প্রথম লাইসেন্স
২০২০ সালে ড্রাইভিং প্রেক্টিকেল এক্সামে পাস করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া লাগে। যদিও আমি ভালো ড্রাইভার ছিলাম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০২০ সালে ড্রাইভিং প্রেক্টিকেল এক্সামে পাস করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া লাগে। যদিও আমি ভালো ড্রাইভার ছিলাম।
আজ নীলফামারিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষা ছিলো আমার (মোটরসাইকেল) । এখানে আমায় ৩০০০/= অতিরিক্ত দিতে হয়েছে কোনো তৃতীয় জনকে । শুনেছিলাম এমনি এমনি পার হওয়া যাবে না । পরিক্ষা শেষ এ হয়েছেও তাই । আমি প্র্যাকটিকাল এ কিছুটা ভুল করেও পাস পেয়েছি, লেখিত পরিক্ষা আর ভাইবা এমনিও ভালো হয়েছে সাধারণ ভাবেই ।
আমি রিটায়ার্ড যাই নি। তবে যারা রিটায়ার্ড যাবে তাদের দেখেছি আলাদা ভাবে টাকা জমাতে। কারন তার পেনশন যাওয়ার সময় বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে টাকা চাইবে তখন টাকা টা পেতে যেনো সমস্যা না হয় তাই। এসময় যারা টাকা দিতে ব্যার্থ হয় তখন তাকে নানা জটিল সমস্যায় পরতে হয় পেনসনের টাকা তুলতে। তাই কেউ চায় না কোন সমস্যায় না পরতে। কিছু টাকা দিলে যদি কাজটা হয়ে যায়।তাই সকলে এটা মেনে নেয়৷ কিন্তু বিষয় টা সকল স্তরের ব্যাক্তি বর্গ কমান্ড চ্যানেল অবগত থাকার পরেও কেউ কিছু করতে পারে না কারন যারা পেনশনের কাজ করে তারা সামরিক সদস্য না।
আমার এইচএসসি পরীক্ষায় এডমিট কার্ড একটি সাবজেক্ট ভুল এসেছিল আমি সেই ভুল সংশোধন করতে গেছিলাম এবং সেখানে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একটি পিয়ন আমার থেকে দ্রুত কাজের বিনিময় ঘুষ চাই এখানে নাকি ঘুষের টাকা উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সব অফিসারই খায়
ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সনদের জন্য আবেদন করেছিলাম, তো এটির সরকারি ফি হচ্ছে মাত্র ৫০ টাকা, আমি সনদ নিতে গিয়েছিলাম এক দিন পর, সনদ নেওয়ার সময় সচিবকে ৫০ টাকা দিচ্ছিলাম যা সরকারি ফি, এটা দেখে ওনি বলছে এখন ৫০ টাকার দাম নাই এ টাকা দিয়ে হবে না ২০০ টাকা দাও না হয় নিও না, তো এটা আমার অনেক দরকার ছিলো তাই এতো বাড়াবাড়ি না করে দিতে হয়ছিলো
আমাদের ঢাকা-১৯, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে যেকোনো কাজের জন্য গেলেই টাকা দিতে হয়। চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এর জন্য ১০০ টাকা ও বয়স্ক ভাতার আবেদনের জন্য ২০০ টাকা আজকে দিতে হয়েছে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের অফিস সহকারীদের ব্যবহার অনেক খারাপ মানুষকে মানুষ'ই মনে করে না।
আমি প্রথম এ মিরপুর গেলাম আমার বাইকের নাম পরিবর্তন করার জন্য এরপর আমি সকল কাগজ পত্র কিনে রেডি করে টাকা জমা দিয়ে বাইক চেকিং এর কাজ সেস করে সেই ফাইল নিয়ে গেলাম নির্দেশিত রুমে পরে আমার কাগজ চেক করে দেখে বলল এটা কার মাদ্ধমে করতেছেন আমি বললাম একাই পরে বলল যান এটা বি এস পি করে আনেন দোকানে গেলয়াম করার জন্য বলে ২৫০০ টাকা লাগবে করে দিতে পরে যার কাছে থেকে কাগজ কিনেছি তার কাছে গেলাম সেটাকা নিয়ে বলল ভাই ভিতরে আমাদের লোক আছে তাদের টাকা দেয়া লাগে , আগেই বললাম আমাদের দেন টাকা তাইলেই ত হইয়ে যায় , এই পর্যন্ত ৬ বার বাইক কিনেছি সেম কাহিনী ২ হাজার অতিরিক্ত দেইয়া লাগে ঘুষ , দালালের নাম এক্স মিরপুর বি আর টি এ এর গেটের সামনেই বসে
ভূমি কর্মকর্তা একজনের নিকট রেফার করে সে বলল আমরা এখানে চাকরি করি না আমাদের কিছু দিলে আমরা কাজ করে দেই।
মিউটিশনের জন্য টাকা দাবি করে অন্যথায় মিউটেশন করে দিবে না। বাধ্য হয়ে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দেই। দুই দিনেই কাজ করে দিয়েছে। অথচ এই কাজের জন্য দেড় মাস ভূমি অফিসে দৌড়াদৌড়ি করেছি। নন্দীপাড়া ভুমি অফিস শাহজাহান পুর।
