ট্যাক্স ফাইল অডিটে পড়েছিল
ট্যাক্স সার্কেল থেকে ফোন দিয়ে জানাল ফাইলে অডিটে পড়েছে কিছু ডকুমেন্টস মিসিং। ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পর বলা হল তারা বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট জমা দিবে, এছাড়া প্রতিটি অডিটে সার্কেলের একটা দাবী বা চাহিদা আছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,২১৫ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ট্যাক্স সার্কেল থেকে ফোন দিয়ে জানাল ফাইলে অডিটে পড়েছে কিছু ডকুমেন্টস মিসিং। ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পর বলা হল তারা বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট জমা দিবে, এছাড়া প্রতিটি অডিটে সার্কেলের একটা দাবী বা চাহিদা আছে।
ঢাকা, মিরপুর-১, শাহআলী/সাইনপুকুর এলাকায় অবস্থিত মানসী লেকভিউ কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিঃ-এর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অত্যন্ত গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের কাছে প্রাপ্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী অভিযোগ রয়েছে যে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা একটি নির্দিষ্ট পক্ষ—আজমল গ্রুপকে সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে প্রায় ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা গ্রহণ করেছেন। আরও অভিযোগ রয়েছে যে, হাবিব গ্রুপের কাছেও সমপরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে এবং অর্থ প্রদান না করলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আজমল গ্রুপকে বিজয়ী করার ব্যবস্থা করা হবে—এমন বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। অভিযোগগুলো সত্য হলে এটি শুধু ঘুষ বা দুর্নীতির ঘটনা নয়; বরং একটি সমবায় সমিতির নিরপেক্ষ নির্বাচন, সদস্যদের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সমব
হোল্ডিং ট্যাক্স বেশি করে বিল বানায় পরে কমিয়ে দেবে।
আমি আমার বাচ্চা মেয়ের জন্য নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করে আবেদন কপি উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ এ আইটি সেকশনে জমা দিলে আমাকে ৫০৳ এর একটা রিসিপ্ট ধরিয়ে দেয় কিন্তু বলে ১৫০৳টাকা দিতে। দেওয়ার পর একই ব্যাক্তি তার পাশের ডেস্কের ব্যক্তিকে দিয়ে দেয় এবং এটা কোথাও নথিভুক্ত হয়নি। আমাকে দেওয়া রশিধের বাইরের ১০০ টাকাই নগদে মেরে দেয় আমার সামনে। এমনভাবে বলে এবং এতো কাজের ব্যস্ততা দেখায় যেন তাদের কাছে আমাদের এসবের কোনোই মূল্য নেই। অনেকেই দেখছি এসব মূল্যবান কাগজ নিতে এসে এরকম রশিদের বাইরে দাবী করা টাকা কিছু না বলেই নিজ প্রয়োজনের কথা ভেবে দিয়ে দেয়। কিন্তু এটা তো সম্পূর্ণই ইলিগ্যাল।
জমির শ্রেনীর নাম উত্তোলনের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করার পর তা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসে নায়েব এর রিপোর্ট এর জন্য। এক মাস সেখানে পড়ে থাকে আবেদন।তারপর আমরা গেলে, তখন সেখানে তারা ৩০০০ টাকা দাবি করে এবং আমরা ২০০০ টাকা পরিশোধ করি। পরবর্তীতে উপজেলা সার্ভেয়ার এর অফিসে যায় রিপোর্টএর জন্য সেখানে প্রায় ১.৫ বছর আবেদন টা আটকে রাখে এবং অনেকবার টাকা খায়। কখনো ৫০০ কখনো ১০০০ এভাবে টাকা নিত কিন্তু কাজ করে দেয়নি। বহুবার এসিল্যান্ড এর সাথে কথা বলেছি উনারা বলতেন হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত একজন মেম্বার কে সাথে নিয়ে কয়েক মাস লাগিয়ে আবেদন টা আবার জেলা প্রশাসক অফিসে পাটাতে সমর্থ হয়।
some dishonest court staff in District and Sessions Judge court, Madaripur have approached us demanding a bribe in exchange for proceeding with the case properly.My mother went to the court with her illness situation for knowing the condition of the case. The stuffs told her not to come today and come tomorrow. She was going to the court for 6 times. They show many excuses and told her come tomorrow again and again. In this way, my sicked mother is suffering a lot by their activities. And lastly on Wednesday (19.02.2025), they wanted 10000( ten thousand ) taka as bribe otherwise the files will be kept in Almirah and the order of Honorable high court will never be proceeded to the forward.
