লাইসেন্স মাদক অধিদফতর
আজকে এ কাগজ , কাল ও কাগজ , টাইম ওভার হয়ে গেছে । ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না । ছার ছুটি তে আছে । কাল আসেন । কত রকম হয়রানি করা যায় ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আজকে এ কাগজ , কাল ও কাগজ , টাইম ওভার হয়ে গেছে । ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না । ছার ছুটি তে আছে । কাল আসেন । কত রকম হয়রানি করা যায় ।
প্রতিটি কোম্পানি থেকে এ আরোদের সহকারী রাজস্ব কর্মকতা দের টাকা দেওয়া লাগে দশ হাজার কাজ থাক বা না থাক মাসিক চাদা যে কয়টা কোম্পানি কোম্পানি প্রতি দশ হাজার ঢাকা উওরা বন্ডে ঢাকা দক্ষিণ বন্ডে এটা হয়
উক্ত প্রতিষ্টানে জৈষ্টোতার ভিত্তিতে হাউস ঋন দেওয়া হয় না, যারা টাকা দেয় তাদের কে হাউস ঋন দিয়ে দেয়, প্রধান কার্যালয় |
এইটা প্রতি দিনের নিত্যনতুন ঘটনা। বাংলাদেশ রেলওয়ে তে স্টুয়াড, এটেনডেন্স যারা আছে তারা প্রতি নিয়ত যাএীদের সেবা দেওয়ার পরিবর্তে নিজের পকেট ভারী করে থাকে। এদেরকে প্রশয় দেয় টিটিই৷ টিটিই কমিশনের বিনিময়ে কাজ করে থাকে। এমন কোন দিন নাই, এমন কোনো ট্রেন নাই৷ বিশেষ করে ঢাকা টু চট্টগ্রাম রোডে এটা বেশি।
আসলে পৌরসভার রাস্তার পাশে যেই জমি গুলো আছে তার কিছু শতাংশ জমি সরকারি ভাবে সরকারি জায়গায় পড়ে, সরকার কিনে নেয় সেইখানে আমাদের ৫ শতাংশ জমি পরে, এবং ১৮ লাখ টাকা দাম হয়। সেই টাকা তুলতে গিয়ে আমাদের কাসে ৩ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। পড়ে ২লাখ৫০ হাজার টাকায় রাজি হয়। আগে ২লাখ ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর আামাদের টাকা দেয়
২০১৭ সালে মেডিকেল করতে যাওয়ার সময় বনানি পুলিশ বক্সে আমাদের সি,এন,জি থামিয়ে আমাদের থেকে ৫০০ টাকা করে নেন। আমরা দুই জন ছিলাম। বড় স্যার নাকি রেগে আছেন। তাই ৫০০ করে জন প্রতি টাকা দিতে হয়েছে৷ এটার একেবারে ভিত্তিহিন। আমি তখন বুজতাম না। ভয় পাইছি। তাই দিয়ে দিছি।
আমি পাসপোট ফাইল ফিঙ্গা দিতে গিয়ে ভুল না থাকা সত্থেও 4 থেকে 5 দিন ঘুরে 1500 টাকা দিয়ে আনসার এর মাধ্যমে করতে হয়েছে ,
প্রিন্সিপাল স্যার, নতুন প্রভাষক হিসেবে জয়েন করার পর বেতন ভাতার জন্য মাউশিতে কাগজপত্র অনলাইনে দাখিল করতে হয়। এজন্য ৫০০০ টাকা নিয়েছে। আমি নিজেই সব কাজ করেছি কিন্তু মাউশির সাইটে লগইন করতে প্রতিষ্ঠানের আইডি পাসওয়ার্ড লাগে। তারপর বকেয়া বেতনের জন্যেও একই ভাবে ৩০০০ টাকা দাবি করে।
ঢাকার একটি ওয়ার্ডে জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করতে গেলে সংশ্লিষ্ট সচিব ও তাঁর সহকারী ঘুষ দাবি করেন। আগে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই করতে চাইতেন না। বর্তমানে প্রথমে বলেন, “এগুলো এগুলো লাগবে। না নিয়ে আসতে পারলে টাকা দিতে হবে।” টাকা দিলে জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করে দেওয়া যাবে বলেও জানান।
জোর করা হয়েছিল বলা হয়েছিল টাকা না দিলে কাজ করা হবে না বাইরে থেকে করতে হবে
মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার মহাদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে উদ্যোক্তা জন্ম নিবন্ধন করে দেয় এবং তার ভুলকৃত নামের জন্য সার্টিফিকেটের সাথে মিল রাখার জন্য উদ্যোক্তা পরবর্তীতে আবার ৭ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছিল
টাকা না দিলে পাঠান আবেদন নিবেই না, এটি প্রাথমিক বেসরকারি স্কুলের আবেদন মাত্র।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক হতে ঋন আনতে গেলাম খরচ এর কথা বলে মাঠসহকারী আমার কাছ হতে ৭০০/- বেশি রেখেছে|
কক্সবাজার এয়ারপোর্টে কাজ নেওয়ার সময় আমার কাছে ৭০,০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছিল। আমি এই অন্যায় দাবি প্রত্যাখ্যান করেছি।
নাম জারি করার জন্য আমার কাছে ৭০০০ টাকা দাবি করা হয় আমি ৫০০০ টাকা দিয়ে কাজটি উদ্ধার করি এবং আমি বিদেশে যাচ্ছি বিদেশে যাওয়ার জন্য যত অফিসে আমি গিয়েছি সমস্ত অফিস আমার কাছে বাড়তি টাকা দাবি করেছে আমি সরকারি অফিসারদের অত্যাচারে অত্যাচারিত আমিতো সাধারন নাগরিক আমার খুব বেশি প্রয়োজন হয় না সরকারি অফিসে কিন্তু যাদের প্রতিনিয়ত প্রয়োজন ন্যূনতম কাজ করতে হলেও ঘুষের আশ্রয় নিতে হয় যদি কোনদিন সম্ভব হয় এই দেশ ছেড়ে চলে যাব
আমরা যদি, জন্মসনদ বানাতে চাই। তারা আমাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণসহ নিয়ে, আমাদের কাছ থেকে তাদের অনুযায়ী পরিমাণ মতো ধরে টাকা দাবী করে ।এখানে যদি আমরা তাড়াতাড়ি করতে বলি, তাহলে তাদের টাকার পরিমাণটা বেশি হয়ে যায়। আবার যদি বলি একটু দেরি হবে তখন বলে," ঠিক আছে " ২০০ কিংবা ২৫০ টাকা দেন।
জমি।অধিগ্রহনের টাকা নেয়ার জন্য এই টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।ডিসি অফিসের অধিগ্রহন শাখা পুরো টাকার ভাগ খেয়েছে।
গতকাল বিআরটি তে গিয়েছিলাম আমার গাড়ির ফিটনেস করাতে গাড়ি সবকিছু ঠিকঠাক করলাম হঠাৎ করে আমাকে বাম্পার দেখিয়ে বলল আপনার বাম্পার খুলে নিয়ে আসেন না হলে আপনার ফিটনেস হবে না পরক্ষণেই একজন এসে আমাকে বলল যে একটি কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলল এর ভেতর ৫০০ টাকা ভরে দিই আমি সব ঠিক করে দিচ্ছি শেষ সেবা দানকারীদের একজন তো আমি এত লম্বা লাইন অতিক্রম করে এখানে এসেছি ৩৮ হাজার টাকা সরকারি হাতে জমা দিয়েছি এখনই ৫০০ টাকার জন্য যদি আমার এখান থেকে বের হয়ে যেতে হয় তাহলে আরো এক সপ্তাহ ঘুরতে হবে এবং রাস্তায় ট্রাফিক আমাকে ধরবে এবং পাঁচ ছয় হাজার টাকা জরিমানা করবে বাধ্য হয়ে 500 টাকা দিয়ে আমি আমার ফিটনেসটা করিয়ে নিয়ে এসেছি। এই ৫০০ টাকা যদি সরকারি খাতায় আমার জরিমানা হিসেবে দিতে হতো তাহলে আজকে আমি এখানে আর লিখতাম না
নোয়াখালী জেলা রেজিষ্টার অফিসে আমার কাবিন অনলাইন সত্যায়নের জন্য 15000 টাবা ঘুষ দিয়েছি । জেলা রেজিষ্টার অফিস এবং সংশ্লিষ্ট কাজী মিলে একটা সিন্ডকেট করছে । ফ্যামিলি বিদেশে নিতে হলে এবং কাবিন অনলাইন সত্যায়ন করতে হলে তাদেরকে টাকা দিতে ই হবে । টাকা না দিলে যে কোন অজুহাত দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয় । যা থেকে বাচার কোন উপায় নাই ।
TIN Certificate er ঠিকানা পরিবর্তন করে দেবার জন্য