পেনশন প্রক্রিয়ায়
পেনশন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে চাওয়া হয়েছিল। আমি কয়েক ধাপে ১৫/১৬ হাজার টাকা দিছি। আরো চাওয়া হয়ছিল,তবে আমি কম দিতে চাইছি বলে নেই নি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পেনশন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে চাওয়া হয়েছিল। আমি কয়েক ধাপে ১৫/১৬ হাজার টাকা দিছি। আরো চাওয়া হয়ছিল,তবে আমি কম দিতে চাইছি বলে নেই নি।
প্রতিটি নামজারি বা মিউটেশন আবেদন এর জন্য দাবিকৃত ঘুষের অর্থ পরিশোধ করতে হয়। অনলাইন এ আবেদন করলেও আবেদন বাতিল হয়ে যায়। ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করলেও হয়রানি করা হয়। দাবিকৃত ঘুষ দেওয়া বাধ্যতামূলক। তাছাড়া মিউটেশন কাগজে ইচ্ছাকৃত ভুল করে দেয় এবং পুনরায় ঘুষ এর জন্য হয়রানি করে।
তারা সরাসরি বলে যে চা পানি খাওয়ার জন্য কিছু দিয়ে যান
উপজেলা বাস্তবায়ন কর্তকর্তার কাছে বিল তুলতে গেলে মোট ভিলের ৯-১০% ঘুষ না দিলে স্বাক্ষর করেনা। সহকারী ইঞ্জিনিয়ার, অফিস সহকারী, পিয়ন সবাইকে টাকা দিতে হবে নাহলে কোন ডকুমেন্টস সামনে আগাবেনা। ইউএনও অফিসে কোন চিঠি নিয়ে গেলে নিচে ফ্রন্ট ডেস্কে জমা দিয়ে নিশ্চিত থাকতে চাইলে সেই অফিসের কর্মচারীদের ঘুষ দিতে হবে নাহলে চিঠি ইউএনও পর্যন্ত পৌঁছাবেনা। এই পর্যন্ত আমি ৮ প্রজেক্টের জন্য মোট ১৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি তবুও তাদের মন ভরেনা।
জমির নামজারি জন্য| আমি যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছিলাম তার ভাই আমার অংশ হতে ৪ শতাংশ জমি জালিয়াতি করে নামজারি করে নিয়ে যায়| আমি বিদেশ থাকি বিদায় আমার ভাই কে ভূমি অফিসে পাঠিয়ে যোগাযোগ করি| প্রথম দিন কাগজ দেখে বলেছে আমার ৬ শতক ৫৪ পয়েন্ট জমির মধ্যে আমি ২ শতক ৫৪ পয়েন্ট জমির মালিক| পরে ২ লক্ষ টাকা দাবি করে নেগুচিয়েশন করে ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে নামজারি করে দেয়| তাও ১৫/২০ তাদের পিছনে ঘুরতে হয়েছিল|
মোহাম্মদপুর বসিলা পাসপোর্ট অফিসে রমরমা ঘুশের ব্যবসা চলছে ভিতোরে দালালদের অবস্থান এমন জেনো তারা অইখানে চাকুরি করে, কেউ দালাল ছাড়া গেলে অফিসার তার ফিংগার নেয় না নানান বাহানা দিয়ে, একজন ড্রাইভার কাছেও চাকুরির সনদ চায়।
আদেশ বাস্তবায়নে দু ধাপে টাকা পরিশোধ করতে হবে। অগ্রিম ৬০ লক্ষ। যোগদান পত্র দিয়ে জন ৪ লক্ষ বাকী টাকা ফিক্সেশন এর পর।
সব কাগজপত্র নিজেরা রেডি করে অফিসে জমা দেওয়ার সময় জন প্রতি ২০০০ করে টাকা দাবি করে, টাকা না দেওয়া হলে প্রসেসিং আটকে থাকে, পরে জনপ্রতি ১০০০ করে টাকা দেওয়া হলে বেতন চালু হয়, পরবর্তীতে কাগজের কপি নিতে গেলে আবার ৫০০ টাকা দিয়ে কপি নেওয়া হয়।
নথি পূর্ণ উন্মোচন। মামলা নিষ্পত্তি সাপেক্ষে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই সে কারণে অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হয়েছে।
ফিঙ্গার এ কোন সিরিয়াল নাই! ফাস্ট ফাস্ট সব প্রসেস কমপ্লিট হবে দুই- তিনঘণ্টার মধ্যে!
