মিউটেশন তামিল
আমার ষোল সালে মিউটেশন করা। দীর্ঘদিন হতে এখন সরকারি খাজনা দিতে গেলে আমাকে তামিল করতে হবে। তার জন্য অনলাইনে হোল্ডিং নাম্বার বসানো বাব আমার নিকটে 5000 টাকা দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ষোল সালে মিউটেশন করা। দীর্ঘদিন হতে এখন সরকারি খাজনা দিতে গেলে আমাকে তামিল করতে হবে। তার জন্য অনলাইনে হোল্ডিং নাম্বার বসানো বাব আমার নিকটে 5000 টাকা দাবি করে।
সৈনিকেরা অবসর যাওয়ার অবসরের টাকা উত্তোলনে হিসাব নিকাশ শাখা এএফসি গুলোতে প্রতিনিয়ত নিরীহ সৈনিকদের কাছে লক্ষ টাকা বা তারও বেশি টাকা ঘুষ চাওয়া হয় না দিলে পেনশনের টাকা কম দেওয়া হয় সৈনিকেরা টাকা না পাওয়ার ভয়ে কষ্টের উপার্জিত টাকা দিতে হয় বিষয়টি কর্মকর্তারা জানলেও আমলে নেয় না কারণ তারাও ভাগ পায় প্রধানমন্ত্রী জানে কিনা জানিনা তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম জানে বিষয়টি উনি আমলে নিবেন না
বিভাগ ঢাকা জেলা কিশোরগঞ্জ করিমগঞ্জ থানায় জিটি করতে গিয়ে হয়রানি শিকার হয়ে পড়ে জিটি না করে ফিরে আসছে আর দালাল টাকা চেয়েছিলেন
During the Eid festival time, we have to pay this amount to BEPZA, adamjee EPz office as a bonus. No way, otherwise many issues will arise creating by the culprits.
উপজেলা ভূমি অফিসে দাগের অংশ সংশোধনের জন্য মিস কেস করি। সেটা সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আবেদনটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হস্তান্তর করে। ছয় মাস পেড়িয়ে যাচ্ছে দেখে আমি সেটার খোঁজ নিতে উপজেলা অফিসে যাই সেখান থেকে জানানো হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে রিপোর্ট এখনও আসেনি আমি যেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করি। আমি যথারীতি তাদের কথা মত ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করতে গেলে সেখান থেকে নায়েব আমার কাছে বিস্তারিত শুনে ফাইল বের করেন এবং বলেন তিনি নাকি প্রতিদিন ফাইলটা দেখেন কিন্তু ফাইলের লোককে খুঁজে পান না যদিও ফাইলে আমার ফোন নম্বরসহ ঠিকানা উল্লেখ ছিলো। তারপর আমি বলি এখন তো ফাইলের লোক কে খুঁজে পেলেন কাজ টা কতদিন হবে তখন আমাকে জানানো হলো আগামীকাল রোজা তাই আজকে দিনের মধ্যে পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে আজকের মধ্যেই কাজ টা হবে।
নাম জারি করতে প্রয়োজন ১১৫০ টাকা, সেখানে আমার কাছ থেকে অন্যান্য সবাইকে(এসি ল্যান্ড) ম্যানেজের কথা বলে, বেশি অর্থ দাবি করে-x নামে একটা ছেলে,পরে দিতে বাধ্য হয়েছি
বিদেশে যাওয়া সময় আমি বাংলাদেশ থেকে ৫ কারটন সিগারেট নিয়ে আসতে চেয়েছিলোম জা বাংলাদেশে অনুমতি আছে কিন্তু আমি যা দেখলাম আমাকে ইমিগ্রেশন বিভাগের একজন আন্সার আটকে দিয়েছে কারণ আমি একটু দামী সিগারেট এনেছিলাম এ কারণে তারা আমার কাছে টাকা দাবী করে আমি এবং তারা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে টাকা না দিলে আমাকে বিদেশ আসতে দিবে না আর তারা সবার থেকেই দামী সিগারেট রেখে দেয় এবং বাহিরের দোকানে তা বিক্রি করে আমি নিজে দেখেছি আর তারা সস্তা সিগারেট সরকারি কোশাগারে জমা দেয় জা তারাই কিনে এনে রাখে আমি খুবই লজ্জিত তাদের কারণে এবং হ্মতিগ্রস্ত আমরা এর বিচার চাই
বাবার মৃত্যুর পর প্রথম ঘুষ দিয়ে মেয়েদের জমি না দিয়ে ছেলেরা জমি নামজারি করে নেয়,পরে মেয়েরা আবার নামজারি বাতিলের আবেদন করে তখন টাকা নিয়ে নামজারি বাতিল করে,,,বলে বন্টন নামা ছাড়া কাউকে নামজারি করে দিবে না,, কিছুদিন পর আবার কোনো নোটিশ না দিয়েই টাকার বিনিময়ে ছেলেদের নামজারি করে দেয়,,পরে ছেলেরা কিছু দাগের জমি বিক্রি করে দেয়,,, কিছুদিন পর বোনরা খুঁজ পেয়ে বাকি দাগে নামজারি আবেদন করে,, এখন বলে দাগে দাগে নিতে হবে,,, অনেক টাকার বিনিময়ে বছরের পর বছর হয়রানি করতেছে,,, এখন 500000 টাকা দাবি করছে মেয়েদের কাছে,,, এখানে ভূমি অফিস ও এসিলেন্ট অফিস এর লোকেরা দুই পক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে,, বছরের পর বছর হয়রানি করতেছে
