সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৯,২৩০ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ভূমি অফিস

নামজারি

ফাইল আটকে রাখা হয়েছে। যতবার যাই ততবারই বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা করে। আমি ওনাদের কথামতো সমস্ত ডকুমেন্ট সাবমিট করেছি। সরকারের নিয়ম মোতাবেক ৩২ দিনের মধ্যে নামজারি হওয়ার কথা। আজকের দশ মাস অতি করেছে। আমি ঘুষ দেয়ার পক্ষে না।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳১৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১২ DKL3JDHB
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নতুন পাসপোর্ট

নতুন পাসপোর্ট আবেদন ছিল আমার মায়ের জন্য। আবেদনটি আমি নিজেই করি। মা এবং বোন পাসপোর্ট অফিসে যেদিন যায় আমি ঢাকায় ছিলাম। আবেদনটি করি আমার বাবার মৃত্যুর ৩-৪ সপ্তাহ পর। আবেদন করার সময় আমি হাজবেন্ড অপশনে Widow কোন সিস্টেম দেখি নাই। যেদিন কাগজপত্র জমা দিতে গেল, সব কাগজ ঠিক আছে। যিনি কাগজ জমা নিচ্ছেন, ওনি আম্মুকে জিজ্ঞেস করে আপনার স্বামী কী করেন। আম্মু সরল মনে বললেন ওনি কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেছেন। ওনি এই সুযোগে বলেন তাহলে হবে না। আপনার এখানে Widow নেই। আবার আবেদন করে আসেন। অথচ Widow কোন অপশন ছিল না। তাদের প্রসেসই এমন, কোন না কোন ভুল ধরে কম্পিউটার দোকানে পাঠাবে তারপর তাদের মাধ্যমে টাকা নিয়ে কাজ করে দিবে। সংশোধনের জন্য একটা দোকানে গেল, তারা বললো ২০০০ দিলে হয়ে যাবে। টাকা দিল, তারা অফিসে আসলো কাজ শেষ।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ CT7VRHAJ
মন্তব্য
ভূমি অফিস

জমি রেকর্ডে তঞচকতা এবং সংশোধনের জন্য ঘূষ

জরীপ অফিস থেকে রেকর্ড তঞচকতা করা হয়। সংশোধনের জন্য আবেদন করার পর উপজেলা সেটেলমেনট অফিসে ৳৫০০০০.০০, জোনাল সেটেলমেনট অফিসে ৳৭০০০০.০০ , সার্ভেয়ারকে ৳২০০০.০০ , মোট ৳১২২০০০.০০ ঘূষ দিতে হইছে ।

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳১.২২ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ SY9ZA7NC
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরি

কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরেও ৩দিন ঘুরাইছে অযথা। পরে তদসংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির দারস্থ হলে একটা নম্বর দেয়। সেখানে যোগাযোগ করলে ২০০০ টাকা দিতে বলে। দাবীকৃত টাকা পরিশোধ করলে সাথে সাথে কাজ হয়ে যায়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ DKTV7UP7
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

পঞ্চগড় পৌরসভায় জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত

পঞ্চগড় পৌরসভায় অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে আমি বেশ কয়েকটি অভিযোগ তুলে ধরছি। প্রথমতঃ পঞ্চগড় পৌরসভার কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। এছাড়াও যারা কোনো কাজের জন্য আলাদা চা খাওয়ার টাকা/ঘুষ দেন না তাদের সাথে খারপ আচরণ করেন এবং আজ দিব কাল দিব বলে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপন করান। দ্বিতীয়তঃ কর্মকর্তা, কর্মচারীরা মানুষের কাগজ অথবা ডকুমেন্টের কোনো গুরুত্ব বা প্রয়োজন বিবেচনা করেন না। ধরেন একটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য আপনি তাদের 10 দিন সময় দিচ্ছেন এর মধ্যে জন্ম নিবন্ধন ছাড়া আপনি বিদেশে যেতে পারবেন না এমন পরিস্থিতিতে দেখা যাবে তারা আপনাকে অযথা বসিয়ে রাখবে নির্দিষ্ট কারণ বলবে না অন্য কাজ করবে শেষে বলে দিবে আজ হবে না কাল বা পরশু আসেন।

ঘুষ দিইনি
পঞ্চগড় সদর ৳১.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১২ RN7A5HSH
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

নবায়ন

প্রথমে আমার আবেদন এর ফাইল টা জমা দিলে একটু ওলট পালট করে দেখে কোন সাইন আছে কি না এরপর আমাকে ডেকে দিয়ে দেয় আমার ফাইল আর ভুল ধরে যে ব্যাচেলর কোন কর্ম হতে পারে না নতুন করে আবেদন করে নিয়ে আসেন 🙂 এরপর বাহিরে এসে আনসার সদস্য কে ১৫০০৳ ঘুষ দিলে আমার ফাইল এ একটা কোড লিখে দেয়। এরপর ঐভাবে জমা দিলে আমার ফাইল জমা নেয় এবং ছবি ওঠায়।

