GD দাখিল
গুলশান থানায় বিগত ৩১.০৮.২০২৬ ইং তারিখে দুপুর ২ : ০০ ঘটিকায় ডিউটি অফিসারকে ১০০০ টাকা ঘুস না দিলে জিডি হবে না মর্মে জানালে ঘুস বাবদ ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গুলশান থানায় বিগত ৩১.০৮.২০২৬ ইং তারিখে দুপুর ২ : ০০ ঘটিকায় ডিউটি অফিসারকে ১০০০ টাকা ঘুস না দিলে জিডি হবে না মর্মে জানালে ঘুস বাবদ ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি প্রথমে যে কাগজপত্র গুলি জমা দিতে হবে সেই কাগজপত্র গুলি বিআরটিএ অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসছি। আমাকে বলা হয়েছিল আমার সাথে যোগাযোগ করা হবে আমার ফোন নাম্বারে। কিছুদিন অপেক্ষা করার পর যখন ফোন পাইনি পরে আমি আবার গেছি যোগাযোগ করার জন্য তখন আমাকে জানানো হয় আমার কাগজপত্রগুলো হারিয়ে গেছে। বি আর টি আর ওয়েবসাইট থেকে কোন কোন কাগজ গুলো জমা দিতে হবে পরে আমাকে পরীক্ষার জন্য লাগবে আমি সব কাগজপত্র গুলি জমা দিয়েছিলাম। যেহেতু আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স দরকার আমি মোটরসাইকেল চালায় আমি বাধ্য হয়েছি ১৩ হাজার টাকা কন্টাক করে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য। আমাকে আরো জানানো হয় যে টাকা দিলে আমার পরীক্ষার কোন কিছুই লাগবেনা। টাকা দেওয়ার পরে অল্প কিছু দিনের মধ্যে আমার ডাক আসে এবং এর কিছুদিন পরে আমি আমার ড্রাইভিং লাইস
Akta Sompurno Mittha mamla, Police report a Jara Sotti Nirdosh cilo, amn ki ghotonar jaygay cilo na, Amn kicu Asamir nam Badir Ajahar theke Bad dibe tar jonno 3 dofay ai tk porishodh korte hoyece. Ata cilo one kind of Blackmail. Jeta Lalmonirhat, Kaliganj Thana Police Er akjon SI amr poribarer sathe 2yers dhore kore astce. Ami kaw k bolte o parci na, tahole Mittha vabe amake & amr poribar k aro hoyrani korbe.
অফিস আমাকে বলেছিলেন জরুরী ভিত্তিতে অনুমতি পত্র নিতে হলে বিশ হাজার টাকা দিতে হবে অফিস খরচ
জমি রেজিস্ট্রি করতে সাব রেজিস্ট্রার আমার কাছ থেকে ২০০০০ টাকা নিয়েছে
টাকা না দেওয়া পর্যন্ত কাজে হাত দিতে চায় না। এছাড়াও পরবর্তীতে কোনো বিল বা অন্যান্য কাজ করাতে প্রথমেই টাকা চেয়ে বসে। ৫% তাদের দিতেই হয় এখানে।
নামজারি করার জন্য দাব করেছিল তহশীলদার।
আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা এই দেশে জন্মগ্রহণ করেছি। কোটি কোটি টাকা দিয়ে রাইস মিল গড়ে তুলেছি যেখানে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে শত শত লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে আমরা তথা দেশের অর্থনীতিতে একটা বিশাল অবদান রাখছি। আমরা রাইস মিল পরিচালনা করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা পালন করছি প্রতি বছর আমরা সরকারের বরাদ্দিকৃত চাল সরবরাহ করে থাকি সেই চাল সরবরাহ করতে নানান নানান অজুহাতে খাদ্য অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন রকম ঘুষ লেনদেন করে সরকারকে চাল সরবরাহ করছি। এই চাল সরবরাহ কালে নানান দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য চলছে সারা দেশ ব্যাপী। এর একটি উদাহরণ, যেমন ডিসি ফুড ২০০ টাকা টন ও সি লেস ডি ৫৫০ টাকা টন টি সি এএফ ১৫০ টাকা টন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ৫০ থেকে ১০০ টাকা টন এছাড়াও নানান ঘস লেনদেন ছাড়া আমরা চাল সরব
সরকার আমাদের মাটি নিয়েছিলো রাস্তা বানানোর জন্য পরে বাসা ভেংগে চলে গেলোও টাকা দেওয়ার নাম ছিলনা। ঘুস ১ লাখ নিয়ে টাকা পেয়েছিলাম
বরাবর মাননীয় মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগর ভবন, চট্টগ্রাম। বিষয়: ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত টাকা দাবি/গ্রহণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছি। আমার প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স প্রতি বছর নিয়ম অনুযায়ী নবায়ন করে থাকি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় সংশ্লিষ্ট অফিসের একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃক নির্ধারিত সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা থেকে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা প্রদান করতে বলা হয়। উক্ত অতিরিক্ত টাকা প্রদান না করলে ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের কার্যক্রমে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি বা বিলম্বের আশঙ্কা তৈরি