আমার স্ত্রীর অসুস্থতার কারনে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাই, আমার স্ত্রী এতোটাই অসুস্থ ছিলো যে , হুয়িল চেয়ার ছাড়া কোনো দিকে মুভ করানো সম্ভব হচ্ছিল না, মেডিকেলের হুইল চেয়ার নিতে গিয়ে দেখি ওখানকার আয়ারা হুইল চেয়ার তাদের নিজের দখলে রেখেছে, হুইল চেয়ার নিতে গেলে ৫০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে আমি প্রতিবাদ করলে ওয়ার্ড বয় সহ বেশ কয়েকজন আমার উপর চড়াও হয়, পরবর্তীতে কোন উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য হুইল চেয়ারটি নিতে হয়।
আমি সিটি কর্পোরেশন অনেক ২০২১_২২ পর্যন্ত দিয়েছি এখন বলতেছে ২০২৬-২৭ না হলে আমার ছেলে মেয়ের জন্ম নিবন্ধন দিবে না অন্যদিকে ৩ হাজার টাকা করে দিলে আমার জন্ম নিবন্ধন হয়ে যাবে। টেক্সট ভ্যাট কিছুই লাগবেনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ছাড়া যেসব সার্টিফিকেট সংশোধন করতে হয় অর্থাৎ ২০০০ সালের আগের সেসব করার জন্য স্ব-শরীরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যেতে হয় এবং রেজিস্ট্রেশন,এডমিট, মার্কশিট সব সংশোধন এর পরে সার্টিফিকেট সংশোধন। প্রত্যেকটা কাগজ সংশোধন এর জন্য ৬-৭ দিন লাগে কিন্তু ওখানের অফিস সহায়ক এক লোক আছে ও অনৈতিকভাবে প্রতিটি কাগজের জন্য ৫০০ করে টাকা নিয়ে ১ দিনের মধ্যে দেয় যার জন্য যাদের কাজ সময়মতো হবার কথা তাদের কাজ সময়মতো হয় না। অনেক সময় লেগে যায়। দূর দূরান্ত থেকে যারা এসব কাজের জন্য ঢাকায় আসে তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। একেকটা কাগজ ৭-১৫ দিন, সার্টিফিকেট সহ ৪ টা কাগজ করতে মাস খানেক, এর পিছে বসে থাকা লাগে। তার উপর আবার এরকম অনিয়ম।
টাকা দিলে আবেদন হতে শুরু করে সব কাজ করে দিবে। আর টাকা না দিলে নানান বাহানায় আবেদন বাতিল করে দেয়।
সরকারী খাদ্য সংগ্রহ করতে অগ্রিম লোন দেওয়া হয় তা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বরাদ্দ সাপেক্ষে বিল সমন্বয় করে।কিন্তু ট্রেজারী বিল ফেলে রাখে টাকা না দিলে সময় ক্ষেপণ করে।
জমি নাম জারি করতে গেলে তারা বলে এটা সমস্যা আছে,টাকা লাগবে।
জমির দাখিলা কাটা বাবদ ১০০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছিল। এই টাকা ছারা ওনারা দাখিলা দিবে না, বিভিন্ন সমসয়ার কথা বলে,টাকা দাবি করেছিল।
আমার মার বয়স্কভাতার কার্ড করতে এলাকার মেম্বার সাব চেয়েছে
দেখা হলে যেমন সালাম দেওয়া রীতি ঠিক তেমনি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে সরকারি খাতে ৩ হাজার টাকা জমা দিলে তাদেরকে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা করে স্বাভাবিক রীতিতে।
আমি আমার পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হয়েছিল বিধায় পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য নিজ থেকেই আবেদন সাবমিট করি। পরে অফিসে জমা দিতে গেল বলে আমার এনআইডিতে বাংলায় বাবার নামের শব্দে একটা স্পেস আছে কিন্তু আমি আবেদন এ তা দেই নি কেন। যেহেতু আমার সার্টিফিকেট কোন স্পেস ছিল না এবং পুরাতন পাসপোর্টেও কোন স্পেস ছিল না তাই দেই নি। তাই ওনারা বলে আগে আমার এনআইডি কারেকশন করা ছাড়া সম্ভব না । যেহেতু এনআইডি কারেকশন সম্ভব না তাই আমি বাইরে বের হবো এমন সময় এক দালাল এসে বলে যদি ১৫০০ টাকা দেই তাহলে করে দিবে। পরে আমি কোন উপয়ান্তর না পেয়ে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই। পরে যিনারা কিছুক্ষণ আগে আমার ফাইল নেই নি তারাই টাকা পেয়ে ফাইলটা নিল। যেটা নাকি কখনোই হবে না সে কাজটাই তারা টাকা পেয়ে করে দিতে পারলো। এই হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের ভোগান্তি।
আমার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে চাকরি হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এসআই ২৫০০ টাকা দাবি করে। ১৫০০ টাকা দিলেও উনি অনেক জোর করেন। বলেন ২৫০০ টাকাই লাগবে। বাধ্য হয়ে আমাকে পরিশোধ করতে হয়।
নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড অফিস। খারিজ করতে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব কাগজ ঠিক ছিল। এসি ল্যান্ড অফিসার নিজেই জড়িত।