ব্যাংক লোন
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে লোন নিতে গিয়েছিলাম, তিন লক্ষ টাকা, লোন নেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার টাকার ঘুষ চেয়েছিল আমি ফিরে এসেছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে লোন নিতে গিয়েছিলাম, তিন লক্ষ টাকা, লোন নেওয়ার জন্য ৩৭ হাজার টাকার ঘুষ চেয়েছিল আমি ফিরে এসেছি।
নবায়ন করতে গেছি ওরা আমার কাছে ৩০০০ টাকা চাইছে
MPO করার জন্য প্রথমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ্যাপরুভ করে না,পরে ৩০০০ টাকা দিলে এ্যাপরুভ করে, জেলা অফিস এ যায়, জেলা শিক্ষা অফিসার ভাল মানুষ উনি টাকা ছাড়া যথা সময়ে এ্যাপরুভ করে দেন, ঢাকা শিক্ষা অফিস ফাইল গেলে ৪ মাস ফাইল ঝুলিয়ে রেখে রিজেক্ট করে দেয়, পরে আবার আবেদন করলে উপজেলা শিক্ষা অফিস আবার ৩ হাজার টাকা নিয়ে ফাইল পাঠায়,এবার ঢাকা শিক্ষা অফিস এ আগের একই ফাইল একই কাগজ দিয়ে ১২০০০ টাকা দিলে ফাইল এ্যাপরুভ হয়,এই হলো আমাদের দেশের অবস্থা
আমার কাগজ পাতি সব ঠিক আছে,তারপর ও বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাকে একাধারে ৫ দিন হয়রানি করা হয়েছে। তারপর আমাকে একটা দোকান দেখিয়ে দিল (আরেকজন বহিরাগত)বল্ল ওনার কাছে যান সব ঠিক করে আসেন, গেলাম ওনি ৫০০০ টাকা চাইলো অতিষ্ঠ হয়ে টাকা দিলাম এখন আর কোন ভুল নাই! দরবেশ বাবার কেরামতি passport done.
একজনের মাধ্যমে করতে হয়েছে । আমার আম্মুকে ওমরাহ করানোর জন্য পাসপোর্ট বানিয়ে ছিলাম 2023 সালে। আমাকে বলেছে এখনকার সিস্টেম এমনি আপনার পাসপোর্ট করাতে চাইলে বারতি টাকা পরিশোধ করতে হবে এবং কি থানা ভেরিফিকেশন করতে ও 1000 টাকা দিতে হয়েছে।
Taxi driver license এর জন্য একটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দরকার ছিল । সরকারি চালান ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর থানায় ৯০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
এক্সিডেন্ট এর একজন রোগী নিয়ে আমি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে যাই।সেখানে আমার রোগীর সিলাই দেয়ার পর সিলাই বাবদ ১০০০ টাকা দাবী করে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
নতুন পাসপোর্ট বানানো
এখানে সরকারি চালানের পর অতিরিক্ত টাকা না দিলে কোনো কাগজপত্র ছাড় দেওয়া হয় না ।
দুইবার আমাকে অনলাইন থেকে আবেদন বাতিল করে দেয়।তারপরে ঢাকা আগারগাঁও নির্বাচন অফিসে যাই। তারপরে তারা বিভিন্ন ডকুমেন্টস চায় যেগুলো জোগাড় করতে অনেক টাকা প্রয়োজন। ওই ডকুমেন্টগুলো আমি ম্যানেজ করে তারপরে আমাদের এলাকার থানা নির্বাচন অফিসে যাই। তারা বলে এই কাজ আমাদের না। এটা নিয়ে বরগুনা জেলা নির্বাচন অফিসে যাই । তারপরে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করি।তারপর নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা বলে স্যার এখন নাই ছুটিতে আছে আপনার ফোন নম্বর দিয়ে যান স্যার আসলে আপনাকে ফোন করবো। তখন আমি ফোন নাম্বার দিয়ে চলে আসি। আমাকে একদিন ফোন দিয়ে বলে স্যার আসছে আপনার সাথে কথা বলতে চান।আমি অফিসের কর্মকর্তার সাথে দেখা করি। তখন তিনি আমার কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চায়।পরে ৮ হাজার টাকায় করে দেয়।
টাকা দিলে ফ্লোরের বদলে সীটে বরাদ্দ দেয়।তাছাড়া দায়িত্বরত ওয়ার্ডবয় আর আনসার সদস্যরা হুদাই টাকা নেয়
