Fitness Update
আমি গিয়েছাম, গাড়ীর ফিটনেস আপডেট করতে । সেই খানে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কারণ সরকার নাকি অফিস খরচ চালায় নাহ ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি গিয়েছাম, গাড়ীর ফিটনেস আপডেট করতে । সেই খানে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কারণ সরকার নাকি অফিস খরচ চালায় নাহ ।
মিসকেস মামলায় বাদী পক্ষে র নিকট থেকে টাকা খেয়ে,এসিল্যান্ড বিবাদীর কাগজপত্র না দেখেই, জমাখারিজ ভেঙে ফেলেছে। বিবাদীর সাবকাওলা দলিল,দখল,খাজনা র রশিদ, ৩০ বছরের থাকা সত্ত্বেও।
মিথ্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব PBI (Police Bureau of Investigation) পেলেও বাদীর থেকে ৪ লাখ টাকা খেয়ে ভুয়া রিপোর্ট বিবাদীর বিরুদ্ধে বা বাদীর পক্ষে দেয়ার চুক্তি বাদীর সাথে যোগাযোগ করে নাম দেখানো তদন্ত করে।বিবাদী(আমার) কাছে বাদীর বিরুদ্ধে থাকা কোনো প্রমাণ PBI দেখতেও চায় নাই, বা কিছু দেখলেও না বুঝান ভান করে এবং বিবাদীর পক্ষের কয়েকজন লোকের মিথ্যা সাক্ষ্য নিয়ে ভুয়া রিপোর্ট করার ষড়যন্ত্র চালায়।আমি জানতাম অন্তত PBI সঠিক তদন্ত করে।কিন্তু এখানেও যে দুর্নীতি সেটা নিজ অভিজ্ঞতা না হলে বুঝতাম না।
ঘুষ না দেওয়ায় ৩ বার পাশ করার পরও ড্রাইভিং লাইসেন্সে ফেল! টাঙ্গাইল বিআরটিএ-তে আমি লিখিত, মৌখিক এবং প্র্যাকটিক্যাল ফিল্ড টেস্ট তিনটি ধাপেই টানা ৩ বার শতভাগ সফলভাবে পাশ করেছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, অনৈতিকভাবে ঘুষের টাকা না দেওয়ায় আমাকে বারবার সিস্টেমে অকৃতকার্য (ফেল) দেখিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে সব ঠিক থাকা সত্তেও বার ফেল করিয়ে দেওয়া।যোগাযোগ না করলে অনুমোদন বাতিল।৪ বার চেষ্টা করেও ফলাফল শূন্য
টিএ এবং ডিএ বিল পাশ করাতে ৫% টাকা দাবী করে।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন তার মৃত্যুর পরে আমার মায়ের নামে পারিবারিক পেনশনের বই করতে ৩০০০ টাকা দাবী করেছিল।
৭০০০ / বেশি টাকা নিয়েছিল
সরকারি খরচসহ দালালদের পারিশ্রমিক
Beuecratic pressure , baseless legal notice , the money was flown from top to bottom
শিক্ষা অফিস থেকে ২৫ জনের মতো শিক্ষকের স্কেল সমন্বয় করে একটা বিল করেছে সেখানে প্রতিজন শিক্ষকের বকেয়া বাবদ ১ লাখ টাকার মতো বিল হয়েছে। সেই বিল পাস করানোর জন্যে একাউন্টস অফিসে জমা দিলে তারা প্রতি শিক্ষক বাবদ ২০০০০ টাকা করে চেয়েছেন। এখনো টাকা দেয়া হয় নাই দেখে কাজটি ঝুলে আছে।
আমি জমি দখল এবং অবৈধভাবে বেচে দেওয়ার জন্য একটি আবেদন পত্র জমা দিতে চাই পাকশী ভূ-সম্পত্তি রেলওয়ে অফিসের অফিস সহায়ক শুধু একটি আবেদন পত্র জমা নিতেই ২০০০ টাকা দাবি করেন আমার কাছে ভিডিও রয়েছে
New passport korte gasilam dalal chara kaj hy na 1200tk dile 1 dinei all ok. Na dile 4 din gurai. Sathe nanan Kahini
নতুন জয়েনিং এ, সার্ভিস বুক, সেলারী চালু করার জন্য দাবী করেছিলো।
ভূমি খারিজ করার উদ্দেশ্যে গেলে তারা টাকা ছাড়া কাজ করতে অপারগতা দেখিয়েছে।অনেকদিন ফাইল আটকে রেখে ছিল।তারপর ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি
