Biyer kabin online appostil
Saudi family Anar jonno kabin nama online Korte hoy. Kaji 2000 takar binimoye kajta koreche
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Saudi family Anar jonno kabin nama online Korte hoy. Kaji 2000 takar binimoye kajta koreche
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য আমার কাছে কর অফিস অতিরিক্ত ৪০,০০০/- টাকা চাই।অনেকদিন ঘুরা ঘুরির পর অতিরিক্ত টাকা দিয়ে আমি লাইসেন্স নবায়ন করে নিয়েছি
আমি ঢাকা যাওয়ার জন্য রেল ষ্টেশনে টিকিট নিতে গিয়েছি, ওনারা বলে টিকিট নাই, কিছুখন পরে দেখি একজন টিকিট বিক্রি করতেছে, শোভন চেয়ার ৯০০ টাকা করে, ৫০০ টাকার টিকিট ৯০০ টাকা, বাধ্য হয়ে ২টা টিকিট আঠারশ টাকা দিয়ে নিলাম।
ami ajke (Thursday) amar NID korar jonno city corporation e nagorik shonod er jonno jai. 5th floor e shonod dey. shekhane giye oi floor er daroan ke boli je ami nagorik shonod nite chai. tarpor uni amar shob required papers gulo check kore and bole," kagoj-pati to shob thik ase, ekhon shonod er jonno ki kono taka anso?" ami bollam,"koto taka?" uni bole," 1000tk lagbe" pore ami bollam nagorik shonod newar jonno to kono taka lage na.. tarpor uni bollo,"accha tumi bosho,ektu pore tomake dak dibo." tarpor pray adha ghontar moto boshe chilam... tarpor shei daroan eshe bole," sir to ekhon chole gese, tumi Robibar (Sunday) e abai aisho." pore ami chole ashchi shekhan theke.
আমার পরিচিত একটি কভার্ড ভ্যান কে একটি ড্রাম ট্রাক উল্টোদিক থেকে আসার ফলে কভার্ড ভ্যান এর সহিত ধাক্কা খায়; ইনসুরেন্সের ক্ষতি পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করা লাগবে; যথারীতি ১্৩০ এ থানায় আমরা সবাই গেলাম; আমি ইনসুরেন্সের হয়ে আর বাকিরা প্রতিষ্ঠাননের গাড়ির মালিকে পক্ষে ; উনারা অফিসারকে ঘটনা খুলে বললেন; অফিসার শুধু কথা পেঁচাচ্ছে আর প্রতিষ্ঠান এর গাড়ির মালিককে আসতে হবে জিডি করার জন্য ; তখন আমি গিয়ে বললাম ; আমরা তো এমন অনেক জিডি পাই; সেখানে তো গাড়ির মালিক বা মালহকের পক্ষে অনেককেই জিডি করতে দেখেছি ; তাহলে এটা হবে না কেন; তারা শুধুই কথা পেঁচাচ্ছে ; গাড়ির মালিকের লোকজন সকল কাগজপত্র এনেছেন ; তবুও তারা বলছে মালিককে আসতেই হবে; পরে তারা টিআইকে ফোন করলো; পরে বাহিরে কি আলাপ হলো জানিনা; আমি থানায়ই বসে আছ
আমি বাইক চালাচ্ছি। আমার কাছে হ্যামেট ছিল না এবং লাইসেন্স ছিল তাই আমাকে একজন পুলিশ দার করায় এবং তিনি চলে যান এবং ৩ হাজার টাকার মামলা দেওয়ার হুকি দেয়। আমাকে ভয় দেখায় যে তিনি আমাকে মামলা দিবেন বাইক পুলিসশ স্টেশনে নিয়ে যাবে। কিছুক্ষণ পরে অন্য ট্রাফিক পলিশ আছে এবং আমার কাছ থেকল ২৫০০ টাকা দাবি করে করে। আর বলে যদি ২৫০০ টাকা দিই গাহলে তাহলে একটা ছোট মামলা দিয়ে এই মূহুর্তেই বাইক ছেড়ে। এর মানে কোনো কাগজে কলমে মামলা দিবে না কোনো স্টেশনে যাওয়া লাগবে না। চুধু নগদে তাদেরকে ২৫০০ টাকা দিলেই তারা আমাকে ছেড়ে দিবে। আমার কাছে একটাও ছিল না তাই ওরা আমাকে অনেক হয়রানি করায়। অনেকক্ষন পরে আমাকে ছেড়ে দেয়। কোনো টাকা নেয় না কোনো মামলা করে না।
আমাদের জেলার অধিকাংশ ছেলে পাসপোর্ট করে, নিজে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে অফিসে যাই, লম্বা লাইন প্রায় 100, থেকে 150 লোক শেষ করে চেকিংয়ে গেলাম সেখানে তারা বলে ভেরিফাই নাই , এটা বলে রাগারাগী শুরু করে দেয় পরবর্তীতে আমি কথা বলার সুযোগ পাইনি, বাইরে গিয়ে মানুষের সাথে শেয়ার করি, পরবর্তীতে তারা বলে একজন ধরে তারপরে জান, দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে, একজনে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে, আমি তাকে ২০০০ টাকা দেই, আবেদন ফরমে একটি চিহ্ন দেয়, পরবর্তীতে আমার কোন সমস্যা হয় না, কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেশন করার সময়, আমার কাছে এক হাজার টাকা দাবি করে, অথচ সরকারি নিয়ম ে ভেরিফিকেশনে কোন টাকা দেওয়ার কথা নাই, সাথে এটাও আছে পুলিশ বাসায় গিয়ে ভেরিফিকেশন করবে, কিন্তু তা করেনি,
প্রতারক চক্রের হাতে আমার ৪০ হাজার টাকা বিকাশ থেকে নিয়ে গেছে এই জন্য থানায় জিডি করতে গেলে তারা বলে এই জিডি করে লাভ নাই এটা এখানেই পড়ে থাকবে আপনি জদি আমাদের ২০ হাজার টাকা না দেন তাহলে আরো বলেন যে পুলিশের কাছে ১ টাকা উদ্ধার করতে ২ টাকা খরচ করতে হয় জানেন না নাকি?
