নতুন ট্রেড লাইসেন্স
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম আমি। ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য খরচ পাতি চেয়েছে। ৩০০০ টাকা চেয়েছিল। আমি ২০০০ টাকা দিয়েছি। টাকা টা দেওয়ার জন্য পাবলিক টয়লেট এ গিয়ে দিতে হয়েছে। ওয়ার্ড ১৯।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম আমি। ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য খরচ পাতি চেয়েছে। ৩০০০ টাকা চেয়েছিল। আমি ২০০০ টাকা দিয়েছি। টাকা টা দেওয়ার জন্য পাবলিক টয়লেট এ গিয়ে দিতে হয়েছে। ওয়ার্ড ১৯।
এক্সট্রা ৫০০ টাকা চাওয়ার বিপরীতে ২০০ টাকা দিয়ে নবায়ন কপি হাতে পেয়েছি
সংশ্লিষ্ট এনজিও হতে প্রকল্প বর্ষ সমাপ্তির প্রেক্ষিতে প্রত্যয়ন পত্রের জন্য আবেদন করা হলে প্রকল্প এলাকায় তদন্ত সম্পন্ন করে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য ১০০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হচ্ছে। যেহেতু ঘুষ এনজিওর নীতিমালার লঙ্ঘন করে, তাই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং আবেদনটি উপেক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
আমি আগারগাঁও BTRC এর অফিসে আবেদন করি. আমার সিম দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে ব্লক হয়ে যায়। সেটি পুনরায় সচল করার জন্য আবেদন করি , উনারা টাকা(3500) ছাড়া সিম দেবে না. আমি ৭/৮ মাস ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছি।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলার শিক্ষা অফিসারের কেরানি আমার কাছে সরাসরি টাকা চাইনি কিন্তু অন্য একজন্য এর মাধ্যমে ১০০০ টাকা চেয়েছে উনি।
কর প্রদান, সার্কেল পরিবর্তন এটি করতে আমার অফিস সহকারীকে ৪,৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। এছাড়া অনেকেই প্রকাশ্যে ঘুষ দিচ্ছে ও নিচ্ছে, কিন্তু কেউ কোনো অভিযোগ করছে না। আমাকেও অভিযোগ করে বাধ্য হতে হয়েছে, কারণ সেদিন আমি টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামে বদলি হচ্ছিলাম।
গত ২৭-০৩-২০২৪ ইং তারিখে আমি একটি নামজারীর আবেদন করি আমার সব কিছু ঠিক থাকার পরে ও আমার আবেদন বাতিল করে দেয় কারণ হিসেবে উল্লেখ করে কর প্রদান করেন নাহ অথচ খারিজ করার পরে কর পরিশোধ করার সিস্টেম। একই ফাইল আবার অফিস সহকারীকে দিয়ে করানো হয়েছে টাকা নিয়েছে ৮ হাজার। অফিস সহকারী বাতিল হওয়া আবদেন থেকে আমাী নাম্বার নিয়ে কল করে।