আমাদের ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ, যাহা আশুলিয়া থানায় অবস্থিত, আমার এই ইউনিয়নে কোন সেবা যেমন: নাগরিক সনদ, জন্ম নিবন্ধন বা ট্রেড লাইসেন্স সহ অন্যন্যা সকল সেবার জন্য গেলে সেখানে সরাসরি কোন টাকা চাওয়া হয় না বরং নানা অজুহাত দেখানো হয় যাতে আপনি ওনাদের টাকা দিয়ে ঐ কাজ করতে বাধ্য করা হয়। যেমন নাগরিক সনদ পত্রের জন্য যাওয়া হলে বলবে আপনি এই ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা নন আরো অনেক কিছু জন্য হবে না, আবার সেক্ষেত্র তাদের 200-300 টাকা দিলে তখন তারা ঠিকই নাগরিক সনদ পত্র প্রদান করেন। এবং ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে প্রকৃত খরচ 230 টাকা সেখানে তারা 1500-1700 টাকা নেন। যারা টাকা দিতে চায় তাদের জন্য প্রেয়োজন হয় বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্র। কিন্তু টাকা দিলে আর কোন কাগজপত্র প্রেয়োজন হয় না।
এই থানায় আমার ভাই বোনের নামে একটা মিথ্যা মামলা হয়েছিল।মামলার রিপোর্ট ও ছিল পজেটিব।কিন্তু এই থানার অসি।আমাদের কে টাকার জন্য খবর দেয়,এবং বলে কি যে টাকা নিয়ে আসলে মামলা টি একেবারে শেষ করে দিবে। তারপর আমরা গেলাম। বলে কি উপর মহলে টাকা দিতে হবে। আমরা বললাম কত টাকা লাগবে? তিনি বললেন প্রায় ৪/৫ লাখ তো লাগব। আরও অনেক কাকুতিমিনতির পর আমাদের কাছে ৩ লাখ টাকা দাবি করেছে। কিন্তু আমরা বললাম যে স্যার আপনারাও তো জানেন যে,এট একটা মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। তাহলে এতো টাকা লাগবে কেন? অবশেষে আড়াই লাখ টাকা দিতে হয়েছে এবং আরও আনুসংগিক ভাবে প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে।এবিষয়ে উকলসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে।অথচ ওরাও জানে যে এটা একটা মিথ্যা মামলা
এনএসডিএ অধীনে গ্রাফিক্স ডিজাইন ফর ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে এ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন হয়। অতিরিক্ত ১৫০০০/- টাকা দাবী করে না পেয়ে ১৬জন স্টুডেন্ট কে ফেক করে দিয়েছে। এনএসডিএ কিছু কিছু এ্যাসেসর আছে যারা অতিরিক্ত সুবিধা,যেমন এসি রুম,ভিআইপি খাওয়া, ট্রান্সপোর্ট, এবং অর্থ দাবি করে না দিলে এ্যাসেসমেন্ট এ স্টুডেন্ট দের ফেল করে দেয়।যা দেশের উদ্যাক্তাদের জন্য কষ্টকর হয়।
আমি একটি গ্রাম এলাকার মধ্যে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলাম। যেহেতু গ্রাম এলাকা আমার কাছে মোটরসাইকেলের কাগজ ছিল না। পুলিশ কাগজ চাইলে সাথে সাথে কাগজ দেখাতে না পারায় সে মামলা দিতে চাইলো। অন্যথায় ২০০০ টাকা দিতে হবে। কি আর করার মামলা থেকে। বাঁচতে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছিল।
জমির bars সংশোধন করতে যেয়ে সব থেকে বেশি হয়রানি হয় তদন্ত রিপোর্ট করার সময়।জমি আমার দখলে, দলিল আমার,আদালতের রায় থাকার পরেও তদন্ত করে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার। টাকা ছাড়া রিপোর্ট জমা দেয়া হয় না।৬০০০টাকা রিপোর্ট করাই। জানুয়ারি মাস ২০২৬ঘুষের টাকা দেই।সাভার ভূমি অফিসে প্রচুর হয়রানি করে। টাকা না দিলে শুধু গুড়াবে বিভিন্ন ওজুহাত দেখাবে। যাতে আপনি নিজেই বলবেন কত টাকা লাগবে।