ফায়ার লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্স, কলকারখানা ও শ্রমিক লাইসেন্স
দেখা হলে যেমন সালাম দেওয়া রীতি ঠিক তেমনি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে সরকারি খাতে ৩ হাজার টাকা জমা দিলে তাদেরকে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা করে স্বাভাবিক রীতিতে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দেখা হলে যেমন সালাম দেওয়া রীতি ঠিক তেমনি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে সরকারি খাতে ৩ হাজার টাকা জমা দিলে তাদেরকে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা করে স্বাভাবিক রীতিতে।
আমার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে চাকরি হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এসআই ২৫০০ টাকা দাবি করে। ১৫০০ টাকা দিলেও উনি অনেক জোর করেন। বলেন ২৫০০ টাকাই লাগবে। বাধ্য হয়ে আমাকে পরিশোধ করতে হয়।
নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড অফিস। খারিজ করতে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব কাগজ ঠিক ছিল। এসি ল্যান্ড অফিসার নিজেই জড়িত।
পিবর বাজারের জানগ্রামের একজন মুহরি,জমি খারিজ করতে লাগে ১১০০ টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে ২০০০০ টাকা, খাজনাও পরিশোধ করেছে।যাইহোক টাকা নিলেও কাজ করেছে। বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা ভুমিকা অফিসে ঘুষের রাজত্ব, জমি দলিল করতে গিয়েছিলাম, ঘুষ দিয় করতে হয়েছে, লিগাল কাজ তাও ঘুষ দিতে হয়
জমির কর দিতে গিয়ে আমাকে বলা হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা বকেয়া আছে। আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বললে পরে ৬ হাজার টাকা দিলে হবে বলা হয়। শেষ পর্যন্ত অনলাইনে ৩ হাজার টাকার রশিদ পাই। তাহলে প্রথমে এত বেশি টাকা কেন চাওয়া হলো, সেটাই বুঝতে পারছি না।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর আমি আমার বাবার টিন সার্টিফিকেট বন্ধ করতে যাই‼️ তখন ওরা আমাকে এটা-ওটা দেখিয়ে ২০০০০ টাকা জরিমানা করে। সেটা আমি পরিশোধ করার পর, বললাম এখন আমার বাবার টিন বন্ধ করে দিন। তখন ওরা বললো ফাইল বন্ধ করার জন্য ২৫০০০ টাকা লাগবে। আমার বাবা মারা গেছে ৫ বছর। এখনো আমি এই ফাইল নিয়ে ঘুরতেছি‼️
প্রতি পর্যায় অফিসেও পুলিশ ৩ বার ঘুষ নিয়েছে তাঁর বিনিময়ে পাসপোর্ট প্রাপ্তি এগিয়ে দিয়েছে।
পাসপোর্ট এর সাথে জন্মনিবন্ধন এর বয়সের ৪ বছরের ব্যবধান ছিল। ১৫,০০০ টাকার বিনিময়ে দোহার উপজেলা অফিসের UNO সাহেবের সহকারী ১৫০০০ টাকা দাবি করে। সেই দাবি পুরন করে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করানো হয়েছে। UNO সাহেবের ID & PASSWORD এই UNO সাহেবের সহকারী ই ব্যবহার করে। তিনি বয়স সংশোধন এর জন্য টাকা ছাড়া কাজ করে না। যত শক্ত ডকুমেন্টস থাকুক।
আমি সাবস্টেশন ব্যাবসা করি . পতিটা সাবস্টেশন লাইন্সেস করতে হলে ঘুস দিতে হয় ,
মৃত্যুর সনদপত্র একবার তুলতে খরচ হয় ৩৫০ টাকা/ কোন কারণবশত হারিয়ে গেলে /আবার তুলতে গেলে ৫ টাকার পরিবর্তে আবার ৩৫০ টাকা দিতে হয় /সবচাইতে ইউনিয়ন পরিষদে ঘুস হয় লেনদেন বেশি
সেবাটি ছিলো জমি সংক্রান্ত, দলিলসহ জমির সকল ডকুমেন্টস থাকার পরেও এসিল্যান্ড অনুমোদন দিচ্ছেন না.. যোগাযোগ করা হলে তিনি বিভিন্ন তালবাহানা করেন এবং উনার অফিসের সহকারীরা স্যারের খরচ হিসাবে টাকা দাবি করতেছেন!
