পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন
২০২২ সাল, তখন পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন হতো। আমার থেকে টাকা দাবী করে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল। তাদের নাকি কি খরচ আছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২২ সাল, তখন পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন হতো। আমার থেকে টাকা দাবী করে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছিল। তাদের নাকি কি খরচ আছে।
Samne bolchilo, hobe na pore phn a bolce tk lagbe tahole hoy jabe..
টিসিবি আঞ্চলিক কার্যালয় ময়মনসিংহের গুদাম কর্মকর্তা, একই দিনে(২০-৮-২৬) ইচ্ছাকৃত ভাবে অধিকসংখ্যক ডিলারদের মাল উত্তোলনের জন্য ডেইট দেন। অথচ সারা মাস তিনি বসে থাকেন। কিন্তু তিনি তার অন্যায় সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে গুদামে একই দিনে অধিকসংখ্যক ডিলারদের ডেইট দিয়ে ভিড় ও জটলা সৃষ্টি করান। এখন তো ডিলাররা ট্রাক ভাড়া করে নিয়ে আসেন বিভিন্ন উপজেলা থেকে,এসে দেখেন প্রচন্ড ভীড়।তখনই শুরু হয় আসল খেলা।মাল ঐ দিনই নিতে হলে ২০০০ টাকা থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ তিনি দাবি করেন। যারা ঘুষ দিচ্ছেন তাদের ডিওতে তিনি স্বাক্ষর করছেন, যারা ঘুষ দিতে রাজি নয় তাদের ৪৮ ঘন্টা থেকে ৭২ ঘন্টা (৩ দিন) সিরিয়াল লাগে, এই বাড়তি সময়ের জন্য ভাড়াকৃত ট্রাককে ৪-৫ হাজার টাকা ডেমারেজ দেওয়া লাগে। তাই ঘুষ দিতে বাধ্য হন ডিলাররা।
আদালতের জায়গা জমি নিয়ে মামলা আজকে ১৫ বছর যাবত মামলার চলতাছে তাও কোন রায়ের নাম গন্ধ নাই
আমার বাবার কাছে বাড়ি এবং আবাদি জমি মোট ৮৭ শতাংশ জমির কয়েকজনের নাম জারির জন্য মোট ২১০০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে ১৭০০০ টাকা পরিশোধ করা হয়। একটি খতিয়ানে ভুল হয় যার জন্য আরও ১০০০০ টাকা দাবি করে। যা পরিশোধ করি নি।
বিদেশ যাওয়ার সময় মেডিক্যাল চেক-আপ এ রিপোর্ট ফিট আসার জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। আমার সব রিপোর্ট ঠিকঠাক থাকলেও তারা হঠাৎ করে আমার জন্ডিস হয়েছে বলে আমার রিপোর্টটি আটকিয়ে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে আমি ঘুষ দিয়েছি।
আমি আমার নামজারির জন্য নিজে আবেদন করেছি ভূমি কর্মকর্তা বলেছে আপনার আবেদনে ভুল আছে, আমি তা সঠিক ভাবে পুনরায় আবেদন করেছি এর পর তারা একেক বার একেক কথা বলে আবেদন বাতিল করে দিয়েছে, তারা বলে প্রতিনিদীর মাধ্যমে আবেদন করতে এর পর আমি প্রতিনিদীর মাধ্যমে ১৩০০০ টাকা দিয়ে নামজারি সম্পূর্ণ করি।
আমি চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন এর অফিস এ গিয়েছিলাম বয়স প্রমাণের সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আবেদন করতে। আমার আসল জন্ম তারিখ **/**/**** এবং বয়স **, আমি এই অনুযায়ীই আমার সনদ পাওয়ার আবেদন করেছিলাম। তো ডিউটিরত কর্মকর্তা আমার সকল কাগজ পত্র জমা নিলেন এবং বললেন আমার রেডিওলজি টেস্ট এর রিপোর্ট টা জমা দিতে। এরপর তিনি বললেন যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরের দিন মেডিকেল বোর্ড গঠন হবে এবং তারা আমার রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নিবেন যে আমার চাহিত ডকুমেন্ট টা আমাকে দেয়া হবে কিনা। তো এর জন্য ওই কর্মকর্তা আমাকে বললেন যে বোর্ডের তো একটা খরচ আছে তুমি একটু কম করে 1500 টাকা দিও। তো তখন আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে। আমার জানা মতে এই 1500 টাকা কোনো সরকারি ফি নয়, যা আমার কাছে গোপনে চাওয়া হয়েছে।
