Holding tax fixation
প্রথমেই আইন দেখায় যে অনেক ট্যাক্স দিতে হবে, ঘুষ দিলে, তারা আপিল ইত্যাদি করে মিনিমাম ট্যাক্স নির্ধারণ করবে । অর্থাৎ আইনের প্রয়োগ ঘুষ ওপর নির্ভরশীল ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২৩০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রথমেই আইন দেখায় যে অনেক ট্যাক্স দিতে হবে, ঘুষ দিলে, তারা আপিল ইত্যাদি করে মিনিমাম ট্যাক্স নির্ধারণ করবে । অর্থাৎ আইনের প্রয়োগ ঘুষ ওপর নির্ভরশীল ।
আমি ঠাকুরগাও BRTA তে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটর সাইকেলের রেজিস্টেশনের জন্য BRTA এর website থেকে দেখে প্রয়োজনীয় কাগজ সাথে নিযে online এ আবেদন করি। সকল সরকারি ফী জমা দেওয়ার পরে, যখন BRTA এর final approval দেওয়ার কথা, তখন তারা approval না দিয়ে বারে বারে reject করে দেয়। ঠাকুরগাও BRTA সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) ওনার সাথে দেখা করে কথা বললাম। কথা বলে মনে হলো দালাল আর টাকা ছাড়া আসলেই এইসব কাজ অসম্ভব। পরবতীতে আমি একজন ঠাকুরগাও BRTA এর অফিস সহায়ককে ৫ হাজার টাকা দিয়ে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটর সাইকেল রেজিস্টেশনের কাজ শেষ করি। মজার বিষয় টাকা দেওয়ার পরে আমার তেমন কোন কাগজপত্র লাগে নাই।
ড্রাইভার লাইসেন্সের জন্য টাকা দাবী করেছে।।
Officer Claim 5000 for renewal process.
দলিলে সমস্যা বলে [নামজারী করবে না বলেছিলো, টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে গিয়েছিলো।
আমার দাখিলা নিতে ২০টাকার করে ২০০ টাকা নিয়েছিলো, যেটা পরে প্রত্যক্ষ করেছিলাম
ঢাকার নিউরোসাইন্স হাস্পাতালের সব আনসার ঘুষ্কখোর।
নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমি নতুন পাসপোর্ট করতে গেছে আমি নিচে ফরম পূরণ করে, ঢাকা ব্যাংকে টাকা পরিশোধ করে সকল কাগজপত্র নিয়ে যাই, আমার সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল, আমি যখন ফরম জমা দেই, দেওয়ার পরে উনি কাগজ দেখলো তারপর আমাকে বলল আপনার কাগজপত্র ঠিক নাই,আমি তাকে বললাম কোথায় ঠিক নাই কি ঠিক নাই, উনি আমাকে ধমক দিয়ে বলল আপনি এখান থেকে সরেন, পরে আমি সরে গেলাম একটু পরে পিয়ন আশি আমাকে বলল কি সমস্যা হল পরে আমি ওনাকে সব বললাম, আমাকে বলল ৩০০০ টাকা দিলে আপনার আজ হয়ে যাবে। তারপর বাধ্য হয়ে আমি ওনাকে বাড়তি ৩০০০ টাকা দিয়ে গেলাম। অর্থাৎ আমার থেকে তিন হাজার টাকা তারা ঘুষ নিল।
নাম সংশুধনে অনেক আগে অনলাইনে আবেদন করলেও সংশুধন হয়নি । পরে অফিসে যোগাযোগ করলে বলে ২০০০ দেন এখনি করে দিচ্ছি ।দেখলাম মুহূর্তেই করে দিল ।আমার আর্জেন্ট লাগত কিছু করার ছিলো না ।
জমির সরকারি নামজারি খরচ হচ্ছে ১১৭০ টাকা তারা দাবি করছে ৪০ হাজার টাকা। নারায়ণগঞ্জ সদরের ভূমি অফিসে ( খান পুর ) টাকা ছাড়া কোন কাজই হয় না।
সাড়ে ৮ শতক জায়গা খারিজ করার জন্য ছয় মাস ঘোরাঘুরির পর ত্রিশ হাজার টাকা চেয়ে বসে । যেহেতু আমি জমিটি বিক্রি করেছি তাই বাধ্য হয়ে ৩০০০০ টাকার বিনিময়ে খারিজ করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসার কে পরিশোধ করতে বাধ্য হই। খারে ছাড়া আমি জমির ক্রেতাকে রেজিস্ট্রি করে দিতে পারছিলাম না।