ঘুষ দিয়েছি
ঝিনাইদহ ৳১.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৬ KHNJ39RZ
মন্তব্য
সিটি কর্পোরেশন

পঞ্চগড় পৌরসভায় জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত

আমি একজন বিধবা নারী আমার বয়স 30। আমার একমাত্র সন্ত্রান শারীরিক প্রতিবন্ধি। তার জন্ম নিবন্ধনটি করার জন্য আমি পৌরসভা গিয়েছিলাম। অতঃপর অনলাইনে আবেদন করে জমা দিয়েছি। আমার আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। আমি আবেদনের পর আমাকে 5 দিন পর যেতে বলেন জন্ম নিবন্ধন নেওয়ার জন্য। এভাবে আমি প্রায় 26 দিন পালাক্রমে ভাড়া খরচ করে পৌরসভা যাই। সেদিনও সেখানে থাকা কর্মচারীগণ আমাকে আরো পরে আসতে বলেন। এক পর্যায়ে আমি অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে বিষয়টি জানালে তিনি প্রতিবাদ করেন এবং কারণ জানতে চান একপর্যায়ে ব্যক্তির প্রতিবাদ স্বরুপ তারা টেবিলের সামনে থাকা ফাইলে খুজে আমার প্রতিবন্ধি ছেলের জন্ম নিবন্ধন বের করে দেন। পরবর্তী অনুসন্ধানে জানা যায় নিবন্ধনটি আবেদনের 7দিনের মাথায় সম্পন্ন হয় কিন্তু কর্মচারীগণ ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার মতো অসহায়কে

ঘুষ দিইনি
পঞ্চগড় সদর ৳৬০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৩ RNFAF9PW
মন্তব্য
ভূমি অফিস

মিউটেশন

ই নামজারী আবেদনের রিপোর্ট করাতে ৫০০ টাকা দাবি করা হলো না দিলে তারা রিপোর্ট করাবে না অথচ আমরা ক্যানসার রুগির চিকিৎসার জন্য নামজারি করতে এসেছিলাম। শেষমেশ টাকা দেওয়ার পরই খসড়া রিপোর্ট বানিয়ে দিলো নায়েব সাহেব।

ঘুষ দিয়েছি
ঝিকরগাছা ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ KHMH28AB
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় পাশ করার পরেও ফেইল দেওয়া হয় আমাকে। বি আর টি এ কর্মচারী ৩০০০ টাকা দাবি করে। তাকে টাকা দেয়ার পর পাশ করানো হয় আমাকে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ DKVR3SVL
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট নিজে আবেদন

নিজে আবেদন করেছিলাম,আমার থানা জোরারগঞ্জ,তবে বিদ্যুৎ অফিস মীরসরাইয়ে,ফাইল জমা দেয়ার সময় ফাইল নেয় নি,বলল আমার থানা নাকি মীরসরাই হবে। বের হয়ে একটু যাবার পরে একজন লোক বললো ভিতরে তার লোক আছে ফাইল জমা নিবে তবে ২৫০০ টাকা লাগবে। কি করার ২৩০০ টাকায় রাজি করালাম😅

ঘুষ দিয়েছি
পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিস ৳২.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ CTDMXUDQ
মন্তব্য
কর অফিস

ট্যাক্স অডিট

ট্যাক্স অডিট করা হচ্ছে যেটি খুবই ভালো। কিন্তু ট্যাক্স অডিটের নামে কর সার্কেলের কর্মচারীরা ঘুষ বাণিজ্যে মেতে উঠেছে। আমার বাবার ট্যাক্স রিটার্নে জোরপূর্বক ও অহেতুক ভুল প্রমাণিত করে অধিক ট্যাক্স পরিশোধের জন্য বলে, যেই এমাউন্ট কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। সেই ব্যক্তিরাই আবার গোপনে উকিলদের দিয়ে ঘুষের বিনিময়ে এই অডিট নিষ্পত্তি করতে চেয়েছে। ট্যাক্স অফিসের মতন দুর্নীতিবাজ একটা সেবা খাত থাকলে দেশের রাজস্ব আহরণ কখনোই লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাতে পারবে না।

ঘুষ দিয়েছি
Chattogram ৳২৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১২ CT4UPAB2
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ঢাকা সিলেট রোডের জমি অধিগ্ৰহনে জমির টাকা তুলতে

ঢাকা সিলেট রোডের ভূমি অধিগ্ৰহনে আমাদের কিছু জমি পড়ে এবং টাকা তুলতে গেলে ওরা বলে লাখে তিন হাজার টাকা দিলে আমাদের টাকা দ্রুত দিয়ে দিবে নয়তো ইটা অনেক লম্বা প্রসেস,, টাকা তুলতে অনেক সময় লাগবে। আমরা এখনো টাকা দেই নাই এর জন্য আমাদের টাকা এখনো ঝুলে আছে‌। আমাদের আশেপাশের প্রতিবেশিরা অনেকে লাখে তিন হাজার টাকা দিয়ে ওদের সম্পূর্ণ টাকা নিয়ে এসেছে।

