অব্যাহতি পত্র গ্রহণ
আমি সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছিলাম। পরে রিজাইন দিয়েছিলাম। এখন বিসিএস ভাইবার জন্য অব্যাহতি পত্র দরকার ছিল। সেই অব্যাহতি পত্রর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছিলাম। পরে রিজাইন দিয়েছিলাম। এখন বিসিএস ভাইবার জন্য অব্যাহতি পত্র দরকার ছিল। সেই অব্যাহতি পত্রর জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার একটা হোল্ডিং নম্বর এর জন্য, যিনি দায়িত্বরত আছেন তাকে ফোন করে বলছি, তিনি বলেন যে খরচ পাতি আছে ৫০০ টাকা দিলে কাগজ পাওয়া যাবে। আমার জমির নামজারি এবং এন আইডি ফটোকপি চাইছে। আমি পরে আর তার সাথে যোগাযোগ করি নাই। তিনি ৩ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বরত আছেন।
আমি আমার বাচ্চাকে নিয়ে পাসপোর্ট করতে যাই, আমার বাচ্চার জন্ম নিবন্ধন যেহেতু অনলাইন আছে তাই আমি ফটোকপি নিয়ে যাই, তারা বলে মেইন কপি লাগবে, আমাকে ফেরত দেয়, আমার পাসপোর্ট এ একটা সামান্য সংশোধনী ছিল যা অনলাইনে আবেদন করার সময় ভুল হয়েছে। আমি হতাশ হয়ে বের হয়ে যাই, বাইরে গিয়ে জানতে পারি এসব ঠিক করে গেলেও তারা আবার নতুন ভুল ধরবে, তারচেয়ে দুইটাতে ৫০০০ টাকা দিলে ভিআইপি রুমে নিয়ে ছবি তুলবে। আমি যেহেতু অফিস থেকে ছুটি নিয়ে গেছি আর বাচ্চাদের সাথে নিয়ে গেছি তাই বাধ্য হয়ে দালাল কে টাকা দেই, টাকা দেয়ার পর দালাল ফোন করে অফিসের এক পিয়ন কে ঢাকে, সে এসে কোন মেইন কপি বা সংশোধনী ছাড়াই আমাকে ভিআইপি রুমে নিয়ে যায় এবং সব কিছু ঐ রুমে বসে ঠিক করে দিয়ে দেয়।এর আগেও আমাকে আমার মেয়ের আর স্ত্রী র পাসপোর্ট করার সময় ৫০০০নিছে
রাজউক আমার বাড়ির কাজের অনুমোদন আটকে দেয় কোনো কারণ ছাড়াই। এরপর তাদের একজন ইঞ্জিনিয়ার বিশ লাখ টাকার বিনিময়ে আমাদের বাড়ির কাজের অনুমোদন দেয়। এরপর বাড়ির কাজ চলাকালীন সময়ে রাজউক এর এলাকা পরিদর্শন কারি ইঞ্জিনিয়ার ও ধাপে ধাপে ২-৪ লাখ করে চাঁদা দাবি করে এবং তা পরিশোধ না করলে বাড়ির কাজে বাঁধা দেয়। এইভাবে আমাদের অনেক অর্থের লোকসান ঘটায়।
আমি নোয়াখালী টিটিসি এর অধীনে ট্রেনিং করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। পরবর্তীতে টাকা ছাড়া তারা পাশ দিবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। এবং দালাল পেরন করে সমঝোতার জন্য। এই পরিস্থিতি দেখে আমি আর আগাই নাই ।
জমি রেজিস্ট্রার এর কাজে প্রতিটা টেবিলের জন্য ২৫০০ টাকা করে রাখালাগে টাকা না দিলে ফাইল ছুরে মারছিলো
৫৭৫০ টাকা সরকারি ফ্রি পাসপোর্ট এর জন্য নিজে নিজে আবেদন করে পাসপোর্ট বানাতে গেলে তারা যে কোনভাবে ফাইল আমার সাথে যারা ছিল তারা নিজের নিজের ট্রাই করছিল কিন্তু তারা বাট অনেক জায়গায় ঘুরছে তারপর পাইলে এখান থেকে ওইখানে ওইখান থেকে এখানে তাদের এই পরিস্থিতি দেখে আমি কন্টাক্ট করলাম দালালের সাথে উত্তরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস দালাল কন্টাকের সাথে সাথে প্রথম দিনই টাকা পরিশোধ করার সাথে সাথেই ফিঙ্গার আর আমার পিছনে যারা নিজেরে যেটা ট্রাই করছিল তারা আজকে ১১ দিন যাব ফাইল নিয়ে ঘুরতাছে তাও ফিঙ্গার দিতে পারে নাই পরবর্তীতে আজ সাথে কথা বলায় দেয়ার পর বাড়তি ২০০০ করে টাকা চেয়েছে টাকা দিয়ে মাত্র ফিঙ্গার দিতে পারছো আজকে
জমির নামজারি বা মিউটেশন করার জন্য মোট চার বার অনলাইনে আবেদন করতে হয়েছে। কোন অবস্থাতেই তারা ঘুষ ছাড়া করে দিবে না। প্রত্যেকটা ফাইলে তাদের গোপন চিহ্ন থাকে যদি ওটা কোন দালালের মাধ্যমে অথবা তাদের কোন লোকের মাধ্যমে আসে তাহলে ওটা সাথে সাথে করে দিব অর্থাৎ ওই টাকাটা ওনারা পেয়ে গেছে হিসেবে। হঠাৎ করে ভাগ বাটোয়ারা হবে। আর যদি কোন ফাইলে চিহ্ন না থাকে তাহলে বিভিন্ন ধরনের অজুহাতে তারা এটাকে বাদ করে দিবে। আমারটার ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে সেটা হলো আগের মিউটেশন এর কাগজ দেখে বলতেছে এটা জাল সিগনেচার। টাকা দেওয়ার পরে একই মিউটেশনের কাগজ দিয়ে কাজ হয়েছে। টাকা ছাড়া কোনভাবেই কাজ করানো সম্ভব না ।অনেক চেষ্টা করেছি। হয় নি।