জামিনের ফাইল প্রসেস করাতে ৫০০০ টাকা দিয়েছিলাম।
আমি আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছিলাম হঠাৎ একদিন পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বললেন যে আপনার আবেদন পত্রে বাসার নাম্বার উল্লেখ নাই আমি বললাম কিভাবে সংশোধন করা যায় সাথে সাথে আমাকে বললেন ৬০ ফিট সংলগ্ন মনিপুর স্কুলের সামনে আসতে যাওয়ার পরে উনি আমার কাছে তিন হাজার টাকা দাবি করেন কিন্তু অনেক রিকোয়েস্টের পর দুই হাজার টাকা তে রাজি হন। অথচ পাসপোর্ট এর আবেদন করার জন্য যে আবেদন ফরম পূরণ করতে হয় সেখানে বাসার নাম্বার চাওয়ার কোন অপশন ছিল না।
ঘুষ নিয়ে টাকা খেয়ে ও কাজ করে না। পুরো অফিস একটা চেইন অফ কমান্ডে চলে। এই সিন্ডিকেট বাইরে কাজ করা সম্ভব না। ওনাদের আচার ব্যবহার খুবই খারাপ আপনাকে ইচ্ছে করে ভোগান্তি ফেলবে। উপর থেকে চাপ প্রয়োগ করলেও কাজ আদায় করা যায় না। একটা নামজারি করার জন্য মিনিমাম ৫০ হাজার টাকা নেই।
২০২০ সালে পাঁসপোর্ট এর জন্য ৫ বার পাসপোর্ট অফিসে গেছি। হেই না তেই নাই বলে বলে ঘুরে দিছে। অবশেষে ১২০০ টাকা ঘুষ দিয়ে পার্সপোর্ট করে নিছি।
Wanted to do a registration of the flat, but the person I reached out asked for 45,000 BDT. I paid him but there was no work, just gave only piece of paper. Side by Side, he was blaming me that paperwork was incorrect.
Surveyor, office assistance, Clark Tahshildar office, still I didn't receive it. Feel frustrated and humiliated by the AC land, DC office.
ভৈরব ভূমি অফিসের সার্বেয়ার খায়ের সাহেব। যিনি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেন না এমনকি তিনি অফিস কক্ষে বসে সি সি ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে ঘুষ দাবি করেন এবং গ্রহন করে থাকেন। তাকে টাকা না দিয়ে কোন ভাবেই ফাইল আপডেট করা যায় নি, তাই বাধ্য হয়ে তার দাবিকৃত টাকা দিয়ে নাম জারি করতে হয়েছিল।
প্রতি মাসে ব্যাবসায়ীদের থেকে ভ্যাটের কাগজ সত্যায়িত করার জন্য ১০০০ টাকা দাবী করে। যা দিতে সকলেই বাধ্য।
দলিল করতে গিয়েছিলাম সেখানে তিন সার্টিফিকেটের জন্য দলিল আটকিয়ে দিয়েছে
আমি আমার জায়গার ভূমি উন্নয়ন কর এর জন্য আবেদন করেছি ৮ জুলাই ২০২৬ । সেটা ভূমি অফিস থেকে অনুমোদন দিতে হয় । আগে আমি কর দিতাম ভূমি অফিসের সরাসরি গিয়ে । কিন্তু এখন অনলাইন সহজে সহজে দেওয়া যায় শুনে আমি অনলাইন এ আবেদন করলাম প্রয়োজনীয় সব কাগজ পত্র দিয়ে । অফিসে গিয়ে বলে আসার পরেও ওরা অনুমোদন দিচ্ছে না । এখন ঠিকেই অফিসে গিয়ে ওদের মাধ্যমে বেশি টাকা দিয়ে করতে হবে কাজ ।
Every month tax return we need to pay ghush for approval although we are paying correct vat
গাড়ির স্পিরিট ৮০ জাগায় 82 ছিল তিনি মামলা করতে পারতেন এরকম সবার কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে গাড়িগুলো ছেড়ে দেয়, এবং এগুলো হাই ও পুলিশ সবাই ভাগ করে নেয়