Driving License
আমি ড্রাভিং লাইসেন্স করার জন্য প্রথমে কোন ধরনের ঘুষ না দিয়ে চেষ্টা করি কিন্তু আমাকে ফেল দেখায়। পরে দালালের মাধ্যেমে ঘুষ দিয়ে পরিক্ষা দেয় আমি পাস করে যায়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ড্রাভিং লাইসেন্স করার জন্য প্রথমে কোন ধরনের ঘুষ না দিয়ে চেষ্টা করি কিন্তু আমাকে ফেল দেখায়। পরে দালালের মাধ্যেমে ঘুষ দিয়ে পরিক্ষা দেয় আমি পাস করে যায়।
আমার বাসার হোল্ডিং ট্যাক্স ৪তলা ২০১৮ সাল হতে দেওয়া ৫তলা নির্মাণাদিন ছিলো। আমরা গত দুই বছর আগে পাঁচ তলা নির্মাণ করে নিজে উঠেছি। এখন ২০২৬-২০২৭ এর হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে গিয়েছি, তারা জিজ্ঞেস করেছিলো কয় তালা? আমি যা সত্যি তাই বলেছি পাঁচ তলা।। এখন তারা নানান হিসাব নিকাশ করে আমাকে ধরে বসছে,আপনার বাসা পাঁচ তলা দিচ্ছেন চার তলার tax আমি বললাম বিগত বছর গুলোতে তো এই ভাবেই দিয়ে এসেছিলো এখন যদি পাঁচ তলার Tax আসে তাহলে কেটে নেন। আমার বাবা জীবিত থাকতে এই tax গুলো দিতো,বাবা মারা গিয়েছে গত বছর। আমার সব tax রানিং সহ দেওয়া। তারা বলছে বললেই তো আর ট্যাক্স দেওয়া যায় না,সে ক্ষেত্তে নানান প্রসেসিং আছে। আমি বললাম প্রসেসিং থাকলে করুন, আমি সকল খরচ দিবো। তারা বলছে সেইম কেইস আরেক জনের আছে দেখায়, ৭০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে.
কাউনিয়া ভূমি অফিসের আওতায় আমাদের জমিটা ভুলক্রমে খাস হয়ে গেছিল এই সংক্রান্ত একটি বিষয় তা বাতিল করার জন্য আমরা উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে তারা আমাদেরকে হয়রানি করা শুরু করে একপর্যায়ে চল্লিশ হাজার টাকা দাবি করে এখনো কোন মধ্যস্থতা না হয় সেটা এখনও সরকারি ফাইলে ঝুলে আছে
সব কাগজ পএ ঠিক ছিল কিন্তু তারা বলতেছে, এগুলো হবে না, চেয়ারম্যান সাটিফিকেট লাগবে বাপের নামের বানান ভুল, কিন্তু পরবর্তী তে টাকা নেওয়ার পর সেইম কাগজ দিয়ে, পাসপোর্ট ফিঙ্গার করে,সাবমিট করে দিছে, টাকা নিছে বাহিরের দালালের মাধ্যমে, দালাল কাগজ এর মধ্যে ভিন্ন রকম একটা দাগ দিয়ে দিছে কাজ হয়ে গেছে,
স্যার মূলত সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত বাইরের লোক কিছু বাইরের লোক দিয়ে অফিসাররা কাজ করে এবং তাদের কাছ থেকে কমিশন বাণিজ্য করে 50 টাকার একটা পার্সনেতে 300 টাকা লাগে একটা ম্যাপ 500 টাকার ম্যাপ নিতে 2000 টাকা লাগে যার কারণে আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি তাহলে তারা আমার কাছে কোন কাগজ দেয়নি আমি নেইওনি তাদের ব্যবহার খুবই খারাপ এবং দালালে ভর্তি করা প্রচুর দালাল আছে ওখানে এবং বাইরের ছেলে পেলে দিয়ে কাজ করায় তাদের কাজ হচ্ছে বাইরে থেকে কাস্টমার ডিল করে এনে অফিসারদের কাছে দেওয়া
আমার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে আমি বোর্ডে আবেদন করি । পরে শিক্ষা বোর্ডে গেলে সেখানে যে কর্মচারী ছিলেন , সে আমার থেকে 5000 টাকা দাবি করে । আমি জিজ্ঞেস করি সরকারি ফি দেওয়ার পরেও কেন টাকা দিতে হবে, পরে সে বলে, উপরের অফিসারদের খুশি না করলে কাজ পাওয়া যায় না।আমি পরে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে চাইলে তারা আমার সাথে দুর্ব্যবহার করে। পরে আমি বাসায় চলে আসি এবং বোর্ডের ওয়েবসাইট এ অভিযোগ করি কিন্ত এখনো কোনো রিয়াকশন পাওয়া যায় নি।
