জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করা
তাদের এক্সট্রা টাকা দেয়ার অনেক ঘটনায় আছে কিন্তু বর্তমানে ঘটা ঘটনাটি , হচ্ছে অনেক আগে জন্ম নিবন্ধন করা ছিল সেটা এখন বাংলায় ও ইংরেজি করার জন্য ডিজিটাল করতে গেছিলাম বা অনলাইন করতে গেছিলাম তখন এই ঘটনা ঘটেছিল ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
তাদের এক্সট্রা টাকা দেয়ার অনেক ঘটনায় আছে কিন্তু বর্তমানে ঘটা ঘটনাটি , হচ্ছে অনেক আগে জন্ম নিবন্ধন করা ছিল সেটা এখন বাংলায় ও ইংরেজি করার জন্য ডিজিটাল করতে গেছিলাম বা অনলাইন করতে গেছিলাম তখন এই ঘটনা ঘটেছিল ।
notun passport korar jonno passport officer dalal der 1500 tak ghus ba service charge dite hoyeache
আমি একটি মর্টগেজ দলিল সম্পাদন করতে জামালপুর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যাই। পরে ভিতর থেকে মুহুরীকে বিশেষ উপায়ে জানানো হলো ৩৫০০০ টাকা না দিলে কাজ হবে না। সর্বশেষ আমি দিতে বাধ্য হই।
টিকিট পেতে ও ডা দেখাতে সুযোগ পাওয়া তে টাকা দাবি করে। জনগনের সাথে চরম খারাপ আচরন করে। রোগী সেবা পায় না।
বুড়িচং উপজেলার ৭০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট হতে সিলেকশন গ্রেড বেতন স্কেল প্রাপ্তির শিক্ষক প্রতি ২৫০০ টাকা নিয়েছে।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করার সময় আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিছে এবং পাসপোর্ট আনার সময় তারা বলে যে ৫০০ টাকা না দিলে পাসপোর্ট দিবেনা
আমি একজন মেয়ে মানুষ। বাবা বেচে নেই। জমি নিয়ে বিরোধ এজন্য লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করতে গেলে তারা অনেক ব্যস্ততা দেখানোর পর আমার কথা শুনে একটা আবেদন ফরম নিয়ে আমার ঠিকানা এবং বিবাদীদের ঠিকানা লিখে। এরপর অফিস সহায়ক'কে জারিকারক এবং কম্পিউটার অপারেটর বলে চা নাস্তার টাকা নিতে৷ আমি জিজ্ঞেস করি কত টাকা? অফিস সহায়ক বলে, কেউ ৫০০-১০০০টাকাও দেয়। আপনার ইচ্ছা যা দেন৷ আমি কেবল ২০০টাকা দেই। তারপর জারিকারক বিবাদীদের কাছে নোটিশ পৌছে দিতে গেলে আমার থেকে ৫০০টাকা নেয় ১ম বৈঠকের দিন। হাজিরায় নাম লেখার সময় আরেকজন অফিস সহায়ক ২০০টাকা হাজিরার জন্য চায়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই। সিভিল জজ স্যার ১ম বৈঠকের পর তদন্ত করতে দেয় জারিকারক'কে., উনি তদন্ত করতে এসে ১০০০৳ দাবি করে। আমি দেয় নি। আজ ৪মাস প্রতিবেদন জমা দেয়নি উনি😭
পাসপোর্ট এর জন্য যখন গিয়েছিলাম তখন তারা আমার কাছে গিয়েছিল ১২০০০ টাকা থেকে এক টাকা কম দিলেও তারা লাইসেন্স করে দিবে না তারা আমাকে সামনের কম্পিউটার দোকানে পাঠিয়েছিল সেখানে তারা একটা আমার যাবতীয় কাগজপত্রের সঙ্গে কিছু সাংকেতিক চিহ্ন এবং চিরকুট লিখে দিয়েছিল তারপর পাসপোর্ট পাই
আমার সাথে হেলমেট ছিল না এবং এরকম কথা বলে আমাকে ১২ হাজার টাকার মামলা দিতে চায় কিন্তু পরে আর একজন তিন হাজার টাকা দাবি করে তাহলে মামলা দিবে না পরে আমি ৩০০০ টাকা দিয়ে ১২ হাজার টাকার মামলা থেকে বেঁচে গেছি
একটি এলাকা থেকে ২০০-৫০০ পানির মিটার চুরি হয়ে যায়। এই মিটার গুলোই আবার উনাদের এই ওয়াসা অফিসে গিয়ে পৌছায়। এখন এই মিটার আনতে গেলেই যত বাহানা শুনানো হয়। ১ টি ৩/৪ মিটার ১২০০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। তা না হলে মন ইচ্ছা মত বিল আসবে এবং বানিয়ে দিবে যা আমাদের পরিশোধ করতেই হবে। এটা কি জুলুম না?
