জমির নামজারি
প্রথমে লিগ্যালভাবে নামজারি করার জন্য আবেদন করি এবং শুনানিতে উপস্থিত থাকি কিন্তু কোনো কারন ছাড়াই আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। পরবর্তীতে দালাল কে ১০০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রথমে লিগ্যালভাবে নামজারি করার জন্য আবেদন করি এবং শুনানিতে উপস্থিত থাকি কিন্তু কোনো কারন ছাড়াই আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। পরবর্তীতে দালাল কে ১০০০০ টাকা দিয়ে নামজারি করা হয়।
আমি ভুমি অফিসের নায়েবের খাস লোককে ইতিমধ্যে ১০০০ টাকা পরিশোধ করেছি, জামালপুর এসিল্যান্ড অফিসে হাজিরার দিন ওখানের এক দালালকে ২০০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমি নিরুপায়, কারণ এর আগে আরও একবার অনলাইন আবেদন করেছিলাম, সম্পূর্ণ নির্ভুল কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও আবেদন নামান্জুর করে দিয়েছিল, পরে জেনেছি আবেদন করার পরই নায়েবের সাথে দেখে করে চা-নাস্তার জন্য কিছু বকশিস দিতে হয়। এখন এসএমএস অপেক্ষায় আছি।
আমি প্রথমে ১০০০ ও ২০০ টাকা এবং পরে আরও ১০০০ টাকা তিন জঙ্কে দেই। কিন্ত এখনও কুনু কাজএর আগ্রগতি নাই।
পাসপোর্ট অফিসের আশেপাশে প্রত্যেকটি দোকানের লিংক আছে, কেউ যখন নিজে নিজে বা অন্যকোন জায়গা থেকে নতুন আবেদন করে সবকিছু ঠিক থাকার পরও তারা বলে এখানে ভুল আছে, এটি বলে আবেদনে ক্রস দেয়, ফলে ভুক্তভোগীরা বাধ্য হয়ে আশেপাশের দোকান থেকে নতুন করে আবেদন করে, সে দোকানদাররা বলে যে আপনার কাজটা সম্পন্ন করে দিতে পারি কিন্তু এত টাকা দিলে দুই তিন ঘন্টার মধ্যে কাজ করে দেব, যারা টাকা দেয় তাদের আবেদন ফ্রমে বিশেষ একটা চিহ্ন ব্যবহার করে ফলে কর্মকর্তারা ফ্রমটি দেখলেই বুঝতে পারে যে টাকা দেয়া হয়েছে, আর যারা টাকা না দেয় তাদেরকে বিভিন্ন অজুহতে পর্যায়ক্রমে ঘুরাইতে থাকে, নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি টাকা ছাড়া কাজ হওয়ার সম্ভাবনা ১% এরও কম,
দুটি জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজী করব সরকারি ফি বোর্ডে লেখা 50 টাকা করে প্রতিটি তবে নিয়েছেন প্রতিটি 300 করে মোট 600 টাকা যার 500 টাকা ঘুষ ।
গত ৩০ জুলাই, ব্যক্তিগত কাজে সচিবালয়ে গিয়েছিলাম, একটি সেবা যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার কথা, সেই কাজ করতে গিয়ে নানান অজুহাতে টাকা চাওয়া হচ্ছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, যদি ফি-ও থাকে, তবে তা অনলাইনে পেমেন্ট করার বিধান রয়েছে। আমার কাছে ২,৫০০ টাকা দাবি করেন। আমি বোকার মতো ৫০০ টাকা অফার করি। আল্লাহর রহমতে তিনি রাজি হননি । এরপর আমি আর কারও কথা না শুনে সরাসরি সচিবের কক্ষে গিয়ে আমার আবেদনপত্র দেখাই। সচিব মহোদয় দুই মিনিটের মধ্যে আমার কাজ সম্পন্ন করে দেন।
নেত্রকোনা জেলাতে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ১১০০০ দিয়েছি, পাসপোর্ট অফিসে নিয়েছে ২০০০ টাকা বেশি, কি বলবো সকল জাগায় ঘুষ লাগে৷ নেত্রকোনা পাসপোর্ট অফিসের অবস্থা খুবি খারাপ, রাতে ১০ টার সময় গেলেও পাসপোর্ট করা যায় টাকার অংক বাড়ালে৷
আমার আম্মু ফ্যামিলি প্ল্যানিং এ জব করতেন। তিনি রিটায়ারমেন্ট এর পর টাকা তুলতে গেলে ৪০০০০০ টাকা দাবী করে। পরে সেটা ১০০০০০ টাকা দিয়ে। ফয়সালা করা হয়।
ঢাকা এসএফসি যেইকোন বিল পাস বা বিল সংক্রান্ত কাজে ১০% ঘুষ দাবি করে। না দিলে বিল নিয়ে হয়রানি করে, বিল আটকিয়ে রাখে। এই অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে এরিয়া ফাইনেন্স অফিসার পযন্ত ঘুষ নেয়।
কসবা উপজেলা নির্বাচন অফিসে NID এর বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করার পর অফিসের বাইরে যাওয়া মাত্রই অফিসের ভিতরকার একজন কর্মকর্তা "ফাইল টেবিলে পরে থাকবে, ৬ মাসেও NID পাবেন না" হেনতেন বলে সুবিধা ভোগ করার চেষ্টা করে এবং ৩০০০ টাকা দাবি করে৷ আমি তা এড়িয়ে বাসায় চলে আসি এবং ১ মাসের মধ্যে ঠিকই নিয়ম অনুযায়ী আমার NID পেয়ে যাই।
মোটরসাইকেল এর শোরুম থেকে মোটরসাইকেল বিক্রি করলে প্রতি মোটরসাইকেল এর লাভ্যাংশের ১৫% ভ্যাট দিতে হয় ৷ কিছু মোটরসাইকেল এর ভ্যাট ১০০০ টাকা হলে সেই ভ্যাট এর চালান সত্যাইত করতে কর কর্মকর্তা নেন ১০০ টাকা ৷ মানে মাসে ১০০ টি গাড়ি বিক্রি হলে কর কর্মকর্তা নেন ১০,০০০ টাকা ৷ পরে আসি রিটার্ন সাবমিট এ ৷ সঠিক ভ্যাট দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে লাগে ৩০০০ টাকা ৷ এটা প্রতি মাসে দিতে হয় ৷
