ইউনিয়ন
মেম্বার ঘুষ চেয়েছে ।৷।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মেম্বার ঘুষ চেয়েছে ।৷।
Kaj Pete hole 2% dite hobe Tar por approved er jono 1% Bill theke 2%
টাকা না দিলে রেজিস্ট্রি করে দিবে না
i applied for my police clearance certificate and paid the govt's fee of 500bdt. The officer in charge literally took weeks before he issued it. i usually never pay bribes, but this was for my visa application, so i paid and voila! i received the pcc the next day.
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০ টাকা চাইলো।
একটি ফ্ল্যাট এর নামজারি করতে আমার ২৫,০০০ টাকা দিতে হয়েছে
কুমিল্লা সড়ক জোনের কর্মকর্তারা ঐ অঞ্চলের কিছু ঠিকাদারকে ছাড়া অন্য কাউকে কাজ দেয়না। স্বৈরাচারী শাসন আমল থেকে একটি কুখ্যাত সিন্ডিকেট ঐ জোনের সকল জেলার কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। কেউ তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অচল করে দেয়। পরিকল্পিতভাবে মহাসড়কের ক্ষতি করে দীর্ঘদিন জ্যামের সৃষ্টি করে মন্ত্রণালয় ও হেডঅফিসকে জিম্মি করে ফেলে।
আমি একটি মামলা জামিন সংক্রান্ত কারনে আমার জেলার দায়রা ও জজ আহালতে যাই, সেখানে পেশকার জামিনের দরখাস্ত জমা দেওয়ার সময় আমার কাছে ওনার জন্য ১০০০/- এবং পিওনের জন্য ২০০/- টাকা দাবি করে না দিলে কাজ হবে না আমি নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তখন আমি ভিবিন্ন এজলাসে গিয়ে এমন টাকা দাবি করার বিষয় দেখতে পাই। জি আর ও অফিস থেকে শুরু করে জুডিসিয়াল কোটেও। তখন একজন আইনজীবী সহকারীকে ঘুসের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে ওনি যানায়। জামিনের দরখাস্ত জমা, নকল উত্তলন, হাজিরা জমা, মামলা পাইলিং, মামলার আদেশ, জামিন নামা জমা, নথি তল্লাশি সহ যেই কাজই করে না কেন কোটের পেশকার,পিওন, লিপিকারক, জারি কারক, অফিস সহায়ক সহ সবাই টাকা দাবি করে আর ওনাদের দাবীকৃত টাকা না দিলে নানা ভোগান্তিতে পরতে হয় এবং নিরুপায় হয়ে ওই টাকা পরিশোধ করা লাগে।
সরকারি চাকরিতে জয়েন দেয়ার পর আনোয়ারা হিসাবরক্ষণ অফিসের একজন সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমার কাছে অর্থ দাবি করে
ট্রেড লাইসেন্স এর মধ্যে দেওয়া আছে ৫০০ টাকা ও ৭৫ টাকা ভ্যাট কিন্তু আমার কাছ থেকে অন্য আরেকটি রশিদে ১১০০ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে এবং ওই রশিদ অনুযায়ী আমার ১১০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এই কাজটি হয়েছে হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদ, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ।
ফেনী সড়ক বিভাগের executive engineer স্থানীয় একটি কোম্পানির অঘোষিত ম্যানাজার হিসেবে অত্র দপ্তরে বসে অগ্রিম কাজ করিয়ে তারপর টেন্ডার আহবান করে। ফেনী সওজে আউটসোর্সিং-এ লোক নিয়ে সমগ্র দপ্তর নিয়ন্ত্রিত করছে স্বৈরাচারী সরকারের সময় থেকে। দপ্তরের সকল তথ্য ঐ নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জানিয়ে দিয়ে সকল ক্রয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। ঐসকল স্টাফদের মাসিক বেতন/ভাতা দেয় উক্ত কোম্পানি। বর্তমান executive engineer কে কুমিল্লা থেকে বদলি করে এনে গত দুই বছরে প্রায় ১হাজার কোটি টাকার কাজ ১টি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। স্থানীয় জেলা বিএনপির অথর্ব নেতারা এসব অপকর্মে ঐ কোম্পানি ও exen কে কিছু বলার সাহস রাখে না। ২/৪জন নেতা এসবের সুবিধাভোগী। কেন্দ্রের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ওরা এসব করে আসছে।