জমির খারিজের জন্য ৮৫০০ দেওয়ার পরেও খারিজ করে দেয়নি। ওখানে ঝাড়ুদার হিসাবে কাজ করে। ভাবসাব দেখলে মনে হয় জমিদার
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা জ্বালানি তেলের পাইপলাইন স্থাপনের জন্য আমাদের জমি সরকার অধিগ্রহণ করে। সরকারি হিসাবে ৭,৩৭,০০০ টাকা নির্ধারণ হলেও বিভিন্ন কর্তনের পর বরাদ্দ হয় ৭,১৬,৭৩৪ টাকা। এই টাকা পেতে প্রায় আড়াই বছর বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুষও দিতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত চেক আসার পরও পাস করাতে ৪৬,০০০ টাকা দাবি করা হয়; বহু অনুরোধের পর ১৫,০০০ টাকা দিয়ে চেকটি পাস করাতে হয়েছে। সাধারণ মানুষের ন্যায্য পাওনা পেতে এমন হয়রানি ও ঘুষের শিকার হওয়া সত্যিই দুঃখজনক।
গনকখুলীর, একবাড়িয়া, ১৩ নং আদ্রা ইউনিয়ন, বরুড়া,কুমিল্লা আমার থেকে ঘুষ নেয়, কিন্তু জন্ম নিবন্ধন দেয় ভুয়া। আমি সৌদি আরব যাওয়ার সময় আমার জন্ম নিবন্ধনে এক বছর কম হওয়ার কারণে পাসপোর্ট করতে পারতেছি না, তখন এলাকার মেম্বারকে বলছি আমার জন্ম নিবন্ধনের বয়স যদি এক বছর বাড়িয়ে দিতেন ইউনিয়ন পরিষদের লোকদের বলে তাহলে পাসপোর্ট করতে সুবিধা হতো। তখন তিনি আমার কাছ থেকে জন্ম নিবন্ধন ঠিক করার কথা বলে ৩০০০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু তিনি আমার জন্ম নিবন্ধনের কিছুই করেননি, আমাকে যে জন্ম নিবন্ধন ওনি করে দিছেন সেটা ছিলো অন্য কারো নামে জন্ম নিবন্ধন, এখন আমি পাসপোর্ট করতে পারতেছি না, আমার নামে কোনো জন্ম নিবন্ধন নেই, যেটা দিয়ে পাসপোর্ট করছি সেটা অন্য কারো নামে, এখন আমার পাসপোর্ট হচ্ছে না।
আমার বউয়ের এন আইডি কার্ড করতে উপজেলার কর্মকর্তা ঘুষ চাচ্ছে দিবো বলছি আজকে ছবি তুলছে এন আইডি কার্ড করতে এখন বার ফোন করতেছে টাকার জন্য। আজকে মঙ্গলবার সকাল নয়টায় ছবি তুলছে।
নামজারী করতে তহসীলদার একজন একজন স্টাফের সাথে গোপনে কথা বলতে পাঠিয়ে দেয়। সে ৮০০ টাকা দাবি করে। পরে ৭৫০০ টাকায় রফা হয়। এটা ছিল আমার উপর জুলুম।
মানুষকে জিম্মি করে হয়রানি করে টাকা না দিলে কোন কাজ করে না 👍 বেলাবো, ভূমি অফিস বেলাবো -নরসিংদী। সরকারি ফ্রি থেকে ২০ হাজার ত্রিশ হাজার টাকা বেশি দাবি করে 👍দিতে না চাইলে তার কাজ বুলিয়ে রাখে করে না
I worked as a development worker in a national NGO. I got 18 foreign grants from different Donar agencies from abroad. I paid more then 200000( 2 lack’s) to get approved 18 projects of around total 4 crore. ( June 2020 to June 2022) This the regular thinks of this office which is also named by prime ministers office.
অনলাইলে আবেদন করলাম। পেইন্ডিং। আবেদন এপ্রুভ হয় না। পরে অফিসে ২৩৮ টাকার খাজনা ৪ হাজার টাকা দাবি করল। না দিলে খাজনা রশিদ দিবে না; মানে পরিশোধিত হবে না। খাজনা পরিশোধ না হলে জমির দলিল হয় না। বাধ্য হয়ে দিতে হলো।
সিলেট টু ঢাকা মহাসড়ক প্রশস্ত করণে আমার জমি অধিগ্রহণ কল্পে ৭ ধারা নোটিশে ইচ্ছাকৃতভাবে মুল শ্রেনী পরিবর্তন করে এল এ সেকশনের দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার আমার ভাগিনার কাছে ইহা সংশোধনের জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন,কেন টাকা দিতে হবে জানতে চাইলে উক্ত কর্মকর্তা বলেন না দিলে ক্ষতি পূরণের টাকা কম পাবো তাই অফিসের সবাইকে দিতে হবে এবং স্যারদেরকে দিতে হবে, আমি তা প্রত্যাখ্যান করি।