চিকিৎসা
ভর্তির সময় খালি সিট স্টাফ রা বিক্রি করে ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভর্তির সময় খালি সিট স্টাফ রা বিক্রি করে ।
আমার চাকুরির ভেরিফিকেশন ছিল।আমার বাবা একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিল বলে কর্তব্যরত এস আই ১০০০০ টাকা দাবি করে। আমাকে আমার বাবা কল দেয় বলে এস আই টাকা চাচ্ছে না হলে খারাপ রিপোর্ট দিবে। এস আই আমাকে বলে ভাতিজা টাকাতো অনেক কামাবা আর তোমার বাবার বিষয়টাতো জানো। টাকাটা দিয়ে দিতে বলো না হলে সমস্যা হবে। পরে আমার বাবা তাকে ৫০০০ টাকা দেয়।তবুও নাকি তার মন ভরেনি যাওয়ার সময় বলে গেছে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ভেরিফিকেশনের জন্য দঃ কেরানীগঞ্জ থানায়,কিছু পেপার জমা দিতে ডাকা হয়। গেলে ডি এস বি র একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আমার জরুরী দরকার তাই আমি প্রথমে ৫০০ টাকা দিতে চাই কিন্তু সে কোন কথাই শুনে না অনেক ধরনের ভয়ভীতি দেখায় অবশেষে আমি ১২০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২২ ২৩ সালের দিকে আমার বাড়ি নিয়ে কোন প্রকার ঝামেলা নেই জায়গা জমি নিয়ে কোন ঝামেলা নেই অথচ আওয়ামী লীগের ভূমি দালালদেরকে ৫৫হাজার টাকা দিতে হয়েছিল। বাড়ির কনস্ট্রাকশন এর কাজ করার সময় তারা আমাকে অনবরত ডিস্টার্ব করত। জায়গাটা হল কেরানীগঞ্জের ছোট ভাওয়ালের খান বাড়ি এলাকা।
আমার নার্সিং এ রেজিস্ট্রেশন করার জন্য সার্টিফিকেট প্রয়োজন কিন্তু আমার কলেজে আসছিল না ,,,, তখন ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে গেলাম,,,, ওখানে গিয়ে কথা বললাম পরে বলল যে এক সপ্তাহ সময় লাগবে,, আমার কাছে এত সময়ও ছিল না শুধুমাত্র একদিন সময় ছিল,, সে বললো দেওয়া সম্ভব না,,,, আমি বললাম যে কোন কি উপায় নাই ?সে বলল যে আচ্ছা ঠিক আছে ৩০০০ টাকা দিয়ে বাহির থেকে একটু ঘুরে আসো,,,, পরে আমি বললাম আঙ্কেল আমি তো স্টুডেন্ট একটু যদি কম হতো ভালো হতো,,,,, কিছুক্ষণ ভেবে বললো ঠিক আছে ২০০০ টাকা দেও,,এরপর আমি তিন ঘন্টা পরে আসছি এবং সার্টিফিকেট দিছে,,,, আমার কথা হল যেই কাজটা ৩ ঘণ্টায় হয় সে কাজটার জন্য সাধারণ মানুষকে কেন এক সপ্তাহ টাইম দেওয়া হয়?😔 আমি জানি ,ঘুষ দেয়া এবং নেওয়া দুটাই খারাপ কাজ,, কিন্তু আমি বাধ্য হয়েছি!
সুনামগঞ্জ জেলার, দিরাই উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও সহকারী শিক্ষা অফিসার টাকা ছাড়া কোনো লাজ করেন না! বিদ্যালয়ের যত বরাদ্দ আসে, সেখান থেকে উনাদের টাকা দিতে হয়! বদলী বানিজ্য সেটা তো ঈদের সমতুল্য! গত এক বছরে দিরাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ২/৩ কোটি টাকা ঘুষ বানিজ্য করছেন! গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ৭০ টা বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য প্রতি বিদ্যায়লয়ে দেড়/ দুই লক্ষ আসে, কিন্তু প্রতি বিদ্যাকয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষা অফিস ৩০/৪০ হাজার টাকা ঘুষ নেন! প্রায় ২০/৩০ লক্ষ টাকা ঘুষ বানিজ্য হয়!
