নামসূচির সংশোধন
পৈত্রিক ভূমির ৩০ বছর আগের সরকারীভাবে প্রস্তুতকৃত নামসূচিতে দাগ নাম্বারে ভুল লিখিত ছিল। নামজারীর আবেদনে এই সমস্যার সম্মুখীন হলে দীর্ঘদিন এখানে সেখানে হ্যানস্থা হয়ে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ১৫০০০ টাকায় সংশোধনের চুক্তি করতে বাধ্য হই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৫২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পৈত্রিক ভূমির ৩০ বছর আগের সরকারীভাবে প্রস্তুতকৃত নামসূচিতে দাগ নাম্বারে ভুল লিখিত ছিল। নামজারীর আবেদনে এই সমস্যার সম্মুখীন হলে দীর্ঘদিন এখানে সেখানে হ্যানস্থা হয়ে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ১৫০০০ টাকায় সংশোধনের চুক্তি করতে বাধ্য হই।
সিটি স্ক্যান করার সময় একটা মেডিসিন দিতে হবে এই কথা বলে এক্সট্রা ৩০০০ টাকা নিচ্ছে কিন্তু পরে ওই মেডিসিন দেয় নাই
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এ আউটসোর্সিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য জমা দিয়েছিলাম। টাকা দেইনি বলে এখনো লাইসেন্স দিচ্ছে না।
বাইরের দোকান থেকে সব কাগজ পত্র দিয়ে অনলাইনে আবেদন করে সব কাগজ গুলো নিয়ে সিটি করপোরেশন ওয়ার্ড আফিসে কম্পিউটার অপারেটরের নিকট জমা দিলাম, উনি ( সব চেক করলেন অতঃপর ১৫০ টাকা খরচ চাইলেন যেহেতু আমার খুবই প্রযোজন তাই দিতে বাধ্য হলাম।
Amat passport renew korte giyechilam. Sekhaner officer sob papers check kore dekhe bollo apnar NID card er photocopy attested korate hobe. Otherwise apnar e kaj amra korte parbo na. Amar kotha holo NID card kano attested korate hoy? r amar already passport ache. Se vodro lok tokhon ekjon ke diye 2000 taka dabi kore but ami seta kori nai. Nirbachon office e giye attested koriye then porer din papers joma dei. Ei holo obosta.
সহকারী ভুমি কর্মকর্তা কর্তৃক নামজারি আবেদন এর প্রস্তাব প্রেরণ করার জন্য রংপুর মে্েট্রাপলিটন সার্কেল এর উত্তম ভূমি অফিসের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা ১০০০ বা ৫০০ টাকা না দিলে প্রস্তাব প্রেরণ করেন না। ফলে নামজারি শুনানীর তারিখ দেয়া হয় না। সরকারি নিয়মানুায়ী তিনগুন বেশি সময় ধরে উক্ত উত্তম ভূমি অফিসে আবেদন পরে আছে।
পোস্টিং এর জন্য ৮ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল আমি পরের তিন হাজার টাকায় মিটিয়ে ছিলাম
সার্টিফিকেট তোলার বিনিময়ের টাকা
২০২৩ সালে যখন প্রাইভেট ব্যাংকে ছিলাম তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য ৩ হাজার টাকা নেয়। এবং ২০২৫ সালে যখন সরকারি ব্যাংকে এসেছি তখন পুলিশ ভেরিফাই করার জন্য ১ হাজার টাকা নেয় বিকাশে
60k tk besi dabi kore noito land registration hobe na.
