বেতন ফাইল ওকে করে বিভাগে পাঠাতে।
বেতন ফাইল ট্রান্সফার মানে ওকে করে বিভাগে পাঠতে হবে অর্থাৎ জেলা থেকে ফাইল বিভাগে যাবে। কিন্তু তারা বলে ফাইলে এই সমস্যা ওই সমস্যা। মানে টাকা না দিলে ফাইল বিভগীয় শিক্ষা অফিসে পাঠাবে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বেতন ফাইল ট্রান্সফার মানে ওকে করে বিভাগে পাঠতে হবে অর্থাৎ জেলা থেকে ফাইল বিভাগে যাবে। কিন্তু তারা বলে ফাইলে এই সমস্যা ওই সমস্যা। মানে টাকা না দিলে ফাইল বিভগীয় শিক্ষা অফিসে পাঠাবে না।
নামজারির কাজ শুরু করার জন্য টাকা দিতে হবে।
চট্টগ্রাম শহরে আমার একটি বাড়ি আছে। আমি সবসময় সঠিকভাবে খাজনা পরিশোধ করতেছি। ২০১৯ সালের আমি নাম জারি খাজনা অনলাইন করি।২০২৫ সালের যখন আমি খাজনা দিতে যাই তখন দেখতে পাই অনলাইনে আমার নামজারি নম্বর দেখাইতেছে না। ভূমি অফিসে জিজ্ঞাসা করার পরে তারা বলেছে ডিলিট হয়ে গেছে। নতুন করে করতে হবে। নতুন করে করতে আমাকে এক বছরের বেশি সময় লেগে গিয়েছে এখনো কাজটি হয়নি। সাগরিকা ভূমি অফিস ও একে খান ভূমি অফিস আমাকে ঘুরতে ঘুরতে পায়ের জুতা হয়ে গেছে। এক লক্ষ টাকার বেশি আমি ঘুষ দিয়েছি তারপরে দিও কাজটি হয়নি ।এখন আমি কি করবো আপনারা একটু জানান। আমি দুদক ও ভূমি মন্ত্রলা ইমেইল করেছি কোন উত্তর পাইনি।
জমি কিনি ২০১১ সালে। ২০২৫ সালের দিকে খারিজ করতে গেলে হোল্ডিং নাম্বার নেই বলে ১ মাসের মতো ঘুরায়।পরে হোল্ডিং নাম্বার ফেলতে এবং খারিজের আবেদনসহ সব কিছুর জন্য ১০,০০০/- এর মতো লাগবে জানায়। টাকা না দিলে কাজ শুরু করা যাবে না বলে।তাই টাকা দিয়েছি এবং পরবর্তীতে আরও সমস্যা আছে জানিয়ে ৩০০০/- নিয়েছে।অবশেষে কাজ করে দিয়েছে।
রাজউকের প্ল্যান পাসের কথা বলে মিটিং খরচ নাম দিয়ে টাকা নেওয়া হয়।অথচ মিটিং খরচ বলে কোন সরকারি ফি ধরা নাই।রাজউকের পিওন থেকে শুরু করে চেয়ারম্যান কয়েক শত থেকে হাজার কোটির মালিক।
আমার আগের পাসপোর্ট এর মধ্যে কিছু নামের সংশোধন ছিল। সংশোধনের জন্য এরা অনেকগুলো কাগজপত্র ডকুমেন্টস চেয়েছে সেগুলো দিয়েছি এবং ২২ হাজার টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে এগুলো সংশোধন করার জন্য। আমার পাসপোর্ট করাটা জরুরি ছিল তাই ঘুস দিয়ে করতে হয়েছে।
নামজারি সংক্রান্ত ১০হাজার এবং ভূমি উন্নয়ন কর অতিরিক্ত চাওয়া হয়। ও খতিয়ান উত্তোলন সংক্রান্ত চর আলগী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ৩০০ /৫০০ শ টাকা করে চাওয়া হয় কি ইউনিয়ন ও চর কলাকোপা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চরম ভোগান্তি ও নামজারীতে ১৫/২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। ঠিকমতো অফিসে আসে না এবং পাবলিক সার্ভিস দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উৎশৃংখল আচরণ করা অফিসের পিয়ন এবং কর্মকর্তারা।
ডাক্তার দেখানোর যা রিপোর্ট করতে বললেন। তা করার জন্য ডাক্তারের কম্পাউন্ডার জোরা জোরি শুরু করলেন, এবং সেটা করা লাগবে বাইরের কোন প্রাইভেট প্যাথলজিতে। এই টেষ্ট সরকারি তে করলে সর্বোচ্চ ৪/৫ শত টাকা লাগতো। বি.দ্র: টেষ্ট ছাড়া ওষুধ সেবনে আমি সুস্থ হয়েছি।
আমার দাদা মারা যাবার পর বাবা চাচাদের মধ্যে সম্পত্তি বন্টনের পর ই নামজারির প্রয়োজনে ভূমি অফিসে যাই। অতঃপর, ভূমি কর্মকর্তা বলে দীর্ঘদিন খাজনা দেয়া হয়নি। কিন্তু দাদা সবকিছু ঠিকঠাক রেখেছিল। ভূমি অফিসারের মতে, বাড়ি ভিটার নাকি ৬০০০০ টাকার এর মত আসছে। পরে বলে সে কমিয়ে দিতে পারবে। এই বলে সে আমার কাছ থেকে ১৫০০০ টাকা নেয়। খাজনা পরিশোধের রসিদের দেখতে পাই মাত্র ৩০০০ টাকা দিয়ে খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে।
১৯ শতাংশ ভিটা রকম জায়গায় খাজনা দিতে গিয়ে ২৫০০০/- দাবি করে।পরে ৬০০০/- টাকায় রফা হয় কিন্তু আমাকে রশিদ দেয় ৬৭০/-টাকার।
