নামজারি
নামজারি করার জন্য ১২০০০ টাকা চাইছে। ১০০০০ টাকা দেয়া লাগছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করার জন্য ১২০০০ টাকা চাইছে। ১০০০০ টাকা দেয়া লাগছে
প্রশিক্ষণের যাতায়াত ভাতা মেরে দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণের ৫০০+ টাকা খাবার বরাদ্দ থাকলেও ১৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকার বেশি খাবার দেওয়া হয় না। অন্যান্য খরচ ভাউচারে খরচ দেখালেও খরচ হয় না। ভুয়া নামে প্রশিক্ষণ করা হয়। টাকার বিনিময়ে প্রশিক্ষনে নাম দেওয়া হয়। কর্মচারীদের যাতায়াত ভাতাও ভাগ করে কর্মকর্তা নিয়ে নেয়। অফিসের কোন বরাদ্দ সঠিক ভাবে ব্যয় হয় না।
এন আইডি কার্ড এর নিজ নাম ও পিতার নাম আংশিক ভুল সংশোধনের জন্য আমি একাধিক বার পর্যাপ্ত ডকুমেন্টস যেমন: শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রত্যায়ন, জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট, ভিসা কপি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, নাগরিক সনদ, চেয়ারম্যান এর প্রত্যায়ন পৌর কর, সহ আরো অনেক সঠিক ডকুমেন্টস নিয়ে ও আজ অনেক দিন যাবৎ ভোলা জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে ঘুরতেছি, আমার সংশোধন আবেদন টা এপ্রুভ করতেছে না, তৃতীয় ব্যক্তি মাধ্যমে ৩০০০০ টাকার প্রস্তাব দিয়েছেন, তাহলে সাথে সাথে এপ্রুভ করে দিবেন, আমি এখন কি করবো ভাবতেছি, এদিকে আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে, আমি এন আইডি সংশোধন করে পাসপোর্ট রিনিউ না করতে পারলে আমার রানিং ভিসা ক্যানসেল হয়ে যাবে।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার জন্য আমার কাছে ৯০ হাজার টাকা দাবি করে ছিলো, আমি অনেক গুরাগুরি করে ক্লান্ত হয়ে, আবার প্রবাসে চলে এসেছি, যেই কাজ সরকারি দপ্তরে লিগেল ভাবে করতে গেলে হয় না, সেই কাজ টাই তারা টাকার বিনিময়ে কি ভাবে করে দেয়, আমরা যুগ যুগ ধরে এই রাষ্ট্রের ঘোষখুরদের হাতে জিম্মি থেকে গেলাম,,
১. গত আগস্ট মাসের ঘটনা: গত আগস্ট মাসে পুলিশের ডিবি (Detective Branch) শাখার কয়েকজন সদস্য আমার কাছ থেকে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছেন বলে আমি অভিযোগ করছি। উক্ত টাকা নেওয়ার পর যে কাজের কথা বলা হয়েছিল/যে প্রত্যাশা তৈরি করা হয়েছিল, বাস্তবে তার কোনো কার্যকর ফল আমি পাইনি। অর্থাৎ, টাকা নেওয়ার পরও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে আমার অভিযোগ। ২. ২০১৮ সালের ঘটনা: এছাড়াও, ২০১৮ সালে কোতোয়ালি থানার পুলিশের বিরুদ্ধে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মাদক-সংক্রান্ত একটি বিষয়/অভিযোগের ক্ষেত্রে উক্ত টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে আমার ভাই আমাকে জানিয়েছেন। এই ঘটনাটিও যথাযথভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। উপরোক্ত ঘটনাগুলোতে সরকারি দায়িত্ব পালনের নামে ঘুষ গ্রহণ
আমার বাড়ির গ্যাস লাইন কাটার অনুরোধের জন্য, তারা দ্রুত পরিষেবা দেওয়ার জন্য টাকা চেয়েছিল। তখন আমি নবীনগর, সাভার গ্যাস অফিসে ২৫০০ টাকা দিয়েছিলাম। আসলে এটা আমার সমস্যা নয়, আমার মা এই ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার আগে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছিল। জানতাম যে টাকা না দিলে ফেল করিয়ে দেবে। তাই বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হয়েছে।
২৩ শতক জমি মিউটেশন করার জন্য বহবলপুর ভুমি অফিসার ৫০০০০ টাকা চেয়েছিলেন না হলে তিনি নামজারি করে দিবেন না। বাধ্য হয়ে আমাকে তা পরিশোধ করতে হয়েছিল।
তুমি উন্নয়ন করে পেমেন্ট অপশন বন্ধ করে রাখা হয়েছে যাহা ওপেন করার জন্য ভূমি অফিস থেকে টাকা চাচ্ছে
টাকা না দিলে নামজারি হবে না
টাকা হাতে পেয়ে ৩০০ কম দিয়ে দিছে
আমাদের জায়গা দিয়ে সরকারি গ্যাস লাইন যাবে, সরকার ওই জমিটুকু মূল্য আমাদেরকে দিয়ে দিবে। কিন্তু ওই টাকা তুলতে গেলে প্রতি ১ লাখে১০০০০ টাকা করে দিতে হয়
2017 During verification of my passport one of S.I asked for 500 taka for a treat of coffee or tea for him.Thats time I rejected his proposal and requested him I was student and I did not have money thats time.Finally I got my passport after verification without any hassle.
