দলিল লেখা
রংপুর, মিঠাপুকুরের রেজিস্ট্রি অফিসে একজন দলিল লেখক ২৯৫০০০/- (দুই লাখ পচানব্বই হাজার) টাকার জমি রেজিস্ট্রি করতে আমার থেকে ৩৫০০০/ পয়ত্রিশ হাজার টাকা নিয়েছেন ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রংপুর, মিঠাপুকুরের রেজিস্ট্রি অফিসে একজন দলিল লেখক ২৯৫০০০/- (দুই লাখ পচানব্বই হাজার) টাকার জমি রেজিস্ট্রি করতে আমার থেকে ৩৫০০০/ পয়ত্রিশ হাজার টাকা নিয়েছেন ।
মিটার এবং এর ভেতরের ব্যাটারি ডিপিডিসি (DPDC)-এর নিজস্ব সম্পত্তি। তাই ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে তা বিনামূল্যে পরিবর্তন করে দেওয়ার দায়িত্ব তাদেরই। তবে গত ২৯ আগস্ট আমার বাসার মিটারের ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে যোগাযোগ করা হলে তারা ৫০০ টাকা দাবি করে। দিতে রাজি হলে তারপর একজন টেকনিশিয়ান এসে মিটারের ব্যাটারি সংযোজন করে দেয়।
২০২০ সাল থেকে আমি পাসপোর্ট অফিসের সাথে কাজ করছি। সেখানে প্রতিটি পাইল জমা দিতে হলে অফিসের লোক দের কে 1500 টাকা করে জাম দিতে হয় বিকাশের মাধ্যমে। ২০২০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় 50000/- পঞ্চাশ হাজার ফাইল জমা দিয়েছে। তাহলে হিসাব করে দেখেন 50000*1500 টাকা 75000000/- সাত কুটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা অফিসের লোকদের জামা দিয়েছি। হিসেব করে কত টাকা ঘুস দিয়েছে।
এসপি অফিস সিলেট হিসাব শাখায় নিজের সঞ্চয় করা টাকা তুলার জন্য আবেদন দিতে গেলাম। আবেদন দেওয়ার পর ওইখানে কর্মরত একজন বল্লো খরচাপাতি! চক্ষু লজ্জায় বলছি আচ্ছা, অবশ্য হাতে না দিয়ে অন্য কোন মাধ্যমে দিয়ে দিছি।এর পর দিন কল দিলো কনফার্ম করতে টাকা দিলাম কি-না! কারন প্রায় সবার কাছ থেকেই তো টাকা দাবি করে,কে দিলো কে দিল না এটারও তো একটা অংক মিলানোর বিষয় আছে না!
ডেসকো ইব্রাহিমপুর বি ও বি বিভাগের ফিল্ড ভিজিটর, আমার বাসা ভিজিট শেষ করে অন্য মাধ্যমে আমার কাছে ঘুষ দাবি করে, আমার সব কিছু সচ্ছ থাকার পরেও সে আমার ফাইল বার বার ফেরৎ দিয়ে টাকা দাবি করে। তার বিরুদ্ধে অতিসত্তর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। আমার মতো অনেকে এমন অনেক ভুক্তভুগি আছে যাদের আমি চিনি।
আমার বাবা একজন বাংলাদেশ রেলওয়ের তৃতীয় কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৮ সালে অবসরে গেলে পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য ততকালীন লালমনিরহাট ডিভিশনের এক কর্মকর্তা (নামটা আমার বর্তমানে মনে নেই) পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য 42000/- টাকা ঘুষ দাবি করে। টাকা না দিলে পেনশনের টাকা পেতে বিলম্ব হবে। বাধ্য হয়ে আমার বাবা টাকা দিতে রাজি হয় এবং টাকা দিয়ে দেয়। আমার বাবা ছিলেন লালমনিরহাট ডিভিশনের অধীন। অর্থাৎ বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল এ।