একটি বিল্ডিংয়ে দশটি ফ্লাট ছিল সেই যৌথ ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাট গুলো একটি বন্টন দলিল এ ভিডিও এর মাধ্যমে নিজেরা নিজেরা তৈরি করে ভোগ করতে ছিল। যেটা রেজিস্ট্রি কৃত তো ছিল না । এখন ফ্লাট রেজিস্ট্রেশনের সময় রেজিস্টারের লোক বলেছে। দ্রুত বন্টন দলিল রেজিস্ট্রি নাই তাই এই ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না। ৮০ হাজার টাকা দিতে হবে। তারপর অনেক দেন দরবার করে পাচ চ্চল্লিশ হাজার টাকায় রাজি করানো হয়।
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকিশন এর জন্য টাকা চায়, না দিলে খারাপ রিপোর্ট দিবে, মিষ্টিমুখ করার জন্য টাকা চায়। ১০০০ দিলে নেয় না, পরবর্তীতে ২,০০০ টাকা দেওয়া হয়। বি:দ্র - ছবি, ডকুমেন্টস এড করার পদ্ধতি থাকলে ভালো হতো।
এমপিওভুক্ত হাইস্কুলে ৪মাসের বকেয়া বিল সাবমিট করে ফাইল রিজেক্ট আসার ভয়কে জিম্মি করে শিক্ষা অফিস ডিডি অফিসে টাকা নিবে বলে দাবি করে আপাতত ৫০০০ টাকা বলে
আমার জমির রেজিস্ট্রিকৃত দলিলটি উত্তোলন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট সেকশন থেকে দলিলটি হস্তান্তরপূর্বক বলেন যে অফিস খরচ দেন। আমি বললাম কত? প্রতি উত্তরে বলা হলো কেউ 500 দেয় কেউ ১০০০ দেয় আপনার যেটা ভালো মনে হয় দেন। আমি ১০০ টাকা অফার করলে তিনি বলেন এটা কি দিলেন? আমি বললাম চা খাওয়ার জন্য। তিনি বললেন হবে না। পরে ২০০ টাকা দিয়ে পার পেয়েছি।
জীবনে কোনোদিন ডিসি অফিস গাজীপুরে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কে ঘুষ দিতে হয়নি। বাট এখন সবাই তাদের অ্যাসিস্ট্যান্ট কে দিয়ে বলছে যে ইন্সপেকশন এ গেলে নাকি ১০০০০টাকা করে সম্মানী দিতে হবে ম্যাজিস্ট্রেট স্যার দের। আমিও দিলাম কোম্পানির কাজ খুব দ্রুত লাগবে তাই। বাট এখনও কাজ করে দেয়নি ম্যাজিস্ট্রেট ঘুরাচ্ছে।
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন এর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে আমি ৩০০ টাকা দিয়েছিলাম কিন্তু আমার কাজ করে দেয়নি পরে অন্য একজনের মাধ্যমে ২০০ টাকা দিয়ে করে নিয়েছি
নামজারি করার জন্য গেলে, ঘুষ না দিলে এই ভূল সেই ভূল বলে ফাইল আটকে রাখে, পরবর্তীতে বাধ্য টাকা দিতে হয়েছে।
ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইন করার জন্য। ১ মিনিটের কাজ ছিলো। ধানমন্ডি ভূমি অফিস। কাটাবন।
সব কাগজপত্র ও ফি জমা দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে গেলে কর্মকর্তা ওয়েবসাইটের নিয়ম ভেঙে নাগরিকত্ব সনদের মূল কপি চান এবং সত্যায়িত কপি ফিরিয়ে দেন। হতাশ হয়ে সামনের দোকানে গেলে দোকানদার জানান, টাকা ছাড়া কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে ২ হাজার টাকা দেওয়ার পর দোকানদার ভেতরের আনসার সদস্যের WhatsApp-এ ফাইল পাঠালে কোনো কাগজপত্র যাচাই ছাড়াই সরাসরি ছবি তুলে নেওয়া হয়। এর ১৫ দিন পর পাসপোর্ট হাতে পাই।
বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেনস থানা থেকে জেলা ডিএসভি অফিসে যেতে যাতায়াত ভাড়া ও চা পান খরচ বাবদ ও কিছু সরকারি খরচ আছে ঐদিকে আমার লাগবেই তাই আমি দিতে বাধ্য হয়েছি ।
খিলগাঁও সিটি কপোরেশন এর নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে করতে গেলে ফ্রম থেকে শুরু করে যেখানে ফাইল জমা দেওয়া হয় সে খানে নতুন ট্রেড লাইসেন্স ফি যত টাকা ঘুষ নেয় তত টাকা । এটাই নিয়ম হয়েছে।
টাকার বিনিময়ে সুপার আর শিক্ষা অফিস মিলে নিয়োগ কার্য সম্পুর্ন করতেছে ।
ফোনে টাকা চেয়েছিল। টাকা না দিলে স্মার্ট কার্ড পাবো না
এরিয়ার/ বকেয়া টাকা প্রাপ্তির জন্য আবেদন করা হয়েছিলো, বারবার রিজেকশন হয় যদি আপনি মিষ্টিমুখ না করান।