Ibass++ data approve for new employee
মিষ্টি খাওয়ার জন্যা বললে। আমার অফিসার বললো ৫০০/- টাকা দিতে। দিলাম। বলে ৫০০/- টাকায় ভালো মিষ্টি হবে না। তারপর মোট ১০০০/- টাকা দিতে হলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
মিষ্টি খাওয়ার জন্যা বললে। আমার অফিসার বললো ৫০০/- টাকা দিতে। দিলাম। বলে ৫০০/- টাকায় ভালো মিষ্টি হবে না। তারপর মোট ১০০০/- টাকা দিতে হলো।
যতটুকু মনে পড়ে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখে আমার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়া যাওয়ার সময় আখাউড়া -আগরতলা বর্ডারে বাংলাদেশ সাইট এ কাস্টম অফিসার আমার কাছে বাংলাদেশী টাকা ৩৫হাজার টাকা থাকায় ১৫০০টাকা ঘুষ চায় । আমি সেটা দিতে বাধ্য হই, আমরা যেহেতো করোনা টাইম এ গিয়েছিলাম তাই বেশি আর্গুমেন্ট করি নাই ।
অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র, সমাজকল্যাণমন্ত্রণালয় এর একটি প্রজেকট, এটি সরকারি হবে এই কথা বলে এখানে সবার কাছ থেকে বিভিন্ন পদে বিভিন্ন টাকা নেওয়া হয়। ৫ লাখ থেকে ২৬ লাখ। প্রায় ২০০ এর বেশি মানুষ। তারপর আমাদের নামে বা বিভিন্ন খাতে আসা টাকা তো পাই না। উল্টা বেতন চাইলে, রিজাইন দিতে বলে দেয়৷ অলরেডি ডিপিডি কে কাজ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। কেও বিদ্রোহ করলে শূন্য পদ ঘোষণা সহ অনেক অত্যাচার চলছে। সরকারি জব সোনার হরিণ। এই আশায় সবাই এসেছে। আবার বলছে রাজস্ব তে এই প্রজেকট গেলে আমাদের কাছ থেকে আবারও ৭/৮ লাখ নেওয়া হবে। কেও না দিলে তার পদ সরকারি হবে না। অনেক গুলো পদ এমনি খালি আছে, অনেকেই পরীক্ষা দিয়ে হলেও ঢুকতে চায়৷ কিন্তু টাকা ছাড়া কাওকে নেয় না। এজন্য পদ শুন্য হয়ে থাকে এবং ঢাকার বাইরে প্রতিবনধীরা সঠিক সেবা
আমি একজন এমপি ভুক্ত হাই স্কুলের টিচার, স্কুল কমিটি অন্যায় ভাবে আমার অ্যাকাউন্ট লক করে রেখেছিল যাতে বেতন উঠাতে না পারি। সেই বেতন উঠানোর জন্য শ্রীপুর উপজেলার শিক্ষা অফিসার আমার কাছ থেকে 5000 টাকা নিয়েছে। আমি নিরুপায় হয়ে তাকে 5000 টাকা পরিশোধ করি।
৫১ শতাংশ জমির নামজারির জন্য ঘুষ নেয়া হয়।
একটা প্লান জমা দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকা দাবি করে।
Govt job ar 1st month ar beton korte misti khawar jonno dite hoy, Auditor der .
তদন্ত রিপোর্ট এসেছিলেন নায়েব।তাকে যাওয়া আসা বাবদ ১০০০ টাকা দিয়েছি।সে নিয়েছে।
টাকা না দেওয়ায় লিখিত পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছে।
খরচ হিসেবে চেয়েছিলেন।
টাকার মাধ্যমে ছাড়া হবে না কাজ।
গার্মেন্টস শিল্পের জন্য আমাদের প্রায়ই ঢাকা বিমানবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি করতে হয়। গত এক বছর ধরে Dhaka বিমানবন্দরের ভেতর থেকে প্রতিটি প্যাকেজ খুঁজে বের করার জন্য আমাদের ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। সিঅ্যান্ডএফ (C&F) কর্মীরা সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না, তাই পণ্য খুঁজে বের করার বিষয়টি শ্রমিকের ওপরই নির্ভর করে।
পূর্বধলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে দু"র্নী"তি"র মহোৎসব: নেত্রকোনার পূর্বধলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চলছে দুর্নীতির মহোৎসব। অফিস সহকারী,,, এবং নকলনবিশ,,, সিন্ডিকেটের কাছে জি"ম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা। সরকারি নির্ধারিত ফির তোয়াক্কা না করে গ্রাহকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এই চক্রের বি"রু"দ্ধে।
পতেঙ্গা সিবিচ মোড়, রিং রোড, চট্রগ্রাম এলাকায় প্রতিদিন ট্রাফিক পুলিশ গাড়ির ডকুমেন্ট চেক করার নামে হয়রাণী করে থাকে। ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরেও বিভিন্ন অযুহাতে মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করে থাকে। অত্র এরিয়ায় চলাচলকৃত সকল গাড়িই তাদের হয়রাণীর স্বীকার। স্থানটা একটু রিমোর্ট এলাকায় হওয়ায় ট্রাফিক পুলিশের এমন অবৈধ কার্যক্রম সিএমপি উর্ধতনের নজরদারীতে নেই বলে মনে হচ্ছে।
বদলি হওয়ার পর যোগদান করলে,অফিসের কেরানি বলে কিছু কাজ করতে হবে।কিছু খরচ আছে।ওনি তাই ১০০০ টাকা দাবি করে।তার মতে অফিসে যথেষ্ট কর্মচারী নাই,ওনি ৩ জনের কাজ একাই করে।তাই বাড়তি টাকা, ওনি ওনার নিজের বাড়তি কাজের জন্য নেন।
লটারিতে ভূমি অফিস নির্মানের কাজ পেয়েছিলাম। কাজের চুক্তি করার জন্য অফিস খরচ হিসাবে ৫০,০০০/- টাকা ঘুষ দাবি করেছিল ইঞ্জিনিয়ার সাহেব, না দিলে চুক্তি ডিলে করতেছিল এবং নানা জটিলতা তৈরী করছিল। পরে, পরিশোধ করে কাজের চুক্তি করেছিলাম।
জমি ক্রয়/বিক্রয় রেজিস্ট্রি করতে গেলে, প্রতি দলিলে "সমিতি" বা "এই সেই" বলে সরকারি খরচের বাইরে ৫,০০০ টাকার বেশি নিয়ে যায়। আমি একটি কোম্পানিতে ছিলাম বিধায়, আমার হাতে কয়েকটি রেজিস্ট্রি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমাকে প্রত্যেক দলিলেই তা পরিশোধ করতে হয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের কাজ ছিল । সরকারি ভাবে ফি ছিল ৯০০০ টাকার মত । অতিরিক্ত ১০০০ টাকা নিয়েছে চা নাস্তা খাওয়ার জন্য । চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ওয়াসা মোড়ের অফিসে হয়েছিলো ।
ভুটিয়াঘাটা ভূমি অফিস খুলনাতে নামজারি করতে গিয়ে রাইঙ্গামাড়ি মৌজাতে আমার জমি ছিল, আমাকে ৯ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছিল যেখানে কোন সমস্যা ছিল না আমার জমিতে
রাঙ্গুনিয়া থানার অন্তর্গত চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিটি মৃত্যু সনদ বাবদ ৩০০ টাকা করে দুইটির জন্য ৬০০ টাকা জমা নেন, কোন প্রকার রশিদ প্রদান করেনি। সরকারি গ্যাজেট মোতালেব যার ফি প্রতিটি ৫০ টাকা।