অভিযোগ রয়েছে যে, বিদেশগামী যাত্রীদের মেডিকেল পরীক্ষার সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা বা অসঙ্গতি দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে ওই অর্থ পরিশোধের পর সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে মেডিকেল ফিট ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে।
একটি খ তফসিল ভুক্ত জমি খারিজ করতে টাকা নিয়েছে। টাকা ছাড়া কোনো ভাবেই দিচ্ছিল না।
জমির রেজিস্ট্রি করার জন্য যাই, প্রথমে সরকারি কোষাগারে প্রি অর্ডারে ক্রয় সূত্রে ৮,০০,০০০ টাকা জমা দেই । যখন সাব রেজিস্ট্রার অফিসার এর কাছে যাই জমি রেজিস্ট্রির জন্য তখন আমার কাছ থেকে আরও কোনো রশিদ ছাড়া মানে ঘুষ ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে না দিলে নাকি রেজিস্ট্রি হবে না, ব্যাংক এ সরকারি টাকা দিয়ে ফেলেছি এই কারণে ঘুষ ১,৫০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
আমি একটি নামজারি করতে গিয়েছিলাম তখন সেখান থেকে বলল নামজারি করতে ৮০০০ টাকা লাগবে। এরমধ্যে ৪০০০ টাকা সহকারী কমিশনারের ফি, ৩০০০ টাকা নায়েবের ফি, বাকি ১ হাজার অন্যান্য ফি।
আমি পাসপোর্ট করতে গেছিলাম তারা আমার কাছে ১২ হাজার টাকা চাইছে সাথে আর অন্য অন্য খরচ আছে আমার তারা বলেছে সরকারি খরচে কোন পাসপোর্ট হয় না আমাদেরকে এই টাকা না দিলে আপনি পাসপোর্ট করতে পারবেন না আসলে কি সঠিক একটু জানাবেন
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন খরচ সব মিলে ৮৫০০/-৳ সরকারি ফ্রি, কিন্তু ৯০০০/-৳ টাকা না দিলে করতে পারবে না!! এই সমস্যা শুধু আমার না, প্রত্যেক জনের, কিন্তু কেউ বলার সাহস পাচ্ছে না!
দলিল দাতা একটি দলিল সম্পাদন করার পর দ্বিতীয় দলিল করতে গেলে বলা হয় দ্বিতীয় দলিল হবে না আজকে। বলে খাস কামরায় চলে গেলেন। ভেন্ডর খাস কামরায় গেলে ৬০০০ টাকার ( যা আগেই দাবি করেছিল) অতিরিক্ত আরো ১০০০০ টাকা দাবি করে। মোট ১৬০০০/ টাকা দেয়ার পর দ্বিতীয় দলিল সম্পাদিত হয়।
আমার গাড়ির দূর্ঘটনা ঘটেছিলো। পরে গাড়ি থানায় নিয়ে যায়। আমার গাড়ির চরম ক্ষতি হয়। কিন্তু থানা থেকে আনতে গেলে টাকা দাবি করে। কেন দাবি করেছিল? তারা ঘটনাস্থল থেকে থানায় নিয়ে গেছে সেটার খরচ + চা খরচ + থানায় দেখাশোনা করেছে তার খরচ। যদিও গাড়ি রেকার দিয়ে টেনে নিয়ে থানার ডাম্পিং এ ফেলে রেখেছে। এটার জন্য ১লাখ টাকা দাবি করেছে। ওসি ইশার নামাজ পড়ে এসে মাথায় টুপি থাকা অবস্থায় ঘুষের টাকা গুনে নিয়েছিল।
