খাজনা
dalal er maddome dite hoyeche.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
dalal er maddome dite hoyeche.
খারিজ বাবদ আমার কাছে ৭০০০/- নিছে। যা আবেদন করার পর পরই ১৫০০০/- টাকা থেকে দরকষাকষি করে।
সেবা নিতে সার্ভার প্রবলেম সহ অন্যান্য বিষয়ের কথা বলে এই টাকা নিয়েছে। অথচ ব্যাংক জমা ১৫০০ টাকা ছিল।
গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের ফাইল হারিয়ে গিয়েছে বলেছে।
একটি নাম জারি খতিয়ান করা বাবদ গতকাল ৩১-০৮-২০২৬ ইং তারিখ বরুড়া উপজেলা ভূমি অফিসে দিতে হয়েছে
শ্রম আইন এর বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ঢাকা জেলা কর্যালয় এর ডি আই জি তার ইন্সপেক্টর কে দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কে মামলা দেয়ার হুমকি দেয়। টাকা দিলে আর মামলা দেয় না। এছাড়া ব্যক্তিগত সুবিধা ও শ্রম সচিব এর কথা বলে বড় কোম্পানিগুলোর কাছে টাকা চায়। না দিলে খুবই ঝামেলা করে। তাদেরকে মামলার ভয় দেখায়। সিন্ডিকেট করে এসব করে, কারো কাছে বললেও কাজ হয় না। কয়েকদিন ধরে একটা পত্রিকার বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে, বিজ্ঞাপন দিতে গেলে তার কাছেই টাকা দিতে হবে।
মুভমেন্ট বিল টিএ ডিএ তে ১৪০০০ এর বিলে ২৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে অডিটর। পরিশোধ করার পর বিল পাশ করে।
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ১২০০০ টাকা দাবি করে যা আমি প্রত্যাখ্যান করি যার ফলে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স হয় নাই
Naam Jari korar jonno.
মায়ের নামে সংশোধন করার জন্য ৮০ হাজার টাকা চাওয়া হয় আমি ৪০ হাজা টাকা দিয়ে কাজ করেছি
Per Port clearer jonno eita nirdharito Ghus, late hole double.
আমার সন্তান ৫ম শ্রেনীর সমাপনী পরীক্ষায় ৯৮% নম্ব্রর পেছিল কিন্তু ৪র্থ শ্রেনিতে কিল্ডার গার্টেন স্কুলে পড়েছিল বলে বৃত্তি পরীক্ষার সুযোগ দিবে না।পরে UNO এর কাছে অভিযোগ দেওয়ার পরে বাধ্য হয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেয়। কিন্তু আমাকে বলা হয় যে কি ভাবে বৃত্তি পায় দেখে নেব। আমার সন্তান বৃত্তি পায় নাই।আমার সন্দেহ সে এমন কিছু করেছে যে কারনে আমার সন্তান বৃত্তি পায় নাই।
বৈদেশিক কোর্সে যাবার আগে অগ্রিম বিল নেবার সময় ঘুষ দাবি করেছিল। সকল কাগজ সঠিক থাকা সত্তেও ঘুষ দাবি করে বাধ্য হয়ে দিতে হয়। সেখানে যারা কাজ করে সবাই অসামরিক অর্থমন্ত্রনালয় এর হিসাব শাখার।
উত্তরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে আমাদের একটা তিন কাঠা জমির মিউটেশন করাতে গিয়েছিলাম। প্রায় চার দিন ঘুড়িয়ে কাগজে কোন ফল্ট না পেয়েও ৫০হাজার টাকা দাবি করে। তা না হলে মিউটেশন হবে না। পরবর্তিতে তেজগাও সাত রাস্তার ভুমি অফিসের এক বড় কর্মকর্তা উত্তরা অফিসে বলে দেয়ার পরে আমাদের মিউটেশন হয়।
বিগত ০৫-০৭-২০২১ তারিখ আমার মা মারা যান ঠিক ১১ মাস পরে মৃত সার্টিফিকেটের জন্য আমি মানিক পীর কবরস্থানে যাই তখন তারা আমাকে অবগত করেন ১৪১ নম্বর বইটি সিলেট সিটি কর্পোরেশনে চলে গেছে ওখান থেকে মৃত সার্টিফিকেট নিতে হবে, তখন আমি সিটি কর্পোরেশনে যাই এবং তারা আমাকে আশ্বস্ত করেন যে ১৪১ নম্বর বইটি এখনো তাদের কাছে যায় নাই, তখন আমি আবার মানিক পীর কবরস্থানে যাই এবং তাদেরকে অবগত করি ওখানের দায়িত্বশীল ব্যক্তি সাথে সাথে সিটি কর্পোরেশনে ফোন করে এবং আমার সামনেই (লাউড স্পিকারে) বলে যে বইটি সিটি কর্পোরেশনে দেয়া হয়েছে তখন সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলে হ্যাঁ বইটি আমাদের কাছে আছে আমি আবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনে যোগাযোগ করি তখন তারা নানান বাহানা দেখায় হঠাৎ করে একজন ব্যক্তি কোথা থেকে উদয় হয়ে এসে বলে ভাই কিছু(টাকা)
গাড়ির লাইসেন্স করতে গেলে অফিসের কর্মচারী লাইসেন্স করা বাবদ ১২০০০ টাকা চেয়েছিল তা প্রত্যাখ্যান করে নিজে অনলাইনে আবেদন করে অনলাইনে টাকা জমা দিয়ে লাইসেন্সের আবেদন সম্পন্ন করি।
জন্ম নিবন্ধন সনদ ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ বানাতে সরকারি ফিস ৫০ টাকা , অথচ ইউনিয়ন পরিষদ এ ব্যাক্তি বেদে বিভিন্ন টাকা নেওয়া হয় ,, এখানে জন্মনিবন্ধন সনদ আবেদন করতে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা নেওয়া হয় । আর যদি প্রশ্ন করা হয় জন্মনিবন্ধন এর ফিসতো ৫০ টাকা সেক্ষেত্রে বলে হ্যা ৫০ টাকা কিন্তু আমি এখানে আবেদন পত্র জমা দিয়ে দিবো কিন্তু আপনার উপজেলা জমা দিতে হবে এবং সেখানেও টাকা দিতে হবে । ( অথচ এখানে আবেদন জমা ও ডুকেমেন্ট চেক করে ) সব কাজ তার । এভাবে হয়রানি করে মানুষ দের থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা নেয় । এটা ঘুষ না কিন্তু সরকারি ফিস থেকে অতিরিক্ত বেশি টাকা সে নেয় । আবার কোন কাজে গেলে সে করে না ,, সে বলে বাইরের কম্পিউটার দোকান (যেটা তার) সেখান থেকে করে আসতে বলে। ভুক্তভোগী ইউনিয়ন বাসী
Driving Lisence exam perfectly প্রথমবার দিলেও আমাকে ফেইল করাই দেই।দ্বিতীয়বার ঘুষ দিয়ে এক্সাম ছাড়াই পাশ করে আসি ৫০০০ টাকা কন্টাক্ট করে।কারণ আমার আর এক্সাম দেওয়ার সময় ছিলনা।
অফিসার টাকা ছাড়া কাজ করে না
আমি প্রথম অনলাইন আবেদন করছি কিন্তু আমাকে বললো ভূল আছে পরে আবার এই আবেদন নিয়ে টাকা দিয়ে যাই হয়ে গেছে