জমি রেজিস্ট্রি
জানুয়ারি এর দিকে জমি রেজিস্ট্রি করতে ঘুষ দিতে হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল কোন ভাবেই যাতে রেজিস্ট্রি এর দিন পেছানো না হয়। কারণ, যিনি বিক্রি করবেন উনি তার পর দিনই বিদেশ চলে যাবেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জানুয়ারি এর দিকে জমি রেজিস্ট্রি করতে ঘুষ দিতে হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল কোন ভাবেই যাতে রেজিস্ট্রি এর দিন পেছানো না হয়। কারণ, যিনি বিক্রি করবেন উনি তার পর দিনই বিদেশ চলে যাবেন।
আমার একটা জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করি খতিয়ানে নাম ভুল থাকার কারণে আবেদন করলে এসিলান্ড সেটা খারিজ করে দেয় প্রত্যয়ন পত্র দেওয়া হলে ও মামলা খারিজ করে দেয় এবং ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে বর্তমানে আমি সেটা এখনো করাতে পারিনি টাকা দিতে পারিনি তাই
আমার স্মার্টফোন টি চুরি হলে উদ্ধার বাবদ তারা ৫০০০ টাকা চায়। এমনকি যার কাছ থেকে উদ্ধার করে তার কাছেও টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিলে আমাকে ফোন দিয়ে দেয়
আমি শিক্ষক।প্রতি বছর খাতা মূল্যায়ন করি , যথারীতি মেসেজ আসে, নির্দিষ্ট তারিখের সময় অনুযায়ী নিয়ম মেনেই খাতা মূল্যায়ন করি কিন্তু এবার আলিম(এইচএসসি সমমান) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করার জন্য মেসেজ না পেয়ে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের একজনকে ফোন করি তিনি বাড়তি টাকা দাবি করেন কিন্তু আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। এখন ভবিষ্যতে আর খাতা মূল্যায়ন করতে পারবো না বলে হুমকি দিয়েছেন। আমার আসলে কি করা উচিত? কয়েকজনের সাথে যখন বিষয়টি শেয়ার করলাম তারাও একই ভুক্তভোগী! এখানেও দুর্নীতি ভাবতেও লজ্জা লাগছে!
বদলি বিল, ট্রেনিং এর বিল, জিপিএফ লোন টাকা না দিলে পাস হবে না
সরকারি কলেজের শিক্ষক (প্রভাষক) হিসেবে কর্মরত আছি। বদলির জন্য চেষ্টা করলে জানানো হয় যে, কাঙ্ক্ষিত কলেজে যেতে চাইলে ২ লক্ষ টাকা দিতে হবে। গোপন সূত্রে জানতে পারি শিক্ষামন্ত্রী অধীনে মাউশির মহাপরিচালক এই সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন।
Warish sonod ber korte giyechi, 3k taka cheyeche per warish sonod.
আমি ছয় শতক জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দলিলের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা প্রদান করি কিন্তু বায়না দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিভিন্ন তালবাহানা করে দুই বছর সময় অতিক্রান্ত করে। অবশেষে আমাকে জমি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। তখন আমি টাকা উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য থানার একটি জিডি কফির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। থানায় জিডি করতে গেলে বলে এ সংক্রান্ত জিটি থানায় নেওয়া হয় না। পরবর্তীতে দালাল চক্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানায় জিডি করতে সক্ষম হই।
আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে নির্ধারিত চাকুরি শেষে অবসর গমনের প্রাক্কালে সমস্ত দলিল দস্তাবেজ জমা শেষে বাড়িতে চলে আসছি। কিছু দিন পরে আমাকে ফোনে বিভিন্ন সমস্যার এবং সঠিক হিসাব পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আমার নিকট ১০০০০০/- ঘুস দাবি করে পরবতীতে ৪০০০০/- টাকায় রফাদফা করি বাকি টাকা ১ম কিস্তি পাওয়ার পরে দেওয়ার কথা বলি, পরবর্তীতে আমি আর তার ফোন রিসিভ করি নাই।
