land registration
the main govt fees is under 1,200 BDT. But I had to pay 14,000/= BDT to get the registration job done
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
the main govt fees is under 1,200 BDT. But I had to pay 14,000/= BDT to get the registration job done
Amar akti post e 8 yrs running.generally 3 yrs por por amdr bank e promotion hoy.amr serial agey thakar por o amr 2 yrs por join kora officerder promotion hoye gelo.akti govt.bank e promotion ayvabe konodin hoy ni ja last 1 yrs dhore holo.amr aktai question ami ato service dilam ay bank e tahole bank kno amk viva niye o promotion dilo naa abr rules change kore amr 2 yrs junior der promotion pelo.sunechi protity post e aunek tk r lenden holo.ay amr sonar bangladesh!!!
আমি নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করেছি। কাউকে কোন প্রকার টাকা দিতে হয়নি। ্ওইখানে কিছু দালাল টাইপের লোক থাকে তারা মুলত ভুলভাল বুঝিয়ে টাকা দাবি করে।
একটি মিথ্যা মামলার রিপোর্ট দিবে বলে ঘুষ নেয়
Verification officer of DB police taken 4000 tk. for verification process in the year 2023
আমার প্রতিবেশীর এক মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক। সে একটি ছেলের সাথে পালিয়ে গেছে। পুলিশ তাকে উদ্ধার/খুজে ফিরিয়ে দিবে সে জন্য ১০০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছে। এখন প্রতিবেশী মেয়েকে পাওয়ায় জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে রাজি হয়েছে। এই হচ্ছে আমার দেশের পুলিশের সেবা।
বিদ্যুতের বিদ্যুতের ফলে স্পার্ক হচ্ছিল বিদ্যুৎ হেল্পলানে কল দেওয়ার পরে হাতিয়া বিদ্যুৎ অফিসে ওদের লাইন মেনে বলল আপনারা কয়ট মিটার আমরা বললাম পাঁচজন বলে যে ৮০০ টাকা দিতে হবে তাহলে ঠিক করে দিবা
আমার মা প্রকল্প/প্রজেক্ট এর মাধ্যমে চাকরি তে জয়েন করেন ২০০৮ এ পরবর্তীতে আমার মায়ের সাথে সারা বাংলাদেশে ১০৮০ জন স্টাফ ছিলো, সবাই ১৪টা গ্রুপে ভাগ হয়ে মামলা করে সেই মামলার রায় হয়ে ২০১৯ ডিসেম্বরে সবার চাকুরী সরকারি হয়,, আমার মা 20 সালের শেষের দিকে ব্রেইন স্টোক করে পেরালাইসিস হয় 24সালে চাকুরী হতে সরকার অক্ষমতার পিআরএল মঞ্জুর করেছে,, 25সালের নভেম্বর এ পিআরএল শেষ হয়ে পেনশনের জন্য ডিও অফিস এ মামলার একটা পেপার কম থাকার বিভিন্ন হয়্রানি করে শেষে 25 এর নভেম্বর এর কাজ 26 সালের সেপ্টেম্বর এর 2তারিখ 49হাজার টাকার বিনিময়ে অডিটর সুপার ডিও পেনশন মঞ্জুর করেন।
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছি করে বলে 400 টাাক দেন কি আর বলব।
হাস্পাতাল টিতে আমার আম্মার চিকিৎসা করাতে নিয়ে গেছিলাম।আমাকে পরীক্ষা করানোর জন্য একটি বে সরকারি ডায়গনষ্টিক সেন্টার পাঠানো হয়।আমি সেখানে পরীক্ষা করাই নি টাকা প্রায় ৩০০০৳ লাগত।অই একই পরীক্ষা আমি হাস্পাতাল থেকেই করাই।মাত্র ৭০০৳ খরচ হয়।কিন্তু দুক্ষের বিষয় ডাক্তার রিপোর্ট টাই দেখেনি কারন আমি তার পাঠানো যায়গায় পরীক্ষা করি নাই।
দাবি করা হয়েছিল যে টাকা দেন টাকার সংখ্যা ছিল ২৫০০ টাকা দিলে বিচার হবে তাছাড়া বিচার হবে না
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি কড়ইচূড়া ইউনিয়ন পরিষদে,মাদরগঞ্জ, জামালপুর, সকল তথ্য ঠিক থাকার পরও আমাকে ইউনিয় সচিব নিবন্ধন দিচ্ছে না। দোকানদার বা আশপাশে থাকা দালালরা জানান সেখানে ১৫০০/২০০০ না দিলে দিবে না।সচিব মুখখুলে বলে না। দালাল দিয়ে টাকা নেয়।নিবন্ধন সহজে পাওয়ার জন্য অন্য ইউনিয়নের সচিব দিয়ে রিকুয়েষ্ট করানো হলেও সে তালবাহানা করে বলে নিবন্ধন সে দিবে না।