২ বছর আগে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলায় আমাদের জমি কেনার সময় রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি প্রথমে জিজ্ঞেস করেন অন্য কোনো দিন অন্য কোথাও জমির পূর্বের মালিক জমি বিক্রি করবেন কী-না।জমির মালিক বিক্রি করবেন বলায় ঐ কর্মকর্তা বলেন তাহলে ঐদিন একইসাথে দুটি দলিল করাতে।অন্যথায় ঐদিন করাতে হলে ৬০০০ টাকা দিতে হবে।জমির মালিক আমাদের সাথে কথা না বলে টাকা দিয়ে দেয়।
যোগ্যতা থাকার পরে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকরী হয়নি, কিন্তু অযোগ্য অনেক কে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন ঘুষের বিনিময়ে আওয়ামী লীগ আমলের প্রভাবশালি শিক্ষক, যার কথায় পুরো সিলেট জেলা শিক্ষা অফিস চলত, উনি এখন ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে আছেন
এমপিওভুক্ত করার জন্য, ইএফটি, বকেয়াসহ যেকোন ফাইল পাঠানোর পর উপজেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে টাকা না দিলে ফাইল ফেরত পাঠায় আর অফিসে গিয়ে টাকা দিলে কোন সমস্যা নাই।যে কোন কাজে গেলেই টাকা দিতে হয়।
দুনিয়ার সব হিসাবরক্ষণ অফিস সরকারি বিল পাস করতে ৫% (সর্বনিম্ন) -১০% পর্যন্ত ঘুষ নেয়, এলপিসি নিতে টাকা, পে ফিক্সেশন এ টাকা, সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগি যারা পেনশন এর জন্য যায়। ২০০০০-২৫০০০ টাকা নেয়।
আমার একটা ছোট দোকানের জন্য লাইসেন্সের জন্য ৬৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল, অথচ আমাকে যে কাগজগুলো দিয়েছিল সেখানে সরকারিভাবে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ছিল ১১০০ টাকা বাকি টাকাটাই তারা অন্যায় ভাবে আমার কাছ থেকে নিয়ে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।
সি আইডি অফিস থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন করে তারপর গ্রামে ঘুষ না দেওয়ায় ৭ কাগজ পত্রের নাম করে আটকে দেয় গ্রামের ভেরিফিকেশন। তারপর দিলে কাজ হয় বাধ্য হইয়ে তখন দেই। (২০১৮)
সাবরিক এসটি অফিসে কোন দলিল করার পর সেটার নকল ওঠাতে গেলে। নকল নবিশদের দ্বারা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা অতিরিক্ত নিতে বাধ্য করা হয়। অফিস টাইম শেষে এই টাকাটা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে নিয়ে যায় যা সাব রেজিস্টার নিজেও জানেন। শেরপুর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের এই চাঁদাবাজি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে।
মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার পর যখন আমি জিডি করি তখন বাস্তব ময়দানে আমি এই জিডির মাধ্যমে কোন উপকার পাইনি কিন্তু যখন বারবার তাদের দ্বারস্থ হতে থাকলাম কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানায় দায়িত্বরত পুলিশ যাকে আমার ফোন খোজার জন্যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সে আমার থেকে ৫০০০ টাকার চুক্তি করে ফোনটি উদ্ধার করে দিয়েছেন।
টিকেট কাউন্টারে লোক নেবে আউটসোর্সিং নিতিমালায় চাকরি করতে চাইলে বলে ১৫০০০০টাকা দিতে পারলে আগামীকাল থেকেই জয়েন করতে পারবো। কারন জানতে চাইলে বলে এখানে অনেক অতিরিক্ত ইনকাম আছে এই চাকুরী করার জন্য নাকি ১০জন টাকা জমা দিয়ে রাখছে!!!কাজের বোয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় ১৭জন লোক নিছে কি পরিমান খেয়েছে ভেবে দেখেন।
আমি আমার কৃষি ফার্মের সম্প্রসারণের জন্য অর্থ সহায়তার জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ঢাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলাম, কিন্তু সেখানকার একাউন্টস অফিসার আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল। আমি না দেয়াতে সে বলল আমি একা এই টাকা খাই না। আমার বড় স্যাররাও খান। দিলে কাজ হবে। না দিলে হবে না। আমি না করে দিয়ে চলে আসি।