নামজারী
আমার ২ বছর আগের কেনা ৩৭ শতাংশ আবাদি জমি নামজারি করতে চাইলে অফিসের একটি চক্র আমার কাছে ১৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ২ বছর আগের কেনা ৩৭ শতাংশ আবাদি জমি নামজারি করতে চাইলে অফিসের একটি চক্র আমার কাছে ১৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে।
অফিস প্রধান কর্তৃক বলা হয় এলপিসি নিতে হলে এক হাজার টাকা খরচ দিতে হবে।
১০ শতক জমি নামজারি করার জন্য ৩০০০০ টাকা চায়,,, গ্রামের আবাদি জমি
গত ৭ম গন বিঙ্গপ্তিতে সুপারিশ পেয়ে আমার স্ত্রী ঢাকার একটি স্কুলে জয়েন করে। গত সাত মাস হলো তিন বার এমপিও এর জন্য আবেদন করা হয়েছে। তিনবারই রিজেক্ট করা হয়েছে। কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে ছাত্র সংখ্যা কম এবং ওই স্কুলে দুই সিফট্ চালু আছে কিনা এটার জানেন না তারা। এবিষয়ে থানা শিক্ষা অফিসারকে রিপোর্ট করতে বলা হয় জেলা শিক্ষা অফিসের ডিডি থেকে। কিন্তু তিনি সেটা করেন না।বল্লে বলেন স্কুলে দুইজন হেড মাস্টার আছে, দুই সিফট চলতেছে ১৯৯৮ সাল থেকে, এটা সবাই জানে। কেন দিচ্ছে না বুঝেন না। ডিডির কাছে গেলে কথাই বলেন না। মানুষের সাথে কেউ এমন ব্যাবহার করে না যা তিনি করেছেন। আর বলে আপনারা এখানে কেন আসছেন। হেড মাস্টারকে নিয়ে আসেন। এই দিকে হেড মাস্টার যান না। লাস্ট তিনি বল্লেন,হতে হলে টাকা লাগবে ১লক্ষ। টব টু বোটম সবাই খাবে।
আমি একজন সরকারি টিসিবির পণ্য ডিলার রংপুর বিভাগের বর্তমানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডি অন্যায় ভাবে আমাকে প্রোপোজ করে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে আমি আমি তার কাছে সময় চেয়ে এই রিপোর্ট দাখিল করছি।
আমি আমার জমির কাজ ঘুসের টাকার অভাবে করতেই পারিনি
একটা নামজারির জন্য ৫৫ লক্ষ টাকা ঘুষ চায়। এই AC land ৩৫ বিসি এস। এখনো এসি ল্যান্ড। অথচ ৩৮ এর আগের কেউ সারা বাংলাদেশে AC land নাই। সে নাকি রাজনৈতিক বিবেচনায় এ পোস্টিং পেয়েছে।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য এই ডকুমেন্ট দাও, সেই ডকুমেন্ট দাও। বললো 2000 টাকা দাও দেখতেছি আমি কি করা যায়। ২০০০ টাকা দেওয়ায় কাজ হয়ে গেল।
এখন পর্যন্ত আম আমার কাজ করতেই পারি নাই ঘুসের টাকার অভাবে
এখানে ঘুষ না দিলে লাইসেন্স পাওয়া যায় না। ঘুষ দিলে পরিক্ষায় ফেল করলেও পাশ দেয়
Kharij Korte Taka besi chaice..
টাকা না দিলে করবে না। আমি নিন্দা জানাই এই সিস্টেম এর।
আমি একটি নতুন নামজারি আবেদন করতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে বলা হয় এটা নাকি তাদের ফিক্সড প্রাইজ। দাবিটি করেন বাউফল উপজেলা ভূমি অফিস এর একজন পেসকার
মিস কেস করার পর তদন্তের জন্য যে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নথি পাঠাবে তাই পাঠায় নাই। কয়েকদিন বলার পরও পাঠায় নাই। পরে গিয়ে দেখা করে বলার পরও কাজ করে নাই। পরে 2000 টাকা চায়। 1000 টাকা দিয়ে তদন্তের জন্য পাঠায়।
অনলাইনে আবেদন করেছি নিজে, ১মাস কিছু দিন পর অফিস বলে হবে না, এখান থেকে আবেদন করতে হবে
A lady officer demanded this amount for the bond license of a foreign company.
আমার আইডি কার্ডে নাম এবং বয়স পরিবর্তন করার জন্য আবেদন করেছিলাম, আমার কাছে শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদ, জন্মনিবন্ধন থাকার পরও আবেদন গ্রহণ হয়নি। তারা ১,০০,০০০ /=( এক লক্ষ টাকা ) দাবি করে।
টাকা না দিলে দলিল করে দেয়নি।
আমার বাবার কেনা জমি নাম খারিজের জন্য নিছে সার্বেয়ার এরপর AC Land আবার বাতিল করে দিছে।
আমি ভূমি অফিসে গেলাম একটি জমি খারিজ করতে,বললো এভাবে হবে না,নিচে দোকান আছে,ওখানে গিয়ে আমার কথা বলেন,ওনি আবেদন করে দিবে।পরে ওই দোকানদার টাকা চাইছে, আমি বললাম প্রক্রিয়া মত আমি নিজে করবো,কিভাবে করবো বলেন,পরে বলে হবে না ৬ মাসেও,আমাকে পনের হাজার টাকা দিলে ১ মাসের মধ্যে কাজ হবে।পরে দিলাম।