নামজারি
টাকা না দিলে নামজারি আবেদন রিজেক্ট, কিন্তু যদি টাকা দেয়া হয় সেইম ফাইল এপ্রোভ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে নামজারি আবেদন রিজেক্ট, কিন্তু যদি টাকা দেয়া হয় সেইম ফাইল এপ্রোভ।
স্কুল থেকে আম্মার নাম ভুল থাকায় সেটি আমার nid তে ভুলভাবে লিপিবদ্ধ হয়। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসে একজন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে ঐ ব্যক্তি জিজ্ঞেস করে অক্ষর কয়টি ভুল। আমি যখন বললাম ২টি তখন উনি আমাকে বলে এটা ঠিক হবে না । আর হলেও ৫০০০০/ দিতে হবে। আমি ঐ পথে আর এগুই নি। এখন আমি আমার ssc ,hsc এ্যাক্সমের সার্টিফিকেট ও অন্যান্য ডকুমেন্ট ঠিক করছি। এফিডেভিট , ওয়ারিশ সনদ ও নাগরিকত্ব সনদ করতে হয়েছে। এতেও আমার এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০০০/ মত খরচ হয়েছে। তবে আমি ঠিক করেছি আমার লিগ্যাল ওয়ে তে দরকার হলে আরও টাকা গেলে যাবে তবে ১ টাকাও দালাল কে দিবো না।
উচ্চমান সহকারী এর মাধ্যমে অর্থ দাবি করা হয়, নিজের দপ্তর থেকে পাশ করে আনা কাগজপত্রের ভুল, মিথ্যা বিভাগীয় মামলা দায়ের করবে বলে হুমকি দেয় । প্রায় এক বছর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্নভাবে টাকা দাবি করে । বিভিন্ন সময় টাকা নেই, ও সর্বশেষ পেনশন মঞ্জরের সময় একসাথে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয় ।
একটি এনজিওতে কাজ করার সময় প্রকল্পের জন্য প্রতি বছর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রত্যয়নপত্র নিতে হতো। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ম্যাজিস্ট্রেট এসে প্রকল্প যাচাই করে বৈধ রিপোর্ট দেওয়ার পরও একজন অফিস সহায়ক সেটি হস্তান্তর করছিলেন না । ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে টাকার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই বৈধ রিপোর্ট পেতেই ২০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল। ম্যাজিস্ট্রেটদের জানিয়েও সমাধান হয়নি। তাঁদের বক্তব্য ছিল, তাঁরা বদলি হয়ে যান, কিন্তু এসব কর্মচারী বছরের পর বছর একই জায়গায় থেকে যায়। এই অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, দুর্নীতি কীভাবে প্রশাসনের ছোট একটি ধাপেও পুরো প্রক্রিয়াকে জিম্মি করে রাখতে পারে।
আমার ২৫হাজার মূল্যের ফোন গত ২০২৬ সালের প্রথম ঈদে চুরি হয়। পরে আমি সাথে সাথে আমার থানা অর্থাৎ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় জিডি করলে তারা সেটা দেখবে বলেছিল। পরবর্তীতে আমার ওই ফোনটি একটিভ আছে সেটা আমি জানতে পারি পরে থানায় গেলে তাদের জানাই যে আমার ফোন একটিভ আছে তবুও আপনারা কেন বের করছেন না? পরে তারা আমার থেকে ১৫০০ টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছে। তবুও আজকে প্রায় দেড় মাস পার হয়ে গেল তারা আমার ফোন বের করে দেয় নি।
দলিল লেখক জমি রেজিস্টারে সরকারি ফ্রী এর অধিক ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে। ইহা একটা সিন্ডিকেট। শহরের চেয়ারম্যান,পৌর মেয়র, সাংবাদিক সহ সকল স্তরের নেতাকর্মী জড়িত। এরা সবাই বিভিন্নভাবে অংশ পায়। আমার মনে হয় সব সাবেরিস্ট্রি অফিসে একই অবস্থা। সবাই জানে, কিন্তু কোন ফল আসছে না। পুরা সিন্ডিকেট না ভাঙলে, এটার সমাধান হবে না।
পেনশনের কাগজপত্র বারবার রিজেক্ট হচ্ছিল অডিটে যাওয়ার পরে তখন ওখানকার অফিসার যিনি আমার ফাইল এর দায়িত্বে ছিলেন তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন সবকিছু লিখতে কষ্ট হবে তাই 6000 টাকা দিতে হবে। তিনি বলেন দ্রুত হয়ে যাবে কাজটি তাই তার সাথে বার্গেনিং করে 5500 টাকায় বিকাশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিলে কাজটি হয়ে যায়।
