পৌবাষি বেংক
আমি তিন লাখ টাকা লোন নিতে চেয়েছিলাম। আমার কাছে বিশ হাজার টাকা ঘুষ চায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি তিন লাখ টাকা লোন নিতে চেয়েছিলাম। আমার কাছে বিশ হাজার টাকা ঘুষ চায়
জমি খারিজ করে না দশ হাজার টাকা না দিলে। সকল কাজ প্রত্র ৫ বছর মামলা করে সফল হয়ে সব কিছু ঠিক করার পরও নিয়মে খারিজ করতে পারি না ঘুস না দিলে হয় না। ঘুস দেওয়া সাথে সাথে ৭ দিনে কাজ হয়ে গেছে
আমি মোটরসাইকেল কিনেছি আমি এবং আমার মালিক আমরা দুজনেই বি আর টি অফিসে যাই যাওয়ার পর আমরা অফিসে ঢুকি আমরা একজনকে বলি স্যার আমরা মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য আসছি উনি ওই অফিসের এক জনকে দেখিয়ে দেয় ওনার কাছে যান ওনার কাছে যাওয়ার পরে উনি আমাকে বলে এগুলো অনেক ঝামেলা এগুলো এত সহজে করা যায় না বলে আপনি এক কাজ করেন আপনি নিজে নিজে এগুলো করতে পারবেন না পরে আমি বলি উপায় কি তাহলে পরে সে আমাকে বলে আপনি ১২০০০ টাকা দেন আমরা করে দিচ্ছি আমি বললাম মালিকানা পরিবর্তন করতে এত টাকা তো লাগেনা তারপর উনি একটু রেগে গেল আমাকে বলল এডি এটি স্যারের রুমের যাওয়ার সাহসই তো আপনারা পাবেন না পর আমি ওখান থেকে ফেরত এসে পড়ছি মালিকানার চেঞ্জ করি নাই।
একাউন্ট খুলতে গিয়েছিলাম। পটুয়াখালী সরকারি টিটিসি তে প্রশিক্ষণ এ ৪২০০/- উপবৃত্তি প্রদান করা হতো তখন। আমরা ৪০ জন প্রশিক্ষনার্থী ছিলাম। সবার কাছ থেকে একাউন্ট খুলতে আনসার সদস্য ৫০/- টাকা করে ঘুষ নিয়েছিলো। আমি যখন যাই ফরম পূরন এর পর ৫০/- দাবি করে তখন প্রতিবাদ জানাই এবং কোনো বাড়তি টাকা দেই নি, আনসার সদস্য বললো স্যারকে (ব্যংক কর্মকর্তা) কে নাকি হিসাব দিতে হয়।
সেবা নিতে গিয়েছি, সেবা দেইনি টাকা দিলে কাজ করে দিবে
ঢাকা জেলার সাভার থানার আমিন বাজার ল্যান্ড ফিল্ডের জন্য আমাদের জমি সরকার অধিকরন করে। অধিকরন ভূমির মোট বিল আসে ৮৯,১৮,০৩২ টাকা। দীর্ঘ ১ বছর ফাইলটি আটকে থাকে নগদ ১০% টাকা কমিশন না দেওয়ার ফলে। পরবর্তীতে, কানুনকোকে জেলা প্রশাসক সকল পেন্ডিং বিলগুলো ছড়ানোর বন্দবস্ত করার জন্য তাগাদা দেন। একটা পর্যায়ে তারা আমাদের সাথে সিদ্ধান্ত নেন যে, বিলের মোট এমাউন্টের উপর ৮% কমিশনে তাদেরকে পার্সোনাল একটা ব্যাংক চেক দিতে হবে যা ৬,২৪,০০০ টাকা। বিলের সম্পূর্ন টাকা পাওয়ার পর। তাদের খুশি করার জন্য ৫০,০০০ হাজার টাকা নগদ দিতে সম্মতি হই এবং চেকটি ফেরত চাওয়া হয়। কিন্তু তারা অসম্মতি জানায়। পরবর্তীতে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তাদের অফার করা হয়। কিন্তু তারা তৃতীয় পার্টির মাধ্যমে চেকের মামলা দিয়ে দেয়। এখনও তা চালিয়ে যাচ্ছি
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কক্সবাজার বিআরটিএ অফিসের অফসাররা ঘুষের মাধ্যমে লাইসেন্স দেন ঘুষ না ফেলে ফেইল করিয়ে দেন।
ভূমি দস্যুরা দলিল সৃজন করে জমি খারিজ করে, তাদের সেই দলিল এর বিরুদ্ধে মামলা ও চলমান তবুও জোর দখল এর চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রকমত মালিক এর মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশরা ও খারিজ করতে গেলে এ দাবি করে।যেহেতু মাঝে কিছু ভূমি দস্যু আছে, সে সুযোগে।
আজ আমি আমার BMET রেজিস্ট্রেশন কার সময় বাবার নামে এটা অক্ষর ভুল হয়েছে যেমন Miah এর জায়গায় Miam হয়েছে তা সংশোধন করার জন্য তাই আমার কাছে 500 টাকা দাবিরেছে আমি দেয় নি
