জানা নেই
মোবাইল ফোন হারিয়ে গিয়েছিলো, সেটা উদ্ধার করতে ঘুষ দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মোবাইল ফোন হারিয়ে গিয়েছিলো, সেটা উদ্ধার করতে ঘুষ দাবি করে
বকেয়া বিল উত্তোলন করতে মোট টাকার ২৫% দাবি করেছেন অবশেষে ১০% টাকা দিয়ে বিলটি করিয়ে এনেছিলাম। এটার আগের বকেয়া বিল উত্তোলন করার সময় একই ধরনের দাবি করেছেন অবশেষে দাবি মানতে বাধ্য হয়েছিলাম। তিন থেকে চার মাস ফাইল আটকে রেখেছিলো।
.............., হিসাব রক্ষক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, লালমোহন ভোলা । তিনি যাদের কে টি এ ডি এ দেন প্রত্যেকের কাছ থেকে50%- 40% উৎকোচ নিতেন । কিন্তু আমি টিএ ডিএ পাওয়ার অর্ডার থাকা সত্ত্বেও দেন না। নামে বে নামে ভুয়া অফিস আদেশ দিয়ে টাকা তুলে নেন। ( উপরোক্ত 200000/- টাকা আনুমানিক দুই তিন বছরের)
প্রথম সরকারী চাকরীতে এজি অফিসে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো। ঘুষ না দিলে তারা ফাইল মাসের পর মাস ফেলে রাখে। ফলে বেতন হয় না। এজি অফিস খুবই আউট অফ কন্ট্রোল কারন এখানে যায় সরকারী চাকরীজীবীরাই। এজন্য তারা চাইতে সাহস পায় কারন সরকারী চাকরীজীবীরা আর কি করবে!
আমি যখন সুপারভাইজার পদে নিয়োগের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি, তখন আমার পরীক্ষা খুবই ভালো হয়েছিল। পরীক্ষা শেষে একজন পরিচিত কর্মকর্তা আমাকে জানান যে, ৫,০০০ টাকা দিলে আমার নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু আমি ওই টাকা দিতে রাজি হইনি। পরবর্তীতে ফলাফল প্রকাশ হলে দেখি, আমার নাম অপেক্ষমাণ তালিকায় (Waiting List) রয়েছে। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমাদের ইউনিয়ন থেকে একজনকেও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, অথচ অন্যান্য ইউনিয়ন থেকে সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আমি নিজে একজন সরকারি চাকরি করি ভূমি অফিসে।আমাদের অফিসে ক তফসিলের খারিজ করতে ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা নেয় উপরের বড় কর্তারা।বড় কর্তা হলো কানুনগো ও এসিল্যান্ড স্যার। টাকা দিলে কাজ হয়।না দিলে হয় না।যার দরকার সে এই পরিমান টাকা দিয়েই কাজ করায়।
খতিয়ানের জমি অন্যজনে নামজারি করে নেওয়ার কারনে মিসকেস না দিয়ে তাদেরকে এই টাকা পরিশোধ করলে তারা কাজটা করে দেয়।
২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে আমি যখন এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হিসাবে একটি দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ পাই তখন আমার বেতন করানোর জন্য ফাইল শিক্ষা অফিসে নিয়ে যাই। শিক্ষা অফিসার এর সাথে দেখা করলে তিনি আমাকে বলেন যে আমি ২০ হাজার টাকার নিচে কোন ফাইল ঢাকায় সেন্ট করি না এবং এটা এর কমে নিলে নাকি তার চেয়ারের সম্মান থাকে না। তারপর আমাকে বিশ হাজার টাকাই দেয়া লেগেছে। এভাবে প্রতিটি শিক্ষকই তাকে কমবেশি টাকা দিয়েছে। যাদের চ্যানেল আছে ভালো তাদের কম দেয়া লেগেছে আর যাদের চ্যানেল নাই তাদের কাছ থেকে যেভাবে যা পেরেছে তাই নিয়েছে।
সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করার সময়, তারা দাবি করে ইংরেজিতে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন লাগবে কিন্তু আমার ভোটার কার্ড আছে তখন একটা ডিজিটাল করেছিলাম এখন সেটা হবে না এখন ইংরেজি ডিজিটাল লাগবে সেটা করার জন্য আমার কাছ থেকে ১৫০ টাকা নেই, কিন্তু সরকারি হিসাব ৫০ টাকা করে এই টাকাটা না দিলে কাগজ না দিতে পারে এরকম সন্দেহ দেখে টাকাটা দিয়েছে
অনলাইনে নামজারির আবেদন করার পর নায়েব মহোদয় বললেন সর জমিনে গিয়ে দেখতে হবে ।কাগজপত্র সব যাচাই করতে হবে। সবকিছু বুঝতে হবে একটু দেরি হবে। কিছু খরচাপাতি আছে।
আমি আমার পৈতৃক ভুমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য গেলে আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ৮ হাজার টাকার দাখিলা প্রদান করে।
police clearances এর জন্য আমার কাছে ২৫০০ টাকা নিয়েছে
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে সবকিছু মিলিয়ে ৫৭০০ টাকার মতো লাগে সেখানে বি আরটির একজন দালাল আমার কাছে ১৩০০০ টাকা দাবি করেছে... আমার আর্জেন্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন ছিল... ঘুষ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়না
car er name transfer korar somoy 8000 taka niyeche Amar kach theke. mirpur brta.
ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইনের লানার করেছিলাম কোন দলাল ছাড়া পরিক্ষা দিলাম সব ঠিক ঠাক হয়েছে কিন্তু ওখানকার একাটা কর্মচারী বলে টাকা ছাড়া পাশ করতে পারবেন না এবং আমাকে ঠিক ফেল করিয়ে দিছে এর পরে আমি এখন পর্যন্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স করাইনি
Bill paser. Kjonno 20% ghus
খাগরিয়া ভূমি অফিস থেকে জমির কাগজ শুদ্ধ নাই বলে খারিজ করে দিছে। যাহা পরবর্তীতে এক স্থানীয় দালালের মাধ্যমে ১২০০০ টাকার বিনিময়ে নাম জারি করাই ইনফেক্ট আমার সব ডকুমেন্টেশন টিক ছিল
ঘুষ দিলে সহজেই হবে না দিলে ভোগান্তি হবে। তাই ভোগান্তি এড়াতে দিয়ে দিছি
শালিস এর জন্য OC কে ১০০০০ টাকা দেওয়া লাগছে
কলকারখানার চট্টগ্রামের ডিআইজি তার পরিদর্শকদের দিয়ে নিজে এবং তার নামে এডিশনাল ডিআইজিকে দিয়ে কারখানা ও প্রতিষ্টান পরিদর্শনের নামে বিভিন্ন কারখানায় চাঁদাবাজি করে চলেছে।এখান থেকে আমরা চট্টগ্রামের ব্যবসায়িক সমাজ পরিত্রাণ চাই।টাকা না দিলে লাইসেন্স আটকানো সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে।তিনি তার সহকর্মীর মাধ্যমে ৩০০০০ টাকা আমাদের কারখানা থেকে নেন।