আমার মা খালার পাসপোর্ট করতে গিয়ে, আইপি কেনার নাৃে ৩০০০ টাকা ঘুষ দিতে হলো। নয়ত হয়রানির শেষ নাই।
সরকারি ফি ১১৭০ টাকা। কাগজপত্রের হয়রানি করে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে কাজটি করে দেয়।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশ ফোন দিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো বিভিন্ন ডকুমেন্টস আনতে বলে, সেখানে এড্রেস এ কিছুটা মিল না থাকায়, ভ্যারিফিকেশন করবে না বলে। ৮০০০ টাকা দাবি করে।শেস অব্ধি ৫০০০ টাকা দিয়ে ভ্যারিফিকেশন হয়
ইন্টারভিউ তে টিকতে হলে ১০-১৫ লাখ টাকা খরচ করতে হতো। আমার পিএইচডি আছে বিধায় ৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিলো। আমি বলেছিলাম ৫টাকাও দিবোনা। রিটেন এ সর্বোচ্চ মার্ক পেয়েও ভাইভা তে টেকায়নি।
দলিলে নাম ভুল থাকার কারনে জাই, দ্রুত করার জন্য উক্ত অর্থ দাবি করে
ভূমি অফিসে নামজারি করতে গেলে সেখানকার কর্মকর্তা নির্ধারিত ফি এর অতিরিক্ত ১০০০০ টাকা দাবি করেন।
আমার নিজ জেলা থেকে 500 কিলোমিটার দূরে পোস্টিং হওয়ার, ও তিন বছর কর্মরত থাকায় নিজ জেলা বা আশেপাশে জেলায় বদলির জন্য আবেদন করি। আবেদন করে আমার প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ কমর্কতার সাথে দেখা করি। এর পরও বদলি না হওয়ায় আমার এক সহকর্মী যে সদ্য বদলি হয়েছেন তার কাছ থেকে জানতে পারলাম যে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিলে বদলি হওয়া সম্ভব এবং সে টাকার বিনিময়ে বদলি হয়েছেন ।
paid a bribe of 40,000 taka to kushtia housing office staff to facilitate the process of sale permission for an apartment.
বাইকের রেজিষ্ট্রেশন নিজে নিজে করতে চাইলে কত্ত সত্ত ভুল। আর দরবেশ বাবা ধরে টাকা দিয়ে করলে সব সঠিক। কাগজ কিংবা নাম্বার প্লেইট আনার সময় শুধু শুধু এই কাগজ সেই কাগজ বলে পাবলিক হয়রানি । কিন্তু টাকা দিলেই সব সমাদান।
আমি একজন প্রবাসী।২০২২ সালে একবার একজন আয়কর পরিদর্শক আমার বাড়ি পরিদর্শন করতে আসেন।তারপর আমাকে বলেছিলেন—“আপনার বাড়িটি যথাসময়ে আয়কর নথিতে অন্তর্ভুক্ত না করায় এখন আপনাকে অনেক টাকা কর দিতে হবে। তবে আমাদেরকে ১৫ লাখ টাকা দিলে আমি ও উপ-কর কমিশনার মিলে বিষয়টি সমাধান করে দিতে পারি।” আমি তাদের সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করি।কেননা আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা।আমি কর দিয়েই দেশে টাকা প্রেরণ করেছি। এরপরের ইতিহাস অত্যন্ত দুঃখজনক। গত পাঁচ বছর ধরে নানা ধরনের জটিলতা ও হয়রানির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, অথচ বিষয়টির এখনো কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করার পর পে ফিক্সেশন করার জন্য নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষকের নিকট থেকে একযোগে নেওয়া হয়েছে। একাজে সহযোগিতা করছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।
সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা দাবি , রিটেন এক্সাম এ পাস করলে তবেই আবেদন ।
নামজারি খারিজ এর জন্য অনলাইনে নিজে পরিশোধ করে আবেদনের পরেও সে ইউএনও কে ফরোয়ার্ড করতে, খাতায় এন্ট্রি দিতে টাকা দাবি করে ৮০০০ পরে ৫০০০ এ রাজি হয়, আমার জরুরি ছিল বলে আমার সেইটাতেই রাজি হয়ে নেয়া লাগছে। ভূমি অফিসের ঠিকানা- ইউনিয়ন-পাঁকা, থানা-বাগাতিপাড়া, জেলা-নাটোর, বিভাগ-রাজশাহী