৯৯% বাইকে ফগ লাইট লাগানো থাকে, ঠিক তেমন ভাবে আমার বাইকেও লাগানো ছিলো, কিন্তু, আমাকে আটকিয়ে কাগজ জব্দ, আমার পাশে শত-শত বাইকে ফগ লাইট লাগানো, কিন্তু, ওদের ধরছে না, শুধু আমাকে ধরে ১২০০০/- টাকার মামলার ভয় দেখিয়ে ক্যাশ ৫,০০০/- দিলে, ১২ হাজার এর মামলা দিবে না বলে,,তাই আমি বাধ্য হয়ে দিয়েছি ৫ হাজার, তখন কিছু করার ছিলো না। আইন সবার জন্য সমান হওয়ার দরকার। নিউমার্কেট চট্টগ্রাম।
খারিজ এর অনলাইন রশিদ এর মধ্যে ভুলে জমির পরিমান কম উঠেছিলল সেটা সংশোধন করতে চাইলে ঘুষ দাবি করে । বলে এক বছর পরে আসেন । তখন জমি রেজিস্ট্রি করা বন্ধ হয়ে যেত ফলে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
বদলি হয়ে আসার পর আইবাস ++ একাউন্ট চালু করা, বদলি কৃত স্থানে বেতন কার্যক্রম চালু করার জন্য জেলা হিসাব রক্ষন অফিসে এর অডিটর কাজ করার নামে ঘুষ চাইছে এবং ৯ মাস বেতন আটকিয়ে রাখছে,পরে নিজেরা সকল কাজ ঢাকা থেকে করে আনলে ও বিশ হাজার টাকা দাবি করে পরে ১০ হাজার টাকা দিয়ে বেতন চালু করতে হয়।
ঝিনাইদহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে গেলে সকল কাগজ সঠিক থাকার পরেও ফাইল ছুড়ে মারে এবং বলে আপনি পাসপোর্ট পাবেন না,আপনার কাগজে ভুল আছে,কি ভুল আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আপনি নিজেই খুজে দেখেন কোথায় ভুল করেছেন। কিন্তু কোন ভুল দেখাতে পারেন নি,পরে এডি স্যার এর রুমে ফাইল নিয়ে দেখালে তিনিও বলেন কাগজপত্র সঠিক আছে।নিচের ডেস্কে বসা ব্যাক্তিকে ডেকে কথা বলেন এবং আমাকে সাথে করে নিচে নামার সময় বলেন ২০,০০০ টাকা দিয়ে যান, কোন কাগজ ঠিক করা লাগবে না,১ সপ্তাহ পরে এসে পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন,টাকা দেইনি বলে আজ ৭ দিন পাসপোর্ট অফিসে ঘুরে ঘুরে আজো পাসপোর্ট করতে পারিনি। আজ আবার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে।
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে পড়া শোনা করি।আমরা ২ বন্ধু মিলে ঢাকা থেকে গাইবান্ধা আসছিলাম।আমাদের স্টেশনে বলছিলো স্টুডেন্টদের জন্য হাফ ভাড়া।সেই হিসাবে আমরা ২ জন বন্ধু মিলে ১ টা টিকেট কাটি।মাঝ পথে ১ জন টিটি আসলে আমরা কার্ড দেখাই সে তখন মেনে নিলেও সে আর একজন টিটি কে ডেকে আনে এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করে। তাকে প্রমান দেওয়ার পর ও সে আমাদের সাথে ঝামেলা করে।এবং আমাদের কাছে ২০০ টাকা ছিলো সে সেটাও নিয়ে নেয়।এরকম ট্রেনে অনেক ছাত্রদের সাথে হয়রানি মুলক আচরণ করে।ট্রেনের নাম রংপুর এক্সপ্রেস।
সোনালী ব্যাংকে জয়েন করার জন্য মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। যার জন্য সোনালী ব্যাংক ৩ টা টেষ্ট করতে বলে। সিভিল সার্জন কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ থেকে সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা অতিরিক্ত আরও অনেক টেস্ট ধরিয়ে দেয়, যেগুলোর প্রয়োজন নাই, সোনালী ব্যাংক চায়নি এগুলো। এগুলো না আনতে চাইলে কৌশলে ৫০/১০০ টাকা দাবি করে( ব্যাংকে চালানে টাকা জমা দেয়ার বাইরে)
আমাদের পাসপোর্ট করতে গেলে, কতটা হয়রানি পোহাতে হয়, কক্সবাজারের নাগরিক হয়ে ও আমরা সেবা পাই না, ভিন্ন দেশের রোহিঙ্গাদের যেভাবে টাকা খেয়ে কাজ করে, কিন্তু আমরা ঘুষ না দিলে করে না,সরকারি সেবা পেতে ও আমাদের স্টুডেন্ট বলেন, সাধারণ মানুষ বলেন নাজেহাল করে।
১১৭০ টাকার নামজারী করার জন্য ২২ হাজার টাকা নিছে। দলিল লেখক বলেছেন এখানে প্রতিটি টেবিলে বসে থাকা স্যারদের চা-পানির টাকা না দিলে ফাইল সামনের দিকে আগায় না !
আমি 11 নং ওয়ার্ড এ প্রত্যয়ন এ আবেদন করি, যেটা কাউন্সিলর অফিস থেকে 100 টাকায় পাওয়া যায়, কিন্তু আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়, যেমন ঠিকানা ঠিক নেই, জন্মস্থান ঠিক নেই, বাবা মায়ের নাম অক্ষড় গড়মিল, সহ নানা ভাবে হয়রানি করা হয়। পরবর্তীতে দালাল গেইটের বাহিরে দাড়িয়ে বললো 1000 টাকা দেন সব ঠিক হয়ে যাবে।
Namjari korte 7000Tk gush dite hoise