namjari and khajna
namjari , kortey taka lagbey..
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
namjari , kortey taka lagbey..
এখানে নিয়ম আছে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে কোন পরিক্ষায় পাশ করতে হবেনা শুধু উপস্থিত থাকলেই পাশ বিনিময়ে 2700 টাকা দালালেল মাধ্যমে অফিসে দিতে হবে
দালালের কাছে দিতে হয়েছিলো।
সরকারি চাকরিতে নতুন যোগদান করলে এবং টিএ/ডিএ বা প্রোমোশন বা বেতন সংক্রান্ত যেকোনো কাজে টাকা না দিলে কাজ করে না।
শিক্ষক নিয়োগ ( এনটিয়ারসিএ) বাবদ প্রিন্সিপাল এর চাহিদা যা নিয়ম বহির্ভূত। টাকা লোভী এই প্রিন্সিপাল টাকা আদায় করতে মরিয়া,,,যত দেই না কেন তার হাউস আর মেটে না।
পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার জন্য পুলিশ ভ্যারিফিকেশনে চা নাস্তার টাকা চাইছিল। শেষ মেশ ৯০০ টাকা নাস্তার বিল দিয়ে পাসপোর্ট হাতে পাইছিলাম ২০২২ সালে৷ 😐
পরীক্ষায় পাশ করার পরও টাকা না দিলে লাইসেন্স দেইনি।তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
jonoiko bekti mara jawar por pension er taka tulte giye ghush dite hoyeche.
school certificate tulte gecilam, setar jonno 1000 taka caicilo pore 500 tk dici.
বরিশাল সিটি কর্পোরেশেরন সিভিল ইঞ্জিনদের সবাই 2/3টি বাড়ি তারা কত টাকা বেতন পাই তার কি ভাবে এত সম্পতির মালিক হয় কি ভাবে তাদের ব্যাপারে তদন্ত করা উচিত
চাকরির বেতন চালু করার জন্য সবাই মিলে ৫০০ টাকা করে তুলে জমা দেওয়ার পর বেতন চালু করে দিয়েছিলো।
অভিযোগের মূল বিবরণ:বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও হয়রানি: জমির মালিকদের বৈধ দলিল ও খতিয়ান থাকার পরও জরিপ সংশ্লিষ্টরা অসৎ উদ্দেশ্যে বলছেন, "কাগজপত্রে ভেজাল আছে।"জমি হারানোর হুমকি: দাবীকৃত ঘুষ না দিলে রেকর্ড ভুল করা বা জমি ঠিক থাকবে না বলে সরাসরি হুমকি দেওয়া হচ্ছে।টাকার বিনিময়ে পর্চা প্রদান: যার টাকা আছে, সে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে নিজের সুবিধা মতো পর্চা বানিয়ে নিচ্ছে।অভাবীদের অসহায়ত্ব: টাকার অভাবে অনেক সাধারণ মানুষ তাদের সঠিক পর্চা বা রেকর্ড বুঝে পাচ্ছেন না।দাবীকৃত টাকার পরিমাণ: ভুক্তভোগীভেদে ১০,০০০ টাকা থেকে ৫০,০০,০০০ (পঞ্চাশ লক্ষ)টাকা পর্যন্ত বিশাল অঙ্কের অর্থ দাবি করা হচ্ছে।অনুরোধ ও দাবি:গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের গাছা থানার ৩৫ নং ওয়ার্ডের কলমেশ্বর গ্রামে জরুরি ভিত্তিতে সরজমিনে তদন্ত করুন।
ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে বাবার পাসপোর্ট তৈরি করতে সকল কাগজপত্র, প্রসিডিউর মেইনটেইন করে রাজশাহী পাসপোর্ট অফিসের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছি। ২-৩ ঘন্টা পর জমা দিতেই অপ্রাসঙ্গিকভাবে বলল- ভুল গুলো ঠিক করে নিয়ে আসুন। কাগজপত্র হাতে নিয়ে আবারো যাচাই করে দেখলাম কোন ভুল নেই। এক দালাল বলল,ভাই ! ১৫০০/ লাগবে, ওকে করে দেব। বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে সারাদিন হয়রানির পর বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল।