জায়গার নকল তুলতে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করার পর কাগজটি হাতে পাই
আমার গাড়িতে এলপিজি সিলিন্ডার লাগানো আছে। রংপুর বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ার সাহেব আমার গাড়ির সরজমিন পরীক্ষা করার সময় আমাকে এলপিজি সিলিন্ডার খুলে না ফেললে ফিটনেস দিবেন না বলে জানান। ফিটনেস না দিয়ে তিনি অন্য গাড়ির কাছে চলে যান। তখন এক লোক এসে ২০০০ টাকার কথা বলেন। পরে ২০০০ টাকা দিলে ফিটনেস দিয়ে দেন। ইন্জিনিয়ার সাহেব নিজ হাতে টাকা নেন না। তার টাকা নেওয়ার জন্য লোক আছে। আমি ২০২৪ সালে এবং ২০২৬ সালে ২০০০ টাকা করে দুইবার ফিটনেস করিয়েছি। এটাই এখানকার এলপিজি করা গাড়ির ফিটনেস করানোর রেট বলে জানতে পেরেছি।
আমার একটা জমি একজনের সাথে রেওয়াজ বদল ছিল কিছুদিন আগে জমিটা আমরা উনার জমি ওনাকে যাইতে বলি এবং আমাদের জমিতে আমরা আসি উনি দুইটা জমিয়ে উনার নামে নাম জারি করে রেখেছে, এখন ওই নাম কাটাইতে দিনাজপুর জেলা ভূমি অফিসে কেস ফাইল করা হয় পরবর্তীতে কেজের রায় দেয় ওই কেজের রায় নিতে জেলার রেজিস্টার জেলা সাফ অফিসে পাঠায়, ওখানে এক কর্মচারী কপিটা দিতে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ চায় পরবর্তীতে কয়েক দিন ঘুরার পরে অনেক বলা ধরার পরে শেষে ৫০ হাজারে আসে আটকে। ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিলে উনি কেজের কপিটা দিবে এমতাবস্থায় বিভিন্ন জনের কাছে শরণাপন্ন হই কিন্তু কোন লাভ হয়নি ব্যাপারটা এই অবস্থায় আছে।
আমার পরিবারের সবার পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গিয়েছিলাম মোট ৭জন। আমাদের ৪ জনের টা সরাসরি কোনো সমস্যা ছাড়া হয়ে গিয়েছে কিন্তু আমার বড় ভাইয়ের বউ এবং তার ২ ছেলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার সময় কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও হয়রানি করা হয়েছে । তারপর আমরা বাহিরে কম্পিউটার দোকান থেকে ৩০০০ টাকা দিয়ে ৩ টা ফাইলে একটা তাদের গোপন কোড বসানোর পর আবার অফিসে যাওয়ার পর তারা ফাইল গুলো রিসিভ করছে । যা একটা সিন্ডিকেট ব্যবসা। আমি চাই আপনার এই সাইটের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার সকল ভূমি অফিসে অকল্পনীয় দূর্নীতি হয়। আমি জমি খতিয়ান মানে খারিজ করতে গেলে ৯০০০ টাকা দাবি করে পরে আমি নিজেই আবেদন করি, সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলেও ভূমি অফিস তা বাতিল করে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে।
মামলা আপোষ মিমাংসা জন্য মিমাংকারীরা টাকা চেয়েছে
আমার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর জন্য আবেদন করেছি আরও ছয় মাস আগে। এখন পর্যন্ত অনেকবার থানা নির্বাচন অফিসে গেলাম কোন কাজ হচ্ছেনা। আজ কেন হচ্ছেনা জিজ্ঞেস করার পর তারা হাদিয়া বা খরচ চেয়েছে তাহলে দ্রুত হয়ে যাবে। সেই খরচের পরিমাণ ২০০০/- টাকা
নাম খারিজ করতে গিয়ে এই টাকাটা দিতে হয়েছিল।
2025 সালে সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলনের সময় কারখানাগুলোর নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন পড়ে, তৎকালীন পুলিশ সুপার প্রতিটি ফ্যাক্টরি হতে 2 লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলিশ মোতায়েন করেন।
Income tax officer assessed my building without any physical visit and he increase my value n rent without proper justification. I already submitted all related documents and deeds with tenant but income tax officer demanded 2,50,000tk and after negotiation he told me 1,80,000tk should be given as ghush, otherwise he will use his power for my unathetical financial loss. I went to tax office and meet with his boss, Deputy Commissioner of Taxes, and told all the things tax inspector done but DCT also want his money without any reason. I tried my best to avoid ghush but without ghush, they will not do anything. Really pathetic. We general public are suffering and nobody is there to help.