অফিসের নিচেই উনি সিগন্যাল দেয় । আমি সাথে সাথে দাঁড়িয়ে যাই।সার্জেন্ট হঠাৎ করে গাড়ির কাগজ দেখতে চায়, কাগজ আমার বেগে ছিল বেগ অফিসে ছিল । বৃষ্টির কারণে কাগজ পত্র বেগেই রেখিছিলাম। ওনাকে বলি আমি ১ মিনিট লাগবে কাগজ এনে দেখাচ্ছি। গাড়ি এখানেই থাক । উপরেই আমার অফিস। উনি আমাকে সময় না দিয়ে বাইকের নামে কাগজ লিখেন যে আমি কাগজ দেখতে ব্যার্থ। উনি চাবি নিয়ে গাড়ী থানায় নিয়ে যান। কাগজ আমাকে দিয়ে বলে ওই অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজ দেখলে আমাকে একটা রশিদ দিবে ওটা এনে লোকাল থানায় দেখালে গাড়ী ছেড়ে দিবে। আমি যারা মামলা বুঝেন তাদেরকে দেখলাম তারা বলল এটা রেকার মামলা ১৫০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে। পরে ফোজদারহাট অফিসে গেলে ওনারা ৬৫০০ টাকা ফিক্সড করে দিতে বলে। আমার গাড়িটি কোম্পানির তাই দিতে বাধ্য হই।
আমার প্রবাসী বড় ভাইদের জাতীয় পরিচয় পত্র এন আই ডি কার্ড এর জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার জন্য অফিসে যোগাযোগ করলে এই টাকা দাবী করে। চলে আসি, আর যোগাযোগ করিনি।
প্রথমে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অতিরিক্ত কিছু ডকুমেন্ট চাওয়ায় সেগুলো সংগ্রহ করতে সময়, টাকা ও হয়রানির আশঙ্কা ছিল। পরে পাসপোর্ট অফিসের পাশের একটি কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে আবেদন করি। সরকারি ফি ও দোকানের খরচের বাইরে **অতিরিক্ত ২,৫০০ টাকা** দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার পরই আবেদন থেকে শুরু করে ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ সব অফিসিয়াল কাজ খুব দ্রুত সম্পন্ন হয়ে গেল। শেষে জানানো হলো, ২১ দিনের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাওয়া যাবে।
নামজারি করতে গেলে সরকারি ফি ১১৪০ টাকার স্থলে অফিস সহকারী/কম্পিউটার অপারেটর ২৫০০০ টাকা দাবি করে। অগ্রিম টাকা নিয়ে আর্জেন্ট করার পরিবর্তে গরিমসি করে নামজারি করে দেয়। সবাইকে জিম্মি করে ঘুষ নিয়ে কাজ করে এবং গর্ব করে বলে এটাই নাকি তাদের রেট।এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।
আমি অনলাইনে আবেদন করার পর ভুমি অফিস থেকে approved নেওয়ার জন্য গেলে ৪খতিয়ানে ৮০০টাকা ঘুষ দাবি করে, টাকা না দিলে কাজ হবেনা অলরেডি একদিন আগে জমা করা হয়েছে কিন্তু আমাকে ফিরিয়ে দেয়, কি আর করার টাকা দিয়েই aapprovel নিতে হলো।
হাসপাতালে মানুষ বিপদে পড়ে সরকারি সেবা নিতে যায় যা একটি দেশের নাগরিক অধিকার। আমি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০/০৮/২০২৬ তারিখে অপারেশনের রোগীকে ৫ তলা থেকে ১১ তলায় নিয়ে যেতে হুইল চেয়ার খোজ করতে গেলে একজন লোক আমাকে বলে আমি নিয়েরযাবো। আপনি কী করেন আমি আমার পেশার বিবরণ দেই। তারপর সে আমাকে বলে ২০০ টাকা দিতে হবে ১১ তলায় হুইল চেয়ার দিয়ে নিয়ে যাবো। হাসপাতালের সরকারি হুইলচেয়ার দিয়ে তারা বানিজ্য করছে
একটা নামজারি করার ছিল। কিন্তু অফিস এর লোকজন সেটা আবেদন করে দিতেও চায়না। আবেদন করলে তা বিভিন্ন কারন দেখিয়ে বাতিল করে। পরে অফিসের বাহিরে থাকা এক দালাল আমাদের জানায় যে টাকা ছাড়া কাজ হবে না। টাকা দিলে এটা ১৫ দিনের মধ্যে নামজারি হবে। সে বলে সব স্যারেরা টাকায় কাজ করে। পরে ৭০০০ টাকা দিয়ে নামজারি টা ২৩ দিনের মাথায় পাই। এই হলো ভুমি অফিস। আমি বলি এটা হলো, দেশের নাম্বার ১ ঘুসের অফিস। যেখানে টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।