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনম্যান্ট জুনিয়র শিক্ষক নিয়োগে ২০ লক্ষ টাকা দিলে চাকরি নিশ্চিত করে দিবে বলে দাবি করা হয়।
আব্বা রির্টায়মেন্টের টাকা একাকালীন উত্তোলনের পর শুধু চিকিৎসা ভাতা এবং দুই ঈদে বোনাস, বৈশাখী ভাতা পেলেন। উনার মৃত্যুর পর আম্মার নামে হস্তান্তরের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ এবং তৈরিতে জটিলতা সৃষ্টি হয় যা ৫ আগস্টের পটপরিবর্তন আরও বাড়িয়ে দেয়। সিটি কর্পোরেশন, ময়মনসিংহ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অফিস, ধোবাউড়া পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। তখন হিসাবরক্ষণ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, কাজটি করে দিবেন বলে সম্মত হন এবং উল্লেখিত অর্থ দাবি করেন। প্রায় তিনমাস দৌড়াদৌড়ির পর আমি বাধ্য হয়ে তা প্রদান করি এবং একদিন পরই আম্মার নামে বই এবং চেক পাই।
আমার কোনো সমস্যা ছিল না,তাও সঠিক টাকে সমস্যা দেখানো হয়েছে।
এলাকায় সেই অফিসারের দালালের মাধ্যমে ঘুস গ্রহন করে সে নিজে হাতে ঘুস নেই না
সরকার নির্ধারিত মাসলের থেকে ৩ হাজার টাকা বেশি চাওয়া হয়েছে। প্রবাসে আমার একটি পার্সেল পাঠাতে হবে। বেসরকারি সেবা ব্যায় বহুল হওয়ায় ডাক বিভাগের ই এম এস সেবার দ্বারস্থ হই। ভ্যাটসহ মাশুলের সাথে আরো দ্বিগুন মাশুল ধরেন, যা এক প্রকার গোপন ঘুষ! ডাক বিভাগের এই কর্মকর্তা তরুনী হওয়াতে বেশি তর্ক না গিয়ে চলে আসি। তবে যদি সাশ্রয়ী কোথাও সেবা না পাই তবে এইখানেই ফেরত আসতে হবে।
বাচ্চার EPR টিকা কাডের জন্য ১০০ টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি টাকা দেইনি ও কাড নেই নি।
সে আমার কাগজ দেখে বলছিল সবকিছু ঠিক আছে টাকা লাগবে ৮ লক্ষ তাহলে আপনাকে রায় দিব আমি বলি এত টাকা আমি দিতে পারবো না আমার কাগজ রাইট ছিল সে অন্য পক্ষের থেকে টাকা নিয়ে তাদের রায় দেয় পরে আমি বলি স্যার আমার কাগজ তো ঠিক ছিল তখন সে বলে মন্ত্রীর সচিব আমাকে বারবার চাপ দিচ্ছিল তাই আমি তাদের রাইটার দিয়ে দিলাম
আমার দলিলে দাগ নাম্বার আর খতিয়ানের দাগ নাম্বার ভুল ছিলো। এটার জন্য আমাকে কমপ্লেইন করতে হবে ভূমি অফিসে। আমি তার জন্য এপ্লিকেশন করছি কিন্তু আমার এই ফাইল টেবিলে টেবিলে সিগনেচার এর জন্য এবং ইনকোয়ারির জন্য পদে পদে ঘুষ দিতে হয়েছে। তারপর ও আমার কাজটা এখনো সমাধান হয়নি। এখনো জুলে আছে।
কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফের সরকারী হাসপাতালে সিজার হয়, সিজারের পর একজন সিনিয়র নার্স আমাকে বললেন কিছু চা নাস্তার জন্য টাকা দিলে তিনি আমাকে সরকারী সব ঔষধ দিবেন। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ঔষধ গুলা নেওয়া লাগছে। তাও সব ঔষধ পেলাম না
ভেরিফাইয়ের জন্য ময়মনসিংহ সদরে আমার তালিকা গেলে কয়েকদিন হয় তারা জওয়াব দেয় না। তখন আমি একজন কে পাঠাই আমার কাগজপত্র দিয়ে আসতে। নিজে থেকেই অফিসে যোগাযোগ করি। আমার লোক যাওয়ার পর বলে কাজ দেরী হবে। কারণ জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলে না। পরে ৫০০ টাকা দিলে ঐ দিনই কাজ করে দেয়।।
টিটিসি থেকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা, সেখান থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করে বসে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স বানানোর জন্য গিয়েছিলাম। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই হয় না। তাই টাকা দিয়ে লাইসেন্স বানিয়ে এখন গাড়ি চালাই।