Driving Licence
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে, বলা হয় সকলেই কন্টাকে করে ঝামেলামুক্ত। এবং অফিসের মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারীরা সরাসরি বলতেছিলো নিজে নিজে করতে গেলে সহযে পার পাবেন না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে, বলা হয় সকলেই কন্টাকে করে ঝামেলামুক্ত। এবং অফিসের মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারীরা সরাসরি বলতেছিলো নিজে নিজে করতে গেলে সহযে পার পাবেন না।
সহকারি শিক্ষকের উচ্চতর গ্রেডে বেতন উন্নিত করতে জন প্রতি ২০০০/- টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। বর্তমানে কাজ চলমান।
খাজনার রশিদ আনতে গেলে প্রায়শই টাকা দাবি করে অতিরিক্ত এবং বাইরের লোক দিয়ে অফিস পরিচালনা করে ইভেন অতিরিক্ত টাকা দাবি করে।
নামজারির জন্য একটা কাগজে সমস্যা ছিল তাই নামজারি হবে না বলেছিল পরে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে আমি ২ লক্ষ টাকা দিলে ৬/৭ মাস পর আমার নামজারি হয়ে গেছে।
আমার বাবা প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক ছিলেন, পেনশনের টাকা তোলার জন্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে টিও অফিসের এক কেরানি এর কাছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চেয়েছিলাম। ১২০০০ টাকা চাইলো। বল্লো সব আমরা করে দিব। টাকা না দিলে ভাইভায় পাস করতে পারবেন না।
২০২৪ সালে, সময় ইদুলআজহার পরে, আমার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়,, উদ্ধার করার জন্য ৫০০০ টাকার নেয়, বলে মোবাইল চাঁদপুর থেকে আনতে হয়েছে, কীন্তু মোবাইল আমাকে দেয়ার পর আমি ওই মোবাইলে চোরের লগিন করা জিমেইল আইডি পাই,, এবং চোরের সন্ধান করপ পাই আমার গলাচিপা থানার বাহিরে ও চোর ফোন নেয় ই নি,, মিথ্যে অজুহাত দেখিয়ে ৫০০০ টাকা নিয়েছে,, বলছে না দিলে মোবাইল পাবানা,,, পরে৷ সুলাম ওই চোরের কাছথেকে আরো মোটা অংকের টাকা নিয়েছে। প্রমান সাক্ষী সমেত দেয়া যাবে৷,, সেই চুরি যাওয়া ফোনথেকেই অভিযোগ করতেছি।
আমি প্রথম পাসপোর্ট বানাতে দেয়ার পর verification এর জন্য শান্তি নগর office এ গিয়ে আনতে সময়ে verification officer বলে কিছু দিয়ে গেলেন না তারপর আমি 500 টাকা দিলে বলে 1000 tk দেন, তারপর ওই টাকা দিয়ে ই আসতে হয়েছিলো .নয়তো অপমানজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের কাগজ জমা দিতে গিয়ে ঘুষ ছাড়া কাগজ জমা নেওয়া হয় না। কোন কিছু ভুল না থাকার পরও ভুল দেখিয়ে টাকা দাবি করে। বাঙ্গরা বাজার থানা।
প্রথম পে ফিক্সেশন করানোর ক্ষেত্রে আমার প্রতিষ্ঠানের আ্যকাউট্যান্ট দাবি করে যে অডিট অফিসে টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না৷ তাই, ইন পার্সন গিয়ে গিয়ে পোক করে করে আদায় করসি। তবে সময় বেশি লেগেছে, অযথা বিভিন্ন ডকুমেন্টের জন্য ডিলে করসে। সেকেন্ড টাইম আ্যডভান্স ইনক্রিমেন্ট আ্যড করানোর ক্ষেত্রে সাহস করতে পারি নাই, কজ বাকি সকল কলিগ কনভিন্সড৷ ঘুষ দিতে হইসে৷
আমি যখন নামজারি করতে ভুমি অফিসে যাই ওনারা বলে কাগজ পত্র জমা দেন পরে আসিয়েন। পরে আসতে আসতে ৬ মাস আসলাম। তার পরেও হয়নাই। পরে বলি কি বেপার ভাই হবেনা। ওনি বলে ভাই টাকা দিলে আজকেই হবে। আমি কত দিতে হবে ওনি বলে ২০.০০০ টাকা। পরে ১৫৫০০ টাকা নেয়। দিনে দিনে নামজারি হয়ে যায়। রাত ৮ টায় বলে তোমার কাগজ নিয়ে যাও।