আমি একজন প্রবাসী।আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকি। এমন কি এখনো প্রবাসে আছি। আমি একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স বানাবো। সেই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এম্বাসি থেকে আমাকে বলা হয়েছে।আপনি বাংলাদেশ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন। তখন আমি আমার নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করলাম। তারা আমাকে ডিরেক্ট বলল ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে তাহলেই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আপনি পাবেন। যেখানে আমার ১ টাকাও লাগার কথা না । আমি বললাম কি কারণে ২০ হাজার টাকা আমি ঘুষ দিব আমার পেপার সবই ঠিক আছে। আমার নামে কোন মামলা নেই আমার নামে কোন সমস্যা নাই। তারা আমাকে বলল ঘুষ ছাড়া সম্ভব না। তারপরে আমি অনেক রিকোয়েস্ট করে ১৪ হাজার টাকায় তাদের রাজি করালাম। এখনো আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাই নাই দশ দিন টাইম দিয়েছে ১০ দিনে পরে পাব ।
সমস্ত পেপার ঠিক থাকা সত্ত্বেও কাগজপত্র যাচাই করে লাইন থেকে বের করে দেয় এবং বলে আজকে হবে না অন্য একদিন আসেন এবং পেপার সঠিকভাবে নিয়ে আসেন । টাকা দেওয়ার পরে সবকিছু সমাধান করে দিয়েছে সাথে সাথে
মামলা দায়ের করতে লিস্টে দিতে প্রতিদিন কোর্টের স্টাফদের মামলা প্রতি ঘুষ দিতে হয়। মামলার অর্ডার পাঠাতে চিঠি প্রতি ১০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। প্রতিদিন কোটি টাকার উপর ঘুষ বানিজ্য হয় মহান সুপ্রিম কোর্টে।
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য গেলে, এক গাদা কাগজ চায়, একপর্যায়ে ১০০০ টাকা হলে কাজ হবে বলে জানায়। আমি করাই নাই।
সেবাটি ছিল হচ্ছে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন সেবা। এটা হচ্ছে ৫০ টাকা দিলেই হয়ে যায় কিন্তু আমার কাছে ১০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল আমি না দেওয়ার কারণে আমারটা ও রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করবে না বলেছেন পরবর্তীতে আমি কোন উপায় না পেয়ে আমি এই টাকাটা পরিশোধ করি
আমাকে বলেছিলো এলজিডি প্রজেক্ট অফিসে কম্পিউটার অফিসে একজন ইলজিডি মন্ত্রণালয়ের বিএনপির সভাপতি,তিনি আমাকে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে ১০০০০ হাজার টাকার চাকরি দিতে চাইলেন,পরে আমি ১০ হাজার দিলাম কিন্তু উনি তা নিয়ে আমাকে বলতেছেন ৩ লক্ষ টাকা ছাড়া হবে না,,,পরে এক পযার্য়ের রাজি হই এবং ২লক্ষ ১০ হাজার দিয়ে দেই,,টাকা দেয়ার ঠিক পরেরদিন আমাকে বলতেছেন,তিনি আমাকে বেসরকারি প্রজেক্টে চাকরি দিবেন,তাই আমি টাকা দেয়ার ঠিক পরেরদিন এই কথা শোনার পর টাকা ফেরত চাই,,আর তিনি তা আমাকে দিবেন বলে পরের দিন মানে টাকা দেয়ার ৩য় দিন আসতে বললেন,কিন্তু দেননি,উল্টো বললেন যদি ২লক্ষ ১০হাজার ফেরত পেতে হই তাহলে কিছু টাকা মানে ৩০হাজার ডেমারেজ দিতে হবে,তাই মেনে নিলাম কিন্তু ১০দিন পর ১লক্ষ ২০হাজার দিলেও আজ ২মাস হইছে বাকি ৯০হাজার দিচ্ছেনা।
আমার এনআইডি কার্ডের সাথে পাসপোর্টে বয়সের ডিফারেন্ট ছিল। পাসপোর্ট এর বয়স পরিবর্তন করে এনআইডির সাথে মিল রেখে করার জন্য।
জমি খারিজ ঘুষ ছাড়া কখনো হয়না, এই ইউপি নায়েব অফিস থেকে
আমি ফেনী পৌরসভাতে নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে যাই। 1 মাস এর মতো ফাইল পড়ে ছিল। ফাইল হচ্ছে না দেখে গেলে দেখি আমার ফাইল পড়ে রয়েছে। বের করে দেয়ার পর বলে এতোদিন তো লাগেনা। আগামীকাল সন্ধ্যায় আপনার দোকান ভিজিট এ যাবো। সব রেডি থাকলে লাইসেন্স পেয়ে যাবেন। 2 দিন পর সন্ধ্যায় 2 জন লোক এসে ভিজিট করে সব ওকে করল। যাওয়ার সময় রিক্সা ভাড়া বাবদ 500 টাকা দাবি করল। আমি 200 টাকা দিতে চাইলাম । রাগ করল। লাইসেন্স আবার আটকে রাখে কিনা তাই 500 টাকা দিলাম।
দালাল ছাড়া লাইসেন্স হয় না। দালা দিয়ে করতে হলো, টাকা লাগলো ১৩০০০ । স্মার্ট কার্ড পেতে লাগলো আরও ২ বছর। এই ২ বছরের মধ্যে ডেট বাড়াতে যেতে হলো কয়েকবার, এখানে লাগলো আরও টাকা।