খারিজের আবেদন বার বার বাতিল করা হয়েছে কোন কারন ছাড়াই
আমাকে বলা হয়েছিল খাজনা ১২০০০ টাকা দিতে হবে আমি দিয়েছি আমাকে রশিদ দিয়েছে ৮৬০ টাকা তখন প্রতিবাদ করলে বলে কিছু করার নেই তখন আমি অনেক সময় তর্ক বিতর্ক করে ওদের সাথে পারছিনা খাজনা ১২০০০ টাকা দিতে আমি বাধ্য হই কারণ আমি ওই জায়গাটা রেজিস্টারি করব তাই
পাসপোর্ট তৈরি করতে টাকা চেয়েছিল প্রথমে দিতে অস্বীকার করার ফলে । কাগজ জমা নেয়নি পরে টাকা নিয়ে কাগজপত্র জমা নিয়েছে এবং পাসপোর্ট করতে পেরেছি
আমি সেনাবাহিনীর সৈনিক। সরকারি কাজে নিজের টাকা খরচ করে এক ক্যান্টনমেন্ট থেকে অন্য ক্যান্টনমেন্ট এ গিয়েছি দায়িত্ব পালন করে আবার ফিরেছি নিজের খরচে। নিয়ম অনুযায়ী আমি আমার খরচ করা টাকা আমি দাবি করতে পারি আমি নিয়ম অনুযায়ী যা পাবো তাই দাবি করেছি। কিন্তু পে অফিস থেকে আমার কাছে বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয় দাবিকৃত টাকার ১৫% টাকা আগে তাকে দিতে হবে তারপর অনুমোদন করে দিবে। আমি দেয়নি। আমার প্রতিবেদন প্রতিটি সৈনিক এর উপর করা জুলুম এর প্রতিচ্ছবি। তাই সরকারের কাছে বিশেষ অনুরোধ এই সেক্টরে নজর দেওয়ার জন্য।
সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত, বাংলাদেশ দূতাবাসে ই- পাসপোর্ট করার জন্য এপয়েন্টমেন্ট নিতে গেলে ২/৩ মাস পরে তারিখ পাওয়া যাচ্ছে। ২০০ রিয়াল= ৬৬০০ টাকা দিলে ১ দিনের মধ্যেই ফিঙ্গার দেওয়া যায়। অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে করতেছে।”
স্থান: নৌ এবং সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর চট্টগ্রাম আমি একজন মেরিনার । আমি সেদিন আমার CDC তৈরি করতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানকার এক কর্মচারী আমার কাছে 1000 টাকা দাবি করে এবং নৌ পরিবহন অধিদপ্তরে আমার চোখের পরীক্ষার জন্য সেখানকার কর্মচারী 500 টাকা অর্থ দাবি করে আমি আমার EYE TEST এবং CDC খুব দরকার ছিল সেজন্য আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হই ।
Passport korar jonno niyesilo, ami nije theke 2 din try koresi but hoyni, pore ghush dile ar kono issue hoyni, perfacet vabe passport korte parsi
খতিয়ান সংক্রান্ত কিছু তথ্য দিয়েছে নায়েব এজন্য তার পিয়নকে কিছু খরচা-পাতি দিতে বলেছিলো। আমি শেষ পর্যন্ত চারশত টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। কারণ কাজটা জরুরী ছিলো।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নেয়ার পর ড্রেসিং করতে গেলে , , তখন ওখানে নাকি গ্লাভস দেওয়া হয় না । কিনে নিয়ে আসতে হবে । আমাকে একটা চিরকুট দেওয়া হলো, ওখানে সিরিয়াল নাম্বার উল্লেখ করা ছিলো। একটা দোকান দেখায় দিলো ওখান থেকে নিয়ে এসে তাপর আমার কাজ করলো। আমি নিয়ে আসছি টাকা দিয়ে আমি ঐখানে দায়িত্বরত জন কে বলায় যে কেনো কিনে নিয়ে আসব এখন আমাকে , আমার রিপোর্ট হাতে ধরা দিয়ে পাঠায় দিচ্ছি বলার জন্য ওখানে করেনি এবং ব্যবহার ছিল খুবই খারাপ ।