ত আমি প্রস্ন করি বেশি টাকা নেওয়া হল।তারপর ড্রাগ সুপার ও এসিস্টেন্ড লাইসেন্স বাতিল হুমকি,আর আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিবে।আর নতুন লাইসেন্স অনলাইন ওকে,কিন্ত ড্রাগ অফিস এ ৪০হাজার টাকা দিলে সাথে এপ্রোপ হয়।নতবা বাতিল।
বেসরকারি এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী পদে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিয়োগ প্রাপ্ত হই। এমপিও ভুক্ত হওয়ার আবেদন করলে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসে অনলাইনে সাবমিট করা ফাইল আটকিয়ে দেয়। উনাদের কে খুশি না করলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। এভাবে সকল শিক্ষক ও কর্মচারীদের যত কাজ হয় , ততবার ই টাকা লাগে। এই কাজ গুলো আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি।
আমার সন্তানের নতুন ভোটার আইডি কাড করার জন্য। আমার কাছে সব ডকুমেন্ট ছিলো স্কুল সাটিফিকেট জন্ম নিবন্ধ, মারক সিট,বিদ্যুৎ বিল,সব থাকা সত্ত্বেও আমি অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি।বার বার আমার পেপার রিজেক্ট করা হয়েছে শেমুলি অফিস থেকে। বাড়ি ভাড়া চুক্তি পত্র লাগবে দিলাম।আবার বাড়ি ওয়ালার সব কিছু লাগবে হোল্ডিং ফি,টেক্স পেপার ইত্যাদি। বাড়ি ওয়ালা এগুলো কোন ভাবেই দিবে না।আবার অফিসে গিয়েছি কোন পাত্তাই দিচ্ছে না জাস্ট বল্লো আপনার এলাকায় খোজ নিন।এলাকায় এসে খোজ নিলাম ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে ১টাকাও কম হবে না।বাদ্য হয়ে দিলাম কাজ শুরু করেছে ফোনে অফিসের কমকর্তাকে বলে দিয়েছে আগামীকাল একজন যাবে তার কাজ শেষ করে পাঠিয়ে দিবেন তারাতাড়ি। চমৎকার বিষয় হলো পরেরদিন অফিসে জেয়ে পেপার দেয়া হলো ৫মিনিট পর ছবি তুলে ছেড়ে দিয়েছে ২ দিনে ক
প্রতিটি লাইসেন্স নবায়নের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয় যা নিয়ে একাধিক বার অভিযোগ রিপোর্টে ও হয়েছে কিন্তু কোন প্রতিকার হয় নাই।
জমির নামজারি করতে চাইলে 20/ 30 হাজার টাকার কম নেয় না এবং খাজনা দিতে গেলে বিপুল পরিমাণ অর্থের দাবি করে
পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য । টাকা না দিলে নাকি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে দেরি হবে।
আমি একজন শিক্ষার্থী গত ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনর একজন সম্মখ সরির যোদ্ধা। ৩৬ জুলাইয়ের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে দূর্নীতিবাজদের উৎখাত করা হয়েছিল.. সেরকমই একটি কার্যক্রমে আমার এলাকার একছোট ভাইয়ের পরামর্শে তাদের আন্দোলনে যোগ দেই। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি পরবর্তীতে ঐ ছেলের সাথে আতাত করে কিন্তু আমরা বাকিরা আমাদের কার্যক্রমে অটুট থাকি। এক পর্যায়ের আন্দোলনে সফল হই কিন্তু ঐ ব্যাক্তি পরর্বতীতে আমাদের ১২ জনের নামে ছিন তাইয়ের মামলা দেওয়ার জন্য আদালতের তদন্তের আবেদন জানায়।পুলিশ ঐ সময় সঠিক তদন্তে তার অভিযোগ খারিজ করে দেন কিন্তু তিনি সিবিআইয়ের কাছে আবেদন করেন পুনরায় তদন্তের.. কিন্তু বিপিআই আমাদের কাছে ৪০০০০ দাবী করে এবং সে জানায় সে একাই সেই টাকা খাবে না.. সবাই মিলে খাবে..এভাবেই চলছে আমাদের নতুন বাং৬
যখন নামজারী করতে যাই তখন তসিলদারের এক সহকারী ১০০০ টাকা দাবি করে।টসকা ছাড়া খসড়া খতিয়ান করবে না।
একটা টেস্টের জন্য অনেক সিরিয়াল দিতে হয় পিজিতে, ডাক্তারের এক সহচর (পড়ুন চামচা) ও আনসার বলল টাকা দিলে সিরিয়াল ছারাই কাজ হয়ে যাবে। অথবা সারের অন্য একটি প্রাইভেট হাসপাতালে করান কমে করে দিবে।
মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য। সবার কাছ থেকেই টাকা নেয়।
আমাদের ক্যান্সার রোগীর টাকা সমাজসেবা থেকে সোনালী ব্যাংক সাকায় আসে,,কিন্তু সেই টাকা উটাতে গেলে ম্যানেজার আর তার পিয়ন বলে সরকারি কি কাজে নাকি টাকা কেটে রক্ত হয়,পরে পিয়ন টাকা তুলে গোপন কক্ষে ডেকে নিয়ে 3500 টাকা দাবি করে আর আমি জড়াজড়ি করে3200 টাকা দেই,,,
আমার কাছ থেকে জমির খারিজ করার জন্য ১০০০০ টাকা নিয়েছে।