নামজারি দলিল যাচাই করে খসড়া খতিয়ান প্রস্তুত। আমার সব কাগজ ওকে থাকার পরও নায়েব সাব আমাকে বাহিরে চিপায় নিয়ে কিছু দিতে বলে। আমি বিব্রত হই। এরপর ৫০০ টাকা দিলে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে আরো ৫০০ টাকা সহ মোট ১০০০ টাকা দেই। এরপর কাজ করে দেয়।
জমি নামজজারি করতে ইউনিয়ন তোশীল অফিস থেকে রিপোর্ট প্রদানের জন্য। আমাকে বলে আমাদের কিছু খরচ পাতি দেন।
সমাজ সেবা কার্যালয় এর অফিস সহকারী শিশু সদনের এতিম শিশুদের সরকারি টাকা নতুন ভাবে বরাদ্দ করার জন্য উক্ত টাকা চান না হলে সমস্তটা বাতিল করে দিবে বলে হুমকি দেয় এই শুনে কমিটি দিতে বাধ্য হয়
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেওয়ার সময় এরা বলছে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১: ৩০ মিনিট পর্যন্ত। আমি ০১ বাজে ৩৫ মিনিটে গিয়েছি তখন সময় নেইনি বলছে দেড় হাজার টাকা দিলে জমা নেবে। তারপর কয়েক রুম ঘুরালো পরে আর জমা নেয়নি এবং জমা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। আমি চিন্তা করলাম পুলিশকে অভিযোগ করব পরে দেখি ওরা যে এক রুম থেকে আরেক রুমে হয়রানি করে দেখলাম ভিতরে কোন সিসিটিভি আছে কিনা কোন প্রকার সিসিটিভি নেই এবং গেটের সামনে একটি সিসিটিভি রাস্তায় কে আসে কে যায় ওইটাই দেখা যায় ভিতরে কোন সিসিটিভি নেই সেক্ষেত্রে আর আমি অভিযোগ করতে পারেনি
১/ একটা নকল উঠাতে সরকারি ফি ৬০ টাকা আর সে জায়গায় নেই পনেরশো টাকা. ২/আর আমি যদি আমার বাবার সম্পত্তি আমার অংশটুকু বিক্রি করতে চাই .দলিল করতে দলিলের খরচ ছাড়া আরো আট হাজার টাকা বেশি দিতে হয়. ৩/দাদার সম্পত্তির আমার অংশের টুকু বিক্রি করতে গেলে দলিল খরচ ছাড়া আরো দশ হাজার টাকা বেশি দিতে হয় না হলে তারা দলিল করে না. ৪/নামজারি করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা আর তারা নেই আট হাজার টাকা.
কাজ না করে ঝুলিয়ে রেখে ছিল। টাকার বিনিময়ে হয়েছে।
এখানে এজি অফিস থেকে টাকা চাইছিল একজন
উত্তর কাউন্দিয়া মৌজার একটি জমির মিসকেস সম্পর্কিত মামলা। মামলার প্রতিবেদন এর ক্ষেত্রে ঘুষ চাওয়া হয়েছে।
এখানে ৬০০ টাকা করে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন খাতে বিভিন্ন রকম ঘুষ নেয়া হচ্ছে ৫০-১০০।৫০০ যার কাছ থেকে যেমন করে
প্রথমে ডিজি (স্বাস্থ্য) থেকে বরখাস্ত হই। তারপরে আদালতে রায় আমার পক্ষে আসে,কিন্তু সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য আমাকে দীর্ঘদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। শেষমেষ দাবিকৃত টাকা দিয়ে আমার কার্য্য সম্পাদন করি।
ব্যাংক লোন রিকোবারির কথা বলে টাকা দাবি
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়েছিলাম। আমাকে গাড়ির শোরুমে যাইতে বলে। বিআরটিএ অফিস থাকতে শোরুমে কেন যাব। বাড়ি দুরে হওয়ার যাতায়াতের সমস্যা র কারেন ২-৩দিন হয়রানির পরে বাধ্য হয়ে টাকা পে করতে হয়েছে।
পিয়ন আমার কাছে 2000 টাকা চায় আমার পেপার্স এর ভুল ত্রুটি ঠিক করে দেবে এবং আমার সিরিয়াল আগে দেবে
আমি কয়েক দিন আগে ৪.৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। সেটার মিটিশন করতে গেলে আমার কাছে ৫৪০০ টাকা চাওয়া হয়। বলে তাহলে আপনাকে বার বার আর এখানে আসতে হবে না।