শুধু দাবি করেছে
হবিগঞ্জ ৳১৮.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ SYG28QDN
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

নতুন ভোটার আবেদন

আমার মামা প্রবাসী।দীর্ঘদিন প্রবাস থেকে দেশে ফেরেছেন। উনার জাতীয় পরিচয় পত্র ছিল না। তাই জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যাই। উনারা নানা বাহানায় জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে কাল বিলম্ব করেন। এবং সার্ভার সমস্যা,নতুন আইডি কার্ড এখন হবে না ইত্যাদি বলেন। আমরা বারবার অনুরোধ করার পরে উনাদের একজন কর্মচারী ৩০০০ টাকা দিতে বলেন। এবং ২৪ ঘন্টায় জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করে দিবেন এই আস্বাস দেন। আমরা বাধ্য হয়ে টাকা দেই এবং জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে সক্ষম হই।

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১০ SYSGV6E9
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

প্রিন্টিং প্রেসের ডিকলারেমন প্রত্যয়ন

আমার প্রতিষ্ঠানের নাম চৌধুরী প্রিন্টিং প্রেস, স্টেশন রোড, গাইবান্ধা। আমি আমার প্রতিষ্ঠানের বৈধতার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর অফিস কর্তৃক প্রেরিত ফরম মোতাবেক একটি দরখাস্ত করি। সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র জমা দেই। প্রথমে কোন রশিদ ছাড়া অফিস খরচ বাবদ 2000/- নিয়ে প্রায় 6 মাস ঘোড়ায়। তার পর আমি নিজে ডিসি সাহেবের সঙ্গে দেখা করি এবং তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে ফাইলের কাজ করার নির্দেশ দেন। কাজ শুরু হয়। কাজের চুড়ান্ত পর্যায়ে এসে আমার নিকট 50000/- টাকা দাবি করে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করলে আমার কাজটি এখন পর্যন্ত হয় নাই। আমি এখন কি করতে পারি।

ঘুষ দিইনি
গাইবান্ধা জেলা ৳৫০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ RNVJ8RNZ
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

গভীর নলকূপের জন্য আবেদন।

আমি একটা গভীর নলকূপের জন্য আবেদন করি।আবেদন পত্র অফিসে জমা দিতে গেলে বলে এমপি মহোদয়ের সুপারিশ লাগবে।পরে উনার সুপারিশ এনে অফিসে জমা দেয়।জমা দিলে ওখান থেকে বলা হয় এটা আবার এমপি মহোদয়ের কাছে যাবে।উনি একটা তালিকা করে দেবেন।সেই তালিকায় যাদের নাম থাকবে তারা কল পাবেন।পরে আমাকে বলা হয় আপনি যদি কল নিতে চান তাহলে ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ২৫০০০ টাকা চেয়েছেন যেখানে ব্যাংকে জমা দেওয়া লাগে ৭০০০ টাকা।মানে ৭০০০ টাকা জিনিস আপনাকে ২৫০০০ টাকায় নিতে হবে।আমি খুবই হতবাক হয়ে যায়।

ঘুষ দিইনি
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ৳২৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬ KHJMMKLN
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

বিদিশে যাবার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে গেলে ওইখানেও ঘুষ দেওয়া লাগে

তারা সরাসরি বলে যে চা পানি খাওয়ার জন্য কিছু দিয়ে যান

ঘুষ দিয়েছি
ফরিদপুর ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ DKJ24PFE
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

উপজেলা বাস্তবায়ন কর্তকর্তার কাছে বিল তুলতে গেলে মোট ভিলের ৯-১০% ঘুষ না দিলে স্বাক্ষর করেনা

উপজেলা বাস্তবায়ন কর্তকর্তার কাছে বিল তুলতে গেলে মোট ভিলের ৯-১০% ঘুষ না দিলে স্বাক্ষর করেনা। সহকারী ইঞ্জিনিয়ার, অফিস সহকারী, পিয়ন সবাইকে টাকা দিতে হবে নাহলে কোন ডকুমেন্টস সামনে আগাবেনা। ইউএনও অফিসে কোন চিঠি নিয়ে গেলে নিচে ফ্রন্ট ডেস্কে জমা দিয়ে নিশ্চিত থাকতে চাইলে সেই অফিসের কর্মচারীদের ঘুষ দিতে হবে নাহলে চিঠি ইউএনও পর্যন্ত পৌঁছাবেনা। এই পর্যন্ত আমি ৮ প্রজেক্টের জন্য মোট ১৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি তবুও তাদের মন ভরেনা।

ঘুষ দিয়েছি
শার্শা ৳১৮.৬০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১২ KHGWXJL7
মন্তব্য