সখিপুর উপজেলায় বর্তমানে ভূমি জরিপের কাজ চলমান আছে। জরিপের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা জমি প্রতি ৫০০০৳ ঘুষ দাবি করছে। অনেকেই ঝামেলা এড়াতে ঘুষ দিয়ে হলেও কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। আর যারা ঘুষ দিতে অস্বীকার করছে, তাদেরকে বারবার ফেরত দেওয়া হচ্ছে, বলা হচ্ছে — আজ হবেনা, আগামী সপ্তাহে আসুন, পরের সপ্তাহে গেলে বলছে অমুক সমস্যা এজন্য হচ্ছে না। অথচ পাশের জমির মালিক কাগজ পেলেও ঘুষ দিতে অস্বীকারকারী ব্যক্তি তাঁর কাগজ পাচ্ছেন না। কাগজ চাইলে বলছে — আমাদের সাথে ডিলে আসুন, নচেৎ কাগজ পাবেন না। পরবর্তীতে সমস্যা হবে।
অনলাইনে নিজে থেকেই সব তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট এর আবেদন করেছিলাম।পেমেন্ট ও করেছি। আবেদন ফর্ম পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে উনারা জমা নেন নাই। উনাদের দেখানো কম্পিউটারের দোকান থেকে নতুন করে আবেদন করতে বলেছেন। সেখানে গিয়ে দেখি আবেদন ফি ১৫০০০ টাকা। অথচ অনলাইনে আবেদন করে পেমেন্ট করে দিয়েছি।এখন কি করব বুঝতেছি না। পাবনা পাসপোর্ট অফিস
পন্চগড় থেকে যশোর মহসরক এর বেশ কিছু জায়গায় ট্রাফিক সার্জেন এবং হাইওয়ে পুলিশ বসে। এখন তারা প্রতিটি গাড়িতে সিগন্যাল দিয়ে দাড় করায় এবং গাড়ির কাজ পত্র সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্তেও প্রতিটি গাড়ি থেকে নাস্তা করার কথা বলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা আদায় করে। টাকা না দিলেই অযথা অকারনে মামলা অর্থাৎ কোনো কারণ ছাড়াই মামলা দিক যার কোন যৌক্তিকতা নেই। নাস্তা করার কথা বলে চাঁদাবাজি বা ঘুস আদায় করছে পুলিশ।
সরকারি চাকরিতে ঢুকে নিজের প্রথম বেতন করতে হলে পে ফিক্সেশন করা লাগে। মিষ্টি খাওয়ার টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘোরায়। এছাড়া যেকোনো প্রাপ্য টিএ ডিএ বিল তুলতে গেলেই মোট বিলের ৩-৫% পর্যন্ত দাবী করে। না দিলে হয়রানি।
খাস জমি লীজ নিতে গেলে উপজেলা ভূমি অফিস এ সব ম্যানেজ করে দিবে বলে ৫ লক্ষ টাকা দবী করে।
Uttara High School and College e admission neyar somoy amake 5000 taka bribe dite hoye chilo. It is so pathethic experience for me .
জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করা সাথে আমার ইংলিশ নাম একটা ভুল ছিলো সেটা চেঞ্জ করতে যাবার পরে সে বিভিন্ন উপায়ে আমার কাছ থেকে টাকা নেয়.
ইউনিয়ন পরিষদ অফিস থেকে একটি প্রত্যয়ন পত্র ও দুইটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে ১২০০ টাকা দেওয়া লাগছে এখানকার গ্রাম পুলিশ বলে এটা নাকি ফি
আমার একটি নামজারির জন্য নালিতাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ ৭ দিন ঘুরানোর পরে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর এর মাঝেই হয়ে যাবে বলেছে।টাকা না দিলে যার কাছেই যাই কাজ হবে না বলে জানিয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।