দেশের সবচেয়ে বড় চাঁদাবাজ একাউন্টস অফিসাররা। সরকারি বিলও পার্সেন্টেজ ছাড়া বিল ছাড়ে না। ৫-১৫% পর্যন্ত তাদের দিতে হয়।
আমার মায়ের পাসপোর্ট করছি ওমরা হজ করার জন্য সেখানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে পাসপোর্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে আমি পরিচয় দিছি আমি আর্মির লোক আমার বেলায় ঘুষ নেন কিন্তু আমার মায়ের পাসপোর্ট এর ব্যাপারে ঘুষ নিয়েন না তারপরও সে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সো আই এম ভেরি স্যাড
আমি আমার পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হয়েছিল বিধায় পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য নিজ থেকেই আবেদন সাবমিট করি। পরে অফিসে জমা দিতে গেল বলে আমার এনআইডিতে বাংলায় বাবার নামের শব্দে একটা স্পেস আছে কিন্তু আমি আবেদন এ তা দেই নি কেন। যেহেতু আমার সার্টিফিকেট কোন স্পেস ছিল না এবং পুরাতন পাসপোর্টেও কোন স্পেস ছিল না তাই দেই নি। তাই ওনারা বলে আগে আমার এনআইডি কারেকশন করা ছাড়া সম্ভব না । যেহেতু এনআইডি কারেকশন সম্ভব না তাই আমি বাইরে বের হবো এমন সময় এক দালাল এসে বলে যদি ১৫০০ টাকা দেই তাহলে করে দিবে। পরে আমি কোন উপয়ান্তর না পেয়ে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই। পরে যিনারা কিছুক্ষণ আগে আমার ফাইল নেই নি তারাই টাকা পেয়ে ফাইলটা নিল। যেটা নাকি কখনোই হবে না সে কাজটাই তারা টাকা পেয়ে করে দিতে পারলো। এই হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের ভোগান্তি।
বাৎসরিক ৬০ হাজার টাকা আয় কর এসেছে। কর কর্মকর্তা বললেন আপনি আমাকে 7000 টাকা দেন আর সরকারি খাতে তিন হাজার টাকা জমা দেবো। তাতেই আপনার বাকি ৫০ হাজার টাকা কর মৌকুফ করে দেয়া হবে।
জমির পরিমাণ ২১ শতাংশ। ২০২২ সালে প্রথম ধাপে জরিপের কাজ করে জমি রেকর্ড করে খতিয়ান স্বাক্ষর করতে ২০০০০.০০ টাকা নিয়েছিল। ২য় ধাপে বর্তমানে আবার কাজ চলমান আছে। ঐ খতিয়ানের অরিজিনাল কপিতে ২য় বার স্বাক্ষর করাতে হয় এটাই নিয়ম। ২য় বার সহকারী স্যাটেলমেন্ট অফিসার দিয়ে স্বাক্ষর করতে ২০০০০.০০(বিশ হাজার) টাকা দিয়েছি। টাকা না দিলে কাগজ ঠিক নাই বলে তালবাহানা করে। ### প্রতি বুধবার এবং বৃহস্পতিবার সহকারী স্যাটেলমেন্ট অফিসার ঢাকা/সাভার থেকে আসেন। অফিসে গোপনে অবজারভেশন করলে সহজেই ধরা যাবে।
ধরুন আদালতে কেস ফাইল করতে যাবেন। কোন মামলার ডেট জানতে জানতে যাবেন। রেস্টুরেন্ট সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানতে যাবেন। এরকম বিবিধ যেকোন আদালত সংক্রান্ত কোন কাজ করতে হলেই প্রতি কথায় টাকা দিতে হবে। *****এরকম একটি প্রচন্ড দুর্নীতিবাজ সেক্টরের নাম আপনাদের লিস্টে উল্লেখ করা নেই এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়।
🚨 শাহজাদপুর থানার রাতের টহলে সিএনজি ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন শাহজাদপুর থানায় দীর্ঘদিন ধরে রাতের নাইট ডিউটি, নাইট পেট্রোলিং এবং আসামি ধরাসহ বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালনের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রায় ৪টি সিএনজি/অটোরিকশা ব্যবহার করা হয়—এমন অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সিএনজি চালকদের দাবি, এসব গাড়ি রাতের বেলায় থানার সরকারি কাজে ব্যবহার করা হলেও গাড়ি ভাড়া, জ্বালানি খরচ কিংবা চালকদের জন্য কোনো পৃথক অর্থ প্রদান করা হয় না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের গাড়ি ও জ্বালানি ব্যবহার করে সরকারি দায়িত্ব পালনে সহায়তা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সিএনজি চালকরা থানায় একাধিকবার কথা বললেও তারা সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী কোনো সমাধান বা পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাননি বলে দাবি করছেন। এখন তাদের প্রশ্ন— 👉 সরকারি দায়িত্ব
পাসপোর্ট অফিসে গেছিলাম,কাগজপত্র সবই ঠিক ছিলো, কোন সমস্যা নাই। ছিলো না শুধু 'চ্যানেল' নামের ঘুষবানিজ্য । তাই আর পাসপোর্ট হয়নি।
আমি একটা ডাঃ দেখাতে গিয়েছিলাম সরকারি হাসপাতালে,,আমকে অনেক সময় দারা করিয়ে রাখছে,, 100 টাকা দিলে আগে সিরিয়াল দিবো,, নাইলে সিরিয়াল পাইতে দুপুর হয়ে যাবে,, আমার বউ অন্তঃসত্ত্বা তাই আমি 100 টাকা ঘুষ দিয়ে আগে ঢুকেছি,, তারপর ডাঃ আমাকে না দেখে বলে,, আপনি এখানে ভালো চিকিৎসা হবে না আপনি আমার চেম্বারে আসেন তাইলে আমি আপনারে ভালো চিকিৎসা দিবো,,