আদালতে
জজ সাহেব বলেছেন স্বাক্ষর করে যেতে, স্বাক্ষর দিতে গিয়ে টাকা লাগে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জজ সাহেব বলেছেন স্বাক্ষর করে যেতে, স্বাক্ষর দিতে গিয়ে টাকা লাগে
আমার চাচতো খালাতো ভাই পুলিশে চাকরির জন্য সবদিক দিয়ে ফিট ছিল কিন্তু তখন তাকে কোন এক অফিসার বলল চাকরি পেতে হলে ৭ লাখ টাকা মিষ্টি খাওয়ার জন্য দিতে হবে
আমার কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য ৩০০০ হাজার টাকা চায় ।তার পর ১৫০০টাকা দিয়ে আসি ।বলল্লো ৭দিন পর পাবো ।কিন্তু পাইনি ।এখন ও 😭
মিলে বিদ্যুতের লাইন নিতে ধাপে ধাপে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। বিভিন্ন অডিটের নামে ও ফাইল সাইনিং এর নামে
এখন পরিষদের লাইসেন্স করতে গিয়ে এ বছর অন্যরকম হয়রানি, ওখান থেকে পাঠানো হয় উপজেলা পরিষদ উপজেলা পরিষদের আবেদন করে এনওসি আনতে হয়, ওখানে ৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয় এরপরে অপেক্ষা করে ইউনিয়ন পরিষদে ১৯ হাজার টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়, এখানে অনেকদিন সময় নষ্ট হয়েছে, যেখানে গত বছর ১২ হাজার টাকা মেসেজ করা হয়েছিল এভাবে উদ্যোক্তাদের হয়রানি করলে এদেশে উদ্যোক্তা বাড়বে না
ময়মনসিংহ সিটিতে মিশুক ৮০০৳, অটো ১৫০০৳ এবং ড্রাইভারদের কাছ থেকে ৫০০৳ করে নিয়েছে কিন্তু এই টাকার বিপরীতে কোন টাকার রশিদ প্রদান করেনি। এইসব অটোর মালিক এবং ড্রাইভার অসহায়ের মতো টাকা দিতে হয়েছে। যদি এটা লিগাল হতো তাহলে কেন টাকার বিপরীতে টাকার রশিদ দেয়নি। এই টাকাটা এই টাকার বেশিরভাগাংশই তারা লুটেপুটে খাবে। কয়েক কোটি টাকার একটা লেনদেন হয়ে গেল কিন্তু একটা টাকাও ভাউচার দেয়নি। আপনারা যাচাই করে দেখতে পারেন আমার এই অভিযোগ সত্য না মিথ্যা। সত্য হলে প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করছি।
বাংলাদেশে যে সব বিভাগে কাস্টম হাউস (শুল্ক স্টেশন) আছে সে সব অফিসে আমদানিকৃত ও রপ্তানিকৃত পণ্য ছাড় করতে ফাইল প্রতি ১০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ বা তার অধিক টাকা ঘুষ দিতে হয়। যদি ঘুষের টাকা না দেয় তবে আমদানিকারকের হয়রানি করা হয়। সব থেকে এ অফিসে ঘুষ লেনদেন হয় বেশি।
৫ মাস ধরে ঘুরাচ্ছে। একটা নোটিস করতে ২ মাস সময় নেয়। পরে নিরুপায় হয়ে ২০০০০/- টাকা দিয়ে মিস কসে করছি।
বেতকা ইউনিয়নের ভূমি অফিসে চলছে ঘুষের রমরমা ব্যবসা
Nid korar jonno 2700 tk dite holo dalalke. 1 year ghureo kaj hoynai, dalalke tk dear porerdin kaj hoyegeche
রেলওয়ে যাওয়া জমির টাকা উত্তোলনের জন্য সর্বমোট ১২% চেয়েছিল
খাজনা রশিদ সহ যাবতীয় কাগজ থাকা সত্ত্বেও চা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকার দাবী ভূমি প্রধান সহকারীর
দলিলের ভুল ধরে নামজারি হবে না জানিয়ে দেয়, পরে ফোন দিয়ে ৫০,০০০/- টাকা হলে কাজ করে দিবে জানায়।
টাকা চাইছে আমার টা কোনো দালালের মাধঢমে করা ছিল না নিজের টা নিজে করছি তাই ভুল ধরে টাকা চাইছে ২০০০ আমি দেইনি।
লিফট ম্যান,রোগীর সেবার বিনিময়ে টাকা চায়।
সেবাটি ছিল বদলি সংক্রান্ত। আমি একজন চতুর্খ শ্রেনীর কর্মচারী।আমার শারীরিক অসুস্থতার কারনে নিজ জেলায় বদলির আবেদন করলে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার কাছে বদলির জন্য ৩০০০০০ টাকা ঘুষ দাবী করে। পরবর্তীতে আমি অপারগতা প্রকাশ করলে উনি আমাকে বলে এমন বদলি সরকারি নিয়ম বহির্ভূত। টাকা ছাড়্ কোন সিস্টেম করা যাবে না।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন।আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ থেকেএকজন ব্যক্তি বলছিল নিবন্ধন সংশোধন করতে একটা প্রতি ৩০০টাকা দাবি করে আমার কাছে এইভাবে তিনটা জন্মের সংশোধন করতে ১০০০ টাকা দাবি করে
বোর্ডের খাতা কাটার জন্য ১৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলো।
খারিজের আবেদন করতে গেলে আবেদন খরচসহ ৮ হাজার টাকা দাবি করে। না দিলে ভূমির খারিজ দেয় না। ঘোরাঘুরি করে।
আমি জব থেকে অকালীন অবশর এ আসি। প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন এর টাকা উঠাতে গেলে আমার কাছে মোট ২০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে ১৫ হাজার টাকা দিয়ে তারপর আমার টাকা উত্তোলন করে থাকি