Mutations /sell permission
Asked for 3.5 lac but on request I could reduce some amount.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Asked for 3.5 lac but on request I could reduce some amount.
নতুন ভোটার হইতে গেলাম কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত এক হাজার টাকা দিতে হলো।
পুলিশ ক্লিয়ারন্স সার্টিফিকেট জন্য সরকারি আবেদন ফী দেওয়ার পর ও, তদন্ত কারি পুলিশ কর্মকর্তা ১০০০ টাকা নিছে
জমি খারিজ করার আগে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল।
ভিপি লীজে কেস জন্য টাকা চায় তারা
সাল ২০২২ মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়। পাসপোর্ট করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ আমাকে বলে খরচের টাকা দাও। পরে আমি বলি কিসের টাকা উনি বলে টাকা দিতে হয় সবাইকে খরচের টাকা পরে আমি উত্তরে বলি আপনাকে তো গভমেন্ট সরকার টাকা দেয় আমি কেন টাকা দিব আপনাকে কি বেতন দেয় না? আপনার কাজই তো এটা, আমি তো স্টুডেন্ট টাকা পাবো কোথায়; পরে উনি আমাকে জোরজবস্তি করে বলে যে এটা না দিলে তোমার প্রবলেম হবে আমি চাইনা তোমায় কোন সমস্যায় পড়ো তারপর আমি ভয়ে উনাকে টাকা দিয়ে আসছি ইচ্ছার বিরুদ্ধে
গুলশান থানায় বিগত ৩১.০৮.২০২৬ ইং তারিখে দুপুর ২ : ০০ ঘটিকায় ডিউটি অফিসারকে ১০০০ টাকা ঘুস না দিলে জিডি হবে না মর্মে জানালে ঘুস বাবদ ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে পড়া শোনা করি।আমরা ২ বন্ধু মিলে ঢাকা থেকে গাইবান্ধা আসছিলাম।আমাদের স্টেশনে বলছিলো স্টুডেন্টদের জন্য হাফ ভাড়া।সেই হিসাবে আমরা ২ জন বন্ধু মিলে ১ টা টিকেট কাটি।মাঝ পথে ১ জন টিটি আসলে আমরা কার্ড দেখাই সে তখন মেনে নিলেও সে আর একজন টিটি কে ডেকে আনে এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। তাকে প্রমান দেওয়ার পর ও সে আমাদের সাথে ঝামেলা করে।এবং আমাদের কাছে ২০০ টাকা ছিলো সে সেটাও নিয়ে নেয়।এরকম ট্রেনে অনেক ছাত্রদের সাথে হয়রানি মুলক আচরণ করে।ট্রেনের নাম রংপুর এক্সপ্রেস।
আমি প্রথমে যে কাগজপত্র গুলি জমা দিতে হবে সেই কাগজপত্র গুলি বিআরটিএ অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসছি। আমাকে বলা হয়েছিল আমার সাথে যোগাযোগ করা হবে আমার ফোন নাম্বারে। কিছুদিন অপেক্ষা করার পর যখন ফোন পাইনি পরে আমি আবার গেছি যোগাযোগ করার জন্য তখন আমাকে জানানো হয় আমার কাগজপত্রগুলো হারিয়ে গেছে। বি আর টি আর ওয়েবসাইট থেকে কোন কোন কাগজ গুলো জমা দিতে হবে পরে আমাকে পরীক্ষার জন্য লাগবে আমি সব কাগজপত্র গুলি জমা দিয়েছিলাম। যেহেতু আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স দরকার আমি মোটরসাইকেল চালায় আমি বাধ্য হয়েছি ১৩ হাজার টাকা কন্টাক করে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য। আমাকে আরো জানানো হয় যে টাকা দিলে আমার পরীক্ষার কোন কিছুই লাগবেনা। টাকা দেওয়ার পরে অল্প কিছু দিনের মধ্যে আমার ডাক আসে এবং এর কিছুদিন পরে আমি আমার ড্রাইভিং লাইস
Akta Sompurno Mittha mamla, Police report a Jara Sotti Nirdosh cilo, amn ki ghotonar jaygay cilo na, Amn kicu Asamir nam Badir Ajahar theke Bad dibe tar jonno 3 dofay ai tk porishodh korte hoyece. Ata cilo one kind of Blackmail. Jeta Lalmonirhat, Kaliganj Thana Police Er akjon SI amr poribarer sathe 2yers dhore kore astce. Ami kaw k bolte o parci na, tahole Mittha vabe amake & amr poribar k aro hoyrani korbe.
