DRIVING LICENSE
Take extra money for driving license, otherwise they didn't pass u in driving license exam
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Take extra money for driving license, otherwise they didn't pass u in driving license exam
Police verifcation korte ami 500 tk Disi anumanik 2024 ba 2025 saal er dike
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময় দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা নিজে না এসে উনার প্রতিনিধিকে পাঠিয়েছিলেন। ওই প্রতিনিধি কাজ করার জন্য নাকি পুলিশের নিজের খরচে ফাইল আপলোড দিতে হয় বলে কিছু টাকা দাবি করে। দরদাম করে ৫০০ টাকায় দফারফা হয়। আমার সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল, এমনকি আমার নামে কোন মামলাও ছিলনা। তবুও টাকা দিতে হয়েছে।
আমার ২ টি লাইসেন্স এর সমস্ত ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরে নারায়ণগঞ্জ ডি সি অফিসে ৭০০০০০ টাকা ঘুষ চায় আমি না দেওয়ার জন্য ৮ মাস যাবৎ আমার ফাইল আটকে আছে
Police came to my college, then had a cup of tea, then had to paid 500 BDT bribe.
চাকরিতে জয়েন করার কিছুদিন পর আসলো হিন্দু সাংবাদিকদের পূজার চাঁদা, এরপরে তাদের বনভোজনের চাঁদা, প্রোগ্রামের চাঁদা আরও কত কি
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সরকারি ফি এর চেয়ে অতিরিক্ত আরো ৩০০০ টাকা করে বিভিন্ন মাধ্যমে কিংবা দালালদের মাধ্যমে আদায় করে। এই টাকা এসব অফিসের কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়। টাকা না দিলে টেকনিক্যালি আটকে দেয়। হয়রানি এড়াতে সবাই এখন নির্দ্বিধায় ঘুষ দিয়ে দেয়।
কিশোরগঞ্জের বিন্নাটি টোক মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণ এর সময় আমাদের দেওয়া ক্ষতিপূরণে টাকা তুলতে গেলে ১০ % ঘুষ চায়। আমি ২৫ লাখ টাকার মাঝে হাতে পেয়েছি মাত্র ১৮ লাখ সরকারি বিভিন্ন খরচ এবং ঘুষ দিয়ে
আমি যখন আমার মায়ের বয়স্ক ভাতার আবেদন ফরমটি জমা দিতে যাই তখন সেখানে থাকা কেরানি বলল ফরমের সাথে ১০০ টাকা লাগবে। যার কোন রিসিভ আমাকে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে বুঝতে পারলাম এটা আসলে ঘুষ ছিল।
আমাদের জমির খারিজ অন্য জনের নামে ছিল।এইটা কেটে আনতে মিস কেইস করি।রেকর্ড টা আমাদের নামে আনতে সেখানেই আমাকে ৭ হাজার টাকা দিতে হইছে। এর পর খাজনা দিতে গিয়ে আরো ৩ হাজার টাকা দিতে হইছে
কয়েককবার আবেদন করলে তা রিজেক্ট করে দে। পরে টাকা প্রদান করার ভুমি অফিসার নামজারি করে দেন।
আমি ২০২১ সালে নিজে নিজে আমার আর আব্বুর পাসপোর্ট আবেদন করি তখন আমি সহজে পাসপোর্ট অপিস ঘুষবিহীন কিন্তু পুলিশকে তদন্তে কল দিলে পরিচিত ছিল তাই ৫০০ দিতে হত। কিন্তু আমার পাসপোর্ট ২০২৫ সালে যখন রিনিউ করার আবেদন করতে যাই সব ডকুমেন্টস নিয়ে তখন এটা সেটা বলে আবেদন জমা নেয় নাই। কয়েকদিন পর একটা এজেন্সিকে ২৫০০ টাকা দিয়ে যখন আগের ডকুমেন্টস গুলো নিয়ে যাই এবার জমা নিয়ে নেয়।কারন ফরমে তাদের একটা কোড মানে জিমেইল আইডি। বাহিরে চলে যাবো বাধ্য হয়ে করতে হয়ছে।
আমি আমার ভোটার আইডি কার্ডের জন্য অফিসে যাই তারপর তারা আমাকে বলে এগুলো সময় নিয়ে করতে হবে তাই অনেক দেরি হবে তারপর তারা সরাসরি আমার কাছে টাকা চায়। তাও ভোটার আইডি কার্ডে আমার মায়ের এনআইডি নাম্বার ভুল করে।
রেজিস্ট্রির সময় অফিস খরচের নামে নেওয়া হয় অতিরিক্ত। এর একটা অংশ সাব রেজিস্ট্রার অফিসে যায়, আরেক অংশ দলিল লেখকগন ভাগ ভাটোয়ারা করে নেয়।
কাগজ পত্র সব ঠিক ঠাকার পরেও আমাকে ২ বার ফেরত দেয় ফরমে ব্যাংক জমার তথ্য লিখি নাই বলে, কিন্তু আসলে এটা দেওয়াই লাগে না, তার পর এক আনছার সাইডে গিয়ে ১৫০০ টাকা দাবি করে বলে ১৫০০ টাকা দিলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই জমা করায় দিবে। তারপর আমি দামা দামি করলেও পরে আর টাকা দেইনি, সে ১৫০০ টাকার নিচে করতে নারাজ, আমি অন্যান্ন অনেকের মাধ্যমে জেনেছি যে পাসপোর্ট অফিসে চ্যানেল ফি ধরা হয় যটা ১৩০০ টাকা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
সহকারি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের ভেরিফিকেশনের সময় DSB-র এক কর্মকর্তা ৬০০০ টাকা দাবি করে।আমি ২০০০ টাকা দিতে চাওয়ায় রাজি হচ্ছিল না।মনের মধ্যে ভয় থেকেই (যদি ভেরিফিকেশনে নেগেটিভ তথ্য দেয়)পরবর্তীতে ৪০০০ টাকা দিই।কিন্তু তারপরও দিনি রাজি হচ্ছিল না।কথাবার্তার এক পর্যায়ে উনি কনভিন্স হন।
আমার শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য একটি অগ্রিম বর্ধিত ইনক্রিমেন্ট পাই যেটা পেতে প্রায় কয়েকমাস লেগে যায়,যার বকেয়া আসে ১০০০০+ টাকা।এই বকেয়া টাকা তোলার জন্যব+ বর্ধিত ইনক্রিমেন্টটা যুক্ত করে দেওয়ার জন্য আমার কাছে ২৯০০টাকা নেয় করিমগঞ্জ এজি অফিস। এটা শুধু আমার জন্য নিছে এমন নাহ আমরা যারাই করিমগঞ্জ সরকারি চাকুরী করি সবার কাছ থেকে এই অর্থ নেয়া হয়ে থাকে।
সেবা দিতে অনাগ্রহ ও হয়রানির চেষ্টা।
খুবই হয়রানি করে সর্বশেষ ঘুষ দিয়ে মৃত পিতার পেনশনের টাকা তুলতে হয়েছে
"আপনারা তো ডাক্তার মানুষ, এই টাকা কয়েকদিনেই কামাই করে নিবেন" এই বলে আমার কাছে ১৭০০০ টাকা দাবি করেছে। রাগে আবেদনই করিনি। (only motorcycle license) (med student speaking)