Land record
Taka na dile record hobe na
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Taka na dile record hobe na
লিল মূলে নামজারি করতে গিয়েছিলাম, পরে সে আমার দলিলে ভুল ধরে,দলিলে নাকি দুই ধরনের কালিতে লেখা,১২০০০টাকা দিলে এটা ঠিক করে খারিজ করতে হবে অন্যথায় খারিজ অসম্পূর্ণ থাকবে
৫ম পাশ সার্টিফিকেট সংশোধন এর জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু কম্পিউটার অপারেটর সে ২ সপ্তাহে ঘুরিয়ে বলল ৫০০ টাকা লাগবে, অথচ কোন খরচ নেই সার্টিফিকেট এর মধ্যে কাটা কাটি করে সংশোধন করে দিয়েছেন।
নাম খারিজ করতে টাকা চেয়েছে ডিরেক্টলি চায়নি কিন্তু কাগজ আটকে রেখেছে করতে চাচ্ছে না,, থার্ড পার্টি একজন এসে এই এমাউন্টটি দাবী করেন।
পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাবে ২৫০০ টাকা নেওয়া হয় কথা হয়েছিল ১০ বছরের পাসপোর্ট করে দেবে কিন্তু দিয়েছে পাঁচ বছরের অথচ টাকা থেকে নিয়েছে
নামজারিতে তারিখ ভুল ছিল, সমস্যাটা আমার ছিল না। এই সমস্যাটাও সরকারি লোকের ছিল। কিন্তু আমাকে টাকা পেইড করতে হয়েছে। নতুবা সাব রেজিস্টার কাজ করবে না। এবং কখনো শুনিনা রিসিপ্ট আনতে টাকা দিতে হয় সেখানে আমাকে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
রাস্তা এ ড্রেন নির্মাণ করা নিয়ে
শ্রান্তি বিনোদন ভাতার টাকার জন্য ৫০০ টাকা ঘুস চেয়েছে
আমার আব্বা মাসুমদিয়া ভবানিপুর কেজেবি মহাবিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিল। অবসরে যাওয়ায় কাজ পত্র অফিসে জমা দিতে কলেজের অধ্যক্ষ 25000/= হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং আমারা তা পরিশোধ করি।
এরিয়া বিল পেতে মাগুরা সদর হিসাবরক্ষন অফিসে ঘুষ দেয়া লাগে। কেউ দিতে না চাইলে তার বিল পাশ করেনা। এমনকি কতটাকা ঘুষ নিবে সেটা নিয়েও দর কষাকষি করে। আমার বিলের ক্ষেত্রেও অগ্রিম টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া পে- ফিক্সেশন ও অন্যান্য টিএ ডিএ বিল এ সর্বনিম্ন ৫% ঘুষ দেয়া ছাড়া এনারা কাজ করেন না।
একজন দলিল লেখক, যিনি বর্তমান চিরিরবন্দর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তিনি অনেক ভুয়া কাজের সাথে জড়িত এবং সার রেজিস্টারকে প্রচুর ঘুষ দিয়ে একপাক্ষিক কাজ করেন৷ প্রয়োজনে মানুষকে জিম্মি করেন, কাগজপত্র নেয়ার পর আটক করে দেন, বাধ্যতামূলক তার কাছেই রেজিস্ট্রি করতে হবে। সাব রেজিস্ট্রারের সাথে তার হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ হয়, ডিল ফাইনাল করে৷
এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসায় যোগদান করতে প্রতিষ্ঠান প্রদানকে দিতে হয়েছে। এইসব এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদেরকে কিছুদিন পরপর সরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদের মতো বদলি বদলি করে দেওয়া উচিত।
গ্রামে জুয়া তাস মাদক ব্যাবসায়ির কাছ থেকে টাকা আদায় করে।
এটা একটা কমন জিনিস। জমি খারিজ করতে ৭০০০ টাকা পরিশোধে বাধ্য
লালবাগ থানার ৫টি স্কুলে ক্ষুদ্র মেরামতের প্রাক্কলিত কাজের বিল দাবী করা হলে প্রাক্কলনের বাইরে এবং প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও অফিসার নির্ধারিত সরবরাহকারী হতে অতিরিক্ত দামে পানির ফিল্টার ক্রয়ের জন্য বাধ্য করে। তদুপরি বিল পরিশোধের জন্য একাউন্টস অফিসের নামে ১০হাজার ক্যাশ টাকা সংগ্রহ করে (যদিও বিল থেকে উৎসে ভ্যাট ও আয়কর কর্তন করা হয়েছে।) যারা প্রাক্কলনের বাইরে কিনতে অস্বীকৃতি জানায় তাদের প্রশাসনিক হেনস্তা ও দুর্ব্যবহার করতে থাকে এবং দুই মাস একাউন্টস থেকে উত্তোলিত অর্থ আটকে ব্যক্তি একাউন্টে রেখে সুদ খেতে থাকে। আরো দীর্ঘ হত, কারো অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডিপিইও টিইও অফিস পরিদর্শন করে নির্দেশনা দিলে পরদিনই শোধ করে। এছাড়াও বিনাকারণে শিক্ষকদের শো-কজ করে শিক্ষকদের থেকে ঘুষ/গিফট নেয়া হয়, দাওয়াত খাওয়া হয়।
হোল্ডিং খোলার জন্য আবেদন করি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং না দিলে দুই মাস সময় লাগবে এরকম বলে। প্রথমে এরিয়ে গেলেও একমাস পর দাবীকৃত টাকা পরিশোধ করি এবং দুইদিনেই হোল্ডিং নাম্বার পাই।
অগ্রিম বর্ধিত বেতন এর ইনক্রিমেন্ট এড করতে টাকা চাওয়া হয়। অডিটর ইনক্রিমেন্ট এড করার কাজগুলো করে থাকেন। আমরা একসাথে বেশ কয়েকজন এডভান্স ইনক্রিমেন্ট এড করার জন্য আবেদন করেছিলাম। সবার কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হয়েছিল।
হেবা সংক্রান্ত সাভাবিক খরচের চেয়ে অতিরিক্ত ৫০০০০ টাকা দাবী করে।
রেলওয়েতে থাকাকালীন আমার যখন চাকরি পরিবর্তন করা লাগে তখন বিভাগীয় পরিবর্তন কর্মকর্তার কার্যালয় ঢাকাতে দুই তিন জন স্টাফ আছেন যারা সিন্ডিকেট করে টাকা খায়। আমার কাছ থেকে এভাবে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা নিয়েছে বিভিন্ন সময়। তাছাড়া এগুলো না দিলেও একপ্রকার নিরুপায় হয়ে কাজ উদ্ধার হওয়ার স্বার্থে দিয়ে দিতে হয়। তা না হলে ফাইল ফেলে রাখে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি কিন্তু কোন প্রতিকার পাইনি।
আড়াই বছর এক জায়গায় চাকরি করার পর যখন বদলির আবেদন করি, তখন স্টাফ দিয়ে ৩০০০০০ টাকা দাবি করে। অথচ যারা ছয় মাস চাকরি করেছে তারা এই টাকা দিয়ে বদলি হয়ে গেছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্য চলছে