আমার বাবা সুনামগঞ্জ জেলার অধীন দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়ন পরিষদের একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব । তিনি সরকারি চাকরি থেকে ২ আগস্ট ২০১৭ সাল তারিখে অবসর গ্রহণ ।আমার বাবা সাথে সাথেই ৭৫% পেনশন পান কিন্তু ২৫% পাননি , সুনামগঞ্জ জেলা অফিসে গেলে ওরা বলে দোয়ারাবাজার উপজেলা অফিসে যেতে আর উপজেলায় গেলে বলে জেলায় , টাকা তুলতে জেলা অফিস আর উপজেলা অফিসে দৌড়া দৌড়ি করতে থাকি , এরপর উপজেলা অফিসে 6000 টাকা দিলে নাকি কাজ হবে দিলাম টাকা , টাকা নেয়ার দুইদিন পর ফোনে বলে জেলা অফিসে একটি এপ্লিকেশন নিয়ে যেতে , এরপর রাগে কষ্টে টাকার আশা বাদ দিয়ে দিছি
আমার বরো ভাই বিদেশে থেকে একটা স্যামস্যায়াং মোবাইল নিয়ে আসে ২মাস পর সেটা চুরি হয় থানায় জিডি করি মোবাইলেট এমআই নম্বর বের করার জন্য ২০০০ টাকা নেয় পরে এমআই নম্বর বের করে দেয় সেটা দিয়ে জিডি করি লোকেশন মিলিয়ে দেখি সেটা মেম্বারের ছেলে চুরি করে তার মামার কাছে দেয় তার মামা পুলিশে চাকরি করে সব কিছু যানার পর পুলিশ আর কোন একশন নেয়নি কারন এটা পুলিশের কাছে এলাকার মেম্বারের সালা সে মেম্বার পুলিশকে মোটা টাকা দিনে বন্ধ করে ছিল আজও সেই মোবাইল পাইনি
নাম সংশোধনকৃত সার্টিফিকেট আমার ব্যস্ততার কারণে ১ বছর দেরিতে উত্তোলন করতে যাওয়া হয়। সেখানে আমাকে বলা হয়, আপনি দেরি করে আসছেন, আপনাকে পুনরায় আবেদন করতে হবে। অথচ সেটি তাদের কাছেই ছিল। এরপর অন্য একজন এসে বললো আপনি ৩০০০ টাকা দিলে আমরা সময় নিয়ে খুজে দিচ্ছি, এরপর তারা সার্টিফিকেট দেয় আমাকে।
সেনাবাহিনীতে সৈনিক হতে অনারারী ক্যাপ্টেন পর্যন্ত যে সকল সেনাসদস্যরা পেনশনে গমন করে।তখন তাদের প্রতিটি রেকর্ডের সংশ্লিষ্ট এফ পি ও /এফ সি করণিকদের প্রতিটি সেনাসদস্যদের নিকট ৫০০০০/- হতে ১৫০০০০/- টাকা পর্যন্ত দাবি করে,যা সেনাবাহিনীতে ২৫/৩০ বচর চাকুরী করার পর অবসরে গমনের সময় অত্যন্ত গর্হিত কাজ।কেও না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে যা মোটেই কাম্য নয়।
সেবাটি দেয়ার জন্য আমাকে ফোন দেয়।টাকা চায় এসবি অফিসের এস আই।কিছু দিবেন না এটা হয়,এরকম হলে হবে।বলে ডকুমেন্টস নেয় আমি ১২০০ টাকা ঝামেলা এরানোর জন্য দেই।কিছুদিন পর সে আবার ফোন দিয়ে বলে আপনার নামে মামলা আছে।আরো টাকা ৪ - ৫ হাজার টাকা দেন।আমি বলি আমার নামে মামলা আছে আমি জানি না।আমি কোন টাকা দেবো না।আপনি যেটা রিপোর্ট দেয়ার দিয়ে দেন।পরে আর সুবিধা করতে না পেয়ে আর ফোন দেয় নাই।ভেরিফিকেশন রিপোর্ট পাইছি।এই হচ্ছে জুলাই পরবর্তী পুলিশের অবস্থা। এরা ভালো হলো না.....