জন্মসনদ অনলাইন করলে মনে হয় ২০০ থেকে ৩০০ লাগতে পারে বা ৪০০ তারা আমার থেকে ১৯০০ টাকা নিয়েছে আমার পুরানো জন্মসনদের বই টি নাকি তারা পাচ্ছে না তাই তারা আমার নতুন করে জন্মসনদ করার জন্য ১৯০০ টাকা নিয়েছে তারা আমার বই ঠিক মতন রাখতে পারে নাই এখন আমি কেন ক্ষতি পূর্ণ দিতে হবে, আমাকে যেই জন্মসনদ দিয়েছে সেটা ত আমার কাছে আছে আমার টা যদি হারিয়ে ফেলতাম তালে দরে নিতাম আমি রাখতে পারি নাই, তার পর কয়েক বার গিয়েছিলাম পরিষদে তারা বলত এটার জন্য মেম্বারের কাছে যান মেম্বার সব করবে তার মানে মেম্বার রা মিলে এই টাকা খাইছে।
আমি একটি নতুন প্রিপেইড মিটার সংযোজন করতে চেয়েছিলাম। সরকারি ফি-৫৬০০ টাকা আমার থেকে ১২০০০ টাকা নিয়েছে। না দিলে মিটার পাবো না।
সরকারি ভাবে ফি জমা নেবার পর আইডি আর ভেরিফাইড না করে ৩ মাস ফেলে রাখা এর পর সেটার জন্য তদবির করলে ২০০০ টাকা ঘুস নিয়ে করে দেয়
এক লক্ষ টাকার বেশি লাগবে না দিলে বিবাদীর খারিজ বাতিল করা যাবে না, পরে এসিল্যান্ড খিলক্ষেত অফিসে ৬০ হাজার টাকা দিলাম, দক্ষিনখান অফিসে দিলাম ৭০০০ টাকা, আবার আসতে হলো খিলক্ষেত এসিল্যান্ড অফিসে আবার শেখানে তামিল করতে নিলো পাঁচ হাজার টাকা ৬০,০০০+৭,০০০+৫,০০০=৭২,০০০/দিলাম
আমি ৪র্থ গণবিজ্ঞতিতে ডুমুরিয়া উপজেলার একটি স্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি এবং আমার এমপিও করানোর জন্য যথারীতি আবেদন করি। ফাইল উপজেলাতে গেলে প্রধান শিক্ষক বলে টাকা ছাড়া ডুমুরিয়া শিক্ষা অফিসার ফাইল ছাড়বে না তখন প্রধান শিক্ষককে নিয়ে থানা শিক্ষা অফিসে যাই। প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দিলে তিনি ফেরত দেন এবং বলেন ৫০০০ টাকা দিতে।আবশেষে ৫০০০ টাকা দেই এবং তারপর সেইদিন রাতে ফাইল জেলায় ফরওয়ার্ড করে দেয়। আর কোথাও কোন টাকা দেয়নি
আমি প্রথমে বাইকের ডকুমেন্ট সবকিছু করে নিয়ে যাই-আমার বাসা উত্তরায় সেখান থেকে_উনারা অনেক ভুলভাল বোঝানোর চেষ্টা করে- প্রথমে বলে রাখি শুরুতেই একজন গার্ড আমাকে বলেছিলো আমি সবকিছু করিয়ে দিবো পরে ওনার নাম্বার আমাকে দিয়ে রাখেন_এরপর যখন আমি সবকিছু জমা দিতে যাই- উনি আমাকে অনেক উল্টাপাল্টা বোঝায় -একটা সিগনেচার নাকি অনেক সমস্যা আমি বলতেছি সিগনেচার লাগলে আরো দিব উনি বলতেছে এখন সিগনেচার দিলে হবে না আপনি অনলাইনে সাবমিট করে ফেলেছেন আরো অনেক কথা_এরপর ওই গার্ডের সাথে যোগাযোগ করি উনি টাকা দাবি করে আসলে এরা দুইজন একই চক্রের লোক পরে বুঝতে পারি_যখনই আমি বলছি টাকা দিব আপনি আমার কাজটা করিয়ে দিন এরপর উনার কাছে আবার পুনরায় গেলাম তখন উনি সিগনেচার করে দিল আর সব কিছু ঠিক মানে টাকার কথা যখনই বলছি দিবো তখন সব ঠিক