আমার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ আমার কাছে ২০০০ টাকা চেয়েছিলো। আমি না দেয়ায় আমার ভেরিফিকেশন প্রসেস ২০ দিন পিছিয়ে দেয়। পরে আমি পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করলে তারা ব্যাবস্থা নেয়, এবং আমার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করলে কাগজপত্র সহ সব কিছু কালিয়াকৈর থানায় জমা দেয়ার 5 দিন পর আমাকে কালিয়াকৈর থানা দেখা করতে বলে মা বাবা এবং আমার মূল এনআইডি কার্ড নিয়ে যেতে বলে আমাকে 3000 টাকা দিতে বলে পরে এক পর্যায় দেন দরবার করে তা 1500 টাকা তে রফাদফা করি এখানে আমার মতো অনেকে হয়রানীর শিকার।
“Ntrca কর্তৃক ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে নিয়োগ পাওয়ার পর। mpo বা বেতন করানোর জন্য ৩৩/৩৪ পেজ সম্বলিত তথ্য জমা দিতে হয়। কাগজ ঠিক থাকলেও নানা অজুহাতে ফাইল রিজেকশন হয়। পরে যোগাযোগ করলে টাকা দাবি করা হয়। পরে ২৫০০০ টাকা প্রদান করলে ফাইল পরবর্তী ধাপে পাঠানো হয়। এর পরে ৫ মাস বেতন ছাড়া চাকরি করতে হয়েছে। তো এই ৫ মাসের বকেয়ার জন্য আবার আবেদন করা হয়, এইবার ১৫০০০ টাকা দেওয়া লাগে বকেয়া উঠানোর জন্য। তবে এই টাকার এক টাকাও স্কুল এর কাওকে দেওয়া লাগেনি, সব টাকা দেওয়া লেগেছে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসে।
নতুন ভোটার আইডি কার্ড বানাতে গিয়ে আমার কাছে ১৫০০ টাকা ঘুস দাবি করে পরে উপায় না পেয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই আমি
আমার জীবনের কর্মজীবন শুরু হয় প্রবাস দিয়ে, দীর্ঘ অনেকগুলো বছর প্রবাসে কাটিয়ে আমি একটা ব্যবসা শুরু করি আলহামদুলিল্লাহ, এরপর পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নতুন পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে জমা করি, দীর্ঘ তিন মাস হয়রানির পরে, আমি পাসপোর্টটি হাতে পাই, উদ্দেশ্য ছিল আল্লাহর ঘর মক্কায় ওমরা হজ আদায় করার নিয়ত,আল্লাহ কবুল করলেন, ওমরায় যাওয়ার আগে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য জমা করি, তখন নিয়ম ছিল পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করতে হবে, যথারীতি আমার সাথে আমার নিকটস্থ থানার ডিএসবি পুলিশ অফিসার আমাকে বলে যে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য খরচ বাবদ ২০০০ টাকা দিতে হবে, আমি নিরুপায় হয়ে টাকাও দেই,
বাবার নামে মৃত শব্দটি লিখা ছিল না। বলা হয়েছিল এটা আর হবে না ফিরে যান আবার সম্পূর্ণ টাকা দিয়ে নতুন করে এপ্লাই করুন। কিন্তু পরবর্তীতে এক অফিসার ১৫০০ টাকা দাবি করেন এবং বলেন ব্যবস্থা করে দিবেন। পরবর্তীতে ১০০০ টাকা দিয়ে ফাইল জমা দিতে সক্ষম হই এবং পরবর্তীতে পাসপোর্ট হাতে পাই।
একটি মিথ্যা হত্যা মামলায় প্রায় ১০ জন নিরাপরাধ মানুষকে আসামী করা হয়েছিল যা মেডিকেল রিপোর্টে প্রমান হয়। ফলে যথা সময়ে মামলার চার্জশিট দাখিল করলে আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে যাবে বলে যানা যায়। কিন্তু তদন্ত কর্ম- কর্তা এবং ওছি মিলে ৩,০্০০০/- টাকা দাবী করে এই রিপোর্ট জমা বিলম্বিত করতে থাকে। এসপি সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেও লাভ হয়নি। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ১০০,০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে চার্জশিট দাখিল করাতে হয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয় আদালতে এটা শামিল করতেও ঘুষ দিতে হয়েছে। জামিনের ক্ষেত্রেও পিপিকে ঘুশ দিতে হয়েছে। ঘুশ ছাড়া কোন কাজ হয় না বাংলাদেশে!!!
আমার নানা মারা গেছে। তাই আমার মা খালা আর মামাদের নামে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নামজারী করার জন্য গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার আওতাধীন ভূমি অফিসে এই টাকা দিতে হয়েছে। বাড়ির ছেলে মানুষ প্রবাসে থাকে তাই দেশে কোনো ঝামেলায় যায় নাই। টাকা দিয়ে নামজারী করা হয়েছে।
hajur manush mathai tupi cilao akta document jonnow 1500