আমার বাবার মৃত্যুতে আমার মায়ের নামে পেনশন আদেশ সৈয়দপুর পুলিশ সুপার এর কার্যালয় থেকে এনে যারা অফিসের জমা দিলে তখন তারা নিতে চায় না। বলে এভাবে আমরা নেই না । তখন অল্প কিছু টাকা দিলে জমা নেয়। কিন্তু এক মাসের মধ্যেও কোন কাজ করে না কারণ আরও টাকা দাবি করে ৭০০০ টাকা দাবি করলে ৪০০০ টাকা আমরা দেই, শেষে আরো দুই হাজার টাকা দাবি করে কিন্তু দুই হাজার টাকা না দিয়ে ১০০০ টাকা দেই সেজন্য পেনশনের বইটা আটকে রাখছে এখন পর্যন্ত পেনশনের বইটা দেয় নাই একাউন্টে টাকা ঢুকে তাই বেতন তুলতে পারি।
মিজানুর রহমান প্রধান শিক্ষক উত্তর ভংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাদিরাবাদ ক্লাস্টার মাধ্যমে সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম কাদিরাবাদ ক্লাস্টার এবং ভাসানচর ক্লাস্টারের মেরামতের চেকে স্বাক্ষর দেওয়ার সময় ১২৫০০/১৫০০০ টাকা নিয়েছে ২৫ টি বিদ্যালয় থেকে। স্লিপ বরাদ্দ হইতে ৩০০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। প্রাক-প্রাথমিক বরাদ্দ হইতে ১৫০০ টাকা ৫৬ টি বিদ্যালয় থেকে। এছাড়া ২য় প্রান্তিক পরিক্ষার প্রশ্ন ছাফিয়ে প্রতি সেট ১৭ টাকা হারে ৫৬ টি বিদ্যালয় হইতে সকল ছাত্র ছাত্রী মাথাপিছু অথচ বিদ্যালয়ে পরিক্ষায় ফি তোলা হয়নি প্রধান শিক্ষক নিজ বেতন থেকে প্রশ্নের টাকা পরিশোধ করা লাগছে।
খাজনা পরিষদ করার জন্য গিয়েছিলাম আমার খতিয়ানে যে পরিমাণ জায়গা আছে ওই পরিমাণ কাজ না আসে এক ১হাজার টাকা আমার থেকে ৪ হাজার টাকা দাবি করে না হলে এক সপ্তাহ পরে আসেন এমন করে ঘুরাতে থাকে
খুলনা মেডিকেলের ওয়ার্ড বয় সিস্টার আর ডাক্তার এদের ব্যবহার খুবই খারাপ
গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধে জটিলতায় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন প্রনয়নে বিলম্বিত করে। আমি প্রত্যাখান করায় দীর্ঘ ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে। উল্লেখ্য আমার গ্র্যাচুইটি ও পেনশন পরিশোধের জন্য কর্তৃপক্ষ অফিস আদেশ জারী করে। তারপরও কর্তৃপক্ষের আভ্যন্তরীন নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ সম্পুর্ন অযৌক্তিক আপওি অর্থাৎ বিভাগীয় বদলী সংক্রান্ত বিষয়ে আপওি দেয় এবং ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে মর্মে কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি ১৭ মাস পর প্রতিবেদন দাখিল করে এবং কোন সুস্পষ্ট সুপারিশ করে নাই। দীর্ঘ ২ বছর ৫ মাসের অধিক সময় আমি পাওনা পাইনি। প্রাপ্ত তথ্যের ভিওিতে আমি সকল দাপ্তরিক প্রমানক সহ কর্তৃপক্ষের নিকট এপর্যন্ত ৮টি আবেদন করেছি(সর্বশেষ ২৪.৮.২৬) ministry তেও জানিয়েছি। কমিটির আহবায়ক ইতোমধ্যে বদলী হয়েছেন।
গত ৩/৪ মাস আগে। আমি আমার এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের যাই। আমার বয়স সংশদন করার জন্য। ঐ খানে যে সচিব দায়িত্ব ছিলো ওনি বলতাছে হবে না।তখন আমি ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারট কাছে যাই। ওনি আমাকে বলতেছে ৫ হাজার টাকা দিলে করে দিবে সময় লাগবে ৭দিন। আমি তখন ওনাকে টাকা প্রধান করে। উক্ত কাজটি করে নি।
খুরশিদ মহল জুনিয়র হাই স্কুল, গফরগাও একটি নাম মাত্র স্কুল, একটি টিনের ঘর বানিয়ে এমপিওভুক্ত করে নামমাত্র স্কুল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি টাকা খাচ্ছে। স্কুল কমিটি করে, শিক্ষক মহল মিলে সিন্ডিকেট করে নতুন শিক্ষক এনটিআরসি নিয়োগ দিলেও তারা সবাই মিলে টাকা খায়।
এমপিও ভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলের নতুন এমপিও ভুক্ত করার জন্য ফাইল উপজেলায় পাঠানোর জন্য টাকা দিতে হবে। না দিলে ফাইল ছাড়া হবে না। দিতে বাধ্য হয়েছি।না দিলে আমার ফাইল ডান হবে না আর বেতনও হবে না,এখানে নিরুপায়।কিভাবে এর সাথে লড়াই করবো।