নামজারি
নামজারির জন্য চাইছিল না হয় আবেদন না মঞ্জুর করে দেবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারির জন্য চাইছিল না হয় আবেদন না মঞ্জুর করে দেবে
পুরাতন মিটার বদলে নতুন মিটারের আবেদন করলে সার্ভিস চার্জের নাম করে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে।
আমি একজন সেনা সদস্য, বৈদেশিক মিশনের টাকা পেতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এয়ার হেডকোয়ার্টার পে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল, রিটায়ার্ড টাকা পেতে খুলনায় আমার সেন্টারের সে ১ কে টাকা দিতে হয়েছিল দুই জায়গা মিলে ১ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছিল, এবং আমার মতো সকল সেনাবাহিনী সদস্য অবশ্যই টাকা দিতে বাধ্য
মাদ্রাসা শিক্ষক হিসেবে নিজের এমপিও ফাইল জেলা অফিস থেকে ছাড়করণের জন্য মিষ্টি খাওয়া বাবদ টাকা ছেয়েছিল জেলা শিক্ষা অফিসার। ১০০০ টাকা দিলে সে আরো দাবি করে।
দালালের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয়েছে।
MPO করতে লাগইবেই লাগবে
২৮/৮/২৬ তারিখে ভুমি অফিস গিয়েছিলাম।আমি জমি কিনেছি,,,১৯৯৮ সালে,,, খারিজ করেছি ১৯৯৯,,,, এবং ১৯৯৯ও২০০১ সালে চেক কেটেছি,,,,, কোন সমস্যা নেই,,,,,, আমার লাগবে ১২০০০/১৫০০০ কিন্তু চাইছে ৪০০০০
দালালরা আমার পাসপোর্ট করে দিবে সেই বিনিময়ে তারা বিশ হাজার টাকা চেয়েছিল
নামজারি করতে গিয়ে ঘুষ চাই
ওয়ারিশ দিয়ে জমি খারিজ এর জন্য ২৫০০০ টাকা চেয়েছে এবং খাজনা দিতে ২৩০০০ টাকা বাড়তি নিয়েছে যা সরকারের খাতায় জমা হয়নি।
টিন দাখিল করা হয়নি চার বছর উনাকে 5000টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে
Trade license renewal, 13010 taka, the officer took extra 200tk
Firm TIN application korle approved kora te taka chy 3k taka na dile approved Dei na
আমার বাবা আমাকে আমাদের নামে সাবক কাবলা দিবে সেই কারণে ভূমি অফিসার অর্থাৎ রেজিস্টার অফিসার আমার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে সে ক্ষেত্রে আমি পরিশোধ করি।
আমি ২৮/৮২৬ সালে ভূমি অফিসে যাই আমি জমি নিয়েছি ১৯৯৮ সালে এবং খারিজ করেছি অন 999 সালে এবং চেক কাটছে ১৯৯৯ সালে এবং ২০০১ সালে। এখন আমি আবার চেক কাটতে যাচ্ছি তো বলছে ৪০০০০ হাজার টাকা লাগবে,,,,,,অথচো আমার ১২০০০/১৫০০০ হাজার টাকা হলেই হবে
আমাদের পরিবারের সদস্যদের ভেতরে বাড়ি জমি নিয়ে একটা ৪৪ এবং ৪৫ ধারা মামলা হয়েছে এবং বিবাদীপক্ষ অনেক ভুল তথ্য দিয়ে মামলা করেছে যে আমরা জায়গা জমি পাবোনা সেই মর্মে। তাই মহামান্য আদালত ভূমি অফিসে তদন্তের জন্য চিঠি দিয়েছে এবং ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা আমাদের ওখানে গিয়ে নিজ চোখে দেখেছে এবং আশেপাশের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে কথা বলেছে তৎপর আমাদের কে অফিসে যেতে বলেছে এবং আমরা যখন অফিসে যাই তখন ১২ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে কিন্তু আমরা তাৎক্ষণিক ৩০০০ হাজার টাকা দিয়েছি আর নয় হাজার টাকা দিতে পারিনি তাই এখন পর্যন্ত প্রতিবেদন করে পাঠাইনি
