হাউজিং এ ওয়ারিশ নামজারী
নামজরী করতে হলে টাকা দিতে হবে। নইলে তুচ্ছ ঘটনায় তা বাতিল হবে। যেমন আমার এক কাঠা জায়গায় ৪ টি রুম আছে, সেখানে হয়ত এক ফিট জায়গা বেশি ব্যবহার হচ্ছে। এই অতিরিক্ত এক ফিট জায়গার দোহাই দিয়ে নাম জারি বাতিল হবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজরী করতে হলে টাকা দিতে হবে। নইলে তুচ্ছ ঘটনায় তা বাতিল হবে। যেমন আমার এক কাঠা জায়গায় ৪ টি রুম আছে, সেখানে হয়ত এক ফিট জায়গা বেশি ব্যবহার হচ্ছে। এই অতিরিক্ত এক ফিট জায়গার দোহাই দিয়ে নাম জারি বাতিল হবে।
কী আর বলব? পে ফিক্সেশন বাবদ যেখানে ঘুষ দিতে হয়।
টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না, মাসের পর মাস ঘুরাবে
মর্গেজ টেক ওভার ইস্টার্ন ব্যাংক থেকে ব্যাংক এশিয়া ৫ কোটি টাকার মাত্র ০.১০% দাবি করেন সাব রেজিস্ট্রার মহোদয়। ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ এর পরে উনি স্বাক্ষর করেন।
আদালতে দেওয়ানী মামলা থাকা সত্ত্বেও।নায়েবের কাছে মামলার নথী দেওয়া আছে।এরপরওনায়েব সাহেব ৩০০০০ টাকা ঘুষ খেয়ে আমার বিববদীকে আমার ক্রয়কৃত ভূমির নামজারী করে দেয়।আমি গেলে বলে আপনি মিস কেইস দেন আমি ভেঙ্গে দিব।এতে করে আমাকে বিবাদীগণ আমার দখলকৃত ভূমি নামজারীর কারণে বেদখল দিতে চাইছে।ঘুষ নিয়ে নামজারী না করে দিলে আমাকে হয়রানী হতে হত না।আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও সে এই কাজ করেছে।আমার কাছে প্রমাণ আছে সে যে ঘুষ নিয়েছে।
একটি ট্রেড লাইসেন্স এর ঠিকানা পরিবর্তন করতে গেলে টাকা লাগে ৩০০ টাকা তারা আমার কাছ থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে নিয়েছে, বলেছে টাকা না দিয়ে অনেক সময় লেগে যাবে সব অফিসারদের টাকা না দিলে কেউ স্বাক্ষর করে না।
আমার মা চাকরি থেকে রিটায়ার্ড করেন ২০১৪ সালে। তাকে লোকাল হাসপাতাল একাউন্টেন্ট সেসময় জিনি ছিলেন, তিনি সকল কার্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ৫০, ০০০ টাকা চান। স্থানীয় নেতা দ্বারা ৩০, ০০০ টাকা নেয়ার জন্যও সুপারিশ করা হয় কিন্তু সে মায়া করেনি। ভুলভাল উল্টোপাল্টা রিপোর্ট করার ভয় দেখায় এবং ফাইল আটকে রাখে। সৎ মানুষদের এটা সহ্য করা অনেক কঠিন। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দেশের সংস্কৃতি হিসেবে মেনে নিয়ে, মাকে বুঝিয়ে তারপর ৫০, ০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে তার কার্য প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করি। এই বিষয়টা আমাদের অনেক ব্যাতীত করেছে যায় সারা জীবন মনে রাখার মতো।
পাসপোর্ট করার পর আমার নাম জনিত কিছু সমস্যা থাকার কারনে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই। তারপর অফিসের কর্মকরতা সাথে সব সমস্যার বিস্তারিত কথা বলি।তখন এক কমকর্তা বলেন নাম পরিবর্তন করতে টাকা লাগবে। আমি বললাম কত লাগবে ঐ লোক টা ১ম বার ৩০ হাজার টাকা লাগবে। আমি বললাম এতো কেনো। ঐ লোকটা বললো করলে কর না করলে এখন আসতে পারেন। পরে আর কি আমি রাজি হইয়াগেছি পাসপোর্ট টাও দার ছিলো। আমার কথা হলো নাম পরিবর্তন করার জন্য ৩০ হাজার টাকা কেন লাগবে।
তার অফিস সহায়কের মাধ্যমে