পাসপোর্ট রেনু আমাকে বলছে জদি টা না দেন তাহলে ফাইল জমা হবেনা দুই তিন ঘন্টা ঘুরে আবার আমার কাছে আসবেন পরে একটু হয়রানী হইতে হইছে
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স আপডেট করতে গিয়েছিলাম সরকারি নির্ধারিত একটি ফ্রি আছে সেই নির্ধারিত ফ্রিদ থেকে ৫০০ টাকা বেশি লাগবে এজন্য আমি তার সঙ্গে একতরফা ঝগড়া ঝাটি শুরু করলাম এবং সে আমার কাজ করে দিতে নারাজ আমি বারবার বলছিলাম কেন আমি আপনাকে ৫০০ টাকা বেশি দেবো আর আপনি আমার কাজটা করে দেন সে বলে আপনি রেখে যান কিছুদিন পরে করে দেবো কোন টাকা লাগবে না এবং সে আমাকে বলে আমার সিরিয়াল নাকি অনেক দেরি আছে
গ্রীক সাইপ্রাস আসা প্রত্যেকটি স্টুডেন্ট কে আগে থেকে করা লাগে এয়ারপোর্টে কন্টাক, অন্যথায় এয়ারপোর্টে করা হয় হয়রানি ও কখনো ফ্লাইট বাতিল ও হয়, এতে করে প্রতি স্টুডেন্ট থেকে ৩০-৫০ হাজার টাকা কন্ট্রাক্ট করে তাদের একটা সিরিয়াল নাম্বার দেয়া হয়, ওইটা ইমিগ্রেশন অফওসারকে কানে কানে বল্লেই আর কিছু লাগে না।
আমি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে বিল উত্তোলন করতে গেলে আমার কাছে এই টাকা চাওয়া হয়।যেহেতু এই টাকা ছাড়া বিল ছাড় করবে না আর আমার টাকাটা খুব দরকার তাই আমি দাবিকৃত ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
আমার একটা জমি আমার এক দাদারা বেশি করে খাজনা খরচ করে নিয়েছে আমি সেই কাজ বাতিলের জন্য খেলে আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা আবদার করা হয় এবং আমি সেটা কাউকে পরিশোধ করি না তার পরেও আমার জমি এখন পর্যন্ত থাকবে হাদিস দিতে পারিনি সেই তো সিলদার ভূমি অফিসার আমার টাকা খেয়ে বসে আছে আমার সবকিছুই আসল তারপরেও আমি সেবা পাচ্ছি না আমার বাড়ি সুজানগর কুড়ি পাড়াতে থানা সুজানগর জেলা পাবনা সুজানগর ভূমি অফিস এখানে সর্বক্ষণ অনিয়ম চলে সবাই এখানে টাকা খায় টাকা ছাড়া কোন কাজ করা যায় না
এলজিডি এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যেসব ঠিকাদাররা কাজ করে তাদেরকে প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রে কম করে সাত /আট পার্সেন্ট করে অফিসে ঘুষ দিতে হয়। এককোটি টাকার কাজে তাদেরকে কমকরে ৭ লাখ টাকা ঘুষ দিতেই হয়। এ টাকা নির্বাহী প্রকৌশলী সহকারী প্রকৌশলী উপসহকারী প্রকৌশলীকে ধাপে ধাপে দিতে হয়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাল ঘুষ এবং দুর্নীতির আখড়া , আনসার বাহিনী ,ওয়াড বয়, ডাক্তার ও বহিরাগতরা জড়িত , সিটিস্ক্যান করতে ২০০০ টাকা এক দালাল চাইছিলো , দ্রুত সময়ে করিয়ে দিবে । এক্সিডেন্টে রোগি ছিলো । এই বিষয় টা সকলেই খোজ নিয়ে দেখেন ।
Broker asked me to pay 65000 taka for urgent process. So I regret to pay and I went to the passport office and within a few hours I got my mother renew passport with the cost of 300 taka.
ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হলে অনলাইন করতে হয় খতিয়ান ।এই কাজের জন্য আপনি খুশি হয়ে যদি নাস্তা বাবদ কিছু দেন সেটা ভিন্ন ।কিন্তু কাজ করার পরে আমার পকেটে প্রায় 5000 টাকা ছিল তা দেখে 1500 টাকা ছাড়া নিবে না ।