যে কোন সাব রেজিষ্ট্র অফিসে বন্টন নামার জন্য সর্বোচ্চ সরকারি ফি বা খরচ ২০০০-২৫০০ টাকা হয়ে থাকে। কিন্তু বন্টন নামা রেজিষ্ট্রি করতে ১০০০০০ টাকার উপরে নিয়ে থাকে। আমার এক গ্রাহক যশোর সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে বন্টননামা করতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করে।
আদালদের আদেশ লিখা সেরেস্তাদারে কাজ। কিন্তু চট্টগ্রামের ৩য় সিনিয়র সিভিল জজের সেরেস্তাদার আদেশ লিখার জন্য ৫০০ টাকা দাবী করে, আমি টাকা না দিলে উনি আদেশ না লিখে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা ঘুষ প্রদান করি।
বাবার আয় সনদ ছিলো যাহার জন্য চেয়েছিলো
TA DA ভ্রাতা মঞ্জুরীর জন্য অডিট অফিসে লাগবে বলে মোট বিলের ৫% টাকা ক্যাশ রাখে লোকাল অফিস।
জন্মনিবন্ধনের জন্য ৩০০ টাকা দাবি করে,সরকারি ফি ৫০ টাকা।নাদিলে কাজ হবে না,তাই বাধ্যহয়ে ৩০০ টাকা দিতে হলো।
২০২২ সালে আমার অস্ত্রটি বাসা থেকে চুরি হয়ে যায়. মামলা করার পর চোরদের কে পাকড়াও করা হয়. কোর্ট ২০২৫ সনে চোরদের খালাস দেয়. অস্ত্র না থাকার কারণে তিন বছর লাইসেন্স নবায়ন করতে পারিনি. মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর নবায়ন করতে আবেদন করলে, ডিসি অফিস গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তদন্তের জন্য পাঠান. তদন্তটি গত মার্চ মাসে শ্রীনগর থানায় যায়. থানায় যোগাযোগ করলে আজ আসেন কাল আসেন করতে করতে এই পযর্ন্ত.
আবেদন করি এসিল্যান্ড বাতিল করে দেয়।পরবর্তীতে এসিল্যান্ড এর সাথে দেখা করি কিন্তু উনি তহসিলদারকে দেখিয়ে দেন।বাতিল হওয়ার ভয় দেখায় তফসিল অফিস থেকে তাই দেই।
বাইকের কাগজ বানাতে দুই থেকে তিনবার ঘুরানো হয় আমাকে সব ফাইল ঠিক থাকার পরেও উনি বলতেছে যে বুঝনা হবে না কেন পরে আমি বললাম কি করতে হবে পরে ৫০০ দিতে চাইলাম নিল না যেহেতু এর আগেও আমি আরো দুইবার এসে ঘুরে গিয়েছি তাই এবার আশা করে এসেছিলাম যেভাবেই হোক কাগজটা নিয়ে যাব যে তো আসা যাওয়া অনেক খরচ আমার জন্য পরে এক হাজার টাকা দিলাম পরে সাইন করে দিল এবং কনফার্ম হল
পাসপোর্ট এর ছবি এবং ফিনগারপ্রিন্ট দিতে গিয়ে তারা বিভিন্ন নিয়ম দেখিয়ে বলতেছিলো আজকে হবেনা। টাকা দেয়ার পরে আর কিছুই লাগেনি সরাসরি হয়ে গেলো।
Hgayrejv hfjiufb kkiut
ড্রাইভিং না জানা ব্যক্তিদের। টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এতে দেশে রোড এক্সিডেন্ট এর মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
আমি স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত। ২০২২ সালে উচ্চতর শিক্ষার উদ্দেশ্যে ডেপুটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম যার জন্য সিভিল সার্জন এর ফরওয়ার্ডিং লাগে। কোন ঘুষ না দেওয়ায় ততকালীন নওগাঁ সিভিল সার্জন এর প্রধান সহকারী (অফিসে এদের বলে বড়বাবু) বিভিন্ন বাহানায় ১ মাস লাগিয়েছে। যেটা কয়েক মিনিটের কাজ। পরে জানতে পারি তাকে ৫০০টাকা দিতে হয়।
আমার বাবা একটি জমি কেনার পর সেই জমির খাজনা পরিশোধ করেন বলে তিনি জানান কিন্তু কোন কারন বসোত সেই কাগজ পত্র গুলো কোনভাবে খুজে পাওয়া জাচ্ছিল না এবং জমির খাজনাও হালনাগাদ করা জাচ্ছিল না. এভাবে একটি বড় গ্যাপ তৈরি হয়ে জাচ্ছিল. এর দরুন বাসায় বিদ্যুতের লোড বৃদ্ধির জন্য খাজনার হালনাগাদ কাগজের প্রয়োজন পরে. আমি জখন ভূমি অফিসে আমার এই সমস্যার কথা জানাই তখন সেখানকার কর্মকর্তা জানান আমার নাকি এক লক্ষ টাকার মতো খাজনা বকে পরে গেছে. আমি তখন এর বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি ব্যবস্ততার কারন দেখিয়ে আমাকে ফেরত দিয়ে দেন. এভাবে কিছুদিন ঘোরা ঘরি করার পর সেই অফিসের এক কর্মচারির কাছে আমার সমস্যাটি খুলে বলি এবং তিনি তখন একটি সমাধান দেন. তিনি তখন কাজটি করে দিবেন বলে কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা চান.
আমার এখনো আইডি কার্ড হয়নি,তো আমি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছি, তারপর আমি বললাম আমার আইডি কার্ড জুতো তৈরি করে দিতে পারতেন তাহলে অনেক উপকার হতো,তারপর আমার কাছে কাগজপত্র গুলি জমা নিল, তারপর বলল তোমার যদি আইডি কার্ড খুব দ্রুত প্রয়োজন পড়ে তাহলে সাত দিনের ভেতর আইডি কার্ড তৈরি করে দেওয়া যাবে, কিন্তু এর জন্য ২০০০ টাকা লাগবে, আর যদি দ্রুত প্রয়োজন না হয় তাহলে টাকা দিও না সমস্যা নাই, কিন্তু এর জন্য সময় লাগবে কমপক্ষে ৬ মাস থেকে এক বছর