২০২১ সালে দুইজনের পাসপোর্ট করতে যাই। প্রথমে ভাবলাম, দালালকে ছাড়াই করবো। দেখলাম পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের একের পর এক অভিযোগ। এটা ঠিক নেই, ওটা ঠিক নাই। নামের ভুল, পেশা ভুল। একসময় পূরণ করা ফর্ম গুলো লাল কালি দিয়ে কেটে দিলো। ইশারা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলো দালাল ছাড়া কাজ হবে না। দুজনের জন্য ১৬০০x২= ৩২০০ টাকা চাইলো। বাধ্য হয়েই দিতে হলো। তারপর তথা কথিত কাগজ পত্রের ভুল নিমেষেই ঠিক হয়ে গেলো।
আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার সব কিছু ঠিক ছিল। কিন্তু লাস্টে এডি সারের এপ্রুভাল লাগবে। সে দেয় নাই। ৩ হাজার টাকা দাবি করে। যার ফলে আমাকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ওই বাইকে রেজিস্ট্রেশনটা সম্পন্ন করতে হয়।
অনলাইনে খাজনা দেয়ার জন্য জমির খতিয়ান নুতুন করে যোগ করতে হয়। এতে হোল্ডিং নম্বর লাগে। সেই হোল্ডিং নম্বর ক্রিট করতে হয় ,ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সাধারণত এই কাজটি করে থাকে। হোল্ডিং নম্বর ক্রিট ও অনলাইন করার জন্য রিকোয়েস্ট করলে তারা বলে যে সার্ভার ডাউন ,৫০০ টাকা খরচ দিয়ে যান । কাজ হয়ে যাবে।
আমাকে বলা হয়েছে টাকা না দিলে পাশ করানো হয় না।অবশ্য আমি একজন দালালের মাধ্যমে টাকা দিছি।টাকা ছাড়া কেউ BRTA টির সেবা পায় বলে আমার মনে হয় না।
ই-নামজারির জন্য কাগজপত্র দাখিল করেছিলাম ভূমি অফিসে কিন্তু দশ দিন পার হয়ে গেলেও মেসেজ পাইনা পরে অফিসে গিয়ে অভিযোগ করলাম তারপরে আমার কাগজ আর খুঁজে পায় না পরে ৫,০০০/- পাঁচ হাজার টাকার দাবি এই হল বাংলাদেশের অবস্থা
আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, আমি পেনশনে আসার সময় এফপিও (ফিল্ড পে অফিস) হতে ডিএসপি (জিপি ফান্ড) ফান্ডের হিসাব আনতে ৩,০০০/- টাকা, একই অফিস হতে এলপিআর বিল পাশ হতে ৬৫,০০০/- টাকা এবং এককালীন পেনশন বিল পাশ হতে ১৫,০০০/- সর্বমোট ৮৩,০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়।
রপ্তানি প্রতিটা ডকুমেন্ট বাবদ ১৫০ টাকা দিতে হয় লোকাল ডকুমেন্ট হলে ১০০০ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত নেয়
বি আর টিএ অফিসে প্রথমবার লাইসেন্স করতে গেলে ৩০০০/- টাকা চায়। কোন পরীক্ষা ছাড়া পাস করায় দেবে সেই শর্তে। টাকা না দিলে ফেল করায় দেয়। টাকা দিলে রিটেন ও ড্রাইভিং টেস্টও দেয়া লাগে না। নবায়ন করতে আবার একই অবস্থা। তখন নিয়েছিল ২৬০০/-। পরিচিত লোক ছিল তাই দুই বারই কম লাগছে, মানুষের কাছ থেকে আরো অনেক বেশি নেয়।
জমি রেজিস্ট্রি করতে অতিরিক্ত টাকা চেয়েছে।আমি দিতে চাইনি।ফলে মাসের সহ মাস আমার কাজটি আটকে রেখেছে।
সাব রেজিস্ট্রী অফিসে কারো যদি টিন বা আয় কর রিটার্ন না থাকে তাহলে জন প্রতি ৩/৪ টাকা ঘুষ দিতে হয় এমন কি সরকার কিছু খাত নিয়ম আছে যা মধ্যে টাকা লাগে না সেখানেও ঘুষ দিতে হয়
নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করি আমরা ৪০+ জন, তাদের বেতন রানিং হওয়ার জন্য প্রত্যেক এর কাছে থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয় শিক্ষা অফিসের এক কর্মচারির মাধ্যমে। তারা এই টাকা একাউন্ট অফিস ও শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা ভাগ করে নেয়।