আমার স্ত্রী সন্তানদের পাসপোর্ট করার আবেদন করি, কিন্তু নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিস একটা বিশেষ গোপনীয় চেইন ব্যবহার করে। যার কারণে আপনি তাদের সেইম মেনটেন না করলে সবকিছু ঠিক থাকলেও আপনার পাসপোর্ট হবে না।
আমার একটি রাজনীতিক মামলা ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে, পরে সে মামলা খালাস পেয়েছি, আমি যখন পাসপোর্ট রিনিউ করতে যাই তখন আমাকে মামলা আছে বলে পাসপোর্ট আটকে রাখছে, আমি খালাস এর সমস্ত ডকুমেন্ট দেখানোর SB Police আমার কাছে ১০০০০ টাকা চেয়েছে। পরে আমি ৭০০০ টাকা দিয়েছি। কিন্তু ১ সপ্তাহে পরে আমাকে কল দিয়ে বলে, আমার পাসপোর্ট দেয়া যাবে না। পরে আমি বাধ্য হয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের যাওয়ার এই পাসপোর্ট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছি।
আমার বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। উনি ২০২২ সালের মে মাসে অবসরে যান। আবেদন পরবর্তী সুদীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় আমি বিভিন্নভাবে চেষ্টা করি অসুস্থ বাবার টাকাটা পেতে। তখন ২০২৪সালে ঢাকাস্থ পলাশীতে অবস্থিত বেনবেইস ভবনে এক সিনিয়র লাইব্রেরিয়ান আমার কাছ থেকে নগদ ১ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। এরপরে আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ওই ব্যক্তি আমাকে আর চিনে না বলে জানিয়েছেন। বহুচেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। খুব অসহায় হয়ে পড়ছি
ছোট ভাই আর্মি তে জবের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য আমাদের বাড়িতে আসে বলে রাখা ভাল আমার আম্মু বাড়িতে একাই ছিলেন তখন , অই কর্মকতা আমার ভাইয়ের অরজিনাল সার্টিফিকেট নেয় এবং আম্মুর সাথে খুবি বাজে ব্যাবহার করে এন্ড বলে যে তাকে চা খাওয়ার জন্য ৫০০বা ১০০০ টাকা দাবি করেন। আম্মু টাকা দিয়ে বিদায় করে দেয়
গতকাল নতুন পানির সংযোগের জন্য ওয়াসার বারিধারা অফিসে আবেদন করতে যাই। আবেদন প্রক্রিয়ার সময় ওয়াসার একজন কর্মকর্তা পানির লাইন ফাইনালি সংযোগ দেওয়ার জন্য আমার কাছে ১৫,০০০ টাকা দাবি করেন। তিনি বলেন, আমি চাইলে নিজে নিজেও সংযোগের কাজ করতে পারি, তবে সেক্ষেত্রে অনেক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “আমাকে ছাড়া কীভাবে সংযোগ পাবেন, সেটাও দেখার বিষয়।” একজন ওয়াসা কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য ও নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক মনে হয়েছে।
হাটহাজারী থেকে রাঙ্গামাঠি রোডে প্রতিদিন কুন্ডেশ্বরী ট্যািকনিক্যেল কলেজের সামনে ও গহিরার পরে ও গ্রামের সড়ক এজহাররের দোকানের সামনে পুলিশ বসে থাকে,প্রতিটি বাইক,সিএনজি ও ইটের গাড়ী তো আছেই সবাইকে দিতে হয় টাকা ওপেন টাকা নিচ্ছে না হয় হয়রানী করতেছে যার কোন মা বাপ নাই ।বাইকার ও সিএনজি ওয়ালারা অতিষ্ঠ ওনাদের অত্যাচারে । এই অত্যাচার জুলুম হয়রানী বন্ধ হওয়া জরুরী।
জজ কোট থেকে আমার মামলার কপি আছে ওই কপি আমার বাড়িতে পৌঁছে দিয়া এই টাকা দাবি করছে