আমি একজন প্রবাসী আমার ভোটার আইডি কার্ডে নামের স্পেলিং ভুল সংশোধন করতে অনলাইন এপ্লিকেশন করি। এপ্লিকেশনের ২০ দিনের ভিতরে নতুন আইডি কার্ড হয়ে যাওয়ার কথা নিয়ম অনুযায়ী। কিন্তু সময় চলে যায় ২ মাসের উপরে।পরে আমি নির্বাচন কমিশনার অফিসে যাই সেখানে গিয়ে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে।একজন মহিলা ছিলেন আমাদের ওয়ার্ডের দায়িত্বে।আমি এই ব্যাপারে উনাকে যখন জানাই। উনি আমাকে বলে আপনার আইডি কার্ড প্রক্রিয়াধীন আছে হয়ে যাবে একটু সময় লাগবে।কিন্তু ওখানে একটি পিওয় ছিল।সে আমাকে বলছে আপনার কাজ আমি এখন করে দেবো আপনি আমাকে কত টাকা দিবেন আমি না পারতে তখন তাকে৫০০ টাকা দিব বলেছি।সে ৫০০ টাকা রাজি হয়নি তাকে এক হাজার টাকা দিতে হয়েছে।সাথে সাথে আমার আইডি কার্ডের মেসেজ চলে আসে মোবাইলে।আসল আমরা সাধারণ মানুষ আর কতদিন হয়রানি হব।
২০২২ সালে পাসপোর্ট তৈরি করার সময় পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আমাকে নিযুক্ত পুলিশ একটি নির্দিষ্ট স্থানে আসতে বলেন, যেখানে আরো অনেক পাসপোর্টের আবেদনকারীরাও এসেছিল। আমার কাছ থেকে চা-নাস্তার জন্য টাকা চাইলে আমি ৫০০ দিয়েছিলাম, কিন্তু ১০০০ না দিলে হবে না বলে দিল। বাধ্য হয়ে ১০০০ দিতে হলো। (বি:দ্র: এর আগে আমাকে থানায় ডাকা হয়েছিল, ওখানে কোনো প্রকার টাকা চায়নি ওরা কিন্তু ইচ্ছে করে আমার সঠিক তথ্যকে ভুল বলে, ভেরিফিকেশন রিপোর্ট নেগেটিভ করে দিয়েছিলো। টাকা দেওয়ার পর পরের রিপোর্ট পজিটিভ দিয়েছে।)
আমি দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। আমার সব ডকুমেন্টস ঠিক ছিলো আমাকে তারা ৭-৮ বিভিন্ন রুমে ঘুরিয়েছে। সবার টা হইতে ছিলো কিছু আমার কগজ স্কান করে বলে সার্ভার এ পায় না এমন ৩ বার করছে। তার পরে দালাল কে ১৫০০ টাকা দেয়ার পরে। তারা করে দিছে।
I live abroad and had to arrange a police clearance certificate for my mother, as she is not able to manage the process on her own. During the police verification at my permanent address, I had to pay BDT 1,000 to the visiting officer.
পাসপোর্ট, ভিসা নিয়ে নিয়ম মেনে ভারতে যাচ্ছিলাম। বর্ডার ভারতীয় ইমিগ্রেশনের আগের বাংলাদেশের সাইডেরটাতে পাসপোর্টে সিল দেয়ার সময় পুলিশ না বর্ডার গার্ড নাকি কি বলে সেই কর্মকর্তাদের জানি না, তিনি বললেন আমার পাসপোর্টে সমস্যা আছে। পাসপোর্টের পেছনে যে লেখাগুলো আছে সবার থাকে না। যাদের এই লেখা থাকে তাদের ২০০টাকা করে দিতে হয়। অথচ আমি জানি দেখেছি সবার একই লেখা থাকে। এ কথা বলায় তিনি বললেন আমি একা নাকি ভারতে প্রেমিকের সাথে পালাচ্ছি, এটা উনি সন্দেহ করতেছেন। যখন বললাম মা-বাবা অফিসের বাইরেই দাঁড়ানো, তাদের ডেকে আনছি। উনি বললেন পাসপোর্ট ছাড়া সেখানে আসা যাবে না এবং রেগে-মেগে ঘুষ না নিয়েই আমাকে ছেড়ে দিলেন।
“সরকারি অফিসে অডিট করতে এসেছিল হিসাবরক্ষণ অফিসের আওতাভুক্ত অডিট দপ্তর থেকে। সব ঠিক থাকলেও অফিসের প্রত্যেকটি প্রকল্প থেকে আলাদাভাবে ২লক্ষ টাকা করে মোট ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছে। না দিলে অযথা অডিট অবজেকশন দিয়ে হয়রানি করবে তাই বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।”
জমি খারিজ করতে ১০০০০ টাকা চেয়েছিল। পরে পরিশোধ করলে তারা কাজ করে দেয়।
If I don’t pay, the MPO file will be rejected as giving the threat by Upazila Shikka officer. He didn’t directly tell me but one of my colleague was his mat and he managed everything. It was 2022.