মুলত আমি একটি মিসকেইস মামলার রায় পাই যেটা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তামিল করার জন্য প্রেরণ করা হয় আমার মাধ্যমে সেখানে শিমুলিয়া ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা কাগজটি নিজের কাছে জমা রাখে এবং সাতদিন পরে আসতে বলে,,, সাত দিন পরে গেলে সে জানায় তার কাছে লেখার সময় নেই এবং তিনি নিজেই আমাকে বাইরে একটি কম্পিউটারের দোকান পাঠায় যে মূলত দালাল তিনি আমার কাছে ৩০০০ দাবী করে আমি নিরুপায় হয়ে দুই হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করাই।
বিদেশে চাকরি করার জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম আমার কিছু প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিয়েছিলাম নিজে গিয়ে এবং পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারীদের কাছে তারা বলল তোমার কাগজে অনেক ভুল আছে ভুলগুলো সংশোধন করে নিয়ে এসো আমি পরের সপ্তাহে সংশোধন করে নিয়ে এসেছিলাম ওই পাসপোর্ট অফিসে তারা আবারা বলল আমার নাকি আরো কিছু ভুল আছে পাসপোর্ট অফিস থেকে বাইর হয়ে আসলাম একটা লোক বলল কি সমস্যা ভাই আমি বললাম স্যার কথা বল বলল আমাকে দুই হাজার টাকা দাও সব সমস্যা সমাধান করে দিব আমি টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই আমার ফাইলটা প্রস্তুত হয়ে গেল এ থেকেই বুঝতে পারলাম আমার দেশ কতটুকু দুর্নীতি বা ঘুষ সরকারি অফিস গুলো এরকমভাবে লেনদেন করা হয় তারপরে আমি পাসপোর্ট পেয়ে বিদেশে চাকরির উদ্দেশ্যে চলে আসলাম
সেবাটি ছিল জমির খাজনা।স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে ঘুস চাওয়া হয় এবং প্রত্যাখ্যান করি। কিন্তু কাজ না করে দিনের পর দিন হয়রান করে কাজ হয় না। বাধ্য হয়ে দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দি। এতে আমার কাজ হয়।
আমি আমার স্ত্রীর নামে একটা গর্ভবতী কার্ডের জন্য আবেদন করি।সেখানে তো কয়েক জায়গায় কিছু কিছু টাকা লেগেছে। কোনটা ঘুষ আর কোনটা ঘুষ না এটা বুঝার ও কোন উপায় নেই। ধাপে ধাপে টাকা নিয়েছে।যেমন সাস্থ সেবা কার্ড ২০০/ ব্যংক একাউন্ট আবেদন ২০০/সংস্লিষ্ঠ ইউনিয়ন অফিসেই আবেদন করেছিলাম।পরে টাকা তোলার সময় ১০০/ আমার ঢাকা সিলেট মহাসরকের নরসিংদী শিবপুরস্থ এক স্থানে হোটেল ছিল সরকারি প্রনোদনা পেয়েছি কর্মচারী হিসেবে ২৬০০০/সেখান থেকে নন অফিসিয়াল ভাবে যে আমাদের নাম জমা নিয়েছে অন্যত্র দেখা করে কিছু টাকা দেয়ার দাবি করে।পরে আমি ১০০০/টাকা দিয়েছি। মোবাইল চুরি হয়েছিল উদ্ধারের জন্য শিবপুরের একজন এস আই কে ৪০০০/টাকা দিয়েছি উল্লেখ্য তিনি এই টাকার কথা কোথাও না বলার কথা বলেছেন।এই সব কাছাকাছি সময়ের গঠনা।আরো আগে অনেক হয়েছে এমন।