জায়গা বিক্রি করার উদ্দেশ্যে নামজারি করার জন্য চাওয়া হয়। টাকার দরকার ছিল... আবার বিভিন্নভাবে ভিতি প্রদর্শন.. এক কথায় অপারগ
এই টেবিল সেই টেবিল পাঠাতে পাঠাতে ক্লান্ত। ঘুষ না দিয়ে কোনো ভাবেই পাসপোর্ট করাতে পারলাম না। ঘুষ দিলাম তো সব কাজ করে দিলো মুহূর্তের মধ্যে।”
প্রতিবছর বগুড়া সদর রেলওয়ের কাচারী অফিসে লিজ কৃত ভূমি ও দোকানের লাইসেন্স ফি পরিশোধ করতে হয়। এ বছর আব্বুর অসুস্থতার কারণে আমাকে ফি দিতে যেতে হয়েছিলো এবং বলে দিয়েছিল যে- রেলের কাচারী অফিসের লোক বেশি ঘুষ চাইলেও ৫০০ টাকার বেশি দিবা না। যথারীতি অফিসের লোক বললো যে- ১০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম যে- আপনার উপরের বস জানে এইসব (মুলতঃ রেলের স্টেশন মাস্টারও এসবের ভাগ পায়), ৫০০ টাকাই রাখেন। পরে উনার পাশের সহকর্মী ইশারা দিয়ে বললো যে- ৫০০ই নিয়ে রেখে বিদায় করে দেন।
একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় আমার চাকরি হয়। সেই সংস্থা পুলিশ ভেরিফিকেশন পাঠায় আমার নিজ থানায়। সেখান থেকে কল দিয়ে আমাকে দেখা করতে বলে। খরচ বাবদ টাকা চাইলো। প্রথমে আমি প্রত্যাখান করেছি। পরে বল্লো খরচ টাকা না দিলে সে খারাপ রিপোর্ট দিবে। চাকরিটা দরকার তাই ২০০০ টাকা ধার এনে দিতে বাধ্য হয়েছি।
বিগত ইন্ট্রিডিয়াম সরকার আমলে আমি কয়েক মাস নির্বাচন অফিসে গিয়ে আমার এনআইডি কার্ডে জন্ম সাল কমানোর জন্য চেষ্টা করেছি আমার জন্য সাল ভুলক্রমে 96 না দিয়ে 86 দিয়ে দিয়েছে এখন এটার জন্য আমার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা চেয়েছিল যেটা আমি দিতে নাকুচ করি, বর্তমান সরকার আসার পরেও হুবহু সেম পারলে তারা আরও বেশি টাকার নেওয়া যাবে করে তারপরে আমি কিছুটা বুদ্ধি কাটিয়ে সচিব পর্যায়ে যোগাযোগ করা ব্যবস্থা করে কাজটি সম্পন্ন করি। এই সেক্টরটা ভয়াবহ দুর্নীতি থাকার কারণ করেছে।
Gorvoboti vatar jonno cheyeche
ওরা ঘুষ চাই কাজ করবে যদি ২০০০০ টাকা দিই
Gorvoboti vatar jonno 6000 taka cheyece
আমি সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছিলাম। পরে রিজাইন দিয়েছিলাম। এখন বিসিএস ভাইবার জন্য অব্যাহতি পত্র দরকার ছিল। সেই অব্যাহতি পত্রর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার মা একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। চাকুরীতে বহাল থাকাকালীন 2023 সালে মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর আমার বাবা পেনশন চালু করতে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে প্রথমেই ঘুষ বাবদ 100000 টাকা চাওয়া হয়। প্রথমে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রচুর হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আমাদের। বহু ঝামেলার পর একপর্যায়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হই এবং আমাদের উপর রাগ করে হিসাব রক্ষণ অফিস একটা ইনক্রিমেন্ট কমিয়ে দিয়ে আমাদের প্রাপ্য টাকা সহ পেনশন চালু করে দেয় । উল্লেখ্য উক্ত অফিসের প্রতিটি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন একই অফিসে চাকরি করায় সমস্ত সেবা গ্রহণকারীদের জিম্মি করে ফেলেছে। হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বদলী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই আবার একই কর্মস্থলে ফিরে আসে।
আমার একটা হোল্ডিং নম্বর এর জন্য, যিনি দায়িত্বরত আছেন তাকে ফোন করে বলছি, তিনি বলেন যে খরচ পাতি আছে ৫০০ টাকা দিলে কাগজ পাওয়া যাবে। আমার জমির নামজারি এবং এন আইডি ফটোকপি চাইছে। আমি পরে আর তার সাথে যোগাযোগ করি নাই। তিনি ৩ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বরত আছেন।