রেকর্ড করার জন্য
রেকর্ড করার জন্য বিভিন্ন অযুহাতে ঘুষ চাওয়া হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রেকর্ড করার জন্য বিভিন্ন অযুহাতে ঘুষ চাওয়া হয়।
থানায় একজন মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছে তখন পুলিশ এটা মিটমেট করার জন্য ৳500 দাবি করে
আমার বাবা তিনি সরকারি চাকরি থেকে ২ আগস্ট ২০১৭ সাল তারিখে অবসর গ্রহণ । 75% টাকা তুলতে পারেন , এরপর উনি দেশের বাইরে চলে যান আমাকে অথোরাইজ করে , সেই টাকা তুলতে উপজেলা অফিস , জেলা অফিসে অনেক দৌড়াদৌড়ি করি । শেষে উপজেলা অফিস আমার কাছে 5000 টাকা ঘুষ চায় , দেয়ার পর আমাকে আবার জেলা অফিসে যেতে বলে , এরপর রাগে কষ্টে টাকার আশা বাদ দিয়ে দিলাম ।
আমার আইডি কার্ডে ম্যাচ ফাউন্ড ধরা পড়ে। আমি উপজেলা নির্বাচন অফিসে এ বিষয়ে এপ্লিকেশন করলে সেটি চার বছর হয়ে গেলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। পরবর্তীতে উপজেলা অফিসে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করার পর তারা বলে দরখাস্তটি সরাসরি আঞ্চলিক অফিসে নিয়ে গিয়ে যাচাই করে প্রত্যয়ন নিয়ে আসতে। যাচাই করে আমার ফিঙ্গার আর কারও সাথে মিল পাওয়া যায়নি। সেই প্রত্যয়ন আবার উপজেলা অফিসে দেওয়ার পরও কোনো অগ্রগতি হয়নি। NID রিলেটেড সব ধরণের সেবা থেকে আমি বঞ্চিত ছিলাম। ট্রেনের টিকিট ব্লাকে নিতে হতো অথবা কোনো সময় বিনা টিকিটে যাত্রা করেছি টিটি-কে টাকা দিয়ে। শুধু মাত্র NID রেজিষ্ট্রেশন নেই বলে। পাসপোর্ট নবায়নের জন্য NID লাগবে তাই বাধ্য হয়ে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে একজন অপারেটরের মাধ্যমে ২৪ হাজার টাকা দিয়ে শেষে ঠিক করতে বাধ্য হই।
আমি আমার মামাতো ভাইয়ের পাসপোর্ট বাসা থেকে আবেদন করে দেই কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে। পেশা হিসেবে Private Service দেওয়াতে তারা আবেদন জমা নেয় নাহ পরে একজন দালাল ধরে তারপরের দিন জমা দিয়েছি ২০০০ টাকা দেওয়া লাগছে বাধ্য হয়ে।
হেমায়েতপুর একটা ৬ শতাংশ জমির বি আর এস রেকর্ড করতে গিয়েছিলাম। রেকর্ড করতে আমাকে ঐ পরিমাণ টাকা দিতে হয়েছিল।
লাইসেন্স পেতে টাকা লাগে
দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকতা আমার কাছে আমার বাচ্চাদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য স্থায়ী ঠিকানা ফরিদপুুর এবং বর্তমান ঠিকান মাগুরা শ্রীপুর দুই জায়গা থেকেই অতিরিক্ত অর্থ দাবী করে ফরিদপুরেটা দেওয়া হয় নাই, শ্রীপুর 1000 দেওয়া লাগছে।
প্রকল্পের কাজে চুক্তির অনুমোদন করার জন্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ৫০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে ফাইল সাইন করেছেন। টাকা না দিলে ফাইল সাইন করেননি। যে ধরনের চুক্তি ছিল তাতে এভাবে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার কোন সুযোগ ছিল না। এ সকল কারণে প্রকল্প দপ্তর কে অযথা মিথ্যা হিসাব দেখাতে হয়েছে।
আমি জিডির কপি নিয়ে গিয়েছিলাম তারা বললো চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট লাগবে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড লাগবে যেগুলো সাথে ছিল না তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। আবার একজন আনসার নিয়েছে ২০০ টাকা
২০২৩ সালে পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য আমার থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হয়ে মুন্সিগঞ্জে সদরের SP অফিস থেকে