২০২২ সালে আমি এনআইডি কার্ড করার জন্য নির্বাচন অফিসে যাই। এনআইডি কার্ডের কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমার কাছ থেকে ১,১০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। সরকারি সেবা হিসেবে এনআইডি করার জন্য এই টাকা নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাটি ২০২২ সালের এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচন অফিসে আমার কাছ থেকে এই টাকা নেওয়া হয়।
সেচ লাইসেন্স পাওয়ার জন্য কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে ,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সরকারী নির্ধারিত ফিত জমা দেওয়ার পরেও ,সেখানকার ৪র্থ কর্মচারী বিভিন্ন চাপ প্রয়োগ করে ১০০০/ টাকা নিয়ে তার পর, কুষ্টিয়া বিএডিসি অফিসে পাঠাই। সেখানে সবকিছু ঠিক থাকার পরেও বিভিন্ন ভুল ভ্রান্তি আছে বলে, এক কথায় ঝামেলা সৃষ্টি করে শেষ পর্যন্ত ১২০০ টাকা দেওয়ার পর সব ভুল ভ্রান্তি ঠিক হয়ে যায়।
ঢাকার আগারগাঁও অবস্থিত জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে থেকে ঘুষ গ্রহণ করে তাদের মনোনীত নিজস্ব অ্যাসেসর ধারা এসেসমেন্ট পরিচালনা করে এবং ১০০% Competent দিয়ে আসে।তাদের মনোনীত অ্যাসেসগণ সপ্তাহে দুটি অ্যাসেসমেন্ট পরিচালনা করে থাকে এবং অন্যান্য অ্যাসেসর 2থেকে তিন মাসও একটাই অ্যাসেসমেন্ট পায় না।এর কারণের দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
আমি বনানীতে একটা ব্যাংকে গেছি বাট সব জায়গায় তো জ্যাম থাকে যে কারণে একটা ভিতরে রোডে যেখানে গাড়ি চলাচল করেই না মোটামুটি কিছু গাড়ি রাখে আমি ওখানে গাড়ি আমার ড্রাইভার সহ রাখছি পাশেই সাথে সাথে গাড়িতে থাকা অবস্থায় ট্রাফিক পুলিশ তাকে ধরে জরিমানা আমাকে কল দেয় সাথে সাথে আমি চলে আসি আসার পরে ৫ মিনিট লাগছিল উনাকে বললাম যে আপনি তো এভাবে দিতে পারেন না আমার তো বেশি সময় লাগে নাই পাশে তো অনেক গুলা গাড়ি আছে সরকারি গাড়ি এগুলো তো আপনি দিচ্ছেন না এটা এক মিনিটের জন্য আপনি এভাবে দিবেন বলল আপনার নামে আগে মামলা আছে এখন দিলে ৬০০০ টাকা হবে দেন আমি তাকে তিন হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম
এখানে কৃষি লোন জন্য আবেদন করলেও সকল কাগজ পত্র সঠিক ছিলো তবু ১০% ঘুষ দিতে হয়েছে। ঘুষ ছাড়া কোন লোন দেওয়া হয়না।
আমার একটি খতিয়ানের আমার পিতার অংশ আমার চাচার নামে চলে যায়।পরে ac land শরীয়তপুর সদর এ আবেদন করলে।তহসিলদার ধাপে ধাপে আমার কে থেকে 9500টাকা নেয়।টাকা না দিলে কাজ করে না।পরে ac land অফিস এর বিভিন্ন কর্মকতা আরো 8000 টাকা নেয়।পরে DCR কাটতে ২০০০ টাকা নেয়।এখনো DCR দেয় নাই ১০০০টাকাতে অতিরিক্ত নিয়ে ও দেয় না।আরো বেশি দিতে বলে। আমি ডিসিআর আনতে পারি নাই
আমার জমি নামজারী জন্য এবং জয় কালী মন্দিরের অফিসে অনেক টাকা লেনদেন হয় প্রধান অফিসার অনেক টাকার মালিক একটা পিয়ন কোটি টাকার মালিক আমার টা প্রকাশ করে আমি ভুক্তভোগী কারণ এখানে অফিসার অনেক ঘুষ খড়
কোন কারণ ছাড়া ঘুস ও অন্য অন্য দাবি।
আমার বাবার পেনশন এর টাকা অফিস থেকে ভুল করে বেশি দিয়েছিল সেটা ঠিক সেটা ঠিক করার জন্য ১ লক্ষ টাকা ঘুস দিতে বলছিল
বাডির tex ধরা হয়েছে ২০হাজার টাকা সেটা কমিয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। ২০ হাজার টাকা ঘুস দেওয়া লেগেছে।
নামজারীর করার জন্য ১০ হাজার টাকা