I submitted all the required documents for my new passport according to the rules. On the day of my appointment, the officers repeatedly said there was a problem with my documents but did not clearly explain what was wrong. I had taken a day off from work, yet I was unnecessarily harassed. Later, an Ansar member asked whether I had come through anyone. When I said no, he demanded BDT 5,000, saying money had to be paid to the officers to resolve the issue. I eventually paid BDT 2,000, after which my passport process was completed. During police verification, I also had to pay BDT 1,500 to the police in Lakshmipur and BDT 1,000 to the police in Tongi. In total, I had to pay BDT 4,500 .
When I went to the Munshiganj Muktarpur Land Office to pay my housing tax.An old man who has been working in that office for a long time directly demanded some extra money from me.I did not have it with me at that time.For that reason ,he expressed his inability to take the tax money from me . Then I returned without paying the tax. I am an expatriate .He demanded around 500 taka extra from me.
আমি আমার কোম্পানির একটি গাড়ীর কাগজপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলে ঢাকার পোস্তগোলা ইকুরিয়াতে যাই এবং ব্যাংকে টাকাও জমা দেই এরপর আমাদের গাড়ীর রুট পারমিট এর কাগজ নবায়ন করতে গিয়ে দেখি ঘুষ ছাড়া কাজ হবে না অবশেষে ৩,০০০ টাকা দিয়ে কাগজ নাবায়ন করে দেয়
জন্ম নিবন্ধন তৈরি করার জন্য এক হাজার ঘুষ চেয়েছে
আমি নতুন পাসপোর্ট তৈরির সময় অর্থটা পরিশোধ করেছিলাম
নামজারী করাতে ঘুষ দিতে হয়েছিল। দালালের মাধ্যমে না করালে ভূমি অফিস প্রস্তাব পাঠাচ্ছিল না।
আমার এস এ খতিয়ান তোলা দরকার তাই বাধ্য হয়ে নিতে হয়েছে। ১২০ টাকা সরকারি ফি সেখানে ৫৫০ টাকা নিয়েছে ২ টা ১১০০
একটি জমির নামজারি করতে ফতুল্লা ভূমি অফিসে ৫০,০০০ টাকা দাবি করে। সহকারী কমিশনার ভূমির সাথে কথা বলেও ঘুষ দেয়া থেকে নিস্তার পাওয়া যায়নি।
রাজউক এর জোন-৪/২ এর অথরাইজড অফিসার আমার কাছে একটি ভবন অনুমোদনের জন্য ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে।
জমির মিস কেস মামলার রির্পোট এর পাঠানুর জন্য ১০০০০০ টাকা দাবি করছে অফিসের বড় সাহেব বাদী বিবাদী উপস্থতিত থাকার পরে আমি দি নাই এখন রিপোর্ট দিছে কিনা জানি ।।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এ হোল্ডিং ট্যাক্স এর কাজ এর জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। এর জন্য আর কাজটি এখনো করানো হয়নি।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন খরচ সব মিলে ৮৫০০/-৳ সরকারি ফ্রি, কিন্তু ৯০০০/-৳ টাকা না দিলে করতে পারবে না!! এই সমস্যা শুধু আমার না, প্রত্যেক জনের, কিন্তু কেউ বলার সাহস পাচ্ছে না!