অত্র উপজেলার উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের অডিটর সাহেব বিভিন্ন দপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের জন্য প্রতি বরাদ্দ থেকে ৪% পিসি আদায় করেন ।
আমি জন্ম নিবন্ধন এর একটি নাম সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম তো সেখান থেকে আমার কাছ থেকে ৩৫০০ টাকা চেয়েছিল। পরে অন্য একজন ১০০ টাকা কম দিয়ে করার জন্য বলেছিল। পরে আমি এখান থেকে চলে এসেছি এখন আমার জন্ম নিবন্ধনটা হয়নি সংশোধন হয়নি
কোন নোটিশ ছাড়া লাইসেন্স করতে গিয়ে দেখি দোকানের সাইনবোর্ড বাবদ ২০০০ টাকা বাড়িয়েছে আবার প্রিন্ট কপি বের করে দিতে ১০ দিন লাগবে বলে। আমি ৫০০ টাকা অফার করতেই ২ মিনিটেই দিয়ে দিলো
নামজারির জন্য প্রদানকৃত কাজ আটকে ছিলো, পরে ঘুষের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করে
জমির মুল দলিল তুলতে গেলে প্রথমে ২/৩ বার ঘুরাইছিল আজ না কাল- কাল না পরশু এভাবে, তারপর অতিরিক্ত টাকার দাবি ৪ টা দলিলে ২০০০ টাকা , এরপর তাদের অফিসের দালার ধরে ১৫০০ টাকায় দপা রফার মাধ্যমে দলিল হাতে পায়...। (ফকিরহাট রেজিষ্টি্র অফিস)
এসএসসি সার্টিফিকেট সংশোধন করতে গিয়ে সরকার ফি এর পর আরো ৩ হাজার টাকা ঘুষ দিয়েছি
আমি মতলব পৌর এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ২০২৩ সালে ক্রয় করেছি (সাফকাবলা)।এই পর্যন্ত তিন বার খারিজ আবেদন করেছিলাম বাতিল করে দিয়েছে। দাবিকৃত ৪০০০০ হাজার টাকার মধ্যে ১৫০০০ অগ্রীম দিয়েছি , এখন আমাকে বললো আপনার কাজ হবে না।আমি এখন কোথায় কি করবো বুঝতে পারছি না।
৩০৩ নাম্বার কাউন্টার ফাইল রিজেক্ট করে যতই ফাইল ঠিক থাকুক না কেন। এমনভাবে কাটবে যেন আবার নতুন করে করতে হয়। আর কথায় কথায় অপমান করবে। পুরো পাসপোর্ট অফিস একটা রেফারেন্স কোডের উপর চলছে। ৩০৩ এ রিজেক্ট হবার পর নিচে কিছু দালাল থাকে তাদের সাথে কথা বলে জানলাম একটা কোড দেখালে উনারা আর কিছুই দেখবে না আর এই কোড পেতে গেলে তাদেরকে টাকা দিতে হবে। আমি অনেক বার্গেইনিং করে ১৫০০ টাকায় আনলাম৷ তাদের মধ্যে একজন বলল, অফিস কর্মকর্তাদের ১৩০০ দিতে হয় আর ২০০ টাকা তাদের লাভ। তারা একটা সিল দিলো পেমেন্ট রেফারেন্স কোড এর ঘরে। এই কোডটা দিয়েই যত ইনকাম পুরো পাসপোর্ট অফিসের লোকেদের। বাধ্য হয়ে কাজটা করে নিয়ে ৫০১ নাম্বার রুমে গিয়ে জমা দিলাম উনারা আমার সেই কোডটাই শুধু দেখলো আর এপ্রুভ হয়ে গেলো।
সিভিল সার্জন অফিসে সরকারি চাকরির মেডিকেল সনদ পেতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য জনপ্রতি ৫০০ টাকা দাবি করা হয়েছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর রেফারেন্স নম্বর পাওয়ার পর ২ বছর পার হয়ে যায় এর পর যোগাযোগ করলে জানতে পারি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর তথ্য নাকি ওয়েব সাইট থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে, তথ্য ফিরে পেতে ৫০০ টাকা দিয়েছি এবং দ্রুত স্মার্ট কার্ড হাতে পেতে ৫০০ টাকা পরিশোধ করি। এর পর স্মার্ট কার্ড হাতে পাই।