অফিস আমাকে বলেছিলেন জরুরী ভিত্তিতে অনুমতি পত্র নিতে হলে বিশ হাজার টাকা দিতে হবে অফিস খরচ
জমি রেজিস্ট্রি করতে সাব রেজিস্ট্রার আমার কাছ থেকে ২০০০০ টাকা নিয়েছে
সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় হিসাবরক্ষণ অফিসে।বৈধ বেতন, পেনশন, ইনক্রিমেন্ট চালু সহ ভ্রমণ বিলের জন্য টাকা। পে ফিক্সেশন এর জন্য টাকা, বেতন চালুকরণ, বকেয়া বিল,ভ্রমণ বিল,পেনশনের জন্য টাকা নেয় উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার, হাতিয়া। টাকা না দিলে দুর্ব্যবহার করেন।ফাইল ছুড়ে মারেন।সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী জিম্মি এই লোকের কাছে। এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
টাকা না দেওয়া পর্যন্ত কাজে হাত দিতে চায় না। এছাড়াও পরবর্তীতে কোনো বিল বা অন্যান্য কাজ করাতে প্রথমেই টাকা চেয়ে বসে। ৫% তাদের দিতেই হয় এখানে।
গত মার্চে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদনের পর নির্ধারিত সময়ে কাজ না হওয়ায় বাজিতপুর থানায় যাই। সেখানে থানার মুন্সী আমাকে অযথা হয়রানি করেন এবং নতুন করে আবেদনের চাপ দেন। একই সাথে এক কম্পিউটার অপারেটর রাতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের অনৈতিক প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে মুন্সীকে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পরও সনদ পেতে ২০ দিন বিলম্ব হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাজিতপুর থেকে কিশোরগঞ্জ এসবি অফিসে গিয়ে সেটি সংগ্রহ করতে হয়।
নামজারি করার জন্য দাব করেছিল তহশীলদার।
আমি আমার বাবার নামের জমিতে নামজারি করতে গিয়েছিলাম কিন্তু ইউনিয়ন ভুুমি সহকারি আমার কাছে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাকে কিছুদিন ঘুরিয়ে, একদিন বলল কিছু খরছাপাতির ব্যাবস্থা করেন কাজ করে দিচ্ছি, আমি বললাম কত দিতে হবে, তিনি বল্লেন এই বেশী না ৮ হাজার টাকা দিলেই হবে, তার পরে আমি অনেক রিকোয়েস্ট করে ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে কাজটা করে নিয়েছিলাম উনাকে দিয়ে ।
আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা এই দেশে জন্মগ্রহণ করেছি। কোটি কোটি টাকা দিয়ে রাইস মিল গড়ে তুলেছি যেখানে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে শত শত লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে আমরা তথা দেশের অর্থনীতিতে একটা বিশাল অবদান রাখছি। আমরা রাইস মিল পরিচালনা করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা পালন করছি প্রতি বছর আমরা সরকারের বরাদ্দিকৃত চাল সরবরাহ করে থাকি সেই চাল সরবরাহ করতে নানান নানান অজুহাতে খাদ্য অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন রকম ঘুষ লেনদেন করে সরকারকে চাল সরবরাহ করছি। এই চাল সরবরাহ কালে নানান দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য চলছে সারা দেশ ব্যাপী। এর একটি উদাহরণ, যেমন ডিসি ফুড ২০০ টাকা টন ও সি লেস ডি ৫৫০ টাকা টন টি সি এএফ ১৫০ টাকা টন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ৫০ থেকে ১০০ টাকা টন এছাড়াও নানান ঘস লেনদেন ছাড়া আমরা চাল সরব
তুমি যদি আমাদের নাস্তার টাকা না দাও তাহলে তোমার নতুন পাসপোর্ট হবে না,আমি বললাম কেন সে বলল আমরা যদি এখান থেকে রিপোর্ট করি তাহলে তোমার পাসপোর্ট হবে না, আমি বললাম এটা কেমন কথা সে বলল পাসপোর্ট না করতে চাইলে টাকা দিতে হবে না আর যদি করতে চাও তাহলে টাকা দাও ওই লাইনে দাঁড়াও বাকিরা তোমার জন্য সামনে আসতে পারছে না তাদের সুযোগ দাও।
সরকার আমাদের মাটি নিয়েছিলো রাস্তা বানানোর জন্য পরে বাসা ভেংগে চলে গেলোও টাকা দেওয়ার নাম ছিলনা। ঘুস ১ লাখ নিয়ে টাকা পেয়েছিলাম