একটা কাবিননামা সত্যায়ন করতে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে তারা আমাদের ডকুমেন্টস ভুল আছে বলে করে দিতে চাই না। পরবর্তীতে বলে টাকা দিলে করে দিবেন।আমার ডকুমেন্টসে কোনো ভুল ছিলো না।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে জমি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য রাজউক অফিস থেকে আমার থেকে ১ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়।
জমির খারিজে পিতার নাম ছিলো, সেটি নিজের নামে করতে যাই। সেখানে দাড়িওয়ালা মুরুব্বি তার সাইনের মূল্য হিসাবে ১০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি বলি যে আমার কাছে শুধু ৮০০ টাকা আছে, তখন তিনি সেটিই রাখেন।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের একটি নতুন নিয়ম করা হয় যে পূর্বে যেই পেমেন্ট করা হয়েছে তার ব্যংক স্টেটমেন্ট লাগবে। এবং সেই রেকর্ড বের করার জন্য জনতা ব্যংক এর কর্মকর্তা আমার থেকে ১০০০০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করে।
এনবিআরের ‘সেকশন ১৪৭ ভিজিট’ ও মাঠপর্যায়ের নতুন ঘুস বাণিজ্য: করদাতাদের চরম উৎকণ্ঠা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) সাম্প্রতিক সময়ে কর আইন অনুযায়ী পরিচালিত সেকশন ১৪৭ (Section 147) এর অনসাইট ভিজিট ও মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনের ক্ষমতা এখন একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার জন্য বড় ধরনের চাঁদাবাজি ও ঘুস বাণিজ্যের নতুন হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এই ভিজিটের নামে অতিরিক্ত বা ভুয়া ট্যাক্স দাবির ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত উৎকোচ দাবি করা হচ্ছে। এমনকি চাহিদা অনুযায়ী ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুস না দিলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাল্পনিক ও খারাপ অডিট রিপোর্ট দেওয়ার নজিরও তৈরি হয়েছে। আইনগত তদারকির নামে এই অনৈতিক ও বেপরোয়া হয়রানি
আমার মা একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ২০১৫ সালের দিকে তিনি রাঙ্গুনিয়া থানা থেকে ট্রান্সফার হয়ে রাউজান থানায় আসেন। যার জন্য আমার মায়ের ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। সম্প্রতি আমার মা একই থানার অন্তর্গত এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে ট্রান্সফার হতে চাইছেন, যার জন্যও শিক্ষা অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তাকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হবে। নাহলে ট্রান্সফার হবে না।
একটা ঋণের জন্য তল্লাশ সনদ দরকার৷ গ্রাহক নিজে তুলতে গেলে ৫হাজার টাকা দাবী করে৷ পরে আমি নিজে বললাম, দাদা, তুলতে কতো টাকা লাগবে এটা তুলতে৷ বললো, ২৭০০ টাকা৷ পরে বিকাশে ২৫০০ দেয়ার পর হ্যাসেল ফ্রী ভাবে পেয়ে গেলাম৷ এক সপ্তাহ পর কল দিয়ে জানালো, দাদা রেডী 😃
আমি আমাদের একটু পুরাতন দলিলের নকল তুলতে রংপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে য়াই। নকল টি তুলতে চাইলে আমার কাছে প্রথমে ৩০০০ টাকা চারয় পরে ২৫০০ টাকা কেটে দেয়। বেশি দাম চায় তাই আমি নকল টি তুলি নাই।
আমার গাড়িতে 3 জন থাকায় মামলা দিতে চায় পরে এক কেজি গরুর মাংস কিনে নিয়ে ছেড়ে দেয়