আমার বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য একটি ট্রান্সফর্মার স্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে । এজন্য ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনাব রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাড়ে ছয় লাখ টাকা দাবি করেন । পরবর্তীতে বিষয়টি আমার পরিচিত একজন অবসরপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে জানালে তিনি রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করেন । ঘুষের টাকা দুই লাখ টাকায় কাজটি করে দিতে রাজি হন। টাকা পরিশোধ করা হয় । তবে প্রতি মিটারে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা গ্রহণ করেন । দুই / তিন মাস অসংখ্য বার ঘুরতে হয় সেই অফিসে । সেখানে তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আবাসিক প্রকৌশলী হামজা ইমাম সরাসরি এসব হয়রানি মূলক কাজে জড়িত ছিলেন ।
ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা না দিয়ে পাশ
নামজারির সব ডকুমেন্ট ঠিক থাকা স্বতেও ৮০০০ টাকা দাবি করে, না দিলে কাজ হবেনা বলে।
টাকা দিলে রিটেন ভাইবা পাশ করে দিবে আর না হলে পরীক্ষায় পাশ করাবে না ও লাইসেন্স সরবরাহ করবে না।
প্রতিদিন সুপ্রিম কোর্টের স্টাফ এবং বি.ও রা কয়েক কোটি টাকা ঘুষ গ্রহন করে থাকে। এসকল ঘুষের টাকা জনগনের পকেট থেকেই যাচ্ছে।
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা তে বৃহৎ করদাতা ইউনিটে বদলীর পর LPC প্রেরণ না করে পাঁচ মাস বেতন বন্ধ রেখেছিল। নতুন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ২০০০ ও পুরাতন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ৩০০০ পরিশোধ করার পরও এল পি সি নিয়ে টালবাহানা করছিল। শেষমেষ টাকা পরিশোধে বাধ্য হয়ে বেতন সচল করি। এই পাচ মাস নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণায় পড়েছিলাম। নতুন সরকার এল পি সি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে অন্য কর্মচারীদের ও ঘুষ নিতে উতসাহিত করবে আশা করছি। কারণ অনেক কর্মচারী মনে করে সে ঘুষ দিতে বাধ্য হলে সে খাবেনা কেন?! এজি অফিস এসবের হাতেখড়ি দেই।
কোরবানি ঈদের আগে আমার বদলি হয়েছে আজমেরীগঞ্জে উপজেলা থেকে লাখাই উপজেলায়, এখন যেটা হয়েছে একাউন্টস অফিসার বা একাউন্টস অফিস এল পিসি স্থানান্তরের জন্য আমি যোগাযোগ করলে আমাকে বলে আপনি ১৭ হাজার টাকা বেতন পান আমরা দশ হাজার টাকা দিয়ে দিই ৭০০০ টাকা আপনি আমাদেরকে দিবেন তারপর আমি যখন দিতে রাজি হই নাই আমাকে বলল আজমিরগঞ্জ তো হাওর এলাকা এখানে হাওর ভাতা পেতাম আর লাখাই উপজেলা হাওর এলাকা না, এ ভাতা না দেওয়ার জন্য ভয়-ভীতি দেখায় তখন বলে লাখাই হাওর এলাকা কি না সে পরিদর্শ করবে এবং আমাকে দিয়ে বাইক(মোটরসাইকেল) ভাড়া করিয়ে সে এলাকায় ঘুরে দেখো এবং বাইকের ভাড়া পরিশোধ করি এবং উল্লখিত ঘুষ না দেয়ার কারণে আমাকে হয়রানি করে এবং আমি বেতন বোনাস ছাড়া ঈদ পালন করি
আমি সোদি ভিসা নিয়েছি এক দালালের কাছ থেকে, দালাল আমাকে ১০ আইডি ভিসা দিয়েছে, এখনএজেন্সি বলছে ৫ আইডি ভিসা হলে কোন টাকা লাগে না, কিন্তু ১০ আইডি ভিসা ম্যান পাওয়ার করতে ৩০,০০০ টাকা ঘুস লাগে এর আগে তাকামুল ট্রেনিং করতে ১৭০০০ টাকা ঘুস দিয়েছি। যা সরকারি ফি মাত্র ৬০০০ টাকা এখন আমার বিদেশ যাওয়া অনিশ্চিত।
আমি বাইক ড্রাইভিং পরীক্ষা পাস করেও আমাকে ফেল করে দিছে এবং শেষে টাকা দিতে হয়েছে।
পুরাতন পাসপোর্ট জন্ম নিবন্ধন দিয়ে করা ছিলো । নতুন পাসপোর্ট এ এন আই ডি দিয়ে করতে গেলে সরাসরি ঐ টাকা চায়। জরুরী ছিল তাই দিয়েছি।
তিন টা দলিলের বিপরীতে আট হাজার করে (8000×3)=24000/, দিয়েছি। না দিলে করতো না।আমি সহ আমরা যে অসহায়।